জীবনের যত ভালোবাসা এবং ছ্যাকা...
৭৮ সালের কথা। আমি তখন চাঁদপুর খলিশাঢুলী প্রাইমারি স্কুলের ৪ ক্লাসের ছাত্র। ক্লাসের জোছনার (বেদের মেয়ে 'জোছনা' নয়) প্রেমে পড়লাম। সেই আমার প্রথম প্রেম। জোছনাকে লেখা চিঠি জামার বুক পকেটে রেখেছি, পরদিন তাকে দেব বলে। একটু পর পর হাত দিয়ে দেখছি-চিঠিটা আছে কি না ! বড় ভাইয়ের চোখ পড়লো একসময়। অত:পর পকেট থেকে চিঠি উদ্ধার এবং ধোলাই...প্রেম বলে পালাই পালাই..
৮৪ সাল। সবে মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছি। নারায়ণগন্জ ড্রেজার কলোনীতে থাকি। বাবার বন্ধুর মেয়ে- মিল্কী। ৮ ক্লাসের ছাত্রী। ওর সাথে তখন আমার ফাটাফাটি প্রেম। মাস তিনেক পর রেজাল্ট হলো। নারায়ণগন্জ তোলারাম কলেজে ভর্তি হলাম। মিল্কীর মোহ কেটে গেল। বোনের বান্ধবীর ছোটবোন পারভীন(ও এখন কানাডায়)-এর সাথে হেভি ভাব। হায় কপাল! মাত্র মাস সাতেকের মাথায় বাবার বদলী। আমরা নারায়ণগন্জ ছাড়লাম। পেছনে পড়ে রইলো পারভীন, মিল্কীরা...
৮৫ সালে আমরা ফেণীতে। ছোট বোনের বান্ধবী কলোনীর মেয়ে মুন্নী আমার নতুন প্রেমিকা। মুন্নীর বিষয়টা একটু ভিন্ন ইতিহাস। বন্ধু শওকতের জন্য প্রস্তাব নিয়ে গেছি- মুন্নীর কাছে। সব শুনে গজগজ করে ও যা বললো, তাতে আমার আক্কেল গুড়ুম। " আমি পছন্দ করি ওনাকে, আর উনি প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন বন্ধুর জন্য...।"
অতঃপর আমাদের প্রেম হলো আর সে ঘটনা শুনে শওকত প্রচন্ড ক্ষোভ নিয়ে আমাকে বললো- তোস্ত তুই একটা বেঈমান।
মুন্নী পর্ব চলেছে ম্যালাদিন। বাসা থেকে মার ছাড়া সবই জুটেছে কপালে। ওকে পাঠিয়ে দিলো গ্রামের বাড়ী বি বাড়িয়াতে। আর আমি চলে এলাম ঢাকায়। চিঠিতে যোগাযোগ ছিল আমাদের। ৫/৬ মাস পর একদিন ওর চিঠি পেলাম- পরশু আমার বিয়ে, আমাকে এসে নিয়ে যাও... চিঠি পাবার ৮ দিন আগেই সেই 'পরশু' দিন পার হয়ে গেছে...
৮৬ সালের শেষ নাগাদ ছিল মুন্নী পর্ব। ৮৭ সালটা আমার পুরো দেবদাস স্টাইলে কেটেছে...। নারী জাতীর কারো প্রতিই আগ্রহ ছিল না। সারাদিন ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা, দেশজুড়ে ঘুরাঘুরি এসব করেই দিন যেত। এর মাঝে দৈনিক / সাপ্তাহিকে টুকটাক লেখাজোকা চলতে থাকলো।
৮৮ সালে পরিচয় হল বড় ভাইয়ের বন্ধুর বোন জ্যাকি'র সাথে। কুষ্টিয়ার মেয়ে ছিল সে। ওদের বাসা শাহজাহানপুরে। ফার্মগেট থেকে শাহজাহানপুর যাওয়া ছিল আমার নিত্যদিনের রুটিন। একবার ও একা বাড়ী যাবে। আমাকে বললো, কমলাপুর বিআরটিসি বাস পর্যন্ত এগিয়ে দিতে। আমি ২ টা টিকেট কেটে চলে গেলাম ওর সাথে। ও যতই না না করছিল- ততই ওর চেহারায় খুশি ঝলকাচ্ছিল। সেই প্রথম আমার কুষ্টিয়ায় যাওয়া। কুষ্টিয়া থেকে কুমারখালী, তারপর মধুপুর (কতদুর আর কতদুর, প্রেমেরই সেই মধুপুর)...। সে কি ভোলা যায়...!!!
৮৯ সালে আচমকা একদিন খবর পেলাম, জ্যাকিকে জোর করে ওর বড় ভাইয়েরা জনৈক মেজরের সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে ??? হায় কপাল !!!
আর কোন প্রেম-ট্রেম নয়, মনে মনে প্রতিজ্ঞা করি আমি। ৮৯ সালটা প্রেমমুক্ত জীবন যাপন করি। মাঝে মাঝে বুকের ডাইনে / বায়ে চিন চিন ব্যথা করতো। ব্যথা নিয়েই ৯১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কাটিয়ে দেই। ১৫ তারিখ পিকনিকে যাই-রাজেন্দ্রপুর। বাসের মধ্যেই মেয়েটার প্রেমে পড়ে যাই আমি। কালো, ভয়ংকর সুইট, ইয়া লম্বা চূল... উদাসী হয়ে যাই আমি। মেয়েটার নাম জানলাম - অনামিকা...
৯১ থেকে ৯৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ছিল- অনামিকা অধ্যায়। ৯১ সালের মাঝামাঝি ঢাকা ছাড়ি চাকুরী নিয়ে। হপ্তায় ২/৩টি চিঠি আর প্রতি বিষ্যুদবার রাতে ঢাকায় আসা ছিল রুটিন। শুক্কুরবার ছিল আমাদের ডেটিং ডে। সেকালে ডেটিং-এর জন্য সিনেমা হল ছিল উৎকৃষ্ট স্থান। কত যে বাংলা সিনেমা দেখেছি...। তিনি ছিলেন আবার বাংলা সিনেমার ভয়ানক ভক্ত। সিনেমা হল নিরাপদ ভেবে ঢুকেছি, আর শ্বশুরের মেয়ে দিব্যি মনযোগ দিয়ে ছবি দেখছে। শালার কপাল...
৯৪ সালের আগস্ট মাসে এসে হঠাৎ অনামিকার মনে হল, " সে যে ছেলেটির সাথে প্রেম করছে- ২/১ বছরের মধ্যে যাকে বিয়ে করবে- সেই ছেলেটির কী আছে (এখানে কী আছে বলতে অর্থ-বিত্তকে বুঝানো হয়েছে)? নিদেনপক্ষে ঢাকা শহরে একটা বাড়ীও নেই ! " এই বিষয়টা তার মনে সংশয় তৈরী করল। আমার সাথে দেখা / যোগাযোগ করা বন্ধ করে দিল। চিঠি লিখছি (তখন মোবাইল এভেলেবল ছিল না), বন্ধুদের পাঠাচ্ছি- সে পাত্তাই দিচ্ছেনা। বাধ্য হয়ে তার বড় বোনের সাথে দেখা করলাম (তিনি আমাদের বিষয়টা জানতেন)। তার উত্তর শুনে আমার আক্কেল-গুড়ুম! বললেন," এটা আপনাদের ব্যাপার। তাছাড়া অনামিকা যদি আপনার সাথে যোগাযোগ না করতে চায়, আমার কী করার আছে ?? " সব শুনে আমারও জিদ চেপে গেল। এবার আমি যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম। সে কী ভয়ানক দিনগুলো গেছে ! কাজে অমনযোগীতার জন্য আমাকে বদলী করে হেড অফিসে নিয়ে আসা হল। আমি তখন স্কয়ারে।
৯৫ এর বইমেলায় আমাদের একটা স্টল ছিল। শুধু হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের দোকান। নাম-'কোথাও কেউ নেই'। কোন এক ছুটির দিনে দুপুরের দিকে দোকানে বসে আছি। মেলায় লোকজন কম। ২/৩টি মেয়ে এলো দোকানে। ছটফটে টাইপের একজন বললো-
' ভাইয়া কেমন আছেন ? চিনতে পারছেন ? '
আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছিলাম না। আমার দৃষ্টি ওদের তিন জনের এক জনের দিকে...। চেহারাটা বেশ পরিচিত। কিছুতেই মনে করতে পারছিনা... অথচ আমি তাকে চিনি....। চট করে মনে পড়লো। আরে, এতো সেই মেয়ে...ছোট বোনের বান্ধবী। যার সাথে দেখা নেই প্রায় ১১ বছর...!!!
৭৭ সাল থেকে ৮৪ সাল পর্যন্ত একসাথে ছিলাম আমরা। না'গন্জ ড্রেজার কলোনীতে। মেয়েটাকে আমার বড় বোন পড়াতো। ও তখন ৫ ক্লাসের ছাত্রী। আর আমি মেট্রিকে।
তার চেহারার সাথে আমার অসম্ভব প্রিয় অভিনেত্রী সুবর্ণার চেহারার মিল ছিল বলে আমরা ওকে 'পিচ্চি সুবর্ণা' বলে ডাকতাম। আমার মা ওর মাকে বলেছিলেন, 'আপনাদের মেয়েকে আমার ছেলের বৌ বানাবো।' সে কতকাল আগের কথা...।
আমি বইমেলায় আমাদের দোকানের সামনে উপস্থিত ৩ বালিকার দিকে এগিয়ে গিয়ে বললাম- ' আপনি...মানে...তুমি মনু না ?'
বেচারী হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়লো শুধু। ছটফট বান্ধবী বললো-
'আর আমি ?'
'তুমি নির্ঘাত শিউলী ?'
তৃতীয়জন বললো- 'আমাকে আপনি চিনবেন না, আমার নাম রুনু। আমি মনুর বান্ধবী।'
এরমধ্যে শুনে অবাক হলাম, পিচ্চি সুবর্ণা ঢাকা ভার্সিটিতে এম এ ক্লাসে পড়ছে।
বাসায় এসে ভাই-বোনদের বিষয়টা জানালাম। আমার ছোট দুই ভাই-বোন মহা ফাজিল (ইনফেক্ট বড় ভাই ছাড়া আমার বাকী সব ভাই-বোনেরাই ফাজিল)। ৭ দিনের মাথায় ছোট দুই ভাই-বোন গিয়ে না'গন্জ হাজির। মনুদের বাসায় গিয়ে ওর মাকে বললো-'খালাম্মা আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে, আম্মা বলেছিলেন-আপনার মেয়েকে আমাদের ঘরের বৌ বানাবে। আমরা মেজদার জন্য মেয়ে খুঁজছি। আপনার বড় মেয়েকে আমাদের পছন্দ। আপনি বললে- আমরা মুরুব্বীদের পাঠাবো।'
এভাবেই একদিন আমাদের বিয়ে হয়ে যায়। মা-হীন আমাদের পুরো পরিবার তখন কুমিল্লায়। আর আমি শ্রীমংগলে। আমাদের বিয়ে হয়- নভেম্বর ১, ১৯৯৬, শুক্কুরবার। এখন মনু আমার বৌ। 'রোদ্দুর'-এর মা।
দ্বিতীয়বারের মত প্রকাশিত...





কপাল আপেনের ...
কপাল একা আমার না, সবতেরই আছে.... কেউ কয়, কেউ বউয়ের ডরে কয় না....
৮৭ সাল ছাড়া আর সব বছরেই আপনে তাইলে lUl ছিলেন?
আর আপনের কপালতো বিশাল সেইটা টুটুল না কইলেও বুঝন যায়...
হায় হায়, কন কী ? খালী আমার কপালডাই দেখলেন ? অন্যগো কপাল দেখলেন্না ??
অন্যগোটাও দেখি, নিজেরটাও দেখি...কিন্তু কপালের কারিগরি-কারিকুরি জানি খালি আপনেরটার...
এরম নিঃসংকোচে নিজের প্রেমসমগ্র দেওনের লেইগা আপনেরে ধন্যবাদ...(আপনের কাছে ট্রেনিং লওনের আকাঙ্খা আছে বইলা একটু তেলও দিলাম)
সেদিন না কারে বলছিলেন ১২বছর বর্শী বাইয়া তবে ভাবী হাসিল হইছে?... কিন্তু এখানে তো সাতঘাটের কথা বর্ণনা করা হইছে!!!
লেখা পড়ে মনে আসছে একটা কথা... মনা, তবে যেই দড়ি সেই খুটাতেই ফিরত আসছো!!
হ রে বইন, সাতঘাট ঘুইরা শেষে প্রথম ঘাটে...
হ কপালই বটে।
কালো, ভয়ংকর সুইট...এই অভীধায় চমকাইলাম...কালোর পরে ভয়ংকর নাকি সুইটের আগে ভয়ংকর সেইটা বুঝতে সময় লাগছে...
কালোর পরে ভয়ঙ্কর...
৮৪ সাল। সবে মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছি
পাক্কা কুড়ি বছরের ব্যবধান।
এটা ভুইলা মন্তব্য এর পরের পার্ট পইড়েন ;)
পরশু আমার বিয়ে, আমাকে এসে নিয়ে যাও... চিঠি পাবার ৮ দিন আগেই সেই 'পরশু' দিন পার হয়ে গেছে...
ডাক বিভাগ তখনো দেখা যায় ভালো ফর্মে ছিল! আট দিন পরে হইলেও চিঠি পৌঁছাইত!
মাঝে মাঝে বুকের ডাইনে / বায়ে চিন চিন ব্যথা করতো।
আপনার হৃদয়খানা ঠিক কোনখানে থাকতো কন তো?
হঠাৎ অনামিকার মনে হল, " সে যে ছেলেটির সাথে প্রেম করছে- ২/১ বছরের মধ্যে যাকে বিয়ে করবে- সেই ছেলেটির কী আছে (এখানে কী আছে বলতে অর্থ-বিত্তকে বুঝানো হয়েছে)?
ব্রাকেটে বিত্ত-বৈভবের কথা চোখে আঙ্গুল দিয়া বলা হইলো কেনু? বালিকা আর কী কী আছে কিংবা নাই নিয়া সন্দেহ প্রকাশ করতে পারতো?
আমার বুকের মধ্যিখানে, মন যেখানে হৃদয় যেখানে.....
এবি'তে কিছু বেয়াদ্দপ কিসিমের পোলাপাইন আছে....
তাগো মন্তব্য থেকে বাঁচনের জন্য ব্র্যাকেটের কথাগুলি লেখছি...
মেয়েদের নিয়ে "ছেলেখেলা" করলেই কি "Playboy" হয়??
ফর ইউর ইনফরমেশন, অামার কোনো ঘটনাই মেয়েদের নিয়ে "ছেলেখেলা" ছিলোনা....
...একটা ছিনেমার কথা মনে পড়লোই...বুলবুল আহমেদের, মহানায়ক...সে মনে হয় স্মাগলার আছিলো, আর যেই দেশেই যাইতো, সেই দেশেই একটা কৈরা প্রেম করতো....
বস, বমহানায়ক উপাধি টা দিমু নাকি?
অনামিকার বিষয়টা বাদে বাকি সবই ছিলো ফেইট....সত্যকারের প্রেম কাহিনী, আর অনামিকার টা ভালা হোইছে....আমার ক্ষেত্রে হৈলে একটা প্রতিষোধমূলক কথা কৈতে চাইতাম যে অনামিকা এখন...হেন তেন...হা হা..অনামিকারে ভাল্লাগেনাই...
পরশু আমার বিয়ে, আমাকে এসে নিয়ে যাও... চিঠি পাবার ৮ দিন আগেই সেই 'পরশু' দিন পার হয়ে গেছে...
আহারে, এইটা আসলেই ডাকবিভাগ ক্লাসিক...
প্রেম পাগলা মেসবাহ ভাই।বিয়ার পরের প্রেমের কাহিনী চেপে গেলেন!!বাসে গেলেন, সিনেমা দেখলেন.....কত কি!!!!!!!!!!!!মধুর মধুর!!!!!
বাসে প্রেমের পার্টটা বেশ শিক্ষণীয় ব্যাপার মনে হইতেছে...ঐটা কি আরেকটু ডিটেইলে কওন যায়...তাইলে নেক্সট টাইম ট্রাই করতাম...
সিনেমা হল?
ফি দেয়া সাপেক্ষে....
শুরু আর সমাপ্তি--আপনার প্রেম যুগের....ভালই ছিল। কারন বিরহ আর আরহ দুটাই ভরপুর।
তবে আপনারে য়াযাদ ভাই চিঠি আযাদ কইয়া ডাকা যাইতে পারে। পত্র আপনার জীবন আর ব্লগিং এর সাথে অতপত্র ভাবে জড়িত।
শুরু আর সমাপ্তি--আপনার প্রেম যুগের....ভালই ছিল। কারন বিরহ আর আরহ দুটাই ভরপুর..... হ, ভালোই কৈছেন !
আপনি না ভাবির সাথে টানা ১২ বছর প্রেম কইরা বিয়া করছেন নাকি আমাগো বোঝার ভুল ? আপনি আসলে বিভিন্ন জনের সাথে ১২বছর প্রেমের ইনিংস খেলছেন ; যাই হোক শিরোনাম টা বদলায় দেন জীবনের যত ছ্যাকা
শিরোনাম এট্টু পাল্টাইছি... খুশী ?
মুগাম্বু থুক্কু কানু গ্রুপ খুশ হুয়া; কানু গ্রুপ আরো খুশ হবে বিবাহোত্তর প্রেম এবং ধরার কাহিনী জানাইলে
মনুভাবী মানুষটা কত্তো ভালো! রোদ্দুর কার মতো হইছে, বাপ না মা?
চেহারা-সুরৎটা বাপের মত। অন্যসব মায়ের মত। তবে পুরা বাপের ন্যাওটা...
আপনে দেখি বস ছোট বেলা থেইকাই বন্ধুর বোন - ছোট বোনের বান্ধবীদের দিকে আকৃস্ট ছিলেন
কী করুম কন ? আল্লাহ স্মাট বানাইছে, চেহারা-সুরৎও মাশাল্লাহ খারাপ না
প্রেম করতে কপাল লাগেরে, কপাল!
ইরাম করে ন মুকুল ! শেষে মাথায় ব্যথা পাইবা... সিটি স্ক্যান করতে হবে...
অনেক খরচাপাতির ব্যাপার... ধৈয্য ধারণ কর....
পুরান লুল। এগিলি তো অতীত লুলামির কাহিনী।
বর্ত্তমানের লুলামির কিছু কেচ্ছা বয়ান করেন ।
ডিসক্লেইমার ফর আগের কমেন্ট : প্রচন্ড হিংসামিশ্রিত।
আমগোর কপালে উষ্ঠা মারি! আপনার সুখ কামনা করি।
ঠিক্কৈছেন বস। কপাল্রে উষ্ঠা। তবে য়াযাদেরটা যদি কপাল হয় তয় আমাগোটা কপাল কইলে কপালের অপমান হয়। অন্য কোনো নাম দেওন দরকার আমাগোটার।
আমগোর কপালতো না, যেনো তক্তা।
আবিয়াইত্যা ব্লগাদের একদিন ডেকে দোয়া দরুদ পড়ে ফু দিয়ে দিয়েন। পীরের দোয়ায় বালা মুসিবত কেটে যাবে। আপনার অনেক গুন গান শুনছি এই ব্লগের অনেকের কাছে। দিন দিন গুণের কাহিনী শুনতেছি আর শ্রদ্ধা বাড়তেছে। আপনারে লাল সালাম।
আমারে লাল সালাম ? আপনারে সবুজ সালাম !!
আপনিও দেখি ৮৪ মেট্টিক, আসেন কোলাকুলি করি। আমি তো মনে করতাম আপনি কমসে কম ৭৭
তবে বস, আপনি তো রীতিমত টেষ্ট প্লেয়ার। আর আমরা টুয়েন্টি টুয়েন্টিতেও চান্স পাইনি।
এদ্দিন পর বুঝলাম, রাস্তাঘাটে এত মেয়ে দেখতাম, আমার দিকে কেউ তাকাতো না কেন, ওরা সব সুরঞ্জনা হয়ে কোন যুবকের দিকে ধায়...........
আপনে তো মাঠে নামছেন। আমি । গ্যালারিতে বইয়াই জেবন পার করলাম।
কে সে নালায়েক যুবক ?
এত্ত কাহিনী...। আমি তো কিসসু না......।
হিংসাই লাগে......
হিংসার চাইতে প্রতিহিংসা ক্ষাণিকটা ভালো বলেই জানি...
সার্থক আপনার পরিশ্রম!!

শালার এর নাম জীবন... বিশাল এক কর্মময় জীবন যাপন করছেন রে ভাই... এইদিক দিয়া আমরা তো ঘাস খাওয়া ছাগল
... পোস্ট পইড়া নিজের উপর অনাস্হা আইসা গেছে... 
পোস্ট পইড়া নিজের উপর অনাস্হা আইসা গেছে.......
ভানুর গল্পটা মনে হইলো, বজ্রপাত ছাড়া মৃ্ত্যু নাই কিন্তু এতো প্রেম কইরা শেষ পর্যন্ত এ্যরেঞ্জ ম্যরেজ?
মন্তব্য করুন