অতঃপর কলিকালের মা কহিলেন..
লোকে এখন কথায় কথায় বলে, দিন বদলাইসে..কতটুকু বদলেছে তার একটা ছোট্ট নমুনা না দিয়ে পারছিনা..
এই গল্প এক শিশুর। যার জন্ম উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে। বাচ্চা মানেই সে অপরিসীম আদরের ধন। তা সেটা বাবা মার কাছেই হোক আর দাদী- নানীর কাছেই হোক..শিশুর মা-ও চমৎকার। স্টাইলিশ, ফ্যাশনেবল, গোছানো ইত্যাদি ইত্যাদি..শোয়ার রুম থেকে বের হওয়ার আগেও আয়নায় নিজেকে অন্তত চৌদ্দবার দেখেন। প্রয়োজনে মেক আপও করে নিতে পারেন মাত্র পাঁচ মিনিটে। এমন মায়ের কন্যা যে ছোটবেলা থেকেই পরিপাটি হয়ে বড় হবে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
ছোটবেলা থেকেই মেয়েটি দুধ, ডিম, মধু- এসব খাদ্যদ্রব্য পেটে যাওয়ার পাশাপাশি মুখে এবং গায়েও পড়তে থাকে। চার বছর বয়সে বাচ্চাকে স্কুলে পাঠানোর আগে তাকে রোদে পুড়তে নিষেধ করা, এই বয়সে ব্র্যান্ডেড পোশাকে অভ্যস্ত করা, সানস্ক্রীণ মাখিয়ে স্কুলে পাঠানো- সবই হয়ে গেছে ফ্যাশনেবল মায়ের সুবাদে। এসবে আমি দোষের কিছু দেখিনা। নিজের বাচ্চাকে সবাই "কিউট" বললে গর্ব লাগারই কথা।
যাই হোক, কিউট বাচ্চার বয়স এখন পাঁচ বছর। মা তাকে এতোদিন ধরে জোর করে খাবার গেলাতো। ফলাফল বাচ্চাটি এখন খেতে ভিষণ পছন্দ করে। মজার খাবার পেলে দুই প্লেট খাবার খায় এক বসায়। সাথে পেটে ও পিঠে নিয়মিত পরছে দুধ, ডিম, মধু..দিনে তিন থেকে চারবার। এর ফলে, বাচ্চাটি "স্বাস্থ্য ভালো" থেকে সীমানা পেড়িয়ে যাচ্ছে বেশ জোরেশোরে। ঘটনা হলো..এখন মায়ের আরেক দুশ্চিন্তা। মেয়ে কি তবে মোটা হয়ে যাচ্ছে!..
ফলাফল, মা এখন বাচ্চাটির সামনে থেকে খাবার সরিয়ে নিতে পারলে বাঁচে..খেতে চাইলে মুখ গোমড়া করে..বাচ্চাটি বুঝলো কি বুঝলো না, আল্লাহ মালুম। একদিন সারাদিন কিছুই খেলো না।
অতঃপর..মা তাকে ডেকে বললেন, অল্প অল্প করে খেলে "ডায়েট" হবে..শুকিয়ে যাবে..ঠিক আছে.. !
পাঁচ বছর বয়সী বাচ্চার ফিগার ধরে রাখার কৌশলে লজ্জা পেয়ে লেখা এখানেই শেষ করলাম..
(কাউকে ছোট করার জন্য লেখিনি..কষ্ট পেয়ে লিখেছি..বাচ্চারা এখন বাচ্চাদের মতো বড় হোক, সেই প্রার্থণা করি..)





আমার সংসারে খাদ্য'র পিছনে আমার বেতনের একটা বড় টাকা চলে যায়! আমরা তিন জন ই মোটা! কিন্তু আমার পত্নীকে বুঝানো যায় না। তিনি বলেন আমি কিপটা! আমি নিরুপায়!
আমি বেশী খাই, কারন নতুবা নস্ট হবে!!!!!!! আল্লাহ সহায়!
আতঃপর..মা তাকে ডেকে বললেন, অল্প অল্প করে খেলে "ডায়েট" হবে..শুকিয়ে যাবে..ঠিক আছে.. !
এটাই আসল কথা। আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্ত মায়েদের এ এক সমস্যা...
বড় ভাই, আমার পয়েন্ট ছিল এটাই..একটি পাঁচ বছরের মেয়েকে শিখানো হচ্ছে কিভাবে "ডায়েট" করতে হয়..! বাচ্চারা বাচ্চাদের মতোই বড় হোক- এ প্রার্থনা করি..
শিশুকে অতিরিক্ত খাদ্য খাওয়ানোর ফলে শিশুমৃত্যূর ঘটনাও ঘটেছে আমার এক অতিদূর সম্পর্কিয় আত্মীয়ের বেলায়। সুতরাং সাবধান। নিজে না বুঝলে শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।
শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির নিশ্চয়তা কামনা করি।
এমন অনেক বাচ্চাকেই দেখি যারা খাচ্ছে আবার বমি করছে আবার খাচ্ছে।
আমার পরিচিত এক মা তার মেয়ে কে এমন খাওয়া খাইয়েছিলেন , পরে কোন কারনে ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তাকে পরবর্তী ৪/৫ বছর ডিম খেতে নিষেধ করে দিয়েছিল।
আমার বাচ্চা নিজে নিজেই ডায়েট করে। কিছুই খায় না... আমার চিন্তা নাই
হা হা হা।
অতিরিক্ত সবদিকেই ভয়াবহ। ডায়েটও যেমন কাম্য না, তেমনি উল্টাপাল্টা খাদ্যরীতির ফলাফল ভাল হবে না। আমার এক পরিচিত ভাইয়ের ছেলেকে ছোটবেলায় এতোবেশি ঘি খাওয়াতো, যে পরে আর নড়তে চড়তে পারে না এমন স্বাস্থ্য হইছিল। তারপরে ডাক্তারের পরামর্শেই ডায়েট করতে হইছে।
ছোট থাকতে বিশাল খাদক ছিলাম
...
'বাচ্চারা বাচ্চাদের মতোই বড় হোক'
:
"বাচ্চারা বাচ্চাদের মতোই বড় হোক'
বাচ্চারা বাচ্চাদের মতোই বড় হোক
আমি এ ব্যপারে ডিফার করলাম সবিনয়ে। বাচচার স্বাসথ্য এর দিকে নজর দেয়া পরতেক মায়ের পরয়জন। দরকারে ডায়েট। মটকু বাচচা ওযথা কষট পাবে পরে মাকেই এর জন্য দায়ি করবে
লেখার স্টাইল সুন্দর
মন্তব্য করুন