আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, আপনাকে বলছি...
১.
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, আপনাকে বলছি, আসলেই আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে। ষোল কোটি মানুষ আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। জবাব চায়, কেন আপনি এসকল মানুষের হাতে বই তুলে দেননি যারা প্রেস কনফারেন্সে বলেন, পুলিশের মধ্যে ভালো-মন্দ থাকা স্বাভাবিক- অর্থ্যাৎ পুলিশ কোন ভুল করলে তা মেনে নিতেই হবে। যারা বলেছেন, পুলিশের কাছ থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখতে। যেখানে পুলিশের কাজ জনগণের বন্ধু হিসেবে তাদের পাশে থাকা। স্যার আপনি বাংলাদেশের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতেই পারেন, কারণ আপনি হয়তো ম্যাগি নুডুলস খাইয়ে ম্যাগসেসে পুরস্কার "হাতিয়ে" নিয়েছেন। আসলেই দুঃখজনক যে, যারা বাংলাদেশের নীতি নির্ধারনী পদে থাকে তারা জানেন না কাকে, কোন কথা, কোন শব্দচয়ন করে বলতে হয়। কেন স্যার তাদের হাতে বই তুলে দেন নি? তাহলে অন্তত তারা মানী ব্যক্তির মান রেখে কথা বলতে পারতেন! আপনি ক্ষমা চাইতেই পারেন। ষোল কোটি মানুষ আপনার সেই প্রার্থনা শোনার জন্য তৈরি। কিন্তু ষোল কোটি মানুষের কত কোটি মানুষ "দুর্নীতিবাজ মানুষকে দুর্নীতিবাজ" বলার জন্য আপনার কাছে থেকে ক্ষমা প্রার্থনা শুনতে চান এতে আমার সন্দেহ আছে। আসলেই কি চায়, নাকী সমষ্টিগত কিছু মানুষ নিজেদের রক্ষা করতে ষোল কোটি মানুষের দোহাই দিয়ে বার বার উৎরে যাচ্ছে?
২.
আজ, ৪ জুন ২০১২, যেখানে বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত দৈনিকের প্রথম পাতায় যেখানে সরকারি কর্মচারীদের কোটিপতি হওয়ারর খবর বাক্সবন্দী হয়ে আসে, অদূর অতীতে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের গাড়িভর্তী টাকা যেখানে ধরা পরে সংসদেরই বেষ্টনীর মাঝে, পবিত্র সংসদে নারীর গলিত লাশ পাওয়া যায় বা জনৈক মন্ত্রীর (দুর্)নীতির কারণে পদ্মা সেতুর স্বপ্নের জল যেখানে বারবার ঘোলা হয়, সেখানে একটি গণপ্রজাতন্ত্রী স্বাধীন দেশে ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করা কেন অপরাধের সামিল হচ্ছে- তা একটু খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।
৩.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে মাত্র একটি রুম থেকে এর যাত্রা শুরু বোধ করি তখন থেকে যখন বর্তমান অনেক সংসদ সদস্য রাজনীতি করার কথাও হয়তো ভাবেননি। প্রতিবছর হাজার হাজার শিশু-কিশোর অদ্ভুদ আনন্দমেলায় মেতে উঠে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে। সেই অনুষ্ঠানে সুর্যাস্তের সময় মোম হাতে যখন কিশোর শিশু শপথ নেয় আলোকিত মানুষ হওয়ার- তখন যে ভালো লাগার অনুভূতি সেটা কি কোন সাংসদ কখনো অনুভব করেছেন? প্রতি সপ্তাহে স্কুলের লাইব্রেরী থেকে বই নেয়ার, পড়ে কিছু লেখার, বোঝার যে উত্তেজনা- সেটা কি তাঁরা জানেন? তারা কি পিতা ও পুত্র বা তারাসবুলবা পড়েছেন? আচ্ছা তাও সই! মাননীয় সাংসদেরা কেউ কি সকল মহান নেতার জীবনী পড়েছেন? আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই বইগুলো পড়লে একজন অধ্যাপক, যিনি শুধু বই হাতে তুলে দিয়ে কিশোর বয়স থেকে মনকে আলোকিত করতে চেয়েছেন, তাঁকে- সেই আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারকে সংসদে ডেকে ক্ষমা চাইতে বলতে পারতেন না। তাও সেই কারণে যেটা ঘটেইনি।
লেখক লুৎফর রহমান রিটন তার তাৎক্ষণিক মন্তব্যে জানিয়েছেন স্যার আসলে কি বলেছিলেন। তিনি তাঁর নোটে লিখেছেন, "টিআইবি-র অনুষ্ঠানে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছিলেন- ‘চোর যে চুরি করে, ডাকাত যে ডাকাতি করে সেটি কি দুর্নীতি? আমার ধারণা এটা দুর্নীতি নয়। কারণ দুর্নীতি শব্দের মধ্যে আরেকটি শব্দ লুকিয়ে আছে। শব্দটি হলো ‘নীতি’। চোর বা ডাকাতের কাজ ঠিক দুর্নীতি নয় কারণ তাদের কোন নীতিই নেই। সুতরাং দুর্নীতি সেই মানুষটি করে যার নীতি অছে। একটা উদাহরণ দেই। যেমন, যদি একজন মন্ত্রী এই বলে শপথ নেন যে তিনি শত্রু-মিত্র ভেদাভেদ না করে সবার প্রতি সমান বিচার করবেন কিন্তু পরে তিনি সেটি না করেন সেটা হবে দুর্নীতি।’
‘আমাদের সরকারি কর্মকর্তা বা পুলিশ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষার শপথ নেন। কিন্তু তারা সেটি না করলে সেটি দুর্নীতি।’
'একজন সাধারণ মানুষ আইন ভাঙলে এক বছরের জেল হলে পুলিশের পাঁচ বছর হওয়া উচিত। কারণ পুলিশ আইন রক্ষার শপথ নিয়েছে।' "
-এখানে প্রত্যক্ষভাবে কোন সাংসদকে উদ্দেশ্য করে কিছূই বলা হয়নি। তাহলে তারা কেন এই ইস্যুতে এতো চড়া গলায় কথা বলছেন। কারণ হয়তো তারা জানেন, বা আপনমনেই বিশ্বাস করেন, দুর্নীতি শব্দটির সাথে তারা নিজেরাই ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। এখন কোন মানুষ এই নিয়ে কোন কথা বললেই তাঁরা তেতে উঠছেন। বিষয়টি অস্বাভাবিক অনাকাঙ্খিত। কারণ, যদি আজ মন্ত্রী মহোদয়ের সমালোচনাও করা হয় তাতে কি করে সংসদের অবমাননা হয় তা বুঝতে আমি অপারগ। একটি গণপ্রজাতন্ত্রী স্বাধীন রাষ্ট্রে সাবালক জনগণ নিজ ভোটে নির্বাচিত সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতেই পারে। এটা না মানলে সেই সরকার কি করে গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার হয়?
৪.
কিছু কিছু স্বার্থপরতা আমাদের ক্রমেই ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাচ্ছে। চিন্তা চেতনার সীমানাকে সঙ্কুচিত করছে। মনে আছে একবার রোকেয়া হলে পুলিশি হামলা হয়েছিল? তখন কিন্তু শুধু রোকেয়া হলের ছাত্রী নয়, পুরো ছাত্র সমাজ এর প্রতিবাদ করেছিল। আজ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্বাবিদ্যালয়ের হামলায় শুধু নিজেরা নিজেরা প্রতিবাদ করে। অন্য ছাত্ররা চুপ। সাংবাদিক খুন হওয়ায় শুধু সাংবাদিক প্রতিবাদ করে, বাকীরা আমলেই নেয় না। অধ্যাপক ইউনূসের নোবেল পাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করায় ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে সমালোচককারীরা প্রতিবাদ না করে তার সমর্থন করে। সাধারণ মানুষ গুম হলে কোন রাজনৈতিক দল প্রতিবাদ করে না। এসব ঘটনার ফলশ্রুতিতে কি হচ্ছে? এখন তীরন্দাজেরা ধরেই নিয়েছে তীর ছুড়লে শিকার আক্রান্ত হবেই। শিকারেরা পাল্টা আক্রমণ করবে না। ফলে, আজ বিএনপির নেতা গুম হয়, সাংবাদিক দম্পতি খুন হওয়ার পর বিচার না হওয়ায় সাংবাদিকরা আরো নানা কায়দায় নির্যাতিত হয়, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মারমার-কাটকাট চলতে থাকে এবং আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে পরিচিত অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের দিকে কেউ কেউ আঙুল তোলে। আর ঠিক তখনই শুধুই আবার সব ইস্যুতে স্বোচ্চার হওয়া ক'জন ব্যক্তিত্ত্ব বাদে বিশেষ কিছু মানুষের বিবেক জেগে উঠে যারা অন্য বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে থাকে। যেন জাতির অন্য বিপর্যয় এই মানুষগুলোর চেতনায় দাগই কাটতে পারেনি..
৫.
স্যার আবারো আপনাকে বলছি, ক্ষমা আপনাকে চাইতেই হবে। যে আলোকিত মানুষ গড়তে চেয়েছেন আপনি বছরের পর বছর ধরে, সেই আলোর নীচের অন্ধকার আপনি দূর করেননি। এখন এই অন্ধকার ক্রমেই আলোকে গ্রাস করছে স্যার। আমরা, আপনার মূর্খ ছাত্র সমাজ ঘরে বসে ফেসবুকে স্টেটাস দেই। নিজের গোত্র বুঝে, টুকটাক লেখালেখি করি। এরফলে সাগর-রুনির হত্যার বিচার হয়না, তিস্তার পানি আসে না, বর্ডারে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়না আর সড়কের নিত্য নৈমিত্তিক প্রাণহানিরও সমাপ্তি হয় না আর সমালোচনা কেউ করলেই ক্ষমা চাওয়ার দাবী উঠে। কাউকে জেলে ভরে দেয়া হয়। এই তো কিছুদিন আগে সাধারণ ছাত্রকে রাষ্ট্রদ্রোহী হতে হলো, তখন আরেকটু সরব হলে আজ এই দিন হয়তো দেখতে হতো না। অন্ধকার, চারিদিকে অন্ধকার..
৬.
স্যার আপনাকে যদি যেতেই হয় ক্ষমা চাইতে- সেক্ষেত্রে শর্ত একটাই- এদফা আমরাও সঙ্গে যাবো। আমরাও ক্ষমা চাইবো, ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে বারবার ঝাপ দেয়ার আর জ্বলন্ত উনুন থেকে ফুটন্ত কড়াইয়ে বেয়ে উঠার জন্য। ..আমার বিশ্বাস আপনার আগে আমাদের মতো মানুষের দ্বারা যে ঢাল তৈরি হবে, তাতে ছেদ করা সহজ হবে না...





সবচেয়ে দু:খজনক হচ্ছে এসময় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ছিলেন। সম্ভবত তাঁর সায় ছিল এই বক্তব্যে
তাহলে তাই হউক, স্যারকে যদি ক্ষমা চাইতেই হয় তাহলে আমরাও তার সাথে যাবো ক্ষমা চাইতে। নিজে উৎসাহিত হয়েই ভোট দিয়েছিলাম, এর জন্য ভুগতে তো হবেই, ক্ষমা চাইতে হবেই!
এবার দেখতে চাই কত মানুষের "ক্ষমা প্রাথর্না" এদের মনে শান্তি আনে!
তাছাড়া, ব্যক্তি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের অপমানের চেয়েও শঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে, যে সমাজে গুণী লোকের সম্মান থাকে না সেই সমাজ গুণীশুন্য হয়ে যায়।
~
ইতিমধ্যেই দেশকে যারা পরবর্তী ধাপে নিত পারতো এমন অনেক তরুন অভিমানে দেশ ছাড়ছে..
...দেশ মেধাশূণ্য হলে গাধারাই তো হবে সর্বেসর্বা..
'চোর' কে 'চোর' বলাটা উনার উচিত হয় নাই
সবচেয়ে বড় কথা হলো, অনেক চোরই এখন উচঁু গলায় কথা বলতে শিখেছে..এই সাহসটা জন্মাতে দেয়া কারোরই উচিৎ হয়নি।
:-bd :-bd :-bd
আর কেন ঝাপ দিবেন ? বয়কট করেন ভোট।
কেনো বয়কট করবো? ভোট না দিয়ে বা "না" ভোট দিয়ে আবার একই চেহারাকে ক্ষমতায় আনা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? কেনো একটা নতুন চেহারা, আনকোড়া দলকে ভোট দিতে এতো বাধা আমাদের? যদি সেই নতুনকে মেনে নেয়ার সাহস না থাকে তাহলে অপশন আসলে দুটোই, ক. জ্বলন্ত উনুন এবং বি. ফুটন্ত কড়াই।
সাংসদদের সবাই মন্ত্রী নয়, কেউ কেউ মন্ত্রী। তাইলে কে বড় ? শুধু সাংসদ, নাকী সাংসদ কাম মন্ত্রী ? যেখানে খোদ মন্ত্রীদের কেউ কেউ 'পুলিশ আগের চেয়ে ভালো, এই সার্টিফিকেট আপনাদেরকে দিতেই হবে' বা 'সাংবাদিকরা পুলিশের কাছ থেকে নিরাপদ দুরত্বে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করুন' জাতীয় বক্তব্য দেয়- সেখানে সাংসদদের কাছে আমরা কী আশা করতে পারি?
তবে একটা ব্যাপার বুঝলাম না, ইনকিলাবের খবর দেখে ৩ সাংসদ এভাবে সায়ীদ স্যারের বিরুদ্ধে কথা বললেন কেনো, তাও জাতীয় সংসদে বসে। অবশ্য আমাদের মহামান্য সাংসদদের কাছে সংসদ ভবন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বা পল্টন একই... তারা কী বুঝবেন সংসদের মর্ম ! আর সায়ীদ স্যারের মন্তব্য বুঝাতো তাদের জন্য আরো কঠিন। সব মূর্খের দল।
তবে অন্তত ডেপুটি স্পিকার জনাব শওকত আলী যে বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন, তিনি যে বলেছেন- তিনি উপস্থিত থাকলে এ আলোচনা করতে দিতেন না... এ জন্য তাঁকে সাধুবাদ জানাই। সবশেষে তিনি একটি ভালো কথা বলেছেন- সায়ীদ স্যার যা বলেননি, তা নিয়ে সংসদে তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলার জন্য উক্ত তিন সাংসদের বিরুদ্ধে তিনি (স্যার) ইচ্ছে করলে প্রেস কাউন্সিলে যেতে পারেন বা আইনের আশ্রয় নিতে পারেন...
আমি বলি কী- স্যার থাক, কুকুর কামড় দিয়েছে বলে তাকেও কামড়াতে হবে কেনো...
ইতিমধ্যে বিষয়টি সারা জাতীর কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে... সো, মনুষত্ববোধ থাকলে ওই তিন সাংসদই প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবে সায়ীদ স্যারের কাছে।
মেসবাহ ভাই, ডেপুটি স্পিকার প্রেস কাউন্সিলে যাওয়ার কথা বলসে মূলত ইনকিলাব পত্রিকায় ওই রিপোর্ট যিনি লিখেছেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য। তিন এমপি'র বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য নয়। সেটা প্রেস কাউন্সিলে করা যাবেও না।
চাওয়া উচিৎ, ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা উচিৎ- আমার মনে হয়...
জানি সেটা বস। প্রেস কাউন্সিলে কোনো সংবাদ বিষয়ে মামলা/অভিযোগ করা হয়

ডেপুটি স্পিকার আরো একটা কথাও বলেছেন, মামলা করার বিষয়ে... সেটি ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে বলেই আমার ধারনা
দুর বাদ দাওতো রুম্পা, ওদের মত লোকেরা ক্ষমা চাইলেই কী আর না চাইলেই কী
আর কি কি বাদ দিবো ভাইয়া..আর তো সহ্য হয় না...আর হ্যা, ওদের মতো মানুষের ক্ষমা চাইলে বা না চাইলে কিছু যায় আসে না- কিন্তু এদের মতো মানুষকে ভোট না দিলেই কি নয়? ...
একমত। জবাবটা আমরা নাহয় পরের নির্বাচনেই দেই
পরের নির্বাচনে কি জবাব দিবেন? আওয়ামী লীগের বদলে বিএনপি?
তা হবে কেনো মীর !
স্বতন্ত্র অনেক প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়ায়, আমরা তাদের খোঁজ কয় জনে নেই.. ?
এদের মধ্যে অনেক ভালো লোক আছেন, সেদিকে নজর দিতে হবে...
নইলে শেষ পথটাতো খোলাই রইলো- নির্বাচনে না ভোট দেয়া...
অথবা আবার কাউকে ভোট দেয়া এবং পড়ে পড়ে মার খাওয়া...
আসলে জানিনা, কী করবো ! সময় বলে দেবে আমাদের করণীয়...
এই দেশটা এভাবেই চলবে মীর। আমাদের রক্তে সমস্যা। এত বেশি রকমের জাতীস্বত্বা পৃথিবীর আর কোথাও পাবেন না আপনি। নানান জাতের সমন্বয় যেহেতু, নানান কিসিমের মানুষেরা গিজ গিজ করবেই। এর মধ্যে 'ভালো মানুষ' খুঁজে নেয়া কষ্টকর হলেও অসম্ভব নয়... আই থিংক, ইটস টেক টাইম... আমি আশাবাদী মানুষ। হাল ছাড়তে চাইনা...
স্বতন্ত্র প্রার্থী আসলে কোনো কাজের জিনিস না। ইলেকশনের পরে ওইগুলা গিয়ে কোনো পার্টিতে যোগ দিবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নাই। না ভোটের বিধান ফলপ্রসূভাবে কাজে লাগানোর মতো অবস্থা এখনো আমাদের দেশে হয় নাই। বিএনপি-জামাতকে আবার ভোট দেয়ার কথা চিন্তাই করা যায় না।
সো আমাদের হাতে আসলে লীগের বিকল্প নাই। ( যদি না এর ভেতরে কোনো রেভলুশনারি থার্ড পার্টি ফ্রন্ট লাইনে চলে আসে। ) এই সুযোগটাকে নির্লজ্জভাবে কাজে লাগায়ে লীগের ল্যাংবোট মন্ত্রী-এমপির দল করে খাচ্ছে। এসব ভাবলে আজকাল মেজাজ খারাপ হওয়া ছাড়া, আর কিছু হয় না

মীর, সহমত.. আবার কেউ কেউ "না" ভোট দিবে। অতিশয় সচেতনতার সাথে। কিন্তু টেকনিক্যাল কারণে তার ফলশ্রুতিতে আবার লীগই আসবে ক্ষমতায়...এই অসহ্য ভবিষ্যৎ চিন্তা করলেই দেশ ছাড়তে ইচ্ছা হয়..
যত কষ্ট আর অনাচারই হোক, আমার কখনো দেশ ছাড়তে ইচ্ছে হয়না। দেশ ছাড়া মানে নিজে বেঁচে যাওয়া। এটা জীবন থেকে এক ধরণের পলায়ন। সত্যি জানিনা, যারা দেশ ছেড়েছে- তারা কি ভালো আঝে ? কত ভাগ ভালো আছে ? শুধু অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ ছাড়া অন্যদিকে খুব কি বেশি ভালো আছে ওরা ? তারচেয়ে প্রতিবাদ/প্রতিরোধ যা কিছু করার দেশে থেকেই করতে হবে... অন্তত আমাদের পরের প্রজন্মের জন্য...
না মেসবাহ ভাই, নিজের জন্য দেশ ছাড়লে তো কবে ডেনমার্কেই চলে যেতে পারতাম! পোলাপান হইলে এমন দেশে বড় করতে চাই না যেখানে লোভ আর লড়াই ছাড়া কিছু নাই। যেখানে হাজার আত্মসাতের পরও মানুষ একে অন্যের পিঠ চাপড়ায়।
আসেন তাহলে প্রতিবাদ করি, দেখি কি হয়..
পোলাপাইনের জন্যই এই দেশে থাকতে হবে... লড়াই করে, প্রতিবাদ করে, প্রতিরোধ করে... বাইরের অনেক কিছুর মাঝেও দেখি পরিচিত/বন্ধুদের মন পোড়ে দেশের জন্য... এমন দেশ/মায়ের স্নেহ/ পরিবারের ভালোবাসা... কোথায় পাবে বলো ?
তাহলে আর বাদ দেয়া নয়- আসুন প্রতিবাদ করি...
প্রতিবাদইতো করছি...
এই সরকার আকার আসবে ক্ষমতায় এটা ভাবতেই রাগে, দু:খে ক্ষোভে কান্না আসে
রুম্পা |
বোধ হয় ৪ জুন হবে, না?
লেখা নিয়ে কিছু বলার নেই। সব তুমিই বলেছো বাট ল্যাংটার নাই বাটপারের ভয়
সরি আপু, অনাকাঙ্খিত ভুল।
স্যারকে যদি ক্ষমা চাইতেই হয় তাহলে আমরাও তার সাথে যাবো ক্ষমা চাইতে।
আমি ভাবছিলাম, আসছে রবিবার সন্ধ্যায় কোন একটি বড় উদ্যানে (রবীন্দ্র সরোবর হতে পারে), একটি মোম প্রজ্জ্বলন কমর্সূচী করলে কেমন হয়? এক্ষেত্রে অনুমতির কি কি ব্যাপার আসতে পারে?
amader sokoler ak din candrea assa dorker..... aei bisoy ta nia nijeder modde alocona koror jonne
বড় কষ্ট লাগে। জ্বী স্যার যদি যেতেই হয়, তাহলে আমরাও যাব। গণতন্ত্র! কাকে বলে? কতপ্রকার ও কি কি। সত্যি ভুল করেছি আমরা। কোথায় সোনার বাংলা। কোথায়।
বড় কষ্ট লাগে। জ্বী স্যার যদি যেতেই হয়, তাহলে আমরাও যাব। গণতন্ত্র! কাকে বলে? কতপ্রকার ও কি কি। সত্যি ভুল করেছি আমরা। কোথায় সোনার বাংলা। কোথায়।
মন্তব্য করুন