সবার জীবনে প্রেম আসে তাই তো সবাই ভালোবাসে .....প্রথম যারে লাগে ভালো যায় না ভোলা কভু তারে...... স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি.....
"ছোট বেলার গল্প শোনার দিন গুলো এখন কত দূরে.... আজ আসে না রাজার কুমার পঙ্খীরাজে উড়ে....."
তিন গোয়েন্দা সিরিজ পড়তাম পাগলের মতন।কোকরানো চুলের বুদ্ধিদীপ্ত কিশোর, সোনালী চুলের ছিপছিপে লাজুক বই এর পোকা রবিন আর কিন্চিৎ বোকাটে মাসলম্যান মুসা এদের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নিতে পারিনি। এদের কার প্রেমে পরা উচিৎ সেই ঝামেলায় কারো প্রেমেই পরা হোলো না.......... বরং একদিন বুঝলাম আমি আমার কৈশর পেছনে ফেলে এসেছি ওরা আজো কৈশর-তারুন্যের সন্ধিতে... ওদের সময় সেখানেই স্থির।
"হরি হে দীনবন্ধু, তুমি আমারো বন্ধু, বাপের ও বন্ধু....."
হরির পক্ষে যুগ্পতভাবে আমার ও বাপের বন্ধু হওয়া সম্ভব কিন্তু উত্তম কুমারের পক্ষে তো আর একই সাথে আমার ও আমার মায়ের স্বপ্নের নায়ক হওয়া সম্ভব না, তাই সব যোগ্যতা থাকা সত্তেও সে আংকেল স্থানীয় হয়ে রইলেন।ভদ্রলোক অকালে চলে গিয়ে ভালোই করেছেন কারন আমার বাবার সুচিত্রা সেন বুড়িয়ে গেছেন , তার বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার খবর আমার বাবাকে পড়তে হয় কিন্তু আমার মায়ের উত্তম কুমার আজো চিরসবুজ।
"ম্যাহেদি লাগাকে রাখনা...ডোলি সাজাকে রাখনা.....লেনে তুঝে ও গোড়ি আয়েগি তেরি সাজানা"
আমার হিন্দি বিদ্বেষী মায়ের কারনে শাহরুখ খানের নাম শুধু বান্ধবীদের মুখেই শুনতাম চর্ম চোক্ষে দেখা হোতোনা। বাসায় ডিশের লাইন ছিলো না । একবার যখন একুশে টিভিতে বললো ঈদে "দিল ওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে " দেখাবে আমি খুব খুশি হলাম যাক এবার অন্তত শাহরুখ খান কে দেখতে পারবো কিন্তু জাফর ইকবালের আমার সুখ সৈহ্য হইলো না আমার স্বপ্ন গুড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রে সে বিশাল এক আর্টিকেল লিখলো আর একুশে টিভি তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলো। শাহরুখের সাথে আমার সাক্ষাৎএর পথ আবার অবরূদ্ধ। তখন জাফর ইকবাল কে বিশাল এক চিঠিও লিখসিলাম কিন্তু পোস্ট করা হয়নাই।
যাই হোক দিনে দিনে আমার ভাইরা বড় হইলো আমার দল ভারি হইলো আমি তাদের সাথে জোট পাকাইয়া সংসদে প্রস্তাব উৎথাপন করলাম যে ডিশের লাইন আনা হোক , আমরা শুধু খেলা আর কার্টুন দেখবো , আমরা তখন সংখ্যা গড়িষ্ঠ দেশেও গণতন্ত্রের সুবাতাস, আমি যখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে তখন আসলো ডিশের লাইন দেখলাম "কুছ কুছ হোতা হ্যায়" দেখলাম শাহরুখ খান কে । কিন্তু ততদিনে বড় হয়েগেছি তো তাই শাহরুখ খান এর আমার স্বপ্নের নায়ক হয়ে ওঠা উঠলো না।
"তুমি এলে অবেলায় ......ভেসে মেঘেরো ভেলায়"
আমার বাংলা বানান দেখে নিঃশ্চই আমার ইংরেজি বানান সম্পর্কেও আন্দাজ করতে পারেন এবং ইংরেজি তে কম নাম্বার পেয়ে পেয়ে আমি নিজ দায়িত্বে ইংলিশ মুভি বর্জন করেছিলাম তাই হিউ গ্র্যান্ট, কিয়া নুরিভস, টম ক্রুজ, টম হ্যাংকস, ম্যাট ডেমন, জর্জ ক্লুনি এদের সাথে দেখা হোলো বড় অবেলায় তখন আর সিনেমার নায়কদের স্বপ্নের নায়ক ভাবার মন নেই।
"ও কি মায়া কি স্বপনো ছায়া........"
রাহুল দ্রাবিড় কে অসম্ভব ভালো লাগতো, এখনো লাগে। এখন হয়তো অনেকেরি দ্যা ওয়াল কে ভালো লাগে কিন্তু আমার ভালো লাগে সে দ্যা ওয়াল হবার অনেক আগে থেকেই। রাহুল দ্রাবিড়ের খেলা সেই সিরিজেই প্রথম দেখছি। সে এক ওয়ান ডে ম্যাচে ২১ বা ২৮ বলে ৩ রান করে আউট হোলো কিন্তু তার এহেন ফাউল খেলা স্বত্তেও কে জানে কিসের যাদুতে (কিসের আবার চেহারা, পাকিস্থানিরা সঙ্গত কারনে বাদ, আমার ভাই শ্রিলংকার সাপোর্টার ছিলো তাই আমি এন্টি শ্রিলংকা, আর গুলাতো সব বেশি সাদা নাইলে বেশি কালো, শচীনরে আবার আমার সবসময় বাবু বাবু লাগে বাচ্চা মানুষরে তো আর স্বপ্নের নায়ক ভাবা যায় না) জাম নগরের রাজ কুমার আমার হৃদয় রাজ্য অধিকার করিয়া ঐ সিরিজের পর ই যুগ্পৎ এবং উপর্যুপুরি ওয়ানডে ও টেস্ট দল থেকে বাদ পরলো, টেস্টে তার জায়গা নিল গগন খোড়া। ওয়ান ডে থেকে বাদ পরবে স্বাভাবিক তাই বলে টেস্ট দল থেকে বাদ !!! এখন যেমন সবাই আশরাফুল কে খেলানোর জন্য বাংলাদেশ নির্বাচক কমিটির গুষ্টি উদ্ধার করে আমিও ইন্ডিয়ার গুষ্টি উদ্ধার করলাম, ওয়ান ডে ম্যাচে ২১/২৮ বলে ৩ রান করার পরো যদি টেস্ট খেলার যোগ্যতা প্রমান না হয় তাহলে আর কিভাবে হবে। তখন তো আর ইন্টারনেটের যুগ ছিলো না, আর শচীন জাদেযা আজাহার এদের সাথে রাহুল দ্রাবিড় এর পোস্টার ও যে বিক্রী করা উচিৎ সেটা কেউ ভাবেনাই। স্টেডিয়ামের পাতায়ও রাহুল দ্রাবিড়ের জন্য কোন জায়গা বরাদ্দ হোতো না। তবে আমাকে খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয় নাই আমার স্বপ্নের নায়ক তার স্বপ্ন ঠিকই পুরন করেছেন এবং আমার হৃদয় চূর্ন করে এক ডাক্তার মেয়ে বিয়েও করে ফেললেন..........
তো ভাইয়েরা আমার বোনেরা তোমার আপ্নারা আপনাদের স্বপ্নের নায়ক - নায়িকার কথা নির্ভয়ে আমাদের সাথে শেয়ার করুন। ববিতা থেকে অপু বিশ্বাস, সুচিত্রা সেন থেকে ক্যাটরিনা কাইফ, সালমা হায়েক থেকে নাটালি পোর্টম্যান, হিন্গিস অথবা সারাপোভা, বনলতা থেকে নীরা, নীলান্জনা থেকে রূবি রায়; উত্তম কুমার থেকে ব্র্যাড পিট, রাজ্জাক থেকে শাকিব খান,ম্যারাডোনা থেকে মার্ক ওয়াহ,বেনীমাধব থেকে ধ্রুব অথবা নিছক ই বই বা সিনেমার কোন চরিত্র কে কখন হৃদয়ে দোলা দিয়ে গিয়েছে একটু জানান।





মুশকিলের বিষয়। প্রিয় নায়িকা তো বছরে বছরে পাল্টায়। এত নাম মনেও নাই। কৈশোরে যখন দস্যু বনহুর পড়তাম তখন বনহুরের দুই প্রেমিকারেই ভালা পাইতাম। সিনেমায় অবশ্য বনহুরের নায়িকা দেখে হতাশ হইছিলাম। মাসুদ রানার সোহানারে ভালা পাইতাম, কিন্তু সিনেমার সোহানা দেখে আমি পলাইলাম। ভিসিআর চালুর পর পুরো আশির দশক শ্রীদেবী। নব্বইদশকে বদলে গেল মনীষা কৈরালা। কিন্তু নানা পাটেকারের সাথে বিয়ের সংবাদে বুকে এমন ব্যাথা লাগলো, সিনেমা দেখাই বন্ধ করে দিলাম।
সুচিত্রা সেনকে দেখার পর মনে হয়েছিল ১০০% বাঙালী মেয়ের চেয়ে সুন্দরীই হয় না। অড্রে হেপবার্ন তো মাথা খারাপ করে দিয়েছিল, প্রেম করতাম সময় থাকলে। কিন্তু ততদিনে বয়স তার অনেক হয়ে গেছে। টাবুকে যেদিন প্রথম দেখি চমকে গিয়ে ছিলাম, এই তো সে যাকে আমি খুজছিলাম এত বছর ধরে। এতদিন কোথায় ছিলেন......কিন্তু সে ডাক পৌছেনি।
হলিউডে যাইনা তেমন তবু ড্রিউ ব্যারিমোরে কদ্দিন ডুবে ছিলাম। মেলেনা দেখে ইতালীর মনিকা বেলুচ্চিতে কয়েক মাস। তারপর একদিন দেখলাম মেক্সিকোর সেই বিখ্যাত ছবি -মিডাক এলি। একি দেখিলাম আমি!! এতদিন কি দেখিয়াছি!
ইহার মতো আর পাই নাই। সালমা হায়েকের চেয়ে সুন্দরী নায়িকা দুনিয়াতে নাই!!
বই এর চরিত্রগুলা সিনেমায় বেশিরভাগ সময়ি হতাশ করে।
এত বড় লিস্টে টাকা আনা পাই এর ববিতা নাই দেইখা কষ্ট পাইলাম
প্রথমত লেখিকা সালমা হায়েকের নামের বানাম্ভুল কর্ছে।
দ্বিতিয়ত সামলা হায়েকের মেয়ের নাম চেলেন্তিনা ;(
এম আর এন পাসাপাসি তো মিসটেক হয়ে গেসিলো
ছবিটার জন্য ধইন্যা
আপনার নিজের গন্ডিতে প্রচন্ড ভাবে বিচরণ করার এক ভাল গুণ আছে
আপনি তো ফাঁকিবাজি কমেন্ট করলেন, নায়িকাদের কথা বলেন
সিনেমার পোকা মাথায় ঢুকিয়ে দিলেন।বাসায় গিয়া রোমান্টিক সিনেমা দেখতে মন চাচ্ছে।
মাঝে মাঝে রোমান্টিক ছবি দেখা ভালো।
"এ ওয়াক ইন ক্লাউডস " -- দেখছেন কিয়া নু রিভস এর ? আমার খুব ভালো লাগার একটা সিনেমা হৃদয় দ্রবিভূত করা সিনেমা
ববিতার পুরা পাঙ্খা আছিলাম
... ঢাকার এমন কোন সিনেমা হল নাই যেটায় আমার পদধুলি না পর্ছে
... স্বরলিপি যে কতবার দেখছি তার কোন শেষ নাই 
কাজল জুহি দুইজন্রে একলগে ভালা পাইতাম
কিন্তু রানীরে বইন বইন লাগতো
... এ্যাশরে সুন্দর লাগতো কিন্তু সেক্সি না... যেইটা ছিল মনিষা > মাধুরি ... হাল আমলে ক্যাটরিনার উর্পে কেউ নাই
আপাতত সালমা হায়েক্রে লৈয়া আছি
মোহামেডান আবাহনীর যুগে আম্রা মোহামেডান আছিলাম। চারিদিকে ফুটবলের জয় জয়কার। কে কার চাইতে বড় ফ্লাগ লাগাইতো পার্তো... কোন দলের সমর্থকদের ফ্লাগ বেশী ছিল এইটা লৈয়া চরম উত্তোজিত আছিলাম। ঢাকা স্টেডিয়ামে আবাহনীর সমর্থকদের লগে কত্ত ইটাইটি যে কর্ছি তার কোন ইয়াত্তা নাই। মিরপুর ছিল আবাহনী সমর্থকদের এলাকা... ফুটবল যখন মিরপুরে ট্রান্সফার হয় তখন এক খেলায় আবাহনী হারে মোহামেডানের কাছে... তাদের সমর্থকদের এলাকা হওয়াতে আমাগো এরম দৌড়ানি দিছিলো
... দৌড়ানি খাইয়া পিছনের গ্রাম দিয়া গাবতলী উঠছিলাম
কির্কেটে আমি বরাবরই বুলবুলের পাঙ্খা আছিলাম ... আর বাংলাদেশের মোহাম্মদ রফিক
... নান্নু আক্রামও ভালো খেলতো। ধারাভাষ্যে চৌধুরী জাফরউল্লাহ শরাফতের উর্পে কেউ নাই 
আমি আবাহনীর পাঁড় সমর্থক । কিন্তু মিরপুরে খেলার পর গেঞ্জাম লাগল আর এক বজ্জাত আমার পায়ে চাক্কু চালায় দিল। ঢাকা মেডিকেলে গিয়া সিলাই দিতে হইছিল
বাংলাদেশের ক্রিকেট প্লেয়ার গুলা স্মার্ট না । শুধু দুর্জয় আর পাইলট ব্যাতিক্রম। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নামে এক ব্যাটসম্যান ছিলো তারে আমার খুব পছন্দ ছিলো। তখন বাংলাদেশ টিমে একমাত তারেই মারকুটে স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান মনে হইতো।
জাফরউল্লাহ শরাফতের উর্পে আর কেউ নাই। এই রকম অলরাউন্ডার (ফুটবল, ক্রীকেট, সিনেমা.......) ধারাভাষ্যকার আর কোন দেশের কি আছে ?
আমার এক সহকর্মী ছিল আবাহনীর সমর্থক... সে তার বন্ধুদের নিয়ে খেলা দেখার জন্য ৫টা টিকেট কেটে মিরপুর স্টেডিয়ামের সামনে অপেক্ষা করতে ছিল। হঠাৎ করে তার পেটে চাক্কু মেরে তার টিকেটগুলা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। সেই অবস্থায় সে পেট ধরে বেবি টেক্সিতে (তখন বেবি টেক্সি ছিল) চেপে সোজা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আসে। ডাক্তার তাকে দেখে আশ্চর্য্ হয়ে বলে "আপনার অবস্থা তো সিরিয়াস" এইটা শুইনা তার সেন্সলেস হয়ে যায়। সেই জ্ঞান ফিরে ৩ দিন পর
এখন তো মনে হয় লীগের খেলাগুলিতে মাঠ অর্ধেক ও ভরে না। আপনার বন্ধুর অবস্থা তো আসলেই সিরিয়াস; নাকি নিজের কাহিনী বন্ধুর ঘারে চাপায় দিতেসেন
হাহাহাহাহা
আরে নাহ...
অফিসে আইসেন... পরিচয় করাইয়া দিয়াম্নে
প্রথম প্রেমে পড়ছিলাম শ্রিদেবীর। তখন ভিসিআর মাত্র আসছে বাংলাদেশে। ছিদ্দিক বাজারে টকিট কাইটা ফিলিম দেখা যায়। গেলাম বন্ধু বান্ধব সমেত। ছবির নাম মনে করতে পারতেছিনা। শ্রিদেবী জিতেন্দ নায়ক নায়িকা। আহ কি সব গান! ধুমতারা ধুমতারা ধুমতারা তেরা নজরা বড়া পেয়ারা। আঢ়বা, এক আঁখ মারো তো রাফতা রাফ যায় দুজে আঁখ মারু তো জামানা ছুট যায়। লগে শ্রিদেবীর লকলকে শরীলের ড্যান্স। পুরা পাংখা।
শ্রিদেবী আর অনিল কাপুরের লামহে দেইখা মুগ্ধ হইছিলাম। আপনার এই গান আমি মনে হয় আগে শুনি নাই। শ্রিষেবীর গান বলতে আমি একটা গান ই বুঝি "ম্যা তেরে দুশমন - দুশমন তু মেরা; ম্যা নাগীন - তু সাপেরা"
শ্রীদেবী জিতেন্দ্র'র হিট ছবি ছিলো অনেক। মাষ্টারজি, জাস্টিস চৌবে না চৌধুরি কি একটা। তবে আপ্নে যে গানগুলার কথা দিলেন ওগুলি "তোফা" সিনেমার মনে হয়। শ্রীদেবীর চেহারা-ফিগার সবই ইউনিক। আর কারো সাথে মিলে না।
মাষ্টারজীতে ছিল শ্রীদেবী আর রাজেশ খান্না। কুট্টি আমলে আমার প্রিয় নায়ক ছিল জিতেন্দ্র। টিফিনে কৎবেল না খাইয়া শালার ভিউকার্ড কিনতাম তখন।
এই জুটির ফ্লিম আমি কতোবার দেখে মুখস্থ করেছি ঠিক নাই। এমনকি গ্রাম থেকে আমাদের বাসায় যখন কেউ বেড়াতে আসত ভিসিআরটা দেখতে চাইত, আমরা আবার বুদ্ধি দিয়ে দিয়ে ঐ সিনেমাগুলো আনাতাম।
মাওয়ালি, জাষ্টিস চৌধুরী, তোফা, সংযোগ আরো জানি কি কি ঃ)
রাইট! মাওয়ালী নামটা মনেই আসতেছিলোনা তাই মাষ্টারজি মনে করছি। সদমা-তে শ্রীদেবী অতো সুন্দর ছিলো না তবে অভিনয় ভালো করেছিলো। ওই ছবিতে কমল হাসান তো সুপার্ব।
আমি শ্রিদেবী - জিতেন্দ্র জুটির কোন ছবিই দেখিনাই
ধুর ভুল ইমো দিসে
এইটা হবে
*ফেলুদারে পছন্দ করিনাই খালি নামের জন্য ...
*রিচার্ড গিয়ার, রবার্ট রেডফোর্ড... বুড়াগুলিরেই ভালা পাই
*মর্ডান টকিংএর দুই গায়কই ভালো ছিলো
*আগাসি'রে তার লম্বা চুলের জমানায় ভালো লাগতো
*প্রথম কৈশোরে নেইল ডায়মন্ডের ইউ আর দ্য সান আয়াম দ্য মুন ইউ আর দ্য ওয়ার্ডস আয়াম দ্য টিউন শুইনা মাথাতেই আনিনাই যে উনি বৃদ্ধ
*এখন রেডিওতে লাভ সং ডেডিকেশনের অজি আরজে রিচার্ড মার্সা'র কণ্ঠ শুনলে রাস্তাঘাট ভুলে যাই (গাড়ীতে শোনা হয় বেশী)
ইয়ে মানে কেন যেন স্টারদের মধ্যে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের প্রতি আমার ভক্তি-প্রীতি বেশী
ইয়ে মানে কেন যেন স্টারদের মধ্যে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের প্রতি আমার ভক্তি-প্রীতি বেশী
---------------------------------------------------------------------------------
ইয়ে মানে লেসফিতা টাইপের গন্ধ পাইতেছি
অচিনদা এগুলা কি কয়; রোবোট নানা তো সরমে এই পোস্টে মন্তব্য করবো না
এই পোস্ট থিকা অচিন্দার ভ্যান চাই। টুটুলদা বুলবুল-রফিকের কথা কইলে দোষ হয় না, আমি শাবানা আজমী, অপর্ণা সেন আর জুলিয়া রবার্টসের কথা কইলে দোষ!
ও আচ্ছা, এখনকার উইজডম ডাইএর জর্জ ক্লুনি জোশ ঠিকই কিন্তু আর্লি নাইন্টিজ বা লেইট এইটিজে তারে দেইখা বিরক্ত হইছিলাম, একদম হিন্দি সিনেমার পুরানাম্লী নায়কদের মতো মেয়েলি সাজ ছিলো
গোফ ফাকায়াইয়াও অচিন্দার শেষ রক্ষা হইলো না ; থাক আপু এবারের মতন মাপ কইরা দেন।
আর্লি নাইন্টিজ বা লেইট এইটিজের গুলা দেখনাই। তার মোটামোটি ছোটবেলার একটা ছবিই দেখছিলাম "ওয়ান ফাইন ডে"। ভালোই তো লাগসে তারে
সেক্সপিয়ার বলেগেছেন নামে কি আসে যায়, গোলাপ কে গোবর ডাকিলেও তা সৌরভ ছড়ায়া যাবে।
আপু কি রিচার্ড গিয়ারের ব্রেথলেস দেখছেন? তার চ্যাংরাকালের সিনেমা। গিয়ার রে রান এওয়ে ব্রাইড, প্রেটি ওমেন এ খুব ভালো লাগছে তবে আমার জর্জ ক্লুনিরে খুব পছন্দ, উত্তম কুমারের পর এর মধ্যেই নায়কের পার্ফেক্ট প্যাকেজ খুঁজে পাইছিলাম।
আপু দুই একটা মেয়ের নাম বলে যান
না ব্রেথলেস দেখা হয় নাই। কেমন লাগছে তারে দেখতে? (টমক্রুজের চ্যাংড়াকালের ছবি রিস্কি বিজনেস দেখছিলাম
)
আমার বুইড়া গিয়াররেই ভালো লাগে।
Nights in Roadanthe, ডক্টর টি অ্যান্ড উইমেন-- এইরকম ছবিগুলিতে বয়সের চেয়েও বয়স্ক চরিত্রে ছিলো, তারপরও ভালো লাগছে।
ইট্টু দেইখেন ইউটিউবে সার্চ দিয়া জাস্ট তার আউটলুক ; আপু নায়িকাদের নাম তো বললেন না ; হলিউডের নায়ক রা বয়ষ বারার সাথে সাথে আর বেশি গর্জিয়াস হয়।
রিস্কি বিজনেস দেখা হয় নাই তবে ঐ বিখ্যাত গান টা দেখসি ; টিভিতে দেখায় মাঝে মাঝেই; তবে টমক্রুজের চ্যাংরা কালের রেইনম্যান ছবিটায় তারে ভালো লাগসে
রিস্কি বিজনেস একদম টিনএইজের, রেইনম্যান তো অনেক পরের...
জানতাম না আপু; আমার ধারনা ছিলো ঐ দুইটা সমসাময়িক সিনেমা
গিয়াররে আমি বড়োই ভালা পাই ঃ) সেই প্রিটি উওম্যান থেকে শুরু কইরা, ইনডিসেন্ট প্রোপোজাল কিংবা আনফেইথফুল সবগুলাতেই কেমন মানায়া যায়।
ডেমি মুর আর জুলিয়া এখনো আমার প্রিয়।
আপার মনে হয় স্মৃতি বিট্রে করসে ইনডিসেন্ট প্রোপোজালে গিয়ার ছিলো না।আমার জর্জক্লুনিরে খুব ভালো লাগে; উত্তম কুমারের পর এরেই পার্ফেক্ট মনে হয়।
ডেমি মুর , জুলিয়া, সালমা হায়েক, মেগ রায়ান, নাতলি পোর্টম্যান, মনিকা বেলুচ্চি এরা সবাই আমারো প্রিয়, আরো অনেক আছে এখন নাম মনে পরতেসে না।
আমি আবার পর্দার বাইরের বালিকাদের প্রেমে বেশি পড়তাম
তবে যতো তাড়াতাড়ি পড়তাম, তার চাইতেও তাড়াতাড়ি ভুইলা যাইতাম। 

হার্কিউলিস না কি যেন একটার কোন এক পর্বে এলিসিয়া সিলভারস্টোনরে দেইখা প্রেমে পড়ছিলাম। সদ্য কৈশোর তখন, বিটিভিতে অতিকর্তনের পরেও হাল্কা ন্যুডিটির আভাস পাইয়া আরো বেশি বেশি প্রেমে পড়ছিলাম। প্রেমে পড়ছিলাম ব্লু ল্যাগুনের ব্রুক শিল্ডসেরও। আর মনে পড়তাছে না আপাতত...
পর্দায় এখনো যাদের খুঁজি তারা হইলো শারাপোভা, কেট হাডসন, ক্যাথরিন জেটা জোন্স, কেট হোমস, এভরিল ল্যাভিন, অ্যানি হ্যাথাওয়ে......নামের লিস্টি লম্বা হইতেই থাকবে!
বইয়ের কোন চরিত্রের প্রেমে কখনোই পড়ি নাই। তবে মেমসাহেবকে দেখার বড় খায়েশ ছিল
কমেন্টটা লিখতে গিয়ে বুঝলাম...অনভ্যাসে বিদ্যা হ্রাসের মতো অদর্শনে প্রেমহ্রাস হইয়াছে ব্যাপকভাবে
অনভ্যাসে বিদ্যাহ্রাসের মতন অদর্শনে প্রেম হ্রাসের পরো সবচেয়ে বেশি প্রেমিকার নাম নিয়ে আপনিই এখনো প্রথম স্থানে আছেন
ফর্মে থাক্লে তো পোস্টের চাইতে কমেন্ট বড় হইয়া যাইতো
আমিও যদি ফর্মে থাকতাম এই পোস্টো আরো বড় হইতো
সারাজীবন বইয়ে মুখ গুঁজে ছিলাম, তাই বইপত্রের নায়করাই আমার কল্পনার জগতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। ভাল লাগত ফেলু'দাকে। মাসুদ রানা পড়ার জন্য চলে, প্রেমিক হিসাবে এক্কেবারে অচল।যে প্রেমিক প্রত্যেক বইয়ে একেকটি নতুন মেয়ের সঙ্গে...তাকে পাগল ছাড়া কেউ প্রেমিক হিসাবে মেনে নেবে না।..সেই সময় পড়ে গঙ্গানারায়ণের জন্য খুব কষ্ট লাগত। গোরার উপর রবীন্দ্রনাথের অবিচার দেখে রাগ লেগেছিল। হিংসা লাগত দ্রৌপদীকে, ৫জন মানুষকে এক সঙ্গে পেয়েছে বলে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এইসব প্রেম যে কই গেল!
আমার নিজের অবশ্য ধারনা গোরার ওপর এর চেয়ে বেশি সুবিচার করা রবীন্দ্রনাথের পক্ষে সম্ভব ছিলো না।
কিশোর মুসা রবিন আছিলো চাইল্ডহুড হিরো |
বিটিভিতে একটা সিরিয়াল দেখিত গার্ল ফরোম টুমরো সেটার নায়িকা এলানা রে বহুত ভালা পাইতাম|
নাটক গুরুপের ভিত্রে শমী ওয়ান এন্ড অনলি | পরে ভালা পাইতাম রাত্রি কৈয়া একটা নায়িকা আসিল হেরে| মিমিরে ভালাপাইতাম | নুরান্গ্কেল একটায়মে আইডল আছিলো | আপ্জাল, লাবলুরেও ভালা পাইতাম| আহমদ রুবেল, মোশারফ করিম এগোরে ভালাপাই |
বাংলা ছিনামার নায়কের ভিত্রে সোহেল নানা রে বেফক ভালা পাইতাম| নায়িকা ইস্লিম ববিতা | টাকা আনা পাই সিনামায় দেকছিলাম | পরে ভালা ফাইতাম সলেমান শা রে | সিমলা নামের এক নায়িকা আছিলো হেরেও ভালা পায়তাম (কেন সেদি জানি না)
হিন্দী সিলামায় শ্রীদেবী, কাজল, কৈরালা, বেন্দ্রে, হালের কাইফরে ভালা পাই|
ইনজিরি সিলামার অনেকরে ভালা পাই | জোলি, হেপবার্ন আন্টি, দৃউ, সান্দ্র বুলক, টিয়া লীয়নি এবং আরো অনেকে
ভুল হইছে ভাঙা না সবচেয়ে বেশি নায়িকা নিয়ে আপনি ফার্সট
ছুড বেলায় যারে দেখতাম তারেই শ্রীদেবি মনে হইত। ওএ নাগিনা দেখার পর তো তার চোখ দেখলেই ভাবতাম এই বুঝি সাপ হয়ে গেল।
এর পর মাধুরীর হাসি আহ............
ম্যা তেরি দুশমন দুশমন তু মেরা ম্যা নাগীন তু সাপেরা
১. ববিতা: আহা...........উহু............উমমমমম। স্লিম ববিতা সেই যে বুজে চাক্কু বসাইছে এখনো রইয়া গেছে।
২. ববিতা: উপরের অংশ আবার পড়িতে হইবে।
৩. ববিতা: উপরের অংশ আবার পড়েন।
.
.
.১০. ডিম্পল কাপাডিয়া: সাগর সিনেমার সেই গান............যা নে দো না..ছুয়ো ছুয়ো না...........উমমমমমমমমম
১১. মাধুরী দিক্ষিত: আমার বন্ধু তার বউয়ের মুখে মাধুরীর পোস্টার লাগাইতে চাইছিল। আমি না কিন্তু
১২. স্কারলেট জোহানসন: তারেই সবচাইতে সেক্সি মনে হয়
১৩. অ্যানজেলিনা জলি: স্কারলেটের সঙ্গে প্রতিযোগিতা হইতে পারে
১৪. নওশিন: আজকাল ভাল লাগতাছে। আর জে ছিল, এখন সব।
১৫. থুক্কু এইটাই এক নম্বর হইবো। আর তিনি হইলেন আমার বউ..........
খিক খিক খিক ১৫ নম্বর লিখার সময় কি ভাবি পেছনে আইসা দাঁড়ায়ছিলো
ছেলেরা কেউ আনা কুর্নিকোভার প্রেমে পড়ে নাই ; আজিব আচানক
sharapova.......

ting........
টোং
সবার আগে অড্রে হেপবার্ন, তারপরে জুলিয়া রবার্টস, আর এখন জয়া আহসান
এখন জয়ারে ভালো লাগে না কেমন মোটায় যাইতেসে দিন দিন
কন কী!! মোটায় যাইতেছে নাকি
... অনেকদিন দেখি না 
তাই তো শুনছি; আমিও অনেকদিন দেখিনা;
হেই ছুডুবেলার কথা কি মনে আছে? পরথম ভাল্লাগছে ইসকুলের এক উপর কেলাসে আফারে... হের পরে.... ওহ হো এইখানে তো পর্দার ভাল্লাগা কইতে কইছে... যাক....
চাইল্ডহুড হিরো কইতে ম্যাকগাইভার। হারকিউলিসের পুষ্টার লাগাইছিলাম কয়দিন। হিরুইন কইতে গেলে মাসুদ রানার সোহানা (এই বইগুলান আবার চুরি কইরা অনেক ছুডু বেলাতেই পইড়া ফেলছি)। গার্ল ফ্রম টুমোরোর এলানা। হের পরে দেশে মিমি, শমি আর অনেক পরে নওশিনের জেগে আছো কি (এইটা আগে আমি নিয়মিত দেখতাম, বউয়ে সন্দু নিয়া তাকায়া থাকতো)। বিদেশে কাজল। পূরানা দিনের ফিলিমের চিকনা ববিতার সুইটনেস। শ্রীদেবীর দিলমে চাক্কু লুক... প্রথমদিকের মণিষা কৈরালা... রেহনা হ্যায় তেরে দিলমে ফিলমে নায়িকারে সৌন্দর্য লাগছিলো এলা নামডা ভুইলা গেছি। হালের ক্যাটরিনা... আরো দূরে দেশের ড্রিউ ব্যারিমুর, এলিশিয়া সিলভারস্টোন, আর সবার থিকা জোস সালমা হায়েক সালমা হায়েক এবং সালমা হায়েক....
গানের গুরু জেমস। দুইন্যাতে এর আগেও অনেক আইছে পরেও আইছে, তয় জেমসের ফ্লেভারটা আমার হার্টে সবথিকা আলাদা।
কিরকেটে বুলবুল, আতাহার, বিদ্যুৎ, পাইলট, ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, স্টিভ ওয়াহ, রাহুল দ্রাবিড়ের ইংল্যান্ডের ম্যাচ, লারা এবং আরও অনেকে অনেকে অনেকে...
মিমি-শমি-বিপাশার যুগের পোলাপান আসলে ভাগ্যবান এরপরের জেনারেশনের নায়িকাদের মধ্যে
ঐরকম আকর্ষনীয় আমার কাউরে মনে হয় নাই। আমার নিজের শমিরে খুব ভালো লাগতো।
নওশিন এর নাম শুনি কিন্তু দেখা হয়নাই তার উত্থান আমার দেশ ছাড়ার পর।
নায়কদের মধ্যে আসাদুজ্জামান নূর, খালেদ খান, তারিক আনাম, হুমায়ূন ফরিদি, আফজাল এদের
সময়টাই শ্রেষ্ঠ ছিলো যদিও আফজালরে আমার এখনি ভালো লাগে ঐসময় সে ইট্টু চ্যাংরা টাইপ ছিলো।
তৌকির-জাহিদ-হাকিম এরা নিঃস্বন্দেহে ভালো অভিনেতা কিন্তু এপিয়ারেন্সে কিছু একটা কমতি ছিলো, সেই হিসেবে ইদানিং এর অপূর্ব রে বেশ ভালো লাগে । । ।
রেহেনা হ্যয় তেরে দিম ম্যা এর নায়িকার নাম দিয়া মির্জা - মিস এশিয়া স্পেসিফিক।
হুমম জেমস জোশিলা আছে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে আমার সবচেয়ে পছন্দের বিদ্যুৎ আফসোস ক্রিকেট বোর্ডের সাথে সমস্যা কইরা খেলা ছাইড়া দিলো
আপনি ইচ্ছা কর্লে বাস্তবের নায়িকাদের কথাও বলতে পারেন
কাক্না তোমার এই রিপ্লাইয়ের শেষ লাইনটাতে আপত্তি করলাম। বাস্তবের নায়িকাদের কথা এইখানে ক্যান, আরেকটা পোস্ট দিতে কি তোমার কষ্ট হয়?
আরেকটা পোস্ট দিলে তো আমারো বাস্তবের নায়কদের কথা বলা লাগবে
হ তোমার রুপক্রা না প্রেমিক্রা কী একটা লিখছিলা তো একবার, ঐটার বিমূর্ততা বিদায় কইরা সরাসরি কইবা
বিমূর্ততা বিদায় না করলে হয় না, বিমূর্ততা বজায় রাইখাই কইলাম
আ্পসুস আপ্নে মুনয় এন্টিনিও ভেন্ডারেসেরে দেখেন্নাই
কতজন এলো গেল মাধুরী সে রয়েই গেলো।
তারপর মনিশা কৈরেলা আর দিবা ভারতির কথা কেম্নে কুই
লেখা উমদা হৈছে, এমন রসাত্মক লেখা না লাইকাইলে পাপ হবেক
এন্টিনিও ভেন্ডেরাসরে দেখসি তবে ফার্স্ট দেখসি ঝরুর ছবিটায় তাই বোধয় তার আবেদন কমে গেসিলো কেমন কার্টু কার্টুন লাগতেসিলো।
আমার আরেক প্রিয় নায়িকা মেগরায়ান এর কথা কেউ বললো না
লেখা ভালো লেগেছে।
লেখা ভালো লেগেছে
; ফাকিবাজি না কইরা তোমার স্বপ্নের নায়ক/নায়িকার কথা বলে যাও
সত্যি কথা বলতে কী, আমি চলচিত্র কম দেখি। দেখলে কাহিনি মনে থাকে না, কিংবা মনে থাকলে সংমিশ্রণ করে ফেলি! সেখানে নায়ক/নায়িকার নাম মনে রাখা শাঁখের করাত। তাছাড়া, স্বপ্ন দেখে কাম নেই; বরং বাস্তবটাকে স্বপ্নের মতো করে তুলতে আগ্রহী।
আতেল আশরাফ চলচ্চিত্র নাহয় কম দেখেন তা খেলাটেলাও কি দেখেন না? বই টই ও পড়েন না?
খেলা দেশে থাকতে দেখতাম। পাঁচ বছর আগের কথা। বই-টই-ও। সময় কই?
ড় তাইলে আর কি নিজের সৃষ্টি চরিত্রের কথাই কও- সবিতা,.....
আমার প্রিয় নায়িকা ড্রিউ ব্যারিমোর। ওরে দেখলেই আমার বুকের বামপাশে চিনচিনে ব্যথা হয়।
ঝাইরা কাশেন তো মুকুল দা সতী-সাবিত্রির মতন একটা নাম কইয়া ভাগলে কেমনে হবে কমপক্ষে ডজন তো পুরা হওয়ার কথা;
সতী-সাবিত্রী টার্মটার কোন মাসকুলিন জেন্ডার ভার্সন হয় না মনে হয়।
পুরুষ জাতির মধ্যে এইসব সৎ গুণাবলী অনুপস্থিত
তীব্র ধিক্কার জানাই।
@ নুবু
সব পুরুষালি সমাজের কাজ কারবার; ধর্ম থেকে শুরু করে ভাষা কিছুই নিস্তার পায় নি। তবে 'সুপতি' ডাক্তারেন।
সুপতি সুস্ত্রির পুরুষ বাচক শব্দ ঐটা দিয়া সতী-সাবিত্রী পুরুষ বুঝানো যানেনা
যাহা লাউ তাহা কদু। 'সতীপতি' ডাকা যায়, ব্যবহার আছে।
খাড়াও কমেন্ট করার আগে আমার ডাটাবেইস আপডেট কইরা লই
..
বাফড়ার ডাটাবেস আপডেট কি আর শেষ হবে ঐটাতো নিরবিচ্ছিন্ন চলমান প্রক্রিয়া
কথা কারাপ বল নাই... এইটাতো চলমান পক্রিয়া
... আপাতত কারেন্ট ডাটাবেসের স্ট্যাটাসের প্রেক্ষিত থিকা কমেন্টাই... কমেন্ট আসছে... উইদিন ১০ মিনিটস
শুরু করলাম মাধুরী দিক্ষীতের নামে... উফফফফফ... সেই পরিন্দা মুভিটায় মাধুরীর মাঝে যেই ''কুল বিউটি'' দেখছিলাম সেইটা আর কোথাও পাই নাই... ঐরকম নুবাইল চার্ম কি আর কারো আছে... ই ই ই... আর কি হাসি... আমার এক্স জিএফ দেখতে খানিকটা ঐসময়ের মাধুরীর মত ছিল... বুইঝা লও কিরকম এফেক্টেড হইছিলাম মাধুরীরে দেইখা... আমাদের জেনারেশন টা বড় হইল মাধুরী রে দেইখা... এর পরে কত আইলো গেল
ক্যাথারিন জেটা জোন্স রেও বেশ ভাল্লাগতো... একটা পলিশ্ট ভাব ছিল... সফিস্টিকেটেড... স্যলমা হায়েক... ই ই ই ই... ইন্টারে থাকতেই ঠিক করছিলাম নেটের কানেকশান পাইলে স্যালমা হায়েকরে নিয়া স্টাডি করুম একটা... শার্লিঝ থেরন রে জোস লাগছিল রবার্ট ডিনীরোর সাথে একটা ছবিতে ছোট একটা রোলে... বেশ কিছুদিন ম্যান্দা মাইরা বইসা থাকতাম তার কথা মনে পড়লে...
ডেমী মুররেও খানিক ভাল্লাগছিলো... অ্যন্জেলিনা জোলীর নিউম্যাটিক লিপস টা জোস মনে হইত... অ্যন্জেলিনার মাঝে ছিল একটা ইলেকট্রিফাইং বিউটি... পুরা ক্যাথারিন জেটা জোন্সের উল্টা..।
বছর খানেক আগে গায়িকা কেটি মেলুয়া রে দেইখা বেশ তব্দা খাইছিলাম... দেখতে খানিকটা ব্রাঝিলিয়ান মডেল ইসাবেলি ফন্টানা'র মতো... ইসাবেলির কথা মনে পড়ল অ্যানা বিয়াট্রিচ বারোশের কথা... অ্যলিসিয়া সিলভারস্টোন ও খারাপ না... ভালোই লাগছিল...
শ্যারন স্টোনের কথা কি কমু... চমকায়া দিছিল খানিকের জন্য... এত কথা কইতাছি ক্যা?!!!
সবচে অবাক করছিলেন আমার গুরু সৈয়দ মুজতবা আলী... উনার শবনম পইড়া খুবই সাধ জাগছিল শবনমের সাথে দেখা করার প্রেমে পড়া যারে বলে... আর ভাল্লাগছিল তার মণি নামের ছোট গল্পের মণি রে... আর কোন আনরিকুইটেড লাভের গল্প পইড়া এত কষ্ট লাগে নাই... তকহন বেশ ছোট ছিলাম কি না... মণির ভালোবাসার এই অকারণ অপচয় খুবই কষ্ট দিছিল... এই দুইজনের সাথে দেখা করার কহুবই শখ ছিল!!! আর কিছুই না, শুধু ঐটা দেকহার জন্য যে প্ৃথিবীতে এইরকম মেয়ে আসলেই এগজিস্ট করে কিনা... খুদাই জানে...
মনি ছোট গল্প টা পড়তে মন চাইতেছে; পড়া হয় নাই; বাফড়ার তুলনায় কম ই হইছে; প্রেম সমুদ্রের কিছু মুক্তা-মানিক আসছে মনে হয় নুড়ি পাথর আসা শুরু করলে
এক নম্বরে অবশ্যই ববিতা। ববিতা ছাড়া বাংলা সিনেমার আর কুনু নায়িকারে তেমন একটা যুতের মনে হইত না। নাটকের কথা কইলে বিপাশা, শমী, মিমি তিনজনরেই কম বেশি ভালো লাগতো। তয় অভিনয় আর নাটকের চয়েসের কারনে বিপাশা একটু আগাইয়া থাকবে। এখনো ওগোরে দেখলে টিভির সামনে থেকে নড়ি না। হিন্দীতে গেলে মাধুরীরে সবসময় ভালো লাগে। ওর মতন এক্সপ্রেশন আর কার মধ্যে পাই নাই। হাম দিল দে চুকে সানামে ঐশ্বরিয়ারে দেইখা খুব ভালো লাগছিল। আর হালের ক্যাটরিনারেও ভালো লাগে। আংরেজীতে গেলে ক্যাথরিন জেটা জোন্স, সালমা হায়েক। খেলা ধুলায় আসলে শারাপোভা। অলিম্পিকের সাতারু স্টেফিনা রাইসরে দেইখা পুরা মন্ত্রমুগ্ধ হইয়া গেছিলাম।
বাংলা সিনেমায় আরেকজন খুব লাস্যময়ি নায়িকা ছিলেন-- অলিভিয়া; স্টেফানি রাইস রে আমারো ভালো লাগে; আপনি কি মনিকা বেলুচ্চির মেলিনো সিনেমা টা দেখসেন? না দেখা থাকলে দেইখেন আর ডেমি মুরের ইনডিসেন্ট প্রোপোজাল/ঘোস্ট
মেলিনো যেকোনটা দেখলে হবি না তো!! আনকাট ভার্সন দেখতে হইবেক!!!

মনিকা বেলুচির বেশ কয়েকটা মুভি দেখছি। ডেমি মুরের ও একি। ভালোই লাগে ওদেরকে। তবে জেটা জোন্সকে এখনো সেইরকম লাগে। এই আর কি।
মুক্ত পুলাপানডি কয় কি? মাইর লাগানো উচিত। 
আমি আনকাট ভার্সন ই দেখসি কিন্তু আমার কাছে তার বিষন্ন সৌন্দর্য্যর কথাই মনে পড়তেছে; অবশ্য আমি তো নর ও না লেসফিতা ও না সেই কারনে অন্যসব উহ্য থাকতে পারে
আমরার সময়টায় একটাই নায়িকার কথা মাথায় আসে সারাদিন।
স্মার্ট আলাদিন'এর সাথের নায়িকা "মিভ"। যেইটারে পরে বদলাইয়া আরেকটারে আনছিল।
গার্ল ফ্রম টুমোরোর নায়িকা "এলেনা"।
ক্রিকেটে বাউচার, রোডস।
বাংলা নাটকে ইদানীং প্রভা, শায়িকা, নাজিয়া। পুরানদের মাঝে মিমি, শমী। আর মাঝখানে জয়া।
নায়ক কইতে একজনরেই মানি, সালমান শাহ।
হিন্দীতে নায়িকা আগে প্রীতি, বর্তমানে ক্যাটরিনা।
শায়িকা নাজিয়া কাউরেই চিনি না; বাংলা নাটকের সব সময়ি চোখে পরার মতন মনে ধরার মতন কিছু নায়িকা ছিলো বাট নূর-খালেদ খান দের পরে আর সেরকম জুইতের কেউ আসে নাই; ইদানিং অপূর্বরে বেশ ভালোই লাগে
প্রথম প্রেম "লাবণ্য-শেষের কবিতা", এখনও সেই প্রেমে বুঁদ হয়ে আছি।

তারপরে সমরেশের দীপাবলী, মাধবীলতা।
হলিউডে অড্রি হাপবার্ণ, হেলি বেরি।
দেশে ছোটকালে সুবর্ণা মুস্তফারে ভাল পাইতাম, সেটা অবশ্য প্রেম না, প্লেটনিক টাইপ ছিল। এখনও তারে ভাল লাগে।
স্বপ্নের সব নায়ক নায়িকার প্রতি প্রেমই প্লেটুনিক হয় বইলা জানতাম
নারুর লিস্টে লাবণ্যের নাম দেইকহা বুঝলাম পুলার চয়েস আছে...
... নারু লাবণ্য ভাবীরে রিয়েল লাইফে খুইজা পাইলে নারুর বাসায় যাইচা দাওয়াত নিমু ভাবীরে দেকহার লিগা
.। মজাই হইব... দুইটায় মিল্ল্যা পাকনামি আলাপ করব... আর মেহমান রা বেকুব হয়া হা কইরা তাকায়া থাকব
...
অনেককিছু বলার আছিল, কিন্তু লিখতে ইচ্ছা করতেসে না, আপনের দূর্ভাগ্য ...
মন্তব্য করুন