পাঁচফোড়নের লাবড়া - ১
ফিহার ভোজনালয়:
পৃথিবীর বিজ্ঞান আকাদেমীর মহা পরিচালক ফিহা বিজ্ঞানপল্লী সিরান এ তার নিজস্ব বাস ভবনে বসে দুপুরের খাবার গ্রহণ করছিলেন, কলার মোচার ঘন্ট, পদ্মার ইলিশ আর বিউলির ডাল দিয়ে কালোজিড়ে চালের ভাত খেয়ে নিও পলিমারের পোষাকটার ইলাস্ট্রিসিটি আরেকটু বাড়িয়ে (অনেকটা ধুতি লুঙ্গির গিটে ঢিল দেয়া টাইপ)একটা ঢেকুর তুলে কেবল কাউনের চালের পায়েসের দিকে হাত বাড়িয়েছে তখনি তার যোগাযোগ মডিউল টি গুণ্জন করে উঠে জানালো মহামতি ফিহা বিজ্ঞান একাডেমির পরিচালনা পর্ষদের সভা শুরু হবার কথা আধ ঘন্টা আগে, সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। ফিহার মেজাজটা অত্যন্ত খারাপ হল, এই খাবার সে ১৯শতকের পৃথিবী থেকে আনিয়েছে কৃত্রিম সিন্থেটিক পায়েস নয় একেবারে আসল কাউনের চালের আসল পায়েস সিদ্দিকা কবীর কে দিয়ে রান্না করিয়ে আনা আর এখন এসব ফেলে মিটিং এ যেতে হবে, গাধা কম্পিউটারগুলোর যদি কোন কান্ডজ্ঞান থাকে, এগুলোকে আর মানুষ করা গেল না অবশ্য ক্রুগো কম্পিউটারের ৯/১১ স্টাইলে ক্ষমতা দখলের পর আর কম্পিউটারকে মানুষ বানানোর চেষ্টা করা হয় না একবারেই যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে, কিম-জুবান আর রবোট্রন লুকাস না থাকলে সেবারেই মানব জাতির দফারফা হয়ে যেত। সিডিসি বল যেতে পারব না আমার ঘুম পেয়েছে।
মহামান্য ফিহা আপনি এখন আর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গণিতবিদ ফিহাই নন আপনি একই সাথে বিজ্ঞান একাডেমীর মহাপরিচালক আপনাকে ছাড়া সভা শুরু হতে পারে না আর তাছাড়া সাইরা সায়েন্টিস অনেক দিন ধরেই মনে মনে বিজ্ঞান একাডেমীর প্রথম নারী মহা পরিচালক হবার স্বপ্ন দেখছে সায়রা সায়েন্টিস এর আদি পিতামাতা ছিল বাংলাদেশী সেই একবিংশ শতাব্দীতে দীর্ঘ দুইযুগ সেইদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলিয় নেত্রী ছিলো নারী......
থামো থামো এই প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধীদলীয় নেত্রী কি জিনিষ?
আজ্ঞে মহামান্য ফিফা (সিডিসি মানুষ হলে নির্ঘাৎ মাথা চুলকোতো) তখন সারা পৃথিবীতে অনেকগুলো বিজ্ঞান একাডেমি ছিল বাংলাদেশ নামক একাডেমীর মহাপরিচালক হল প্রধানমন্ত্রী আর তার সব গবেষনার ক্ষতিকারক দিক নিয়ে গবেষনা করতো বিরোধিদলীয় নেত্রী।
থামো থামো সিডিসি আমি ৫০ ন্যযনোসেকেন্ডের মধ্যে উপস্থিৎ হচ্ছি।
বিজ্ঞান একাডেমীর সভা কক্ষ:
প্রথা অনুযায়ী সিডিসি প্রারম্ভিক বক্তব্য শুরু করলো, মহামান্য বিজ্ঞানী ভদ্র মহোদয় ও মহোদয়া গণ আপনারা জানেন আজকের এই বিশেষ অধিবেশন এর কারণ মহান পদার্থবিদ স্রুরা। স্রুরা গত এক মাসে একবারো তার ল্যাবরেটরীতে আসেনি, মহান গবেষক স্রুরা হঠাৎ করে সব কাজে তার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। ত্রিনিত্রী রাশিমালার অনিশ্চয়তাটুকু কাটিয়ে ওঠার ওপর তার কাজ মাঝপথে থেমে আছে। আমাদের এর প্রতিকার করতে হবে। এর আগে আমরা মহামতি রিকি কে হারিয়েছি।
হঠাৎ ফিহা খেকিয়ে উঠলেন ঐ আহাম্মকটার কথা আর বোলো না, গেছেতে তো গেছে আমার দুটো কুরু ইন্জিন নিয়ে গেছে। স্রুরার এই পরিবর্তনের কারণ কি ?
মহামান্য ফিহা আমার মনে হয় কোন মহাজাগতিক প্রাণী গোপন সিগন্যাল পাঠিয়ে তার প্রসেসর জ্যাম করে দিয়েছে তাই সে..
সায়েরাসাইন্টিস বলে উঠলো গাধা সিডিসি স্রুরা কি কম্পিউটার যে তার প্রসেসর জ্যাম করে দেবে গাধার মতন কথা বলা তোমার সাজে না , তোমার মনর রাখা উচিৎ মানুষের মস্তিষ্কের প্রায় নিখুত অনুকরণে তোমাকে তৈরী করা হয়েছে (সিডিসির মন থাকলে সে মনে মনে বলে উঠতো এইজন্যই মাঝে মাঝে গাধার মত কথা বলি পুরো নিখুত অনুকরণ হলে সবসময় গাধার মতন কথা বলতাম )। কিন্তু যেহেতু সিডিসির মন নেই তাই সে বললো আসলে মনের ব্যাপার তো আমি ঠিক বুঝি না।
বিজ্ঞান একাডেমীর প্রাক্তন মহাপরিচালক রূ বললেন তোমরা একটা কাজকরো ২০১০ সাল থেকে মিসির কে নিয়ে এসো।
ফিহা নাক কুচকে বললেন মিসির, মিসির কি? তাল মিস্রি নামে একটা বস্তু খেয়েছি সেটার সাথে স্রুরার কি সম্পর্ক?
মিসির কোন খাদ্য নয় ফিহা বললেন রু
সাইরা সায়েন্টিস ফ্লোর পেয়ে বললেন খাবার ছাড়া আর কোন খবর তো রাখো না, মিসির হচ্ছে নিহিলা স্যাম্পুর মতন, এটা মাথায় দিলে মাথা ঠান্ডা থাকে সবচেয়ে ভালো ব্র্যান্ডের মিসির হচ্ছে তিব্বৎ কদুর তেল, তবে ওটা ২০১০ থেকে না এনে ১৯৫৩ থেকে আনলে ভালো হয়। এবং বন্ধুরা আমরা এই খাদক, বৃদ্ধ, অক্ষম, লোভী ফিহার অনাচার অবিচার মানবো না, এই মুহূর্তে আমি ফিহাকে পুরোনো কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠন করার আহ্বান জানাচ্ছি অন্যথায় আমি এই মুহূর্তে অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করব এবং লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেন, সংগ্রামী ভাইয়েরা.......
রু উঠে দাড়িয়ে সায়রাকে থামতে বলে বললেন সায়রা মিসির কোন কদুর তেল নয়, মিসির একজন মনোবিজ্ঞানী, মানুষের মষ্তিস্কের রহস্যময় রাজ্যে তার স্বচ্ছন্দ পদচারণা। স্রুরার এই হঠাৎ পরিবর্তনের কারণ একমাত্র মিসির আলী ই সমাধান করতে পারবেন।
(চলবে?)





আহারে, আসতাছি, খানিক পরে------বাকীরা কমেন্টাক-------দৌড়-----
তোমার অনুরোধে ঢেকি গিললাম আর তুমি দৌড় দিলা
লাবড়াতো ভালই লাগতেছে। আরও খাইতে চাই।
ধইন্যা; আমিও বেশি বেশি রানতে চাই
এগুলা বুঝি না
দিদি কি খবর ? কেমন চলে ?
এইতো ; তোমার কি অবস্থা?
চলুক। লাবরা মজাই লাগছে।
ধন্যবাদ ; সাথে থাকুন
আসিমভ, হুমায়ূন, জাফর ইকবাল এর গুলানো লাবড়া!!
আসিমভের ফাউন্ডেশন উপন্যাসটা চারবারের চেষ্টায় পড়তে পারছিলাম। যখন ভেতরে ঢুকে পড়লাম, সম্পূর্ন অন্যজগত!! এর আগে বারবার শুরু করতাম আর খেই হারিয়ে ফেলতাম। আপনের লেখাটার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। বারবার শুর করে, আর পালায়া যাই। কিন্তু শেষতক ঠিকই মজাটা লইলাম। লাবড়া দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া চলুক।
আর এক্টা ব্যাপার। এবিতে এখন দুইটা সিরিজ চালু হইলো। আর মজার বিষয় হইলো, দুইটাই ফিকশন। বেশ বেশ।
আসিমভ এর কিছু ছোট গল্প ছাড়া আসলে আর কোন লেখা আমার পড়া হয় নি।
এই লাবড়াটায় মোটামোটি জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশনের কিছু ক্যারেক্টারের সাথা হিমু, মিসির আলী, ডাক্তার সফদার আলী, কিশোর পাশা, মাসুদ রানা, গিল্টি মিয়া, বেদের মেয়ে জোস্না এদের ঘুটা দেয়ার ইচ্ছে আছে
চলুক । কিছু টাইপো আছে যদি ঠিক করে দিতেন বোনডি ...শুভেচ্ছা জানবেন

ধন্যবাদ; যেগুলো চোখহে পরবে ঠিক করে দিচ্ছি
ইট্টু ইট্টু টাইপো আমাদের কাঁকনার ট্রেডমার্ক----;)
এইরাম হাইটেক লাব্রা হজম হয় না
কাক্না কিরামাছো?
এইতো আপু; আপনার কি অবস্থা?
আমার পাগলা ঘোড়ারে, কৈ থেইকা কৈ লৈয়া যাও--------হা হা, জাফর তো গুইলা দিছো, তার উপর এমন জগাখিচুড়ী? মাবুদ.....
বাই দ্যা ওয়ে, কালোজিরা চাইল দিয়া ভাত রাইন্ধা চাইলগুলা নষ্ট করার কি দরকার ছিলো? পোলাও রানলে হৈতোনা?
কাওনের চাইলের "তেলের পিঠা" খাইছো? উমমমম-----
"বিউলির ডাল" জিনিষটা কি?
জাফর ভাইয়ের একটা জিনিষ খারাপ লাগে, সেডা হলো, গল্পে মানুষকে মাঝে মাঝে যণ্ত্র(কম্পু বা রোবট)...এর চাইতে বোকা দেখায়(অবশ্য বিষয়টা বিদেশী গল্পের অনুকরনে), সেই জিনিষটা তুমিও করলা? আফসুস----
বিউলির ডাল কি জিনিষ আমি জানিনা বিলাই, ভারতীয় বাংলা বই পইড়া বিউলির ডাল, সিম-পোস্তর চচ্চরী, এগুলা খাওয়ার খুব ইচ্ছা হয় তাই লিখসি। ফিহা তেল চুপচুপ পোলাও পছন্দ করে না তাই ভাত খায়
জাফর ভাই তার কো গল্পে মানুষ কে যণ্ত্রের চেয়ে বোকা দেখাইছে - আমি যত গুলা বই পড়ছি সব যায়গায় সে মানুষরেই তো বেশি পাওয়ারফুল দেখাইছে, সে দেখায় যণ্ত্রের বিশ্লেষণী ক্ষমতা বেশি, দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ কররতে পারে , লজিক্যাল কিন্তু মানুষের বুদ্ধিমত্তা মননশীলতা সেটা আলাদা জিনিষ
আমি সব চরিত্র গুলারে পচাইতেসি আমি তো করুম ই
লে হালুয়া ! কাঁকন ভাইয়া আর সাই ফাই ?

এইটা সাইফাই না এইটা লাবড়া আর আপনে অনেকদিন আমার খবরাখবর নেন না তাই জানেন না আমি একটা তিনপর্বের বিশাল প্রায় উপন্যাসটাইপ সাইফাই ও দুটো অনু সাইফাই লেখার অপচেষ্টা করেছি
আমার নিজের ই তো স্টেশন নাই ... খালি দৌড়ের উপরে আছি , এই জন্যই তো এসবের কথা জানি না ... তবে, শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছি তো ... খিক খিক
হ; খিক খিক খিক
আমি লাবড়া আর কিছু বুঝি নাই কিন্তু লাবড়ার খাবার গুলো খেতে চাই.।.।আহারে ৬৬৫২৮০০০০০০০০০০০ ন্যানোসেকেণ্ড ধরে এই সব জিনিস খাই না।।
আহারে ৬৬৫২৮০০০০০০০০০০০ ন্যানোসেকেণ্ড ধরে এই সব জিনিস খাই না।। -- এইটা জোশ হইছে
আপনে হাসেন!!!!!!!!আর আমার জান বাহির হয়া গেলো কবে থেকে পোলাও খাই না।।
কেন পোলাও রানতে পারেন না?
পারি কিন্তু বাংলাদেশী সাদ পাই না।।আর নিজের হাতের রান্না খাইতে ভাল লাগে না।।বয়সতো আর কম হলো না।।
তাইলে আর কি দিল্লিকা লাড্ডু খাওয়ার যোগার করেন; বাংলাদেশি স্বাদ পাওয়া যায় না , আমি এখানকার ফখরুদ্দিনেও বাংলাদেশের ফ্লেভার টা পাইনাই, সম্ভবত ঘি আর পেয়াজের জন্য ডিফারেন্ট টা হয় চালের জন্যও হইতে পারে ;
থাকি এক জংগলে।।এখানে শামুক ঝিনুক অক্টোপাস আর শুয়োর ছাড়া কিছু পাওয়া যায় না।দিল্লিকা লাড্ডুতো খাওয়ার জন্য দুই পায়ে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু শশুর আব্বা রাজী না কোন ছাত্রের হাতে মেয়ের হাত দিতে.।
হুমম; সমস্যা বটে
ওরে পাইছি.....শামুক ঝিনুক অক্টোপাস?? জাপান না কোরিয়া? উফ কতদিন ঝিনুকের ভিতরের নরন শাঁস খাইনা, ঝাল ঝাল চাংপোং খাইনা...আফসুস।
কোরিয়া.।.।.।।??????ছিঃ ছিঃ ওইসব মানুষে খায়.।.।.।।আপনি কই ভাইজান.।।।
গোল্লা কাঁকন সবার পিছনে লাড্ডু খাওয়াইতে এমনে লাগছে ক্যান ?
দল ভারী করার চেষ্টা করতেসি
ব্যাচেলর প্রজাতীর বিরুদ্ধে এহেন ষড়যন্ত্র কেন ? .... ঝাতি ঝানতে চায়
কইলাম ই তো দলভারী করতেসি
কি হে!!!
ভাবী আপনি ভালো আছেন? ভাই ভালো আছে?
চুপ থাক
কাকন্দি দ্যা ফাই ফাই সাইফাই লেখিকার লাবড়া বড়ই কঠীণ লাগলো!!
আরেকটু সহজ করন যায় কীনা দেখেন!
ওহে লাব্রা রাধুঁনী তুমার লাব্রার ভিত্রে খানিক্টা ডিম ভেজে ছেড়ে দিও
আশা করি খাইতে ভলৈ লাগ্বো 
লাবরা খুবই উপাদেয় হয়েছে গো কাকুন্দি।
সাইফাই এমনিতে মাথায় ঢোকে কম। তবে লাবরা বইলাই পড়লাম। কানুগ্রুপ সক্রিয় দেইখাও ভাল লাগতাছ্
চ্রুম সুন্দর হইছে =

পরের পর্বের অপেক্ষায় =
করদিন দেহিনা তুমায় =
সুন্দর!
হা হা হা হা।


চ্রম। যা মঞ্চাইছে, তাই লেখছেন দেখি...
এইখানে সবাইরেই যখন আনতেছেন, তাইলে একটু চিপা দিয়া "তিন গোয়েন্দা"রে ঢুকান যায় কিনা একটু দেখতেন...
লাবড়া খাইতে বড়ই সুস্বাদু হইছে।
অভ্রের অভাবে এতোদিন মনের হাউশ মিটাইয়া মন্তব্য দিতে পারি নাই অফিস থেকে। আজকে অফিসেও ডাউনলোড করলাম। যা আছে কপালে। প্রথম মন্তব্য তোমারে বনি করলাম।
আমি লেগে আছি কাঁকন ভাই। সিরিজ চলুক
দিদি কই ? কি হইলো ?? কেমন আছেন ?
একমাস তের দিন তুমি নাই। কাক্না তুমি কই গেলা????????
দেশে আসছো নাকি শীতে কাবু?
খুব খুব খুব মিস করতেছি। লাবড়াজাবড়াজাউ যা খুশি খাওয়াও তবু আসো আসো আসো
কাঁক্না, তুমি কৈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈ.........................??????????????????
আচ্ছা মসজিদ মসজিদে মাইকিং করলে হয় না।

জেডি কি হারিয়ে গেলেন???? লাবড়া নং ২ আর খাওয়া হইলো না.. আফসুস...
আরে মানুষ এমনে ডুব মারে নাকি ! একটা কিছু তো বলে যাইতে হয় ! কি হইলো ????
সম্ভাব্য ঘটনা সমূহ-----
১..কাঁক্না লুক্কাইয়া দেশে আসছে, সুন্দর কৈরা লুকাইয়া লুকাইয়া দেশ ঘুইরা ফিরা আবার বিদেশ গিয়া সবাইকা জানাইবে, দেশে গ্যাসলাম, সময়ভাবে.....ইত্যাদি ইত্যাদি.....
২..ব্যাথায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ায় ডাক্তার বলছে, সু-খবর, মিষ্টি খাওয়ান, আপনি...
৩..ব্লগে কানু গ্রুপ গঠন কৈরা ব্লগারদের উপর চোটপাট করায়, সাইবার ক্রাইমের অপরাধের শ্বাস্তি স্বরুপ কাঁকনাকে ৬ মাস কমিউনিটি সার্ভিস করতে দিছে, এই সময় সে সবার কম্পু ঝাঁইড়া পুঁইছা দিবে, কিন্তু কম্পু অন করতে পারবে শুধু সীমিত কাজের জন্য, যেমন ডি-এক্স বল খেলা!!!
কাঁকন.................কৈ গেলাআআআআআআআআআআআআআ.....
টিং---
এত ভালো সাইয়েন্স ফিকশন লেখেন। '
আমার পত্রিকার জন্য একটা পাঠান না?
alochayya@gmail.com
টিং?
২০০০ কমেন্ট পুরা করছো কাক্না, অভিনন্দন
ও । বাইচা আছেন তাইলে
সাইফাই লাবড়া খাওয়ায়া লাপাত্তা হইলে চলবে ? এদ্দিনের মধ্যে কোনো লেখাই নাই ক্যান ?
লাব্রা রাইন্ধাই শেষ?
নক- নক- নক..
মন্তব্য করুন