ফারুকি একজন রকমারি পণ্য বিক্রেতা।
মোস্তফা সরওয়ার ফারুকি (নাম ভূল হইছে কি না জানি না) বিষয়ক সবচেয়ে বড়ো যে সমালোচনা সবাই ভূইলা যায় বইলা আমার মনে হয় তা হইলো আদতে তিনি একজন বিক্রেতা। রকমারি পণ্য বিক্রেতা। মূলত বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের মেধা নিয়া তিনি নাটক এবং লম্বা নাটকের নামে সিনেমা বানাইতেছেন। তার হাত ধইরা বাংলা নতুন ধারার সাহিত্য কোনদিন বাইর হয়া আসে সেই আতংকে আছি। তার নাটকে হোক আর সিনেমায় হোক খুব স্বভাবতই তিনি পণ্য বেচেন। কনডম থাইকা শুরু কইরা মোবাইল, ফ্ল্যাট বাড়ি সব বেচনের টেন্ডার নিয়া তিনি আমাদের নাটক সিনেমার পর্দা কাপায়া চলতেছেন। তার ভাষা নিয়া আমাদের বুদ্ধিজীবি সাহিত্যিকদের উষ্মা প্রকাশ দেইখা ভাবনায় পড়ি। তাদের ভাব দেইখা মনে হয় বাংলা একাডেমির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফারুকি আমাদের হাতিয়ার। ভাষা মনে হয় যেন লেখকরা বা চিত্র নির্মাতারা বানায়। জনগনের ভাষা বইলা একটা বিষয় আছে। জনগন জিনিস বেচার ভাষায় কথা বলে না। যারা জনগনের ভাষা দিয়া জিনিস বেচতে চান তাদের বিষয়ে সাবধান হইতে হয়। একবার হুমায়ুন আহমেদের কাছে বাজার ছাইড়া দেয়া হইছে। আরেকবার ফারুকির হাতে বাজার ছাইড়া দেওন ঠিক হইবো না। হুমায়ুন বিষয়ে এখানে তর্ক করার দরকার নাই। তিনি বাজার দখল কইরা ছিলেন এইটাই এখানকার আলোচ্য।





লেখার শানেনুযুলটা ঠিক ধরতে পারলাম না। এদিকে আবার কারেন্ট গেল। দুই ঘন্টার ফ্যাকরা। কারেন্ট আসলে আবার ভালো কইরা পড়তে হবে।
শানেনজুল শিরোনামেই দেয়া আছে।
হাল আমলে ফারুকী কৈলাম ব্যাপক হিট
যারা জনগনের ভাষা দিয়া জিনিস বেচতে চান তাদের বিষয়ে সাবধান হইতে হয়।
শুভ্র ভ্রাত, তোমার লেখাটিও কিন্তু ফারুকীয় ভাষায় লিখিত। পূর্বে আমরা এইধরণের ভাষা লেখায় কিঙবা চলচিত্রে ব্যবহার করিতামনা। কালে ফারুকী গংরা আমাদেরকে উল্লেখিত পথে হাঁটাইয়া দিলো। তাতে কী হইলো? তোমরা আমরা, আমরা সবাই আজকাল ফারুকীয় ভাষায় বাতচিত করি, লেখালেখি করি। তাই ফারুকীর হাতে বাজার দিতে চাওনা এই বক্তব্যের লেখাটিতে ফারুকীকে অনুসরণ করে ভাষা ব্যবহার ভ্রাত শুভ্র না করিলেই পারিতে।
ভাষা ফারুকির হবে কেন। ভাষা আমার আপনার অথবা রাস্তাঘাটের মানুষের
এইটারে যে যেভাবে উপস্থাপন করে বা ব্যবহার করে তা নিয়াই আমার আপত্তি। মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্ক নিয়া বিজ্ঞাপন নির্মাণ হয় যেমন এই আপত্তিটাও তেমনি।
পরিবর্তন ঠেকানো যায় না। উপায় নাই।
পরিবর্তন ঠেকাইতে কে বলে। পরিবর্তন কার হাত ধইরা আসতেছে
আর কি পরিবর্তন হইতেছে তাই বিষয়।
তাইলে আপন চাইতেছেন কি?.... ফারুকি তার কাজ কর্ম বাদ দিক?... আর ফারুকির কাজ এতো খারাপ হইলে সে এতো আগে বাড়তো না..... ফারুকি তো আর নিজে থেকে গল্প বানাইতেছে না তার বেশির ভাগ কাজে বাস্তবতার প্রকাশ আছে... কিন্তু আপনার সমস্যা টা কুনখানে বুঝতেছি না ....
ফারুকি তার কাজকর্ম বাদ দিবে কি না সেটা তার বিষয়। আপনে যে বাস্তবতার কথা কইলেন এখানেই আমার আপত্তি আছে। বাস্তবতার রকম ফের অনেক। যিনি বা যারা ছবি বানান লেখেন তাদের হিসাব ব্যাক্তি মানুষের মতো না। কারণ তাদের দর্শক বা পাঠক থাকেন। তাদের ছবিতে প্রচারণায় পথ ঘাট আকাশ ঢাকা পড়ে। ফলে তারা কি লেখেন কেন লেখেন এর বিচার জরুরি। এইখানে সেই বিচার করা হইছে। ফারুকি গল্প বানান না কে কয়। উনি গল্প বানান। নিজেরে দিয়া দুনিয়া বিচারের নাম শিল্প না। শিল্পের ব্যবসায়িক চেহারা প্রতিষ্ঠার যুগ এখন। আলাপটা এইখানে। বাজার কার হাতে থাকবে। যে নাটক পণ্য বেচে তার হাতে না যে নাটক শিল্প বেচে তার হাতে।
বাজার ভোক্তার হাতে। সে শিল্প খাইলে শিল্প চলবে, পণ্য চাইলে পণ্য চলবে। বাধ দিয়া স্রোত ঠেকানোর পার্মানেন্ট কোন পথ নাই। রবীন্দ্রের ভাষাও কিন্তু উনার আমলে অপাংক্তেয় ছিল, কম সমালোচনা হয় নাই। এখন ঐটারে অপাংক্তেয় বলে এমন বুকের পাটা কার আছে? উল্টায় বলতে পারেন, ফারুকী আর রবীন্দ্রনাথ এক কিনা...! এক না, তবে দুজনেই ভাষা নিয়া খেলছে, রবীন্দ্র জিতছে, ফারুকী জিতবে কিনা সময় বলবে, দর্শক বলবে।
বাজার ভোক্তার হাতে থাকে না। বাজার থাকে তার মালিকের হাতে। উদাহরণ দিয়া লাভ কি। অসংখ্য উদাহরণ আছে।
রবীন্দ্রনাথের সময় আর এখনকার সময়ের ব্যবধান এতোই বিশাল যে ফারুকীর সম্ভাবনা থাকে আগামীর রবীন্দ্রনাথ হবার অথবা অন্তত তার ভোক্তাদের কাছে এমনটা মনে হয়। আপনের মন্তব্যতো তাই বলে।
রবীন্দ্রনাথ ভাষা সৃষ্টি করছিলেন। ফারুকি কি করতেছে।
ফারুকী ভাষা নষ্ট করতাছে। যদিও এখন বিশ্বাস হইতে চাবে না, কিন্তু রবীন্দ্র সমালোচকেরা একই দোষ দিছে রবীন্দ্রকে।
বাজার একচেটিয়া হলেই মালিকের হাতে থাকে, সাহিত্যের বাজার কোনকালে সেরকম ছিল না
আমি আপনারে অন্য উদাহরণে বুঝাই। যেমন আমি হৃদয় খান, বালাম, হাবিব এগুলারে দেখতে পারি না। কিন্তু আমার পরের প্রজন্ম(পিচ্চি ভাইবোনেরা) কিন্তু ঠিকই খাইতাছে। এখন বাপ্পারা এদের সাথে তাল মিলায়া না চললে পুরানোদের কাছে স্মৃতি হইয়াই থাকতে হবে, নতুন কিছু খাওয়াইতে পারবে না। এই কারণে এখন বাপ্পারেও ভাল্লাগে না, আমি ওর আন্ধা পাংখা ছিলাম। বুঝেন তাইলে...nothing is permanent, only change is!
ফারুকীরে আমার আপনার পছন্দ না হইলেও কিছু করার নাই, ঠেকানোর উপায় বাঁধ না। ঠেকাতে হইলে শিল্পরে দর্শকের কাছে যাইতে হবে, এমন ভাবে যেন মানুষ ফারুকীরে ফালায়া শিল্প দেখে। নাইলে ফারুকীর নিন্দা গাওয়ার মানে নাই।
ফারুকি ভাষা সৃষ্টি করে নাই। সে ভাষার বাজার তৈরি করতে চায়। তার ভাষায় কথা বলে যারা, তার নাটকের চরিত্ররা যেসব পোষাক পড়ে, যে বিষয় নিয়া আলাপ করে সব কিছু মিলায়া তারে আমি কইতে চাইছি বহুজাতিক ফেরিওয়ালা। এখানে ভাষায় তাকে খারিজ করতেছি না। ভাষার প্রসঙ্গে ফারুকির নাম উচ্চারণেই পাপ আছে। কারণ ভাষার ব্যবহারে আমাদের সাহিত্য অনেক আগে থেকেই সমৃদ্ধ। মিডিয়ার কাভারেজ না পাইলে তার নাটক সিনেমা দর্শকের দেখার কোন কারণ ছিল না। এবং সে চতুরের মতো একটা গ্যাং তৈরি করছে। টিভি খুললেই যেন তার কথা মনে হয়। তার ক্রিয়েশন কিছুই নাই, সব ভাঁওতা। প্রমিত বাংলার বিরুদ্ধে তারে যোদ্ধা হিসেবে দাঁড় করোনোর চেষ্টা আরেক রকম নির্বুদ্ধিতা। ক্যামেরা চালাইতে জানলেই পরিচালক হওয়া যায় না।
ফারুকিরে বাধা দেয়ার বিষয়ে যাওয়া যাবে পরে। আগে তারে খারিজ করতে হবে। তারে বৌদ্ধিক চেহারা দেয়ার অপচেষ্টা থেকে দূরে থাকতে হবে।
কে করবে? কোন অধিকারে? এইখানেই প্রশ্ন আসবে। তার গ্যাং প্রতিদিন চৌকোণা বাক্সে চেহারা দেখাচ্ছে, সে নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে ফেলছে! আপনি আমি তারে উৎখাত কিংবা খারিজ করার কে?
আলাপটা এইখানে যে ফারুকির অবস্থান নির্ধারণ। তার শ্রেণী চরিত্র নির্ধারণ। সে আসলে কি করে এবং সে আলোচ্য হয়ে উঠবার প্রক্রিয়া।
এখন সে যতোটা আলোচ্য তার সাথে বাজারমুখীনতা যুক্ত । বাজার সংস্কৃতিকে খারিজ করার প্রশ্নই আমি তুলছি।
আমার কাছে মনে হইলো শুভ্র এইবারো একটা বিতর্ক তৈরী করতে তার উপস্থাপন ভঙ্গীমা ঠিক করছে। ফারুকীর ভাষা বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিমত আছে, কিন্তু তার পণ্য বিপনণের টেন্ডেন্সী নিয়া আলোকপাত আমার কাছে অভিনব মনে হইলেও প্রয়োজনীয় কীনা সেই সন্দেহটা বিদ্যমান। এই সমাজ ব্যবস্থায় শুভ্র ফারুকীর কাছে থেইকা বিপ্লবী শিল্প প্রত্যাশা করে? ফারুকী কি সেই স্ট্রীমের লোক?
আক্রোশটা ব্যক্তির দিকে সরাইয়া দিলে মূল প্রতিরোধটাই দূর্বল হওনের সম্ভাবনাই বাড়ে বইলা আমার ধারণা...
ভাস্কর দা বিতর্ক করতে চাইছি এইটা ঠিক। ফারুকীর বিপ্লবী হওনের চান্স নাই। আশাও নাই। কিন্তু তারে নিয়া আলাপ সালাপ দেখলে আক্ষেপ জাগে। সম্প্রতি ভাষা নিয়া কিছু আলোচনায় দেখলাম তার নামও আছে। এসব দেইখা মনে হইলো তাই লিখলাম। এইটা মেজাজ গরম কইরা লেখা বলতে পারেন।
তবে তারে আমি পণ্য বিক্রতা কইতাছি ক্যান সেই আলোচনার কারণ আছে।
তার সিনেমা নাটকগুলা দেখলে আমার তাই মনে হয়। বিস্তুরিত আলাপের জন্য তার নাটকের সংলাপ দৃশ্য এসব লাগবে।
এখন তা কোথায় পাই।
আজকের যুগে সবাই পণ্য বিক্রেতা; ফারুকীর পণ্য বিক্রী হয় বেশি তাই চোখে লাগে
게시물을 찾고 관심
বুঝলাম না।
হুম
এই আলাপ দেখে ইচ্ছে জেগেছে--অংশগ্রহণ করি। সময় নাই। কাজে যেতে হবে। দেখি আগামীকাল সময় পেলে কিঞ্চিত যোগ দেব। ধন্যবাদ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়কে নোটে দেওয়ার জন্য।
বিতর্ক উপভোগ করছি।
ফারুকী তার নিজ যোগ্যতা বা অযোগ্যতায় ই বাজার দখল করসে আপনে আমি তারে বাজার ছাড়ার বা বাজার থেকে বাইরে বের করে দেয়ার কেউ না।
আমার আপনার তাকে খারিজ করার শক্তি নাই যদি বরেন তাইলেও তর্ক আছে। আর যদি বলেন এসব বলে লাভ নাই তাইলেও তর্ক আছে। তর্কটাই জরুরি বিনা প্রশ্নে মেনে নেয়ার চাইতে।
অনেকের মন্তব্যই দেখলাম।। পোস্টটা পর্যবেক্ষণে রাখলাম।।। সোমবার পর্যন্ত পরীক্ষার ঝামেলায় ঝুলে থাকতে হবে। তাই আপাতত বিস্তারিত লিখছিনা।।।
তর্ক দেখছি। পরে নিবন্ধিত হয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাই। ফারুকি একটি অর্বাচীন গাধা। জনপ্রিয়তা মানে দায়িত্বহীনতা নয়। বাজারমুখিতাও সর্বাংশে দায়িত্বহীনতাকে প্রোমোট করেনা। ফারুকি করে।
মন্তব্য করুন