হাবিজাবি পোস্ট (কি লিখতে কি লিখি)
১)
গত দুইদিন ঝিরঝির বৃষ্টি ছিলো; গতকাল রাতে ঘুমোনোর সময় ভাবলাম আগামীকাল(আজ) খিচুরী রান্না করবো, আজ সকাল থেকে আর বৃষ্টি ছিলো না, কড়া রোদ ছিলোনা তবে মেঘলাও ছিলোনা, বাদ দিলাম খিচুরী রাঁধলাম ভাত, সন্ধে থেকে শুরু বৃষ্টির।
বৃষ্টি আমার সাথে সৃষ্টি ছাড়া আচরণ প্রায়সই করে। আমি বিছানার চাদর বালিশের কাভারের মতন বড় বড় জিনিস ধুলে রৌদ্রজ্জ্বল আকাশ থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায়।
২)
ভবিষ্যৎ কে জানার ইচ্ছে মানুষের অদম্য; সেই কবে থেকে যে সে ভবিষ্যৎ জানতে ব্যাকুল আমি জানিনা, প্রাচীন গ্রীকরা ওরাকলের কাছে জানতে চাইতো, ভারতীয় রা জোতিষির কাছে জানতে চাইতো, আর আজকের সাইফাইওয়ালারা টাইমমেশিনে করে ভবিষ্যৎ এই চলে যায়। মানুষের আকাঙ্খা সে ভবিষ্যৎ জেনে ভবিষ্যৎ বদলে দেবে কিন্তু তাই কি হয়!! যতবার সে ভবিষ্যৎ জেনেছে ততবার সে সেই ভবিতব্যের দিকেই তো এগিয়ে গেছে।
ইদিপাসের বাবা যদি না জানতো যে ইদিপাস তাকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করবে এবং তার মাকে বিয়ে করবে তাহলে কি এই ভবিতব্য বরণ করতো ইদিপাস? কোন ভবিষ্যৎবাণী না জানলে ইদিপাস এর বাবাতো তাকে হত্যা করার কথা চিন্তা করতো না, রাজপরিবারে বড় হওয়া রাজকুমার ইদিপাস হয়তো সমবয়সী কোন রাজকুমারীর প্রেমে পরতো, উত্তরাধীকার সূত্রেই সে তার নিজের রাজ্যের রাজা হোতো।
অথবা সিদ্ধার্থের বাবা রাজা শুদ্ধোধন এর জোতিষিরা যদি ভবিষ্যৎ বাণী না করতেন যে রাজপুত্র সিদ্ধার্থ যদি বার্ধক্য, জরা, মৃত্যু এবং তপস্ব্যা- জীবনের এই চারটি সত্য সম্বন্ধে জানতে পারেন তাহলে তিনি গৃহত্যাগী হয়ে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করবেন আর এই ভবিষ্যৎবাণী শুনে যদি রাজা রাজপুত্রকে এসব থেকে দূরে রাখার চেষ্টা না করতেন তাহলে হয়তো হঠাৎ করে এসব জেনে সিদ্ধার্থ ধাক্কা খেতেন না, আর দশটা সাধারণ মানুষের মতন ই জীবনের নিয়মে এসবের সাথে তার স্বাভাবিক পরিচয় ঘটতো আর রাজকুমার সিদ্ধার্থ হয়তো পরবর্তীতে গৌতম বুদ্ধ না হয়ে মহারাজ সিদ্ধার্থই হতেন।
বিটিভিতে হুমায়ূন আহমেদের একটা নাটক দেখিয়েছিলো "ওয়াইজা বোর্ড", নাটকে শীলা আহমেদের বড় ভাই বিদেশ থেকে বিদেশী বৌ নিয়ে বাড়ি ফিরলে শীলা স্বপ্নে দেখে তার ভাবীর ওপর সিলিং ফ্যান খুলে পড়ছে এটা স্বপ্ন দেখে সে তার বাবাকে স্বপ্নের কথা বললে আবুল হায়াত ঐ নাটকের একটা অকর্মা চরিত্র যে সব কিছুতে গণ্ডোগোল করে তাকে দিয়ে ফ্যানের নাটবল্টু টাইট দেয়ায় কে জানে সেই উজবুক টাইট দিসিলো না ঢিলা করসিলো বল্টুগুলা, যদি শীলার কথা শুনে আবুল হায়াত ঐ গাধাকে দিয়ে ফ্যানের নাট-বল্টু টাইট না করাতেন তাহলে ফ্যানটা যথাস্থানেই থাকতো হয়তো।
৩)
রিয়েল লাইফ ব্লগাড্ডা ভার্চুয়াল ব্লগসাস্থের জন্য ক্ষতিকর; ব্লগাররা বাস্তবে আড্ডা দিলে ব্লগানোর কেউ থাকেনা বিধায় ব্লগারের অভাবে ব্লক রাণীক্ষেতাক্রান্ত মুরগীর মতন ঝিমায়






কানু গ্রুপের অভাবেও মাঝে মধ্যে ব্লগ রাণিক্ষেতের মতো ঘুমায়।
কানু গ্রুপের অভাবেও মাঝে মধ্যে ব্লগ রাণিক্ষেতের মতো ঘুমায়।
আসলেই তো, কানু গ্রুপ গেল কই?
এসো রান্না শিখি গেল কই?
ডিমভাজি শিখার আশায় বইসা থাকতে থাকতে তো চা বানানি ভুলে গেলাম ...
ভুললে কেমনে হবে নিয়মিত চা বানানি প্র্যাকটিস করেন
হরে, যখন পারতামনা, তখন মনে আফসুস হৈতো, ইশ, কিরাম আড্ডা দেয় লোকজন........আমি বুঝি.....তোমার অবস্থাটাও....আছো কিরাম?
মেজাজ কি মাঝখানে বিলা আছিলো?
না তো মেজাজ বিলা হইবো কেন:
তোমার উত্তরাধুনিক কবিতার ওপর উত্তরাধুনিক থিসিস পড়লাম; ভালৈছে
তিন নম্বর টার জন্য খারাপ লাগছে। সত্যিই খারাপ লাগছে। আমি আড্ডা পাগল, এরম অবস্থায় পরলে বুক ফাইটা মারা যাইতাম।
আমি যে খুব আড্ডাবাজ তাও না কিন্তু যেটা করা যাবেনা সেটার প্রতিই মনে হয় টান বেড়ে যায়;
সবই কপাল!
সম্ভবত ভূমির একটা গান আছে "ও জীবন, কপালের দোষ দিয়ে তুই নিজে লুকোস নে"
আড্ডায় গিয়ে দেখেন আমি গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে দেই নাই, আপনাদের সাথে আছি। দুঃখ করেন না। মেই হু না ।
কেন আপনে নাই কেন? একবার আড্ডা দিয়া কি আপনার শখ মিটে গেছে
আমার ভবিষ্যৎ জানতে আগ্রহ নাই। জ্যোতিষী গীতিকার কাওসার আহমেদ চৌধুরী আমারে একাধিকবার ধরছে, আমার ভবিষ্যৎ বলবেই। আমি পলায়া আইছি।
এই বিষয়ে সাংবাদিক মুনির রানা ভাইয়ের চমৎকার একটা ছোটগল্প পড়েছিলাম। কিন্তু সেটা কোনোদিন হয়তো পাবলিশ হবে না। তবে দারুণ একটা গল্প।
আমার আড্ডা দিতে বেশি ভালো লাগে... ব্লগ একটা ভ্রান্ত ধারমা মাত্র
মনির রানা ভাই এর গল্পের একটা নাট্যরূপ আপনি দিয়ে ফেলেন নজরুল ভাই; ভবিষ্যৎ বাণী নিয়ে একটা নাটক দেখছিলাম দিনার আর দিহান এর, নাম ছিলো সম্ভবত হাত; ভালোই লাগছিলো
এটার নাটক বানানোর চিন্তা তখনই করছিলাম। রানা ভাই নিজেই নাট্যরূপ দিতে চাইছিলো, এমনকী কাওসার আহমেদ চৌধুরী অভিনয় করতেও রাজী হইছিলো মূল চরিত্রে। কিন্তু তারপর কাজটা আর করা হয় নাই।
কাঁকন, ওরা চটপটি খাবে, তুমি ওদের ইগনোর করো ঃ)। আমরা খিচুড়ি রেঁধে চলো স্কাইপেতে উত্তরাধুনিক আড্ডা দেই।
লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ
ব্লগ খ্রাপ,বড় খ্রাপ/
হ খুবই খ্রাপ
?
!
েহে!!
কাকনাদি কত কথা কয়রে!!
শীলার নাটকটা দেখি নাই, এই মেয়েটারে বিয়ে করার শখ আছিলো! এত সুইট কেন আছিলো সে?
পুচকে পোলা কয় কি
বোহেমিয়ানের কত্ত বড় সাহস... শীলার দিকে চোখ দেয়... খপর্দার কৈলাম
মন খ্রাপ কি ভাল হৈছে?
ওইদিন আড্ডায় আম্রা অবশ্য বেশি কিছু খাইনাই
.. জয়পুরের (দোকানের নাম) চিকন জিলাপি... রস এর লাড্ডু.. মিশরের চকলেট আর রবীন্দ্র সরোবরের ফুচকা... পানীয় হিসেবে মাম এবং পেপসী ... আর কিছু না ... সইত্য ... তবে চিকনে মুক্ত বয়ান আমরো একটা চকলেট দিছে 
হ কিছুই তো খাননাই দেখা যায়; মুক্ত আসেনা ম্যালাদিন
খিঁচূড়ী ভালু পাই। সব ভালু পাই। বৃষ্টি, আড্ডা, মিথ। কেউ আমারে ভালু পায় না।
তুমি কুন্টা? খিঁচূড়ী/বৃষ্টি/আড্ডা/মিথ?
যে তুমারে ভালো পাওয়া লাগবো
শীলারে মিস্করি। বড় ভালা পাইতাম মাইয়াডারে।
শীলারেআমারো খুব ভালো লাগতো ; এত সুইট কোন নায়িকা আর আসলোনা
দুনিয়ার সবাই থাওয়ার পাগল
মন্তব্য করুন