সশস্ত্র বাহিনী দিবস!
পোষ্টটা লেখা উচিত ছিলো কাল। কাল লিখলে পারফেক্ট হতো। কিন্তু কাল ছিলো শরীরটা ভালো না আর সন্ধ্যায় হাটাহাটি করে চায়ের দোকানে প্যাচাল পেরে শরীরটা ক্লান্ত। তারপর কোনো এক অজানা কারনে হাতে ব্যাথা করছিলো। একদিন পরে লিখছি খারাপ একটাই দিনটার মুড মিস হলো। যা আমার ব্লগের জন্য খুব জরুরী। কি আর করা সান্তনা একটাই লেট বেটার দেন নেভার।
একুশে সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল আর্মড ফোরসেস ডে। ছোট বেলায় বিজয় দিবস আর স্বাধীনতা দিবসের বাইরে যদি একটা দিবসের নাম জানি তা হলো এই দিন। কারন অন্য বাহিনীতে কি করে জানি না তবে নেভীতে ব্যাপক আয়োজন হয় এই দিনে। খানাদানার ব্যাবস্থা তার ভেতরে অন্যতম। তবে খানাদানার নিয়ম হলো ফ্যামিলী নিয়ে যেয়ে খেয়ে আসতে হবে। আব্বু আমাদেরকে নিয়ে যেতো না ব্যাস্ততায়। সন্ধ্যায় দেখতাম বিরিয়ানীর হালি খানেক প্যাকেট নিয়ে আব্বু আসছে সাথে খুলনার ঘোষ ডেয়রী দই মিস্টির প্যাকেট। কি যে আনন্দ পেতাম সেই দিন। আমার এখনো মনে আছে আমি ক্যালেন্ডার সামনে পেলেই ভাইয়া কে জিগেষ করতাম ভাইয়া একুশে নভেম্বর কবে আসবে? যাই হোক খুলনায় ক্লাস সেভেনের মাঝামাঝিতে যখন চিটাগাংয়ে আসি তখনি বুঝি এই দিবসের আরেক মর্ম বুঝে নেই আরেকটা। চিটাগাংয়ে পুরা নেভী কলোনী খালি করে আমরা সব চলে যাই নেভাল ক্যাম্পে। বন্ধু বান্ধব খানাদানায় হই হুল্লোর অবস্থা। আয়োজন করা হয় ভ্যারাইটি শোয়ের। সেইখানে আয়না বসাইয়া দে মোর কলবের ভেতরে শুনে মুগ্ধ হই, নেভীর অরকেস্টাদের বাজানো লুটুপুটু মার্কা ব্যান্ডের গান লাইভ শুনতে পেরেই আমরা দিশেহারা। এইভাবেই চললো ম্যাট্রিক ক্লাস টেন ইলিভেনের দিন গুলোতেও। কিন্তু তখন কেউ চিটাগাং কলেজ কেউ কমার্স কলেজ কেউ নেভী কলেজে বিভক্ত কেউ বা টেস্টে এলাউ হয় নি তাই পিছিয়ে পড়ছে। সেই দুর্নিবার একতাও আর নাই। অনির্বাণে আমাদের বন্ধুরাই নাচানাচি করলো তা দেখার রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা। এরপর থেকে আর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের খোজ খবর নেওয়া হয় না। আব্বুও নিলো অবসর তাই সামরিক বাহিনীর আলাপ সালাপ আমার কাছে এখন অনেক দুরের জিনিস। প্রচুর বন্ধু নেভীর কমিশন্ড অফিসার। ইচ্ছে করেই খোজ খবর রাখি না। কারন এই ডিফেন্সের পোলাপান গুলার ভেতরে মুই কি হনুরে সিন্ড্রোম। তাদের ধারনা চিটাগাংয়ে আসলে তাদেরকে ফোন দিতে হবে সময়ের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে তারপর তারা দেখা দিবে। এতো সময় আমার নিজের আপন লোকদের জন্যেও নাই আর তারা তো দুরের ইস্যু। তাই তাদের সাথে বাই চান্স দেখা হয়ে গেলো আমি মুই কি হনুরে ভাবে থাকি। টাকার গরম দেখানোর সম্ভাবনা থাকলে আমিও ডাবল ফাপরে গরম দেখাই। আর নানান বই পুস্তক পড়ে বিগড়ানো মাথা আমার ডিফেন্সে গন্ধ পেলেই গালি গালাজ করি। এই কারনে মিরপুর ১৪ তে আমি কম যাই ঠেকায় না পড়লে। ইতিহাস বলে ১৯৭১ সালের একুশে নভেম্বর তিন বাহিনী একত্রিত হয়ে আক্রমন শানিত করে। এই সহজ সমীকরন ইতিহাস আমার পছন্দ না। কারন যুদ্ধ কোনো বাহিনীর না মানুষের। ছাত্র শ্রমিক মেহনতী মানুষ যুদ্ধ করছে সেইটাই আসল যুদ্ধ। যারা সামরিক তকমায় যুদ্ধ করছে তাদের দেশপ্রেম থাকবে অনেক কিন্তু খাটি মানবপ্রেমের ব্যাপারটা ছিলো কিনা তা নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। নয়তো সাড়ে তিন বছর যেতে না যেতেই এতো রক্ত বন্যা দেখতে হয়। যাই হোক তবুও এই দিনটা আমার খুব পছন্দের। আমি কিশোর বেলায় ফিরে যাই। নানান কিছু ভেবে নষ্টালজিক হই।
খুলনা আমার খুব পছন্দের জায়গা। জীবনের সব চেয়ে মধুর যে সময় তার একটা অংশ কাটছে আমার এই শহরেই। যদিও তখন আমি নিতান্তই শিশু। তাও এই মুজগুন্নী বয়রা গোয়ালখালী খালিশপুর নিউজপ্রিন্ট বৈকালী দৌলত পুর বড় বাজার এই সব জায়গার নাম শুনতে শুনতে আসতে যেতে বড় হওয়া। খুলনায় যদিও প্রতিটা ক্লাস পিরিয়ডেই বেধরক মাইর খাইছি তাও খুলনায় বলা যায় অনেক ভালো কাটছে। নানান কিছিমের বন্ধু ছিলো সারাদিন বাইরে থাকার অফুরন্ত সময় ছিলো দিন গেছে হেসে খেলে। আর আমি যখন খুলনায় আগে ছিলাম তখন সব মিল কারখানা খোলা ছিলো। সাইরেনের শব্দ কোলাহল এক অন্য খুলনা। এখন খুলনা কেমন জানি না। তবে ছয় বছর আগে এডমিশন টেস্টের জন্য যখন গেলাম। তখন খুব অবাক হইছি।মনে হইছে কোনো ভুতুরে নগরীতে আসছি। গা ছমছম করা নীরবতা। সেই শহরেই টেস্ট খেলা হবে। ভাবতেই মনে আনন্দ। কিন্তু প্রথম দুই সেশনে খেলা দেখি নাই। মোবাইলে যে খোজ খবর রাখছিলাম তাতে মনটা খারাপ ছিলো। অনেক দিন পর একা একা আজিজ গেলাম। বিদিততে নতুন নতুন বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছি। এমন সময় দোকানদার মিঠু ভাই আর এক ভার্সিটি প্রফেসর মিলে শুরু করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিচে পচানি। বুড়ো প্রফেসর বিখ্যাত লোক নামটা ভুলে গেছি। তিনি বলে উঠলেন খেলার মতো ফিজিক্যাল স্টেংথ বাঙ্গালীর নাই এই নিয়ে হাসাহাসির। মেজাজটা এতো খারাপ ছিলো কিছু বলি নাই খালি চুপচাপ শুনে গেছি। কারন বাহাস করার মতো সাহস আমার খুব কমই আছে তাও আবার আজিজে। চায়ের দোকানে হলে অই প্রফেসরকে দশ কথা না শুনিয়ে ছাড়তাম না। আমার দেশের টিম তারে নিয়ে যদি আমি এতো কথাই বলি তাহলে খেলা দেখার খোজ রাখার দরকার কি। যাই হোক বইয়ের দাম অনেক অনেক বেশী। টাকাও নাই। সিডির দোকানে গিয়ে দেখি আমার এক বড় ভাই তার জিএফরে নিয়া দাঁড়ানো। আমি তো পাইলাম ভাইয়া কি করেন? পাইছি যখন সিডি কিনে দেন। ওয়ারফেজের সত্য খুজলাম বাজারে নাই। তখন কি আর করা টেলিভিশন সিনেমার অডিও সিডি আর তিনটা কলকাতার বাংলা আর হিন্দী ছবির ডিভিডি কিনলাম। ভাই বললো কড়াই গোশততে খাওয়াবে আমি বললাম তিনশো টাকার সিডি ডিভিডি কিনছি তাই ভালো এখন বাসা চলে যাই। মুখে বিজয়ের হাসি নিয়ে বাসায় গেলাম। গিয়ে দেখি উইকেট পড়ছে আটটা আর বুয়া আসে নাই। তাও কি মনে করে অনলাইনে স্ট্রিমিং খেলা দেখা শুরু করলাম। দেখি আমার প্রিয় শহর খুলনায় কি দারুন খেলতেছে রাজু আর রিয়াদ। উঠলাম না টানা দেড় ঘন্টা যে ব্যাটিংটা দেখলাম বারবার মনে হচ্ছিলো ড্রিম কামস ট্রু। ওই বুড়ো প্রফেসরের কথা ভাবছিলাম আর মনে মনে তাকে বাংলা গালি দিতে দিতেই দেখি খেলা শেষ প্রথম দিনের। পেটে খিদে তাই চলে গেলাম আল মাহবুব। ঝটপট শিখ নান অর্ডার দিয়ে খেয়েও ফেললাম। বিল আসলো ৮৭ টাকা দিলাম ১০০ টাকার নোট। ফেরত আসলো ১৪ টাকা মামাকে দিলাম। মামা দেখি বেজায় খুশী। বলে লোকজন ৪০০ টাকা বিল করেও টেকা দেয় না আর আপনি যখন যা খান দেদারছে টাকা দেন। মনে মনে ভাবলাম ১৪ টাকা দিয়েই এতো সুনাম শুধু বাংলাদেশেই পাওয়া যায়। চায়ের দোকানে অনেক প্যাচাল পারলাম তারপর বাসা। একুশে নভেম্বর দিনটার পারফেক্ট উদযাপন হলো অনেক বছর পর। আজ দুপুরে গেলাম আমীনবাজার। পুলকের সাথে। প্রথমে ভাবলাম সিএঞ্জি নেই। পড়ে ভাবলাম না ভেঙ্গে যাই। শ্যামলী রিক্সায় সেখান থেকে বি আর টিসি বাসে গাবতলী। গাবতলী থেকে রিক্সায় আমিন বাজার। ঢাকার একদম কাছেই কিন্তু কেমন জানি জেলা জেলা ভাব। রাস্তায় ব্যাপক ধুলা আর ত্রিভুবনের যত মাছি আছে সব চারিদিকে। পুলক কাজটা করলো। তারপর এক দোকানে চা খেলাম। সেই দোকানে কাপ টানার সিস্টেম ইন্ডিয়ার মতো বারবার খালি সিংঘাম ছবির ডায়লগ মনে পড়তেছিলো। ইয়ে ছোটূ হ্যে মেহনত অর ইমানদারিসে চাওয়ালা হে তু কিয়া রে? করাপশন কি গান্ধি নালি সে পয়দা হুয়া কিট! আমার এই ভুলবাল হিন্দী শুনে পুলক ব্যাপক খুশী। কাজ শেষে আমি আর পুলক গেলাম পুলকের কাজিনের ক্লিনিকে। ব্যাপক খাতির যত্ন করলো। মাছি পড়া গরম জিলাপী আর নিমকী খেলাম কোক খেয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম। বাসায় এসে দেখি পানি নাই। বড় বিপদ। গোসল করা দরকারী কারন যে বালু খাইছি আর গায়ে লাগাইছি। রুমে ১ বালতি পানি ছিলো তাই দিয়ে আধা ভেজা গোসল সারলাম। ভাত খেয়েই দিলাম ঘুম। ভাবলাম ক্লাসে যাবো নাকি আর সি মজুমদার মিলনায়তনে বাংলার পাঠশালার প্রোগ্রামে এটেন্ড করবো। শেষমেশ ক্লাসেই গেলাম বাসে করে। এই বালের এমবিএর জন্য খালি মিস করেই দিন যায়। রাতে দেখলাম শীত পড়ছে। সবাই জ্যাকেট মেকেট গায়ে অস্থির। অনেকেই আবার সুটেড বুটেড হয়ে ক্লাস করতেছে কি আজব। কি আর করা আমার ইস্ত্রী করা পাঞ্জাবী গুলাই সম্ভল। দেখলাম ক্লাস শেষে অনেক ব্যাগ নিয়ে আসছে। কক্স বাজার যাবে ট্যুরে। মনে কত আহলাদ মাইনষের।
যাই হোক দিন কেটে যাচ্ছে তাই ভালো। রাতে নাটক দেখলাম একটা। রাইফেল সবুজ নাম। লাভলুর বানানো। ভালো গল্প কিন্তু নায়িকা ক্যান্সারে মারা আর নায়ক পাগল বানানো দেইখা মেজাজ বিগড়ে গেলো। মিলনের ভাইরাস চতু্র্দিকে এর থেকে মুক্তি নাই জাতির। আমার এই দিন যাপন লেখা নিয়ে অনেক কাছের বন্ধুই উস্মা প্রকাশ করে। কেনো সিরিয়াস কিছু লেখি না। কেনো কেনো বারবার একিই প্যাচাল পারা। আমিও ভাবছি সিরিয়াস কিছু লিখবো কিন্তু তা আর হয়ে উঠে না। গল্প উপন্যাসের প্লট অনেক মনে আসে কিন্তু সাজিয়ে লেখা হবে না তবে সামনে হয়তো লিখতেও পারি। আর পত্রিকায় যা লিখতাম সেইসব লিখে ফায়দা নাই। চারিদিকে শুধু এই জনগোষ্ঠীর মুসিবত আর মুসিবত তার ভিতরে এই ঢাকা শহরে আমার মতো বেকার ইনকাম হিন ছেলে দিন পার করতেছে রাত আসতেছে এত মানুষের ভালোবাসায় মোহিত হচ্ছে সেই সব গল্পের দিনলিপি লেখাতেই আনন্দ পাই। আর আমি লেখি প্রধানত নিজের আনন্দ খুজে নেবার জন্যেই!





অনেক অনেক দিন আগের ঘটনা... আমার এক বন্ধু লেফটেনেন্ট হইছে... ঢাকায় পোস্টিং... গেলাম ওর ম্যাসে... অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডাবাজী করে ঘুম থেকে উঠে ফেরত আসার টাইমে দেখি কিছুই চলে না... মানে কোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ...
...
না কোন রিকশা... না কোন বাস... না কোন সএনজি/ক্যাব
... সেই সিএমএইচ থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত হাইটা আসতে হইছিল...
সশস্র বাহীনি দিবসে নাকি কোন ট্রান্সপোর্ট চলতে দেয়া হয় না
হ জলপাইওয়ালাদের কত রংয়ের সার্কাস!
নিজের দিনলিপির সাথে চারদিকের চেনা জানা মানুষের দিনগুলোকে লিপিবদ্ধ করে এক সতায় গাঁথা শুরু করেন...গল্প হয়ে যাবে..সত্যি বললাম...চেষ্টা করেই দেখেন
গল্পের আশায় থাকলাম।
দেখা যাক পারি কিনা। তার আগে আপনাদের এইসব দিনলিপিই গিলতে হবে। কিচ্ছু করার নাই থ্যাঙ্কস ভাইয়া!
গল্প লেখার চেষ্টা করো হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ ভাইয়া!
তথাস্তু!
জি জনাব। এই অধমের ধন্যবাদ গ্রহন করুন!
সবাই কত্ত জায়গায় থাকে, তা নিয়া লেখে!
আর আমি এক ব্রাহ্মণবাড়িয়া আর দুই ঢাকাতেই লাইফ শেষ কইরা ফেলতাছি! আফসুস!
তুমি তো অলরাউন্ডার মানুষ কত কি করো। সিনেমা দেখো কত, খেলা দেখো মাঠে, গান নিয়ে আগ্রহ, পড়াশুনাও করো, কাব্যপ্রতিভাও দারুন আরো কত কিছু করে বেড়াও!
সবকিছুই একটু একটু পারি মানে কোন কিছুই পুরাপুরি পারি না! অকালকুষ্মাণ্ড। আমারে দিয়া কাজের কাজ কিছুই হইব না!
রবি সিম চালাও কারন তারা কয় এবার হবেই!
বাবা মায়ের পয়সায় এই রাজার হালে চলা শুধু বাংলাদেশেই সমভব। এইখানে পুলাপানরে ১৬ থেকে কাজে নামতে হয় নিজের পকেটমানি যোগাড় করতে। অনেক বাবা মা বাচচাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ দিতে পারে না, বাচচারা সরকার থেকে লোন নিয়ে পড়ে। চাকরী শুরু হলে লোন চুকানো শুরু করে। এদেশের বাচচারা পড়ার লোন, বাড়ির লোন, গাড়ির লোন চুকাতে চুকাতে কবরে ঢুকে
(
দেশেও এখন এই চেতনা শুরু হচ্ছে। গ্রাজুয়েশন করার পর খুব কম লোকই আমার মতো আয়েশে থাকে। চাকরী খোজে চাকরী করে তারপর শ্বশুরের টাকায় এমবিএ করতে বিদেশ যায়!
আহা! কি আত্মসম্মান বোধ।

তুমি লেখা চালিয়ে যাও। লেখা ছেড়ো না কখনো ।
সেনাবাহিনী, সশস্ত্রবাহিনী আমার ভালো লাগে না নানান কারণে। বেশীরভাগকে দেখেছি সাধারণ মানুষকে গোণায়ই ধরে না।
থ্যাঙ্কস আপু।
আপনাদের অনুপ্রেরনায় পেয়েই এইসব নিম্ন মানের লেখা লিখে বেড়াই!
আমি সেনানিবাসের সকল প্রগ্রামে দাওয়াত পাই কোনটাতে যাই বেশীর ভাগই যাই না। দাওয়াত দেয়ার ধরনটা আমার কাছে এমন মনে হয় যেন তারা দাওয়াত দিচ্ছে আমি নিয়ে ধন্য হচ্ছি। জিজ্ঞাসা করে যাবেন কিনা হ্যা অথবা না বলুন। একসপ্তাহ পরে অনুষ্ঠান। অনেক সময়। এই সময় প্রগ্রাম হয়েও যেতে পারে ,কিভাবে আগে বলি। যদি বলি এখন বলতে পারছি না পরে বলি, সাথে সাথে উত্তর দেয় না এক্ষুনি বলতে হবে। না গেলাম সেই প্রগ্রামে।
না বললে একটু থতমত খায় তখন বলে ঠিক আছে আপনি কাল বলেন। তখন আর হ্যাঁ বলার প্রশ্নই আসে না। ওদের ব্যবহারটা ঠিক সম্মানজনক হয় না তাই যেতে সাচ্ছন্দ বোধ করি না।
তাদের মগজের কোষে কোষে সেনা আভিজাত্য। তাই কাউরেই গোনায় ধরতে চায় না। অভিনন্দন আপু আপ্নিও তাদের গোনায় ধরেন না এই জন্যে!
ভালোই চলে আপনার বেকার দিন।
ভালো লাগে লেখা পড়তে। লিখতে থাকুন।
বেকার বলিলে কষ্ট পাই মনে
এমবিএ করি, এখনো আছি ছাত্র জীবনে!
থ্যাঙ্কু। ভালো থাকবেন!
খুলনায় যদিও প্রতিটা ক্লাস পিরিয়ডেই বেধরক মাইর খাইছি তাও খুলনায় বলা যায় অনেক ভালো কাটছে
মারধর খাওয়ারও অভিজ্ঞতা আছে দেখি।
খানাখাদ্য খেয়ে দেয়ে ভালোই দিন কাটতেছে তোমার।
তুমি মন দিয়া পড়াশুনা করো আর পুরান ঢাকায় ভালা ভালা খাওন কও। দুনিয়া আর কয়দিনের!
মন্তব্য করুন