কলি-কথা 2 (কলকাতা টু সারপ্রাইজ অঞ্চল ভায়া দিল্লী ...)
# রাজধানী ট্রেনে-যা এলাম জেনে
ট্রেন ছিল বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ। বৃষ্টিস্নাত কোলকাতায় ঘুরে ভরপুর খেয়ে ঘুরাঘুরি শেষে হাওড়ার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। হাতে অনেকক্ষাণী সময়। কারণ হাওড়াতে গিয়ে প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পেতে কতক্ষণ লাগবে আদৌ জানি না। যথা সময়ে স্টেশন পৌঁছে জানা গেল প্ল্যাটফর্ম ১১তে গেলে ঠিকঠাকভাবে উঠে যেতে পারবো। গোছানো স্টেশন! ট্রেনও এলো যথাসময়ে। যথাসময় মানে একদমই যথা সময়। বগির বাইরে নাম দেখলাম। নাহ লিস্ট ঠিকই আছে। উঠেই দেখলাম দুই জন ইতিমধ্যে আছেন। আমরা দুইজন। আরো দুইজনের অপেক্ষা।আমাদের দুইজনের সিট হলো মিডল আর লোয়ার ব্যাঙ্কার। উপর তলায় কারা থাকবেন- আমার মনের মধ্যে তখন বিশাল তুফান এটা নিয়ে। ঠিক চারটে ছত্রিশ মিনিটে ট্রেন ছেড়ে দিল। ভাবছি আমাদের "কাদের সাহেব" একবার এসে এখানে ঘুরে গেলেই বুঝতেন সার্ভিস কাকে বলে! থাপড়ানো-চটকানো বাদে নিয়মটাকে অশীথিল করলেই ল্যাঠা চুকে যায়।
ট্রেনে উঠেই মনটা ভরে গেল। সুন্দর সিট। চমৎকার সেন্ট্রাল এসি। সবাই ট্রেনে সিট পেয়ে রীতিমতো ঘরবাড়ি বানিয়ে ফেললো। জুতামোজা খুলে ঘুমিয়েই পড়ে আরকী। (অবশ্য ভয় লাগছিল মোজার গন্ধের জন্য)। আমরাও মোটামুটি গুছিয়ে নিলাম। স্বস্তি- বাকী দুজন নেই। চারজন মিলে ছয় জনের সিটে আয়েশ করে বসতেই খানা-পিনা শুরু। লাড্ডু-সিঙ্গারা-জুস-চা-স্যান্ডউইচ সহ বিশাল এক একটা নাশতার প্লেট ধরিয়ে দিল। অবাক হলাম সিঙ্গারাটা গরম দেখে।
বাইরে তখনও আলো। তাকিয়ে দেখছি ট্রেনের মেকানিজম। কিছুদিন আগে পেপারে পড়ছিলাম, বিদ্যুতের কারণে ট্রেনের একটা দুঘর্টনা হয়েছিল। বিষয়টা পরিষ্কার ছিল না আমার কাছে। ট্রেনে উঠে বুঝলাম ঘটনা। ট্রেন গুলোর বগির উপরে নির্দিষ্ট দুরত্ব পরপর আছে একেকটা স্ট্যান্ড-এর মতো যা ট্রেন লাইন জুড়ে লম্বা হয়ে টানা বিদ্যুতের তারের সাথে ঘষর্ণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করে। আর ট্রেন ছুটে যায় তীরের বেগে। বিষয়টা নিজের চোখে দেখে মনে মনে ভাবলাম, ইনশাল্লাহ একদিন বাংলাদেশেও এমন দিন আসবে যেদিন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ থাকবে আর বিদ্যুৎবেগে ছুটবে এসময়ের "কালোবিড়াল" ভরা ট্রেন ঘোড়া হয়ে..
জ্ঞান আহোরণের পরপরই আরেকদফা খানা চলে এলো। এলাহী কাণ্ডে ভরা খানা। ততক্ষণে আলো তো নিভে গেছেই। আমাদের দুই প্রতিবেশি ঘুমানোর প্রস্তুতিও নিয়ে নিয়েছে। কেনই বা নিবে না, পরিষ্কার বালিশ, একটা চাদর, একটা কম্বল, আরামদায়ক বাঙ্কার সব মিলিয়ে ঠিকঠাক ব্যবস্থা। খাওয়ার পর আমি আর আমার বর বেশ প্রশংসা-প্রশংসা ভাবে কথা বলছি, ওমনি সামনের দাদা বলে উঠলো, আগে কত ভালো ছিল দাদা..এখন দেখেচেন? চিকেনের পিসগুলো কত ছোট! ডাল দিয়েচে এক রত্তি!! আইসক্রিমও গলে গেচে..- বলতে বলতেচাদর টেনে শুয়ে পড়লো..আমি হেসে বরকে বললাম- আমাদের কালো বিড়ালের থলিতে দাদা একদিন চড়লে এটাকে বেহেশত বলবে যে..
# পাহাড়গঞ্জের আবুলরাজ্য
ট্রেন থামলো এক্কেবারে সঠিক সময়ে। আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি নাশতা রেডি। ততক্ষণে ট্রেনের টয়লেট আর বেসিনের সামনে মনে হচ্ছে গলির লাইন। দাড়ি কাটছে, ব্রাশ করছে, টাওয়েল গামছা নিয়ে যে যার মতো কাজ করছে, মনে হচ্ছে যেন অফিসের জন্য প্রস্তুত! আমরা যেহেতু সোজা হোটেলে উঠবো তাই লাইন না ধরে ট্রেন থেকে নামলাম। ট্রেনের গেটেই কুলি, দুটো শুকনো পটকা সুটকেস দেখে দাম চাইলো ৮০০ রূপি। আমার বর হেসে বললো, আপনি চলে যান, আমরা দুজনেই নিতে পারবো। দিল্লির এই প্রথম আবুল দ্যা ঠগবাজের সাথে দেখা হলো এভাবেই। ট্রেনের গেট থেকে নামতে না নামতেই ঠিক টেনিদার মতো একজন হাজির। ঠগবাজ পার্ট টু। সে আমাদের এই দিকে নিতে চায় তো সে দিকে। বর আমাকে আগে থেকেই সতর্ক করে রেখেছিল, টেনদাকে বিন্দু মাত্র পাত্তা না দিয়ে যেতে থাকলাম স্টেশনের বাইরে। টেনিদা তো ছাড়েই না। এরপর আবারো মুগ্ধ হলাম স্টেশনের বাইরের স্বাগতম বিভাগের কাজে।তিনি এসে অ্যায়সা ঝাড়ি দিল টেনি টুনটুন করে পাশে সরে গেল। পিছু ছাড়লো না। আমরা বের হয়ে সরকারি ট্র্যাভেল এজেন্সিতে বসে দরকারি কাজ করতে করতে দেখলাম রাস্তার ওপারে টেনি আমাদের উপর নজর রাখছে..কি বিপদ!! ওদিকে এজেন্সির যে আমাদের কাজ সমাধা করছে সেও দেখতে টেনির মতোই!! এদের পূর্বপুরুষের কর্মকাণ্ড নিয়ে ভাবতে ভাবতে চলে এলো আমাদের ট্যাক্সি। পাঞ্জাবী ড্রাইভার। দুই টেনিকে পিছে ফেলে চললাম কেরোলবাগ, হোটেলের উদ্দেশ্য..
# লেনা কম্পলসারি নেহি হ্যায়- দ্যা সানি দেওল টোন
চমৎকার হোটেল। আমরা খুশি। যেহেতু ট্রেনে ভাল ঘুম হয়েছে, তাই ভাবলাম সেদিনই কুতুব মিনার, প্রেসিডেন্ট ভবন, ইন্ডিয়া গেট ঘুরে আসবে..মানে যতদূর দেখা যায়। আমার প্রথম দিল্লী ভ্রমণ বলে কথা। ট্যাক্সি নীচে স্ট্যান্ডবাই। ফ্রেশ হয়ে নামতেই ড্রাইভার পাপাজির প্যাচাল শুরু। বুঝতে কষ্ট হলো না যে এই লোক বড়ই চতুর, যেখানে যেতে সুবিধা সেখানেই যাবে। আর যাবে কিছু অবধারিত স্টলে। যে স্টলগুলোতে কাস্টমার নিয়ে গেলে তারা কমিশন পায়। আমাদের ছলাকলা বোঝাতে বারবার সে বলে গেল, "লেনা কাম্পলসারি নেহি হ্যায়, মাগার বিশ সে পচিশ মিনিট রুখ যাও।" কি বিপদ! দিল্লী কি দোকান দেখতে এসেছি? তাও গেলাম। কি আর করা। কলার খোসার শাড়ি! ভুট্টা বিচি দিয়ে বোতাম!! মনে মনে বলছি, আয় আমাদের দেশে, দেখবি খোসা থেকে শুরু করো পাতা পর্যন্ত সবকিছু আমরা ব্যবহার করি- এমন কি খেয়েও ফেলি। ..
আর এই পাপাজির কণ্ঠের টোনটা এমনই যেন মনে হচ্ছে ধর্মেন্দ-পুত্র সানি দেওল গাড়ি চালাচ্ছে..পাপাজির পকড়পকড়ে এতোই বিরক্ত হয়েছিলাম যে শেষদিন আমরা ট্যাক্সিকে বিদায় করে দিল্রী মেট্রোতে ঘুরেছি। বিশ্বাস করুন সেটাই স্বস্তির। আমরাও ঠিক করেছি, কোলকাতার মতো দিল্লীতেও এরপর থেকে নো ট্যাক্সি- পাবলিক ট্রান্সপোর্টই যথেষ্ট।
প্রেসিডেন্ট ভবন দর্শন:
দোকান-ফোকান তো ছাড়! প্রেসিডেন্ট ভবন দেখে মন ভালো হয়ে গেল ইয়া ক্যাসলের মতন বড়। দেখলেই ভালো লাগে।অসম্ভব সিকিউরিটি। খুব কম সময় থাকলাম। প্রেসিডেন্ট ভবনের গেট থেকে বেশ ক্ষাণিক দূরেই ইন্ডিয়াগেট। ওদের স্বাধীনতা দিবসে যে প্যারেডটা হয় সেটা হয় প্রেসিডেন্ট ভবনের মূল ফটক থেকে ইন্ডিয়াগেট পর্যন্ত। আমরা যখন গেলাম তখন এই প্যারেডের সেরকম প্রস্তুতি চলছে.. তাই আরো বেশি কড়াকড়ি..

# কুতুব মিনার সের- আলাই হতো সোয়া সের
প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে এবার যাবো কুতুব মিনার। আমি আর আমার বর মাত্র দশ রূপি দিয়ে প্রবেশ করলাম। ওদিকে গেটের বাইরে দেখলাম কেরালার এক পরিবার বলাবলি করছে, এ আর দেখে কি হবে.. মনে মনে কইলাম, হ মক্কার মানুষই হ্বজ্জ্ব পায় না।
কুতুব মিনার এক কথায় আমার কাছে অসাধারণ লাগলো।কুতুব মিনারের গায়ে খোদাইকৃত কাজ আর কোরআনের আয়াত দেখে। কি সুন্দর মোটিফ আর আর্ট ওয়ার্ক! সবমিলিয়ে বড্ড প্রশান্তির জায়গা।বিশাল বড় এলাকা জুড়ে থাকা কুতুব মিনার অঞ্চলে মাজার আছে, স্তম্ভ আছে, কবর আছে, রহস্যময় লৌহদণ্ড আছে..আর আছে সুকারুকাজে ঠাসা দেয়াল। অল্প দুরত্বে আছে আলাইমিনার। সে আবার কি? কুতুব মিনারে মতো অসাধারণ স্থাপত্যের পর পরবর্তি শাসক মনে করলো এরচেয়ে বড় একটা কিছু না বানালেই নয়!! তখন, আরেক পক্ষ তার চেয়ে বড় "আলাই মিনার" তৈরিতে হাত দিয়েছিল, যেটা আর শেষ হয়নি আদৌ। হলে কুতুব মিনারের চেয়ে আড়াই গুণ বড় হতো.. সেটা কুতুব মিনারে প্রবেশের গেটে রাখা মানচিত্র বেশ বোঝা যাচ্ছিল। আমাদের দেশে অবশ্য এমন কিছু করতে চাইলে আগে পুরোনটা ভাঙ্গা হতো আর নতুন করে বাজেট পাশ হতো এবং আলটিমেটমেটলি যেটা হতোই না..জাতি খালি ইতিহাসরে কচলায়..ইতিহাস থেকে কিছুই শিখলো না..

কুতুবমিনার

অসাধারণ কাজ

আলাই মিনার
আসলেই গ্রেট- ইন্ডিয়া গেট
পাপাজির দোকান ভ্রমণ করতে করতে অবশেষে এলাম ইন্ডিয়া গেটে। ইয়াব্বড়।আর স্বাধীনতাদিবস নিয়ে বেশ হুলস্থুলও সেখানে। আরেক আবুলের সাথে দেখা। আনমনে ইন্ডিয়া গেট দেখার ফাঁকে কাগজের ভারতীয় পতাকা জামায় সেঁটে বলে ২০০ রূপি দাও। দিলাম ১০ রূপি। দিদি কিন্তু তাতেও খুশি..
# আবুল চারিধার- পালিকাবাজার
পালিকা বাজার নামে যে বাজার সেটা মোটামুটি বিরাট মার্কেট। সব কিছু পাওয়া যায়। অনেক দাম চায় তার ছয়ভাগের একভাগে বিক্রি করে টাইপ অবস্থা্। অস্বস্তির কারণ ছিল টানা হ্যাচড়া করার বিষয়টা। ধরেন এক দোকানে দাঁড়িয়ে কিছু দেখছি, হাত ধরে টেনেটুনে অন্য দোকানে নিয়ে যাওয়ার উপক্রম।আবুলে -আবুলে সয়লাব। তারপরও, বিখ্যাত মার্কেট না এলেই নয়। কিনলামও টুকটাক জিনিষ। তবে হাপ ছেড়ে বাঁচলাম বের হয়ে.. এরপর দিল্লী এলেও পালিকা বাজারে আর নয় বাপু! এই লাড্ডু ঢের খেয়েছি এবার!!
# দিল্লী হাট- বাজার ঘাট
ঢাকা শহরে কত গুলো বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডার আছে বলুন তো? দিল্লীতে তেমনই দিল্লি হাটও আছে অসংখ্য। আমরা সবগুলোতেই গেলাম। অসম্ভবদাম সবকিছুর। বাপরে বাপ। আসল দিল্লী হাটে খেলাম "রাজস্থানী থাল" ..আমাদের বাঙ্গালদের মুখে রুচলো না সেই খাবার। ক্ষাণিকবাদেই আবার খেলাম প্রিয় চাওমিন। আহা..
রাজস্থানী থাল-এর চেহারাও দেখুন না...বুঝবেন..

রাজস্থানী থাল
#দিল্লী বিল্লি
আমি যাবই যাবো দিল্লীর বিরিয়ানি খেতে। বের হলাম। গেলাম দিল্লিসিক্স। আমাদের পুরানো ঢাকার চেয়েও ঘিঞ্জি এলাকা। আর যেকোনা এলাকার চেয়ে আন-হাইজেনিক। জামে মসজিদ আর লালকিলা দেখে ফেরার পথে করিম'স এ বিরিয়ানি খাওয়ার বড্ড ইচ্ছা ছিল। কিন্তু গন্ধ আর মাছি-পোকার উৎপাতে সেই আশা বিসর্জন দিলাম। আবার না দিল্লী বিল্লি হয়ে যায় এই ভয়ে..তবে লাড্ডু, মিষ্টি আর সমুসা খেলাম বটে।
না বললেই নয়, জামে মসজিদ এতটা বড় যে মনটা কেমন যেন হয়ে যায়। বিশাল মিনার, বিশাল প্রান্তর ..তার মাঝে অসংখ্য পর্যটক। আমরা দুজন চুপচাপ সিড়িতেই বসে ছিলাম কিছুক্ষণ..
এরপর রিকশা করে ঘুরলাম..সিটি ওয়াক মলে গেলাম মেট্রোতে করে..খুব সুন্দর মল..বিশাল বড়..থিয়েটার আছে .. বর্ন লিগেসিটা দেখে আসলাম..আর খাওয়া দাওয়া কেরোলবাগেই..চমৎকার বিরিয়ানি আর আফগানী কাবাব। আর লাছ্ছি লা-জওয়াব এক কথায়।.. যতদিন ছিলাম এক বেলা অন্তত বিরিয়ানি খেয়েছিই..

..
(পরবর্তী পর্বে যা থাকছে-
# সারপ্রাইজ হইয়াও হইলো না শেষে
# গরম থেকে সারপ্রাইজের দেশে
এবং আরো..)





বাহ! বলতে না বলতে সিক্যুয়েল!
আপ্নেদের সবার ভারত ট্যুর পরেই স্ব দেখে ফেলতেছি, যেতে হবে না আর!
দিল্লীটাতে একবার হয়ে আসতে পারেন..আমি হয়তো আর অন্তত দিল্লী ভ্রমণে যাবো না। এরপর দিল্লী বাদে যাবো মেসবাহ ভাইয়ের রুটে..
না! ওদের দেশে যামু না কখনো! ঘেন্না লাগে।
দেশ ওদের..কিন্তু প্রকৃতিতো বানিয়েছে উপরওয়ালা... একটা দেশে বরফ-মরুভূমি-প্রাসাদ-পাহাড়-সমুদ্র সব আছে.. দেখে আসতে ক্ষতি কি! অতিথি হয়ে যাবেন, রাজার হালে দেমাগ দেখিয়ে ঘুরে আসবেন..হয়ে গেল!!
নাহ! আমারে দিয়া হপে না!
সাবাশ বাউন্ডুলে! আই সেকেন্ড ইউ!
জোশ ভ্রমণ আর তার চেয়ে জোশ আপনার ভ্রমণ কাহিনী । আপনাদের ভ্রমণ কাহিনী পড়ে আমারো যাইতে মঞ্চাইতেছে ।
চলেন, সবাই মিলে ঘুরে আসি..
হ, বিরানী আমরাও খাই নাই...
বাকী সব দেখি একই রকম মিলে যাচ্ছে।
আচ্ছা, সত্যি কৈরা কওতো- তোমরা কি আমগো লগে ছিলা
জি না ওস্তাদ..আমরা যে আলাদা ছিলাম তা পরের পর্বেই টের পাইবেন..সাথে থাকেন..
দারুন ! রুম্পা আর মেসবাহ ভাইয়ের কপালরে হিংসা
কমপক্ষে সাতটা রাজবংশ দিল্লীকে তাদের রাজধানী বানিয়েছিলো, তাই এইটাকে উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নাই। পুরোনো দিল্লী বাদ দিলে শহরটা খুবই পরিকল্পিত ভাবে তৈরী; পরে রক্ষণাবেক্ষণ ও বিস্তার বেশ যত্নের সাথেই করা হয়। তবুও দিল্লী শহরটা আমার কাছে খুব রুক্ষ লেগেছে।
চলুক...
~
আমারো রুক্ষ লেগেছে..আর আধুনিক-করণও চলছে ভালোভাবেই..তবে একটা কথা আসলেই সত্য, বেগ-এর সাথে তার মিলাতে মিলাতে আবেগ একদিন সত্যি হারিয়ে যায়..
জম্পেষ পোষ্ট চিত্তাকর্ষক ছবি!
পরের পর্বের অধির আগ্রহে!
ছবিগুলো তুলেছে হাহাচৌ..
পরের পর্ব আসিতেছে...
দেও আরেক পর্ব

আমিও দিমু
ঘুরাঘুরি টা আপনাদের পোস্টের মাধ্যমেই সেড়ে নিচ্ছি! বেশি করে ছবি দিয়েন
পোস্ট দিয়ে সাড়িস না রে.. দেখে আয়..বেড়ানোর মজাই আলাদা..
নাহ যামুনা! কুনো ভাবেই না!
ফ্রী নিয়া গেলেও যামুনা! হাহ!
যে উগ্রতার বিরুদ্ধে আমাদের অবিরাম চলা, সেই উগ্রতার দাসত্ব বরণ করলে চলবে?
ছবি চমতকার।
ভালো লেগেছে লেখা।
ছবি তুলেছে হা হা চৌ..ধন্যবাদ ভাইজান..
ড্রাইভার যা টেনশান দিছে হোল ট্যুরে। জীবনেও ভুলবো না। দিল্লী গেলে ড্রাইভার থেকে সাবধান।
খাওয়া ছাড়া বাকি অনেক কিছুতে মিল আছে।
দুইজন গেলে আসলে ট্যাক্সির প্রয়োজন নেই.. মেট্রোই যথেষ্ট... আর আমরা একটু বেশি "খাই" ..তাই আর কি না মিলতেই পারে..
মন্তব্য করুন