শূন্যে ছুঁড়ে দেয়া কয়েনের দিকে তাকিয়ে
ব্যাকস্টেজেঃ
প্রৌঢ় দড়াবাজ দাঁড়িয়ে।
জীবনের শেষ দড়াবাজির খেলা দেখাবে বলে
রং মেখে লুকানো, ভাঁজ পড়া চেহারায়
মঞ্চ ফাঁকি দিয়ে আসা টুকরো আলোরা আলতো ছুঁয়ে যাচ্ছে,
বুঝিবা সান্তনার হাতে।
মঞ্চেঃ
চড়া তালে বেজে চলেছে বাজনা
উদ্দাম ড্রাম বিটের সাথে ছন্দ মিলিয়ে এগিয়ে আসছেন প্রেজেন্টার
তার চকচকে জুতোয় পিছলে যাচ্ছে স্পট লাইট
ধাঁধিয়ে দিচ্ছে চোখ, দর্শকদের।
ভরাট গলায় ঘোষিত হচ্ছে খেলা এবং খেলোয়াড়ের নাম।
বাইরেঃ
কুয়াশার মৃদু গন্ধ মাখা রাতের চাদরে
থিতিয়ে আসা ধুলোরা জমছে ধীরে
একঝাঁক রাতজাগা পাখি
নড়েচড়ে বসছে দূরবর্তী গাছের ডালে
নৈশব্দ এবং কোলাহল হাতধরে চলছে এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।
আবার ব্যাকস্টেজেঃ
দড়াবাজের কাঁপা হাত খুঁজে নিয়েছে
জীবনের প্রথম রোজগারের কয়েনটাকে, যেটা
বুড়ো আঙ্গুল আর তর্জনীর মিলিত প্রয়াসে উড়ে গিয়েছে শূন্যে।
হেডস মানে মৃত্যু। টেলস মানে জীবন।
প্রৌঢ় দড়াবাজ অনন্ত প্রতীক্ষায়
শূন্যে ছুঁড়ে দেয়া কয়েনের দিকে তাকিয়ে...





প্রথম কমেন্ট করার মজাই আলাদা।
আপ্নের লেখা অলওয়েজ রক্স।
রক্স মানে তো পাত্থর গুলা
আপ্নে আমার কবিতারে পাত্থর কৈলেন? কৈতে পার্লেন???
(
বাইরের প্যারাটা মন কেড়েছে।
সকালে পড়তে গিয়ে আমার নিজেরো তাই মনে হয়েছে...
বাহ, দারুন বর্ননা । কবিতায় ফুটে উঠেছে সম্পূর্ন কাহিনী। চমৎকার।
অনেক ধন্যবাদ আপু...
আকিদার সাথে একমত
অন্যরকম। পুরোটাই অদ্ভুত এক সুরে বাজছে মনের ভিতর। দারুন।
অনেক ধন্যবাদ বিষণ্ণ (নাকি বলবো বাউন্ডুলে?)...
পৌঢ় দড়াবাজের কয়েনে ওঠা উচিত হেড।
এখানে একচুয়ালি প্রৌঢ় হবে। খুবই দুঃখিত বানানটি ভুল করার জন্য।
দুঃখিত হইলে শুধু চলপে না। জরিমানা দিয়া যান। আর ব্লগে কেন দেখি না? কই থাকেন? কেমন থাকেন?
ঢাকায় থাকি, ভালো থাকি।
আপনে কই থাকেন, কেমন থাকেন?
ঢাকায় থাকলে, ভালো থাকলে দেখি না কেন আপনারে? পোষ্ট দেন না কেন?
আমি ভালো নাই ১ সপ্তাহ ধরে। জ্ব সাথে জ্বরের ভাই বোন।
জ্বর হইলে কেমন লাগে বিস্তারিত লেখেন দেখি। আমার মনে হয় বোধশক্তি জন্মাবার পর থেকে কোনো জ্বর হয় নাই। তাই অনুভূতিটা পরিচিত না।
এই পোলা কয় কি? আমি তো ঘোরের মধ্যে চলে যাই, পুরা সেন্স ই থাকে না, তবে খুব মায়ের গায়ের গন্ধ নিতে ইচ্ছে করে। ছোটবেলায় মা নিজের পেটের সাথে গা মিলিয়ে দেখতো তাপ কতটা বেশী।
হ ঘটনা সত্য।
আপনে জ্বর বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত লেখেন। পড়তে ইচ্ছা কর্তেসে।
একটা পোষ্ট দেন পিলিজ!
আগে আমি চাইছি। তাই আপ্নাকে আগে লিখতে হলো।
পিছলা হলেন কবে থেকে? খুব খ্রাপ্!আপনে না কত্ত ভালু!
জ্বি না, আমি খুব একটা ভালো না। আপনে আগে একটা লেখা দিবেন। এরপরে আমার কথা আসপে।
আরে ধুর! ভানাম্বুল কুনু বেফার মা
আমিও হেড ই চাই...
আপ্নের লেখা অলওয়েজ রক্স।
এইবার গদ্য লেখেন। কবতে পড়ে পড়তে ক্লান্ত হইয়া গেলাম।
আপ্নেও আমার লেখারে পাত্থরের লগে তুলনা দিলেন???
আমার কাছে দুইন্যাইডারেই পাথ্থর লাগতাছে, কি করুম কন? জাম্বুরা ভর্তা খাই মনের দুঃখে।
ব্যাপক
ভালো লেগেছে
এক্টা মূহুর্তরে আকাঁ হইছে যেন! সম্মুখে, মনে আর আশেপাশে কি চলছে তা
মন্তব্য করুন