পুলিশদের শাস্তি 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' বিষয়টা আসলে কী ?
আমাদের দেশের পুলিশেরা দুটো কাজ খুব ভালো করতে পারে। একটা হচ্ছে: বিনা উস্কানীতেও বিরোধী দলের কর্মীদের/ নেতাদের উপর বেধড়ক লাঠিপেটা। আর অন্যটি হচ্ছে: সাংবাদিকদের পেটানো। অতীতে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি- একজন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে কী নির্দয় ভাবে পুলিশ পিটিয়েছে। পুশিদের মার থেকে রেহাই পাননি- সাংসদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নুর। পুলিশ পিটাতে পিটাতে মতিয়া চৌধুরীর মত নেতাকে রাস্তায় শুইয়ে ফেলেছে। তখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। তখনকার পুলিশ ছিলো পিএনপি পুলিশ।
তারপর ক্ষমতার পালাবদল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে সব পুলিশ রাতারাতি আওয়ামী পুলিশ হয়ে গেলো। মনে আছে, এইতো সেদিন বিরোধী দলের সাংসদ জয়নাল আবেদীন ফারুককে সংসদ ভবনের সামনে কী মারটাই না মারলো আওয়ামী পুলিশেরা। দৌড়ে না পালালে সেদিন ফারুককে মেরেই ফেলতো পুশিল। ভেবে অবাক হই, পুলিশের নিচের দিকের মানে কনস্টেবল ছাড়া বাকী সব সদস্যইতো অন্তত বিএ পাশ করা। আর এএসপি থেকে শুরু করে উপরের দিকের সবাই বিসিএস পাশ করা। তারমানে এদের মধ্যে শিক্ষা আছে। নাকী ভুল বললাম, শিক্ষা নয় সার্টিফিকেট আছে। এ প্রসঙ্গে আমার এক স্যারের কথা মনে পড়লো। নারায়ণগঞ্জ বার একাডেমি স্কুলে পড়ার সময় বাংলার 'গফুর স্যার' আমাদের বলতেন- "বাবারা, মনে রাখিস; শিক্ষা ৩ প্রকার। অশিক্ষা, সুশিক্ষা আর কুশিক্ষা। জীবনে পারলে সুশিক্ষিত হবি। না পারলে অশিক্ষিত থাকবি। কিন্তু ভুলেও কুশিক্ষিত হবি না..."। খুব জানতে ইচ্ছে করে আমাদের পুলিশদের জীবনে কি সেরকম কোনো 'গফুর স্যার' ছিলেন না ? আমি নিশ্চিত করে বলছি, আজকের পুলিশদের মধ্যে 'গফুর স্যারের' কোনো ছাত্র নাই...।
সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের আজন্ম শত্রুতা। ইনফ্যান্ট সবার সাথেই পুলিশের শত্রুতা। শুধু চোর, ছিনতাইকারী, খুনি আর ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদরা ছাড়া। এরা হচ্ছে পুলিশের বন্ধু। সাংবাদিকরা পুলিশের কু-কর্ম ফাঁস করে দেয় বলে সাংবাদিকদের পুলিশ এক্কেবারে সহ্য করতে পারেনা। শুধুমাত্র ভয়ের কারনে সাংবাদিকদের সমঝে চলে পুলিশ। এবং সুযোগ পেলেই পিটায়। তারপর যথারীতি মাফ চেয়ে নেয়। পুলিশ শ্রেণীর ন্যুনতম মান-সম্মানবোধ আছে বলে আমার মনে হয়না। এরা বিপদে পড়লে আপনার বাসায় যেয়ে আপনার পায়েও ধরতে কুন্ঠাবোধ করেনা। আমার খুব কাছের একজন সাংবাদিক পুলিশের হাতে বেধড়ক মার খাবার পর- ঠেলায় পড়ে পরবর্তীতে বৌ-ছেলে-মেয়েসহ সে সাংবাদিকের বাসায় পর্যন্ত গিয়েছে। হাতে- পায়ে ধরে মাফ চেয়েছে। এই হচ্ছে আপতঃ আমাদের পুলিশের বৈশিষ্ট।
'পুলিশ জনগণের বন্ধু'- আমার জীবনে শোনা সবচেয়ে মিথ্যে কথা। বিপদে পড়লে সবার কাছে যেতে পারেন আপনি। শুধু পুলিশের কাছে না, প্লিজ ! কারন, প্রবাদ আছে- বাঘে ছুঁলে আঠার ঘা, পুলিশ ছুঁলে ছত্রিশ ঘা...। আমাদের দেশের বিশেস করে ঢাকার পুলিশ ধরলে সেটা ৩৬ থেকে ৭২ হতে সময় লাগবেনা। ছোট্ট একটি ঘটনার উল্লেখ করছি। ঢাবি'র ছাত্র কাদেরের কথা মনে আছে ? কদিন আগে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে রাতে ফেরার পথে সেগুন বাগিচা থেকে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে মারাত্বকভাবে পিটিয়ে জখম করে। ছিনতাইকারী, গাড়ি চুরি... ইত্যাদি মামলা দেয় কাদেরের বিরুদ্ধে। অবশেষে বিভিন্ন স্বাক্ষী প্রমাণ স্বাপেক্ষে কাদের মুক্তি পায়। সেই সংশ্লিষ্ট থানার ওসি, এস আইসহ কয়েকজনের শাস্তি হয়। কাদের নাহয় ঢাবি'র ছাত্র বলে তার পেছনে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো। সেজন্যই চেষ্টা করে ও ঘটনা নিজের মত করে সাজাতে পারেনি পুলিশ। এরকম কত কাদের প্রতিনিয়ত পুলিশের হাতে মার খাচ্ছে, মিথ্যে মামলায় জড়াচ্ছে- তার খবর কেইবা রাখি আমরা !
ঢাকায় থানার সংখ্যা ৪৮ টি। এর মধ্যে প্রায় ১৮ থেকে ২০ থানার ওসি মানে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হচ্ছেন 'গোপালী' মানে গোপালগঞ্জের। জানেনতো আমাদের জাত দুটো। 'বাঙ্গালী' আর 'গোপালী'। আরো কয়েকজন আছেন- যাদের বাড়ি বৃহত্তর ফরিদপুরে। এইসব ওসিদের অনেকেই শুধুমাত্র 'গোপালী' বলেই অন্যদের চেয়ে অনেক কম যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও ঢাকায় পোস্টিং পেয়েছে। ঢাকার পুলিশদের মধ্যে সবচেয়ে বেপরোয়া হচ্ছে- তেজগাঁও অঞ্চলের পুলিশেরা। জানিনা, এর পেছনের কারন কী ? তেজগাঁও অঞ্চলের পুলিশদের একটাই আদর্শ এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে- সাংবাদিক পেটানো। এ অঞ্চলে ফার্মগেট পুলিশ বক্সের পাশে মোটর সাইকেল আরোহী কালের কন্ঠের ২ সাংবাদিক, বাসে থাকা যুগান্তরের ১ সাংবাদিক (বর্তমানে একটি এফএম রেডিওতে কাজ করছেন), বসুন্ধরা সিটির সামনের সিগন্যালে দেশ টিভির ১ সাংবাদিক, গতকাল দায়িত্ব পালন কালে আগারগাঁও এলাকায় প্রথম আলোর ৩ ফটো সাংবাদিক শারীরিকভাবে পহৃত হয়েছে। আমি স্বচোক্ষে দেখেছি- পুলিশের মার খাওয়ার পর সে মানুষটি অন্তত ৩ থেকে ৪ মাস ঠিকমত খাওয়া- দাওয়া, নড়াচড়া করতে পারেন না। শরীরের বিভিন্ন অংশে এমন অমানবিকভাবে পুলিশ পিটায় যে, সে ব্যাথা চিরস্থায়ী হয়ে যায়। পুলিশের মার খাবার পর মানসিক যে বিপর্যয় ঘটে- সেটা কোনোভাবেই পূরণ হবার নয়। এসব ঘটনা হামেশাই ঘটছে। এর শাস্তি স্বরুপ ঘটনা ঘটানো পুলিশদের 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' করা হয়। এরপরের ঘটনা আর আমাদের জানা হয়না।
পরিচয় দেবার পরও সাংবাদিকদের এরকম প্রতিনিয়ত শারীরিক-মানসিকভাবে পিটানোর পর পুলিশদের শাস্তি হিসাবে এই 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' করার কথা আমরা প্রায়ই পত্র-পত্রিকা- টেলিভিশনে দেখতে পাই। আমার যেসব বন্ধুরা এ লেখা পড়বেন (এদের মধ্যে জ্ঞানত কোনো পুলিশ নেই), তাদের কাছে জানতে চাইছি- এই 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' বিষয়টা আসলে কী ? এই শাস্তির পরিমান কি সেই পিটানো সাংবাদিকের শারীরিক- মানসিক কষ্টের চেয়ে বেশি না কম ? এইভাবে ঢাকার একটা বিশেষ এলাকায় সাংবাদিকরা আর কত শারীরিক আর মানসিকভাবে নির্যাতিত হবেন ? কবে 'পুলিশ জনগণের বন্ধু' এ কথাটা আমরা বিশ্বাস করবো ? কবে বিপদে পড়লে আমরা সাহায্যের জন্য পুলিশের কাছে যাব ?





এটা মনে হয় পুলিশের শাস্তি না, তাঁকে কিছুদিন বিশ্রাম দেয়া তারপর উপহার হিসাবে প্রমোশন দেয়া।
জোর যার মুল্লুক তার...........
এইটা খারাপ বলো নাই
মেসবাহ ভাই, কয়দিন আগে পুলিশের মার খেয়ে একজন স্কুল টিচার মারা পর্যন্ত গেছেন। কালকের ঘটনায় কেউ মারা যাওয়া তো দূরের কথা, মেজর ইনজুরিও নাই। তারপরও যে মহাশয়দের গুটিকয়'কে ক্লোজ যে করা হইসে, এই কি যথেষ্ট না? আপনি কি সেই ছড়াটা ভুলে গেছেন-
পুলিশের নির্যাতনে মারা যাওয়া সেই শিক্ষকও অরেকজন 'গফুর স্যার'। যারা তাকে মেরেছে- সেই সব পুলিশরা নিশ্চয়ই কু-শিক্ষা পেয়েছে জীবনে। নইলে একজন শিক্ষককে পিটিয়ে মেরে ফেরলো, প্রকাশ্য রাজপথে !! ধিক !!!
-- সুপার লাইক।
থ্যাংকু...
যদি কোনো পুলিশ এই লেকাটা পড়ে... সেই আশায় ফেসবুকে শেয়ার দিলাম
আপনার 'গফুর স্যার'-এর উক্তিতে সাত তারা!
==============================
হুম---কবে!??
একদিন নিশ্চয়ই হবে, কিন্তু সেইটা যে কবে... জানিনা। আসলেই জানিনা
পুলিশের এখন মাইরের মৌসুম। কেউ নিরাপদ না সে যেই হোক না, শিক্ষক সাংবাদিক পাব্লিক নেতা খেতা কারো নিস্তার নাই। এখনো যারা মাইর খায় নি পুলিশের তাদের কপাল নেহায়েত অনেক ভালো তাই। তাই ক্লোজ ওপেন যাই করুক মাইর চলবে পোষাক পড়া সরকারী পেটোয়া বাহিনীর হাতে!
কী আর কমু
তবে আরেকটা কথাও আছে। পরিবর্তনের সূচনাপর্বে কিন্তু পুলিশই সর্বপ্রথম সাধারণ মানুষ তথা পরিবর্তনকামীদের আক্রোশের শিকার হয়।
বাংলাদেশে প্রচুর বেকার আছে। বর্তমানের দেশের সব পুলিশদের যদি বাধ্যতামূলক রিটায়ার্ডমেন্টে পাঠাইয়া নতুন কৈরা নিয়োগ দেয়া যাইতো...
এরা এখন লাইসেন্সধরি সন্ত্রাসী
হ

আপনি লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে আপনার সব আকাম করাইয়া নিবেন আর আশা করবেন লাঠিয়াল বাহিনী এর বাইরে কোন আকাম করবেনা এইটা কি হয়......বন্দুকের নল যার পক্ষে থাকে সব আকাম কইরা পার পাইয়া যাওয়া তার পক্ষেই সম্ভব....সুতরাং পুলিশ আকাম করবেই.....যতদিন রাজনৈতিক আকাম বন্ধ না হবে........
পুলিশরে বন্ধু হিসেবে পাইতে চান ভাল কথা....তার আগে তো আমাগো যারা নেতা...জাতির মা-বাপ.......তাদেরকে বন্ধু হিসেবে পাইতে হবে...এই নেতা শত্রুরা বন্ধু না হইলে তামাম পৃথিবীর সব ভালা ভালা কথা কইয়াও দেশের আর কোন কিছুরে পাবলিকের বন্ধু বানান সম্ভব না.....
এইটাই আসল ব্যাপার
আমি যা বলতে চাইছিলাম সাঈদ ভাই তা বলে দিয়েছে,
"এটা মনে হয় পুলিশের শাস্তি না, তাঁকে কিছুদিন বিশ্রাম দেয়া তারপর উপহার হিসাবে প্রমোশন দেয়া।"
যে যায় লংকায়, সেই হয় রাবণ...
ধরেন , একজন পুলিশ অপকর্ম করতে গিয়ে হাতে কলমে ধরা খাইলো যা মিডিয়ায় চলে আসলো বা প্রভাবশালী কোনো লোকের পাল্লায় পড়লো তখন ঠেলায় পড়ে ক্লোজ বা সংযুক্তি করা হয়। এটা অনেকটা ওএসডির মতো। পদবি আছে কিন্তু পদ নাই, মাসের বেতন পুরোটাই পাবে সে। নিজের ইউনিটে বা র সদরে বা পুলিশ লাইনেরেন্জের ডিআইজি অফিসে ক্লজ করা হয়, বেতন সেখান থেকেই পায়। পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়ে মানুষ যখন অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে তখন এবং যথাস্থানে ঘুষ ও তদবির করা হলে পদ ফেরত পাওয়া যাবে। ইন্সপেক্টর থেকে উপরের পদে এই ক্লোজ কালচার চালু আছে ( কারিগরী কারনে ক্লজ করা সহজ, সাসপেন্ড করা একটু ঝামেলা হলেও খুবই সম্ভব), নিচের পদগুলোতে সাময়িক বরখাস্ত। সাময়িক বরখাস্ত হলে বেতনের বদলে খোরাকি ভাতা পাওয়া যায় যাতে সেই পুলিশ খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারে ( যেনো বেতন ছাড়া এদের অন্য আয় ছিলো না
)।
সাময়িক বরখাস্তেও একই অবস্থা, ঘুষ - তদবির শেষে ফালতু দায়সারা তদন্ত রিপোর্ট দেয়া হয়। সাসপেন্ড এসিআর এ লেখা থাকে বলে প্রমোশনে সমস্যা হয়, ক্লোজ কোনো শাস্তি না।
এসি শহিদুলকে প্রথমেই সাসপেন্ড করা যেতো কিন্তু করা হয়নি। মানুষ মারলে বা পিটালে যদি প্রমোশন পাওয়া যায় তবে পুলিশ তাই করবে। শহিদুল মাত্র ৬ বছরেই এসি হিসেবে একটা সার্কেলের দ্বায়িত্বে আছে, অস্ট্রেলিয়ায় এ পদে আসতে ২০ বছর লাগতো। যে কাজে শহিদুল সাসপেন্ড হয়েছে, সে কাজ করলে একজন উন্নত দেশের পুলিশ এতো দিলে জেলে থাকতো। আমার দেখা মতে ৯৫% পুলিশ অমানুষ ও অসৎ।
বস, অনেক কিছু জানলাম পুলিশদের পদোন্নতি, শাস্তি এসব নিয়ে...
আমাদের পুলিশরা কবে 'মানুষ' হবে, বলতে পারেন ?
উন্নত দেশগুলোতে পুলিশের চাকরী একটা বিরাট সম্মানের বিষয়...
আর আমাদের দেশে দেখুন...
পুলিশ মানেই হচ্ছে- রাজনৈতিক দলের পেটুয়া বাহিনী।
কেনো এমন হবে ? এখনতো পুলিশে অনেক শিক্ষিত ছেলেরা আসছে...
সবার 'রুট'-ই কি খারাপ ? সবাই কি রাজনৈতিক অনুকম্পা নিয়ে চাকরী করে?
তাইলে বিসিএস করে কেনো এই 'অসম্মানজনক' পেশায় আসে আমাদের ছেলেরা ?
পুলিশের ন্যুনতম সম্মান নেই আমাদের সমাজের মানুষদের কাছে।
এটা ভাবতে পারেন ? একটা টোটাল পেশার প্রতি মানুষের কী পরিমান ঘৃনা আর অবহেলা... এটা কি আমাদের পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা জানেনা !!!
এসব নিয়ে আর বলতে ভালো লাগছেনা।
আরেকটা বিষয় হচ্ছে, এই উপমহাদেশে পুলিশ বাহিনীর জন্ম দিয়েছিলো বৃটিশরা। তাদের উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থাকে প্রটেক্ট করার জন্য। তারা যে চুরি করে এ দেশের ধন-সম্পদ নিজেদের দেশে পাচার করছিলো, সেটার বিরুদ্ধে কোথাও কোনো প্রতিবাদ হলে সেই প্রতিবাদীদেরকে দমন করা ছিলো তখন পুলিশবাহিনীর প্রধান কাজ।
আমাদের এখনকার পুলিশবাহিনীও সেই চেতনাই ধারণ করে।
এটা একটা ভালো কথা বলেছেন।
)
আসলে মিশ্র জাতি হিসাবে আমাদের রক্তেই সমস্যা...
(চেক, মেল...
ব্যক্তিগত ভাবে আমি বাংলাদেশ পুলিশে যারা কাজ করে তাদের পছন্দ করি না একদম। আমার অভিজ্ঞতা অনুসারে জনসেবা বা পেশাদারী মনোভাব নিয়ে খুব কমই আসে পুলিশ, ৯৫% এ আসে ঘুষ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের লোভে।
গোপালী পুলিশে নিয়ে একটা সত্য ঘটনা বলি যাতে আমার পরিবারের তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে। ঐ কুত্তে কি আওলাদ ঘুষ খায়, ৪০ লাখ টাকার ব্যক্তিগত গাড়িতে থানায় যায়, ডিসিও তার সাথে কথা বলার সাহস পায় না, যেখানে ঐ সোনার খনি থানায় কেউ ১ বছর থাকলেই ফুলে ফেঁপে যায় সেখানে সেই হারামজাদা ৩ বছর ধরে আছে।
বাংলাদেশ পুলিশ নিয়ে আমার আশাবাদ নাই। যারা সরকারে থাকে তারা চোর - যারা পুলিশে কাজ করে তারা শয়তান। সমাধানও পাবো কোথা হতে? আমারো ভালো লাগে এটা নিয়ে বলতে।
ক্যান যে 'গোপালী' হৈতে পারলাম না ...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কাদের কে যে পুলিশ কর্মকর্তা পিটিয়েছিলো তার তো ভয়াবহ শাস্তি হয়েছে। বিরাট শাস্তি !
১০০০ টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাস কারাদন্ড।
এইসব বিচার হওয়া উচিৎ 'মাইরের বদলে মাইর'
আইওয়াশ
মন্তব্য করুন