এই বর্ষায় প্রেম করুন সকলে
মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ দিকে দিকে হল দীর্ণ
নব অঙ্কুরও জয় পতাকায় ধরাতল সমাকীর্ণ।
ছিন্ন হয়েছে বন্ধন বন্দীর
হে গম্ভীর।
বর্ষার এমন একটা বিষয় থাকে। সব ভাসিয় নিয়ে যাওয়ার, লুক্কায়িতকে ডেকে বাইর করে আনবার একটা ক্ষমতা তার আছে। গাছেদের জীবন যৌবন বিকাশ কাল। মেঘস্বরের ফাঁকে ফাঁকে ব্যাঙ ডাকে। সোহাগী ব্যাঙ। মাঠে মাঠে ব্যাঙেদের মিলন উৎসব হয়। সাপেরাও, এই বর্ষার সময়ে বা তার পরপর সময় জুড়ে সাপেদের সঙ্গমকাল। মাছেরাও তাই। প্রকৃতিতে বর্ষা তাই প্রেমের ঋতু।
বসন্তের প্রেম আসলে যৌবনের প্রেম, বর্ষায় সকল বয়সের প্রেম হয়। বসন্তের প্রেম গেরুয়া বসনের, বর্ষায় ঝড় জলের প্রেম, আকুল দুকূল ভাসিয়ে নেয়া প্রেম, তবে তা অন্তঃপুরের। বসন্তের প্রেম উৎসবের, বর্ষার প্রেম ধ্যানের। গেরুয়া বসনের মনে যে ঝর ঝর প্রেম জাগে তা বর্ষারই প্রেম। এক বসন্তে যার প্রেম হয় বর্ষা না আসলে তার প্রেম পূর্ণ হয় না। মেঘে আর জমিনে যা আছে সব ভেজে, এই-ই তো প্রেম।
রবি বাবুর চোখে-
বর্ষাকালে বিরহিণীর সমস্ত “আমি” একত্র হয়, সমস্ত “আমি” জাগিয়া উঠে;দেখে
যে বিচ্ছিন্ন “আমি”, একক “আমি” অসম্পূর্ণ। সে কাঁদিতে থাকে। সে তাহার
নিজের অসম্পূর্ণতা পূর্ণ করিবার জন্য কাহাকেও খুঁজিয়া পায় না। চারি দিকে
বৃষ্টি পড়িতেছে, অন্ধকার করিয়াছে; কাহাকেও পাইবার নাই, কিছুই দেখিবার
নাই; কেবল বসিয়া বসিয়া অন্তর্দেশের অন্ধকারবাসী একটি অসম্পূর্ণ,
সঙ্গীহীন “আমি” র পানে চাহিয়া কাঁদিতে থাকে। ইহাই বর্ষাকালের বিরহ।
বসন্তকালে বিরহিণীর জগৎ অসম্পূর্ণ, বর্ষাকালে বিরহিণীর “স্বয়ং”
অসম্পূর্ণ। বর্ষাকালে আমি আত্মা চাই, বসন্তকাল আমি সুখ চাই। সুতরাং
বর্ষাকালের বিরহ গুরুতর। এ বিরহে যৌবন মদন প্রভৃতি কিছু নাই, ইহা বস্তুগত
নহে। মদনের শর বসন্তের ফুল দিয়া গঠিত, বর্ষার বৃষ্টিধারা দিয়া নহে।
বসন্তকালে আমরা নিজের উপর সমস্ত জগৎ স্থাপিত করিতে চাহি, বর্ষাকালে সমস্ত
জগতের মধ্যে সম্পূর্ণ আপনাকে প্রতিষ্ঠিত করিতে চাহি।
হ্যাঁ এই বিরহই প্রেম। একটানা বৃষ্টির শব্দে এই প্রেম শব্দ করে। যাকে পাওয়া হয় নাই, তাকে পাওয়ার ধ্যা , নিমগ্নতা। এমনো দিনে তারে বলা যায়। বলে ফেলুন। যাকে বলা হয় নাই, তাকে বলে ফেলুন।
আসুন-এই বর্ষায় প্রেম করুন সকলে।





প্রেম করুম কেম্নে? বিয়া কইরা ফেলছি তো
বিয়ে করলে কি প্রেম করা নিষেধ, ঝাতি ঝানতে চায়।
করবো? নূপুর আবার মাইন্ড করবে না তো? আচ্ছা ঠিকাছে, আজকেই মেয়ে খুঁজতে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবো
কারটা জিগাইলেন...আপনেরটা না আরেকজনেরটা।
বিয়া করছেন তো কি হইছে। প্রেম করবেন...গোপনে প্রকাশ্যে, যেভাবে পারবেন। সব প্রেমের সংসার হয় না। একটা বর্ষা প্রেম ছাড়া কাটানো ঠিক হবে না।
আপনার কথা শীরোধার্য কইরা মাথায় তুলে রাখলাম
প্রেম করতে গেলাম
কার লগে???????এক বাচচার মা নুপুরের লগে?????????
যান Best of Luck.............
কার লগে সেটা তো কওন যাইবো না
এক বাচ্চার মা হওয়া্তে কি নুপূর প্রেমের ক্ষেত্রে ডিসকোয়ালিফাইড?
এই মিয়া কই গেলেন- নিশ্চয়ই বাসায়। নইলে আর কই যাইবেন।
কয়া যাও কয়া যাও রে.........
হ: হাস-মুরগা ঘরে তুলতে গেছে.।।আর দাদীরে ওশুদ দিতে গেছে।

হাজ লাগছে তো
হা হা ..নজরুল বাই এগান কি কয় মাইনষে। আমনে কই গেলেনগা.....
কার বাড়ি?
নজরুল বাই.ফরে গর বাইঙ্গলে আমারে দোষ দিবেন্নি কোন?
পরের জায়গা পরের জমি ঘর বানায়া আমি রই, আমি তো সেই ঘরের মালিক নই
আমি প্রেম করতে চাই।

হ প্রেম তো... করতেই হবে।
কোন প্রেম-পিরীতির মধ্যে নাই। বর্ষা হউক আর বসন্ত হউক। এই শর্মা কুনো ঝামেলায় জাইতে নারাজ
পুস্ট লাইকাইলাম
প্রেম না করলে মানুষ হওয়া যায় না।
ঝাতি হিসেবে মানুষ বড়ই ঝামেলাবাজ
ধূর মিয়া......প্রেম মানেই তো ঝামেলা... ঝামেলা মেনই জীবন। প্রেমহীন জীবনে কোন চার্ম নাই।
প্রেম প্রেম ভাব, প্রেমিকার অভাব
এদিক সেদিক টেরাই মারেন। আশপাশেই আছে কেউ। খালি দেখার চোখ পাল্টাইবেন। একটা প্রেম প্রেম চোখ আর কি।
আমি তো ভাই প্রেম প্রেম চোখেই তাকাই, কিন্তু তারা যে আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টি হানে
এ জন্যেই তো বর্ষা কালের কথা কইলাম। আগে নিজের পছন্দ ঠিক করেন। বারো দিকে চোখ দিলতো কোনটাই পাবেন না।
প্রেম কেমনে করে?
কে কারে কি কয়- আপনে প্রেম করবেন ক্যান।
ভাল লাগল লেখাটা
প্রেমের আলাপ রসিক মানুষের কখনোই খারাপ লাগে না।
প্রেম শুভ্রের উপর পড়েছে নাকী শুভ্র প্রেমের উপর পড়েছে?
ওরে আফা--দুখেঃর কথা কি আর কইতাম গোটা হেনি শহরে কুনু মাইয়ার লগে কুনুদিন আমার কুনু খাতির হইলো না-আলাপ পর্যন্ত হইলো না। আমার এই দুঃখ জীবনেও গেল না।
হাত তুলছি, প্রেম করুম------
যদিও পোষ্টর কমেন্ট আলুছানা কন্টেন্ট থেইকা মনে হৈলো, বিবাহিতরা বেশি আপডেটেড নতুন পিরীতের বিষয়ে--
হাত তুইলা লাব কী। কে দেখবো ওই হাত।
হাতে কিছু আছে নি না খালি।
এইডা ঠিক-বিয়ার চাইতে প্রেম বিষয়ে মাইনষের আগ্রহ বেশি।
মন্তব্য করুন