আমার প্রথম বই।

গল্প লিখছিলাম মনে মনে। ভাবছিলাম লেখব কি না। মনে মনেই গল্প জমাই না হয়। কিন্তু লেইখা ফেললাম। ব্লগ থাকায় সুবিধা বেশি হল। একই সাথে লেখা আর মতামত জমাইতে থাকলাম। ভাবতে থাকলাম। সমসাময়িক গল্প-উপন্যাস পড়তে থাকলাম। সময়রে বুঝতে থাকলাম। এই করতে করতে আইজ আমার বই প্রকাশের সংবাদ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতেছি। বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখছেন রুবাইয়াৎ আহমেদ।
---
গল্পের বুনন আঁটোসাঁটো হলে বোধগম্যতায় খানিক আড়ষ্টতা তৈরি করে। আবার এলানো
বিন্যাসও শিল্পের অভিজাত পরিধিতে প্রশ্রয় পায় না। এ দুয়ের মিশেল যখন কোনো
নির্মাণে যথাযোগ্যতা নিয়ে অর্পিত হয়, কেবল তখনই কাল তাকে বহন করে নিয়ে যায়
কালান্তরে। বাকিসব ইতিহাসের পৃষ্ঠাভরানো রসদ শুধু।
সালাহ উদ্দিন শুভ্র বাঙলা গল্পের সার্বভৌম চৌহদ্দিতে পা রাখলেন প্রথমবারের
মতো। তাঁর প্রস্তাবিত গ্রন্থ মানবসঙ্গবিরল। সর্বমোট সাতটি গল্পের চলনে
পূর্ণ এই সংকলন। প্রতিটি গল্পেই পৃথক বিষয়, কিন্তু বয়নভঙ্গি কাছাকাছি। আর
তাতেই মেলে আত্মসুরের খোঁজ।
বিন্যস্ত গল্পের অন্তত একটি তাঁকে দীর্ঘকাল স্মরণে রাখবে। সাকিনি। শুধু
সাপকেই কাহিনীর আদি-অন্তে টেনে নিয়ে যাওয়া, সহজ ব্যাপার নয়। অথচ শুভ্র তাতে
দেখিয়েছেন অসামান্য দক্ষতা। বাঙলা ভাষায় এ ধরনের গল্পের অপর অভিজ্ঞান জানা
নাই।
শুভ্রর প্রথম গ্রন্থেই সামর্থ্যবান হয়ে ওঠার আশ্বাসটুকু আছে। প্রাজ্ঞ পাঠক
নিবিড় ধ্যানে তা থেকে নিঃশ্বাসটুকু গ্রহণ করলে, হয়তো বা বলে উঠবেন- বাহ।
---
আপনারা আশা করি আমার বই কিনবেন, পড়বেন, গালি, দিবেন, হাসি দিবেন। আপনার এবং আপনাদের মতামত উৎসাহ, সকল প্রকার অংশগ্রহণের প্রত্যাশায় থাকলাম।
বইয়ে মোট গল্পসংখ্যা সাত-
১- সাকিনি
২- হলুদ রঙের স্কুল
৩- কররেখায় জমানো গল্প
৪- লাল রং কৃষ্ণচূড়া
৫- ভূতগ্রস্ত মানুষেরা
৬- প্রত্যবরোহণ
৭- মহব্বতের খুরধ্বনি
বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা-৮০
উৎসর্গ- জাহাঙ্গীরনগরের বন্ধুরা
গ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন সব্যসাচী হাজরা। ভাষাচিত্র প্রকাশনা থেকে
প্রকাশিতব্য।





তাইলে কী করতে হবে এখন
আমার মনে হয়, বই এর ব্যপারটা ব্যতিক্রম হিসেবে নেয়া যেতে পারে। বিশেষ করে প্রথম বই, যেখানে যুক্ত থাকে অনেক ভালোবাসা, আবেগ ও স্বপ্ন।
সিরাজী ভাই, আপনার বইও নের হচ্ছে। সেটা নিয়ে পোস্ট চাই।
একমত। সেইজন্যই আরেকটু জানতে চাচ্ছিলাম বই নিয়ে, লেখকের কাছ থেকে
প্রথম বই নিয়ে আবেগ ব্যাপক। এটা আমি টের পেয়েছি গত বইমেলায়। অফিস ফাঁকি দিয়ে সারামাস ঢাকায় পড়েছিলাম। দুয়েকটা বই বিক্রি, দুয়েকটা অটোগ্রাফ!
এবার অবশ্য ২য় বই নিয়ে তেমন আবেগ নেই।
শুভ্রর বইয়ের প্রচ্ছদটা আমি দেখতে পাচ্ছি না।
অভিনন্দন।
প্রচ্ছদ চমৎকার লাগছে দেখতে। নামের সঙ্গে খুব মানিয়েছে।
গল্পগুলোর নাম, সেগুলো লেখার খানিকটা গল্পও দিতেন পোস্টে।
নুশেরা আপু গল্পগুলার নাম দিতে ভুলে গেছি। মোট সাতটা গল্প
সাকিনি
হলুদ রঙের স্কুল
কররেখায় জমানো গল্প
লাল রং কৃষ্ণচূড়া
ভুতগ্রস্ত মানুষেরা
প্রত্যবরোহণ
মহব্বতের খুরধ্বনি
পড়ে জানাবেন কেমন লাগলো।
ভালো থাকুন।
কতো পৃষ্ঠার বই, মুদ্রিত মূল্য কতো?
বাড়তি কৌতূহল: উৎসর্গ কাকে করলেন?
শুভ্রকে অভিনন্দন।
নোয়াখালির সেই গল্পটা আছে বইতে? তোমার লেখাতো খুব ভালো হয়, বই এর সাফল্য কামনা করি।
আফা
নোয়াখাইল্যা ভাষার গল্পডা নাই। ওইটা জমায়া রাখছি। অন্য কোথাও দিবো ।
ভালা আছেন্নি। ভালা থাইকেন।
ওইটা একটা মাস্টারপিস। তোমার বইতো কিনবোই, পড়ে জানাবো কেমন লেগেছে।
) । ভালো থেকো শুভ্র।
আফায় ভালাই থাকি, তোমার কোন খবর নাই, হিমালয় বললো তুমি আমার ফোন নাম্বার হারায় ফেলছো (আমিও
প্রচ্ছদের ফন্ট দেখে মনে হচ্ছে চর্যাপদ আমলের বই।
ভালো লেগেছে প্রচ্ছদ। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
প্রচ্ছদের জন্য সব্যসাচীর কাছে কৃতজ্ঞতা।
ভালো খারাপ যাই হোক আপনার মতামতের প্রত্যাশায় থাকলাম।
অভিনন্দন। বই এর সাফল্য কামনা করি।
কেমন আছেন।
আপনার প্রত্যাশা পূর্ণ হোক।
আরো কিছু তথ্য উল্লেখ করলাম।
শুভ কামনা রইল।
ধন্যবাদ।
মাসুম ভাইকে শুভ্র লেইখা বইটা দিয়া যাইয়েন

হে হে মেলায় আসবেন, স্টল থেকে বই কিনবেন। তারপর আমি মাসুম ভাইকে খালি শুভ্র কেন, শুভেচ্ছা-টুভেচ্ছা কতকিছু লেইখা দিমু।
সকল ব্লগার যদি শওকত মাসুমের পদাঙ্ক অনুসরন করে তা'হলে তো এই বিজ্ঞাপন বিফলে গেল ।
হ দেখছেন অবস্থা।
প্রচ্ছদ দেখে দুধ বিবি গল্পটার কথা মনে পড়েছে। বইএর জন্য শুভকামনা সালাহ উদ্দিন ভাই। বাকী কথা বই পড়ার পরে হবে।
অভিনন্দন।
প্রচ্ছদ চমৎকার লাগছে দেখতে। নামের সঙ্গে খুব মানিয়েছে। বইএর জন্য শুভকামনা।
মন্তব্য করুন