অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৯ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

যাপিত জীবন ১

ঠিক কবে থেকে জীবন যাপন উপভোগ করতে শিখেছি মনে নেই। কখন থেকে যে বেঁচে থাকাটা অনেক বেশি আনন্দের মনে হয় সেটার হিসেবও জানা নেই। হয়তো ছাপোষা মধ্যবিত্ত বলে এত এত উপলক্ষ্যের ভিড়ে হারিয়ে গেছে সবচেয়ে বড় এই উপলক্ষ্যটা। কিংবা একটু ঘুরিয়ে বললে মধ্যবিত্তের ছাপোষা মনোবৃত্তিতে এটা আসলেই কোনো উপলক্ষ্য নয়। তারপরেও যতদুর মনে পড়ে মধ্যবিত্তের লেবেলে আমার এই যাপিত জীবনের প্রায় প্রতিটি দিনই কোনো না কোনো ভাবে 'আমি মধ্

সবাই ভালো থাকুন।

সবাইকে শুভেচ্ছা। আজ অনুমতি পেলাম এই ব্লগে লেখার। ভাল্লাগছে। জানি না এই ব্লগের কাদের আমি আগে থেকেই চিনি আর কাদের সাথে পরিচিত হব। আমরা বন্ধুর জন্য শুভ কামনা। উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ।

 আশা করছি নিয়মিত এবং নিয়মে থেকেই আমরা বন্ধু ব্লগে লিখে যাবো। সবাই ভালো থাকুন।

 

সবাই ভালো থাকুন।

নবম মাত্রার রোবট সংক্রান্ত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

১)
পৃথা কমলা রং এর কমলার রস পান করতে করতে রিক্তর কথা ভাবছিলো, রিক্তর কথা ভাবতে তার যত ভালো লাগে কমলা রং এর কমলার রস পান করতে তার ততই বিরক্ত লাগে। পৃথার প্রিয় হচ্ছে স্বপ্ন পানীয়, যেকোন স্বপ্ন পানীয়ই তার মনে চনমনে ভাব নিয়ে আসে, নিয়ে যায় তন্দ্রার জগতে। বিশেষ করে মার্কেটে ‌যে নতুন ড্রিংকস টা এসেছে বেগুনি রং এর জারুল ফ্লেভারের পার্পলী সেটা এখনো চেখেই দেখা হোলো না।

বিন্যাস

আমাদের কোনও গল্প ছিলো না ।
অথচ -
আমাদের একটা গল্প থাকতেই পারতো ;
চরিত্রগুলো টানটান তৈরি ছিলো
গল্পের আবহে ঢুকে পড়ার তাগিদে -

কিন্তু কারিগর জানেন ,
সম্ভাবনা তৈরি না করেই মরে যায়
যে পাখি -
তার ডানার রোদ সব ঘাস সব পাতা গিলে ফেলে

তাই সব গল্পই মূলত বিকেন্দ্রিক ;
সম্পর্কহীন বন্ধনীতে
যেমন সাহচর্য জানে মাটি ও মেঘ ,
তেমনি আমরা শূন্যাশূন্য বোধে
-ছড়িয়েও গেলাম

বিডিআর বিদ্রোহ ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১ বছর

বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের একবছর হয়ে গেলো। ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের মর্মান্তিক ও অমানবিক মৃত্যুর কোনো সুষ্ঠু বিচার এখনো হয়নি। এমনকি প্রকাশ করা হয়নি কোনো তদন্ত রিপোর্ট, দাখিল করা হয়নি চার্জশিট। প্রায় আড়াই হাজার বিডিআর সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনো জাতি জানতে পারেনি রুদ্ধশ্বাসের সেই দুইদিনে আসলে কী ঘটেছিলো? কেন ঘটেছিলো? কারা ছিলো এর নেপথ্যে?

তখন নিভিয়া গেছে মণিদীপ, চাঁদ শুধু খেলে লুকোচুরি

বিকেলে আচমকা এক ঝড়। কালবৈশাখী, সঙ্গে শিলাবৃষ্টি। বিদ্যুত চলে গেলো। বিদ্যুত গেলেও সঙ্গে সঙ্গেই জেনারেটর চালু হয়ে যায়, তাই খুব একটা টের পাই না। ঝড় আর ফেইসবুক একসঙ্গে চলতে লাগলো।

একসময় ঝড় থামলো, কিন্তু ঝিরিঝিরি বৃষ্টি রয়ে গেলো। নামলো সন্ধ্যা। দুঘন্টা টানা সার্ভিস দিয়ে একসময় জেনারেটরটাও নিভে গেলো। বোধহয় ট্রান্সমিটার বিকল।

বইমেলা কড়চা ১

বইমেলা প্রাণের মেলা ,তাই প্রাণের তাগিদেই সেখানে ছুটে যেতে হয় ।ফেব্রুয়ারি মাস এলে বই মেলায় তাই না গেলেই নয় ।নতুন বইয়ের তীব্র মৌতাতে জায়গাটা ম ম করে , সেই গন্ধ শোঁকার জন্য প্রাণটাও তাই হামেশাই আইঁঢাই করে বৈকি ।তাই মাঝেসাঝে একেবারে প্লান প্রোগ্রাম কষে ,আবার কখনো সখনো একেবারেই ঝটিকা সফরে বইমেলায় ঢুঁ মেরে আসা হয় ।হতচ্ছাড়া পকেটের হতশ্রী অবস্থাকে পাশ কাটিয়ে গেলে বইমেলা সফরে আমি তাই নিখাদ অ্যাডভেঞ্চারের আ

লাভ নাইরে হারামী, জনতার আদালতে তোরা ফাঁসীর আসামী

কুত্তার লেঞ্জায় তারাবাত্তি বাইন্ধা ছাইড়া দিলে কী হয় দেখছেন কুনোদিন? না দেখলেও অসুবিধা নাইক্কা, জামাত শিবিররে দেইখা লন বুঝবার পারবেন।

হ, কথা সইত্য। জামাত শিবিরের অবস্থা অখন হইছে এক্কেবারে পাগলা কুত্তার লাহান। যেইনা যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হইছে, লগে লগেই তাগো বিচি গেছে কান্ধে উইঠা।

বিক্ষিপ্ত এক টেলিফোন সংলাপের স্মৃতি ভগ্নাংশ

 - হ্যালো, তুমি কি আছো অচিন দা?

- আমি আছি, এতক্ষন পর এসেছো তুমি?

 - রাত গভীর হবার অপেক্ষায় ছিলাম। তোমাকে উইশ করবো বলে। একটা কিছু দেবার খুব ইচ্ছে ছিলো তোমাকে জন্মদিনে....হলো না রে!

- বস্তু কে চায় তোমার কাছে?

- কেন?

- বস্তু হলো নশ্বর, আমি তো চাই অবিনশ্বর কিছু

- তবু মাত্রই তোমার কথা মনে করে একটা ছবি তুলেছি

হংকং ইমিগ্রেশন ও সর্ষের তেল বৃত্তান্ত -২

সবাইকে এতদিন অপেক্ষায় রাখার জন্য দুঃখিত। আসলেই একটু ঝামেলায় ছিলাম। মূল ঘটনায় ফিরে যাই চলুন ।

নর নির্যাতন !!!

অ.    অনেকদিন থেকে ভাবছি একটা পোস্ট দেবো। যার শিরোনাম হবে : নর নির্যাতন। এই নামে অনেক বছর আগে আমার ছোট বোন সুলতানা শিপলু ভোরের কাগজে একটা পোস্ট লিখেছিলো। তুমুল হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিলো সে লেখা ছাপা হবার পর। এক সময়ের তুখোড় লেখিকা ছোট বোন এখন আর লেখেনা। এবার ছাড়া গেলো ৩ বছরের বইমেলায় ওর ৩ টা বই বেরিয়েছিলো। স¤প্রতি এবি’র পিকনিকে যাবার পর আমাদের ৩/৪ বন্ধুর দুরবস্থা দেখে নর নির্যাতন লেখার ই

ভেতর-বাহির (সপ্তম পর্ব)

আমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোক

ঠিক যেখানে দিনের শুরু...ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ  কালো রাত্রি শেষ
মন  যতদূর চাইছে যেতে ঠিক  ততদূর আমার দেশ
ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ  কালো রাত্রি শেষ
মন  যতদূর চাইছে যেতে ঠিক  ততদূর আমার দেশ

ডাইরী ৫৬

পাহাড় জ্বলছে আগুনে,
মানুষ পুড়ছে আগুনে।
ধিক! বাঙালি, ধিক!

এক.

রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (দুই)

এইবার পরিকল্পনা ছিলো রাঙ্গামাটি জেলার প্রত্যন্ত কিছু থানায় যামু। আগে মাইন্যামুখ পর্যন্ত যাওনের অভিজ্ঞতা থেইকা জানি প্রকৃতির ধারেকাছে থাকা মানুষেরা সংগ্রামী হয়। এইবার আরেকটু দূরে মারিশ্যায় যাওনের খায়েশ তৈরী হইছিলো একবন্ধুর বর্ণনা শুইনা। হ্রদের পাড়ে নাকি গুচ্ছগ্রামের শহর গইড়া উঠনের প্রক্রিয়ায় আছে বেশ কয়েক বছর ধইরাই। কিন্তু বিধিবাম...পর্যটন মোটেলে পৌছাইয়া দেখি কর্মকর্তা-কর্মচারী সব নিরাশার চেহারা নিয়

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ