অনস্তিত্ত্ব বিষয়ক রেললাইন
*
এইসব লাল-নীল-হলুদ
এইসব আদিগন্ত সন্ধ্যা,
সবার ভালোলাগায় সিক্ত হয়ে উঠে এসো চাঁদ
বিষণ্ণ রাতের আঁধার জোছনার চাদরে ঢেকে দিয়ে।
দূরে মিলিয়ে যাওয়া মেঘ ও মাঠের দিকে যতই এগিয়ে যাওয়া হয়
তারা সরে যেতে থাকে দূর থেকে দূরে।
শহরের সীমারেখা আঁকা ক্লান্ত কাকের দল ডানায় রোদ্দুর মেখে
বিশ্রাম নিতে শুকনো গাছের আশ্রয়ে নামে, স্বরে মিশে থাকে করুণ আর্তি।
দূরাগত ট্রেনের হুইসেলের উদাস
ভর করে পথিকের চোখে এবং মনের চিলেকোঠায়।
বৃষ্টিতে ভিজে হেঁটে যাওয়া দুই জোড়া পা
অনস্তিত্ত্ব বিষয়ক রেললাইন ধরেই চলে যেতে থাকে বহুদূরে
পাশাপাশি, তবু একজীবনের ব্যবধান রয়ে যায় মাঝে...





উফ্ একটা তীব্র হাহাকার। কোথায় যেন এসে ধাক্কা মারে বারবার। দূর্দান্ত ও সুপার্ব। শুভ ভাই জিন্দাবাদ।
ধইন্যা জনাব...
আপনার কবিতা বেশিরভাগগুলোই ভালো লাগে । এটাও যথারীতি ভাল্লাগছে ।
দূরাগত ট্রেনের হুইসেলের উদাস
ভর করে পথিকের চোখে এবং মনের চিলেকোঠায়।
দূরাগত ট্রেনের উদাস ভর করে । উদাসীনতা বা ঔদাসীন্য হলে ভালো হত না । নাকি আপনি ইচ্ছা করেই উদাস লিখছেন?
এইটা ইচ্ছা করেই লেখা
ধইন্যা পড়ার জন্য...
ভালো লাগছে (কারন, আমার পোলার নাম আছে
)
"রোদ্দুর" ওয়ার্ডটা লেখার টাইমে আপনার কথা মাথায় আসছিলো
কাছাকাছি সময়ে শুভ যা লিখছে তার মধ্যে এইটা আমার সবচে ভালো লাগছে...
থ্যাংক্স বস...
এইটা ভাল হইছে ।
ধইন্যা
ভালো লেগেছে।
তোমার কবিতা নিয়ে একটু বলি।
অনেক দিন ধরে কবিতা লিখছো। অনেক লিখছো, হয়তো কবিতা নিয়ে তোমার কোনো পরিকল্পনা আছে। কারণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো সাধ্য তোমার আছে। তুমি কবিতার বই বের করবে বা মেইনস্ট্রিমে লিখবে এবং যত্ন নিয়ে ভালো ভাবে সেসব পৌঁছে দিলে, পাঠক তোমার কবিতা আপন করে নেবে। তাই, তোমার কাছ থেকে বিষয়বৈচিত্র্যে ভরপুর কবিতা পেতে চাই।
আসলেই আমার লেখাগুলো একঘেয়ে টাইপের হয়ে যাইতেছে
হুম
হাম
আয়াতুল কুরসীর মতো ধইরা ধইরা পইড়া গেলাম। আখিরাতে নিশ্চয় এর ফজিলত পাবো
যায়গামত (সেমাট) শাহাদত আঙ্গুল খাড়া করছিলেন তো?
আবার কুনটা?
অল ক্লিয়ার বুঝিনাই তবুও ক্যান জানি ভাল্লাগছে!
ধইন্যা পত্র বুঝিয়া নেন...
মন্তব্য করুন