অপনার মা যখন লেখক
অপনার মা যখন লেখক
নুশেরা তাজরীন | তারিখ: ১৭-০২-২০১০
অপনার বয়স তখন দেড়—আমি কাজ করতাম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে। জন্মের পর আর দশটা স্বাভাবিক বাচ্চার সঙ্গে তার কোনো পার্থক্য ছিল না। এরপর হঠাৎ করে সে নিজের মধ্যে গুটিয়ে যায়। কথা বলে না, ডাকলে সাড়া দেয় না। দিনের অনেকটা সময় অফিসে থাকার কারণে তাকে দীর্ঘ সময় নিয়ে সেভাবে খেয়াল করা হতো না আমার। তাই তার আচরণগত অস্বাভাবিকতার বিষয়টা বুঝতে কিছুটা সময় লেগে যায়। কর্মক্ষেত্র সিলেটে স্বজনেরা না থাকায় অপনাকে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে তুলনা করে দেখার সুযোগও তেমন ছিল না। বয়স আরও কিছুটা বাড়লে তার কিছু সমস্যা দেখা যায়, সেগুলো স্থানীয় বিশেষজ্ঞ অটিজম বলে সন্দেহ করেন। সাধ্যমতো এখানে-সেখানে ছোটাছুটি করে টের পাই, আমার পক্ষে দেশে থেকে তার জন্য তেমন কিছু করার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
তিন বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে আমি পাড়ি দিই অস্ট্রেলিয়ায়—অপনার বাবা যেখানে উচ্চতর পড়াশোনা করছিল। অটিজম আছে এমন শিশুদের জন্য এখানকার চিকিৎসা ও পরিচর্যাব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হই। স্পিচ থেরাপিস্টসহ কিছু সংগঠনের কাজ দেখি। মেলবোর্নের অটিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে একটি ছোট কোর্স করি। প্রচুর বইপত্র পড়ি। এসবের পাশাপাশি সন্তানের সার্বক্ষণিক নিবিড় পরিচর্যা আমাকে অভাবিত অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করে। অপনার বয়স এখন সাত বছর, অনেকটাই স্বাবলম্বী।
এর মধ্যে একবার দেশে গিয়ে দেখতে পাই, চেনাজানা বেশ কিছু পরিবারে অটিস্টিক শিশু রয়েছে; তাদের অভিজ্ঞতা শুনি। আমাদের দেশে অটিস্টিক সন্তানের অভিভাবকদের জন্য তথ্য ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু দিক-নির্দেশনা হাতের নাগালে থাকলে ভুক্তভোগীরা উপকৃত হতে পারেন—এ বিশ্বাস থেকে তাদের জন্য নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লেখার ইচ্ছে জাগে।
সহজ ইন্টারনেট যোগাযোগের সুবিধায় স্বামীর উৎসাহে বাংলা ব্লগসাইটে শিশুর অটিজম নিয়ে কিছু লেখার পরিকল্পনা করি। কমিউনিটি ব্লগের পরিবেশটি খুব গতিময়, পাঠকের প্রতিক্রিয়া দ্রুত জানার জন্য উপযোগী। এ রকম একটা পরিবেশে নানা বিষয়ে লিখতে থাকি, গদ্যের মধ্যে ফিকশন-নন ফিকশন যা-ই মাথায় আসে। একপর্যায়ে অটিজম নিয়ে তথ্য ও ব্যবহারিক নির্দেশনা মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখতে থাকি। পরিচিত ভুক্তভোগীদের মধ্যে সেসব লেখা বিতরণ করেন পাঠকদের কেউ কেউ। যাদের নিজেদের পরিবারে অটিস্টিক শিশু আছে, তারাও এগিয়ে আসেন নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে।
মুদ্রিত মাধ্যমে লেখালেখি করেন, এমন কেউ কেউ ব্লগেও লেখেন। তাঁদের মধ্যে ২০০৭ সালে প্রথম আলো বর্ষসেরা বই পুরস্কারে ভূষিত সুলেখক আহমাদ মোস্তফা কামাল আমাকে ব্লগের লেখাগুলোকে প্রকাশনা উপযোগী করে তোলার জন্য পরামর্শ ও উৎসাহ দেন। বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবালকে পাণ্ডুলিপি দেখে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তিনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও অনুরোধ রাখেন; বইয়ের জন্য মুখবন্ধ লিখে দেন এবং বইটি প্রকাশের জন্য সব রকম সহযোগিতা করেন। বইতে ব্যবহূত কিছু ছবি আর অপনার আঁকা ছবি থেকে বইয়ের প্রচ্ছদ করেছে আমার স্বামী আলমগীর। শেষমেশ ছাপা হয়ে বইমেলায় চলে আসে বইটি। কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক ও শিশুসাহিত্যিক আহমাদ মাযহারকে সঙ্গে নিয়ে মোড়ক উন্মোচন করেন ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন। তাম্রলিপি বইটি প্রকাশ করেছে।
আমার মা ফেরদৌস আরা আলীম চট্টগ্রামের সাহিত্য অঙ্গনের সঙ্গে তিন দশক ধরে জড়িত। লেখালেখি করব, এটা একদম অভাবিত না হলেও বই লিখে ফেলার মতো ভাবনা কখনোই কাজ করেনি। অথচ আজ শিশুর অটিজম: তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা বইয়ের লেখক হিসেবে অপনার মায়ের নাম ছাপার অক্ষরে দেখতে পাচ্ছি। বিদেশে বসে দেখতে পাচ্ছি, সহব্লগাররা বইটির মোড়ক উন্মোচনের আয়োজন করেছেন। অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন, এমন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাড়া পাচ্ছি। যাদের জন্য এ বই, অটিজমের সঙ্গে তাদের বসবাস সহনীয় হোক, দেবশিশুদের বিকাশগত ঘাটতি কমে আসুক, এই আশা করি।





আজকের প্রথম আলোর নারীমঞ্চে ছাপা হওয়া নুশেরার লেখাটা
অনুমতি ছাড়াই তুলে দিলাম...
যাদের জন্য এ বই, অটিজমের সঙ্গে তাদের বসবাস সহনীয় হোক, দেবশিশুদের বিকাশগত ঘাটতি কমে আসুক, এই আশা করি।
হায় কপাল, এইটা আমারে এইখানে দেখতে হইলো! মেসবাহভাই, আর লজ্জা দিয়েন না... এই পোস্টটা না রাখলে হয় না ভাইটি? আপনি এতো ভালো সব পোস্ট দেন, এই কপিপেস্টটা নাহয় নাই থাকলো...
নারীমঞ্চ থেকে লেখাটা চাওয়া হয়েছিলো ফরম্যাট অনুযায়ী। আমি মনে করছি প্রতিবেদক তার বয়ানে লিখবেন, আরও বইয়ের কথা থাকবে। এই বস্তু যে এইভাবে যাবে, ভাবতে পারি নাই। (মাসুমভাইর কথা ছিলো, নিজেগো লোক বইলা মনে হয় উনার নাম বাদ দিছে)
অনুমতি না নিয়েই যেহেতু তুলে দিয়েছি, থাকনা...
আপনি এতো ভালো সব পোস্ট দেন, এই কপিপেস্টটা
নাহয় নাই থাকলো... লজ্জিত হইলাম বইন !!!
...কেন, সমস্যা কি? ভালো হৈছে তো কাজটা...
অভিনন্দন!
বইটির সাফল্য কামনা করছি।
ধন্যবাদ মেসবাহ ভাই। নারী মন্চ পড়া হয় না সেভাবে কখনো। এইখানে এটা না দেখলে হয়তো দেখাই হতো না।
অপনার মার লেখায় হিংসা মিশ্রিত শুভকামনা
মাত্র নেটে পেপারে আর্টিকেলটা পড়ে আসলাম
যাদের জন্য এ বই, অটিজমের সঙ্গে তাদের বসবাস সহনীয় হোক, দেবশিশুদের বিকাশগত ঘাটতি কমে আসুক, এই আশা করি।
একটা জনসচেতনতা তৈরী হোক ... এটা খুব দরকার
পড়লাম সকালেই।অন্য একজনকে পড়তে বললাম যিনি অপনা মামিনর মত দেব শিশু দের নিয়েই কাজ করেন।এখানে লেখা টা দেখে খুব ভালো লাগলো। মেসবাহ ভাই কত্ত ভালা!!!!
নারী মঞ্চ কখনোই পড়ি না। তবে আজ পরিচিত লেখা দেখে পড়লাম। ধন্যবাদ মেসবাহ য়াযাদ ভাই।
আমার টেবিলে নারীমঞ্চের পাতাটা।
একজনরে কইছিলাম বইটার একটা প্রচ্ছদ ছাইপা দেন, হে খালি ঘুরায়। মান সম্মান যখন যায় যায় তখন হাজির হইলাম সুমী আপার কাছে। সুমী আপা এক মেয়েরে দায়িত্ব দিছিলো লেখকের সাথে যোগাযোগ কইরা একটা লেখা তৈরি করতে। সেই মেয়ে নাম শুইনাই কয় লেখিকা নিজেই ব্লগ জগতের বিরাটা এক পান্ডা। তিনি নিজেই লেখুক না।
আল্লায় মান সম্মান রাখছে।
ভাগ্যিস আল্লায় আপনারে দুইন্যাত আনছিলো আর আপনের সাথে পরিচয়টা ঘটাইছিলো! কী দোয়া চান, দিল খুইলা কন।
ভাগ্যিস আল্লায় আপনারে দুইন্যাত আনছিলো আর আপনের সাথে পরিচয়টা ঘটাইছিলো!
দেখেন বস, আমি কথাটা খাস দিলে বলছি। সবসময় ইয়ার্কি ফাত্রামি করার মুশকিল হইলো আমার অবস্থা হইছে সেই রাখালের মতো বাঘ সত্যিসত্যি আসার পরও কেউ তারে বিশ্বাস করে নাই...
ছবি দেইখা তো মনে হইলো আপনি নিজেই বাঘের কাছে গেছিলেন।
মানে কী? বুঝলাম না
আরেক পুস্টে দে দেখলাম বাঘের পাশে ভুত-পেত্নির ছবি
কথা ঘুরাইলেন... বইতে আছে মহৎ ব্যক্তিরা এইরকমই হন, নিজের উদারতার কথা ঢেকে রাখতে চান... বাস্তবেও দেখলাম
মাসুমভাই আপনার একটা জোস ছবি দিছিলেন প্রোফাইলে, কই গেলো?
যাক আবার রাইয়ানের ছবিতে ফিরে গেলেন। মাশাল্লা রাজপুত্র খুবই কিউট।
বলতে না বলতে এবার স্বয়ং রাজার ছবি
ছবিটা দেখতে সুন্দর লাগসে... লেখাটা পড়েছি সকালে...
মাসুম্ভাই'র এই ছবি আমার তোলা...
ছবিটা দেখতে সুন্দর লাগসে... লেখাটা পড়েছি সকালে...
মাসুম্ভাই'র এই ছবি আমার তোলা...
প্রচ্ছদের ছবি দিলেই ভালো ছিলো।
"পান্ডা" কথাটা নিয়া ডরে ছিলাম, অচিন্দা ঠিকঠাক দেইখা ফেলছেন
আমি বললেইতো চিল্লা ফাল্লা কইরা উঠেন। এখন দেখলেনতো কিরাম চারিদিকে ছড়ায় পর্ছে।
ইয়ে অচিন্দা, পান্ডা হইলো গিয়া বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী, এনডেইনজার্ড স্পেশি...
পান্ডা দেখতে কিউট...তয় খুব আয়েশী প্রাণী শুনছি। সব আবহাওয়া নাকি তারে স্যুট করে না...
নারীমঞ্চ পড়াই হয় কম... হয়তো আজকের লেখাটাও চোখ এড়িয়েই যেতো। অনেক ধন্যবাদ মেসবাহ ভাই।
....যাদের প্রয়োজন, তাদের কাছে যেনো বৈটা পৌঁছে যায়...
অপনার জন্য অনেক দোয়া...
পান্ডার বইটার সাফল্য কামনা করছি।
অপনার জন্য শুভকামনা।
মজার ব্যাপার হলো, কালরাতে বাসায় নুশেরার বইটা নিয়ে আলাপ করছিলাম বউয়ের সাথে, ছোটবোন সুমীর সাথে। ছোটবোন দেখি নুশেরা তাজরীন শুনেই চিনে ফেললো। বললো, ওকি আফরিনের বান্ধবী নুশেরা নাকি, পাঠক ফোরামে লিখতো। আমি বলি, হতে পারে দুনিয়াটা তো গোলাকার আর ছোটই!!
নীড়দা, সুমী কি সুমিমা ইয়াসমীন সুমী? আমার সঙ্গে সামনাসামনি পরিচয় হয়নি তবে অনেক দেখতাম ওর নাম, ভালো লিখতো, আগ্রাবাদের গুলবাগে বোধহয় থাকতেন আপনারা... গত বছর দেশে গিয়ে হঠাৎ মনে পড়লো কয়েকজনের নাম, মাকে জিজ্ঞেস করলাম, মা বললো সুমী বোধহয় আজাদী বা পূর্বকোণে কাজ করছে... তাই কি? ওকে আমার শুভকামনা পৌঁছে দেবেন।
আহা সেই '৯৫-'৯৮ এর ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম! সঞ্জীব চৌধুরী গিয়াস আহমেদের পাফো! সুমন্ত স্টার লেখক হয়ে গেলো, হাসান মোরশেদ সুমন সুপান্থ মেসবাহ য়াযাদদের ব্লগে দেখা যায়। মজার ব্যাপার হলো আমি বেশী লিখিনাই, এমনকি মেম্বারশিপও ছিলোনা, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততাও ছিলো না (আখ খাওয়া পার্টি
) তারপরও সেখানকার অনেকের নাম আমার মনে পড়ে, তারাও দেখি ভোলেনি! আপনি কী নামে লিখতেন বলেন দেখি 
হ্যাঁ সেই সুমীই। আপনার মায়ের সাথে নাকি খুব ভাল সম্পর্ক ওর। আপনি বেশী লিখতেন না, কিন্তু শুনলাম যা লিখতেন তাই নাকি হিট!!
আমি কোন নামেই লিখতাম না। মাত্র বছর দেড়েক হলো বাংলা টাইপ শিখেছি, চর্চাটা বজায় রাখার জন্য বাংলাব্লগের আশ্রয় নিয়েছি
ভাবছিলাম, এই পোস্টে কোনো কমেন্ট করুম না ! এখন না কৈরা পরলাম না...
নুশেরা (ওরফে ব্লগজগতের পাণ্ডা
) ......
সুমীর ভাই বাড়ী
খুঁজতেছেন (নীড় সন্ধানী).... জানেন কি, গুলবাগের বাসায় ২/১ বার যাওয়া
হয়েছিলো.... খানা পিনাও হয়েছিলো.... আড্ডাতো ছিলোই....আবার যাবো,
আড্ডাবো, খাবো....
সুমীকে বলবেন, মনে আছে ওকে। ও আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টেও আছে...
আরে হিটফিট কিছু না, ঘটনা হলো কে কেমন লিখলো তার চেয়ে কে প্রাইজবন্ড পেলো সেদিকে ছেলেমেয়েদের নজর থাকতো বেশী... মাশাল্লা আমার কামাই খারাপ ছিলো না... এই যে বাফড়া, সে সামুতে আমাকে প্রথম জিজ্ঞেস করে, "আপনিই কি সেই নুশেরা যে চান্স পেলেই পাফোর কার্টুন ক্যাপশনের প্রাইজবন্ড.... ?"
পেপারপত্রিকার এই এক গেঞ্জাম...কোনো সাহিত্যরস নাই। আমি তো ভাবছিলাম কেউ একজন গৎবাঁধা রিপোর্ট করছে বইয়ের উপর, পরে যখন দেখি আমি আমি লেখা, তখন দেখি লেখক সেই ব্লগজগতের পান্ডা!
পত্রিকায় পড়লাম। বইটা বাসায় আননের হুকুম হইছে ......
দুজনকেই প্রথমবার দেখলাম। ভাল্লাগসে ......
আপনি আইসা পর্ছির পর আর লেখেন নাই। কে হুকুম করলে পোস্টাবেন?
আমারে কইলেন ?
খাইছেরে .......
আমিতো লিখতাম পারিনা, পইড়া পইড়াই টাইম শেষ কইরা ফালাই
ঘুম থেকে ঊঠে অনেকদিন পর নুশেরাপুর(ওরফে ব্লগজগতের পাণ্ডা
) লেখা দেখে একটা ভালমত টাসকি খেলাম !
লেখাটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
সকালেই পড়ছিলাম। আরো জনাকয়েককে ডাকিয়া পড়াইছি।
নুশেরাপুকে ধইন্যাপাতা আগেই দিছি বইয়ের জন্য, এখন দেই মেসবাহ ভাইকে লেখাটা আবার তুলে দেবার জন্যে।
নারীমঞ্চ পড়ি। একবার কেডা জানি আমার কথা লেখছিল ছদ্মনাম বসায়া। পইড়া তো আমি হাইস্যা শেষ। নুশেরা আপার লেখাটা আম্মারে দেখাইছি, বাসার সবাই পড়ছে। এক কপি কিনা আম্মারে দিব। সে অনেক পছন্দ করে এরকম লেখা। আপা, অপনারে আমার ভালবাসা দিবেন।
অনেক অনেক শুভকামনা বই আর অপনার দুজনের জন্যই
nushera...
Good one,,,,keep it up........
Can i get ur mail addsd or contact addsd..
nothing to be worried,,,,we were together,,,somewhere in life.....
ha ha...affraid?
hope u wont be.....
best wishes
মন্তব্য করুন