চোখের তরজমা
চোখের তরজমা;
পাপড়ির পর্দা;
তারে তারে কম্পণ পৌঁছালো কী?
কলিজার ভেতর থেকে রক্ত ছাড়া আর কি দেখানোর আছে!
নখের দিকে তাকাও
নেল পলিশ ছাড়াই কী রূপে জ্বলজ্বল করে বাহারি আচড়।
আলপনা মানে হস্তরেখার খাল
নাভী ও যোনি দুই সীমান্ত,-
চলে দুই দিকে অন্ত আমার অন্তর্জাল
দুটি পা' গেছে মলয় ও হিমালয়
হিমের ভেতর দেখ অমার তালু দেখ কতো উষ্ণ!
ফিরে এসো সিঁথিপথ ধ'রে, দেখ গুঁরুদাস
সন্ধ্যা নদীর সকাল বিকাল রাত্তির নাই
জোয়ার ভাটা তবু হাটাহাটি করে এইসব তীর্থস্তনে।
ঘুমের অতীত এই সিঁথিপথ ঘুম;
স্বপ্নের আবহসঙ্গীত হলো সিলিপিং পিল।
তবু মেপে নাও পায়ের ছাপ থেকে মাছি ও মাছের দীর্ঘতা
ওড়নার খানিকটা অংশত দৃশ্য উড়ে
শিকার নিয়ে চলে মহারাজা
বাঘের স্থান বদলের ইতিহাস পাঠ করা পর্যটক।
আমাদের জন্যে অপেক্ষাই শ্রেয় হলো;
বলো,আমরাই কী তোমার শিকার হবো?
গেলো জানা, শিক্ষার অভাবেই স্কোয়াডে পেলনা সুযোগ আমাদের রাস্তার কুকুর
এই তনু এই সব মাংসের হিংস্রতা
শাহাদাৎ আঙুলও কি বাদ যায় তাতে?





সুন্দর কবিতা
ভালো লাগলো জেনে,,,
ধন্যবাদ ।
বুঝি নাই
আমিও তো,,,,,,,,
শধু একটা?
স্লিপিং> সিলিপিং! ভালোতো
স্পর্শকাতর জায়গাটাই সনাক্ত করলেন!
চোখের তরজমা= চোখের অর্থ
পাপড়ির পর্দা;= চোখের পাপড়ি
আমি কবিতাটিতে ঠিক মিল খুজ়ে পাচ্ছি না। শেষের সাথে শুরু আবার মাঝের।
হয়ত আমার বোঝার ভুল তবুও কিন্ত থেকে যায়।
কোনো কিছু পাঠ করলে তার ভেতর আমরা একটা অর্থ খুজি।
একটা কবিতার ভেতর থেকে একাধিক অর্থ কি আসতে পারে না! আর সে জন্যে প্রতিটা বাক্যের চরিত্রও তো একাধিক হ'তে পারে।
আমি অবশ্য প্রতিটি বাক্য নয় প্রতিটি শব্দের দিকে যেন পাঠক তাকায় সে জন্যে বাক্যে বা এমনও হ'তে পারে কবিতার দেহে ভাঙ্গণ সৃষ্টি করি যাতে প্রতিটি শব্দের অর্থের দিকে আমাদের নজর যায়।
সাথে থাকছেন,,এটাই ,,,
বেশ কয়েকটা কবিতা পরপর পড়লাম। অনেক ভালো লাগলো।
নিয়মিত আপনার লেখা পড়তে চাই। ভালো থাকবেন।
শুভ কামনা,
রক্ত অন্ত দেখ গুঁরুদাস শুরু হল ঘুম : )
মন্তব্য করুন