আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি
সিঁথি খুব আয়েশ করে শেষ রাত্রির শেষ কাপ চা টা উপভোগ করছে তরিয়ে তরিয়ে।
সে সব কাজ গুছিয়ে এনেছে। হালকা বেগুনি রঙ এর সাথে মিল করে কাচের চুড়ি, খোপার জন্য বেগনি গ্ল্যাডিওলাস, বেগুনি পানা ফুল হলে বেশি ভালো হতো কিন্তু ওটা বেশিক্ষন সজীব থাকে না। বেগুনি পাথর বসানো রুপোর নুপুর। শুধু বেগুনি টিপ টা মনমত হচ্ছে না। হালকা বেগুনি টিপ ওর দুধে আলতা কপালে মিশে যাচ্চে আর গাড় টা বেগুনি না হয়ে নেভিব্লু হয়ে যাচ্ছে।
এক বাক্স গোলাপের পাপড়ি আছে বাথ টাবের পানিতে ছড়ানোর জন্য; আছে সুগন্ধি মোম; ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত রোমান্টিক, মোমের আঁধো আলো ছায়া যা অন্ধকার পুরোপুরি দূর করেনা সব কিছুই অস্পষ্ট কিছুটা মানুষের মতনই কেউ কারো কাছে কিংবা নিজের কাছেই পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয় না। লো ভলিউমের ভয়েস অফ এনিগমা......... আর একরাশ গোলাপ পাপড়িতে ডুবন্ত এক নারী............ কিন্তু শাড়ি-চুড়ি পরে বাথটাবে নামার কোন মানে নেই তাকে প্ল্যান বি তেই ফিরে যেতে হবে অনেক দিনে জমানো ২০০ টা ঘুমের বড়ি, ধবধবে সাদা বিছানায় বেগুনী সিঁথি;
তার আগে একটা চিঠি লিখতে হবে। কাকে লিখবে সে সুমন কে, ধুর এরকম সাধারন নামের কাউকে সে চিঠি লিখবে না; যে কোন ক্লাসে হালি খানেক সুমন পাওয়া যায়। মা কে ? নাহ ...... বরং নিজেকেই একটা চিঠি লিখে যাওয়া যায়; আরেক কাপ চা নিয়ে আরেকটু আয়েশ করেই চিঠি লিখা উচিৎ। শেষ কাপের পরের কাপ চা নিয়ে আত্মমগ্ন কথামালা লিখতে লিখতেই জানালার ওপাশের অন্ধকার ফিকে হয়ে আসে একফালি জোছনার জায়গা নেয় একমুঠো নরম রোদ, ভোরের বাতাসে ভেসে আসা শিউলির ঘ্রান ম্লান করে দেয় সুগন্ধি মোমের সুবাস। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে চলে আসে সিঁথির শেষ রাত্রির পরের দিন।
আজ বড় ক্লান্ত লাগছে, থাক, সব তো তৈরী ই আছে, অন্য কোন সময় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাবে। মৃত্যু তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না। আরো কিছু আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি উপভোগ করা যাক





হুমমমম। হুমায়ূন পইড়া মাথা নষ্ট হইছে সিঁথি আন্টির।
বর্ণনা জোস হইছে কাক্না।
কিরাম আছো?
এই তো আপু আছি, আপনি এভাটারের রিভিউ দিলেন না এখনো; অপেক্ষায় আছি একটা উমদা রিভিউ পড়ার।
আপু এসবিএস এ একটা সিনেমা/সিরিয়াল সামথিং এর অল্প একটু দেখলাম ঐখানে এক মেয়ের আত্মহত্যার পর তার প্রেমিক দুঃখ করতেছিলো এই মেয়ের (তার প্রেমিকার) সৌন্দর্য্য বোধ সব সময়ি কম আত্মহত্যাটাও সুন্দর মতন করে নাই....... ঐটা দেইখাই লিখতে ইচ্ছে হল কিন্তু সবাই হু আ রে খুইজা পাইতেসে; লাইফের জীবনে বেশি বেশি হু আ পড়ার ফল
;
আমার খুব ভালো লাগতেসে
কারন হু আ এর মতন সুন্দর করে
খুব কম লেখক ই বর্ননা করতে পারেন
কাহিনী;যাই হোক
আদৌ কোন কাহিনী থাক বা না থাক
হুআর বই খুব বেশী পড়িনাই, বেশী হইলে দশটা...
একটা বই- ধুর ছাতা নাম তো মনে নাই- মেয়েটা ধনীকন্যা, খেয়ালী টাইপ, বান্ধবীকে নিয়ে রাতের বেলা ছাদে শুয়ে তারা দেখে... এই টাইপের ছিলো না একটা (নাকি কয়েকটা)? ঐটার কথা মনে পড়লো অনেক বছর পর, তোমার সিঁথির খেয়ালীপনা দেইখা...
এভাটার মোটেই এনজয় করি নাই, ভাগ্যিস যে নিয়া গেছিলো সে টিকেট কাটছিলো... মুভি শেষে একটা ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে ভেজ আইটেম সাঁটায়া আসছি সেইটাই বেশী ভালো লাগছে
বান্ধবীরে নিয়া রাত্রে সিগ্রেটও মনে হয় টানছিল
এইটা অন্তত পনের বছর আগের বই হবে, ভাঙ্গা তো বিরাট সমঝদার দেখা যায়
তিন গোয়েন্দার পরের ধাপ ছিল হু.আ আর মু.জা.ই
কারণ পল্টনের ফুটপাথে মাসুদ রানা আর তিন গোয়েন্দার পরে উনাদের সবচাইতে বেশি পাওয়া যাইত। আমি মনে হয় গণে বলে ফেলতে পারবো কয়টা বই নতুন কিনে পড়ছি... ইদানীং হাত-খরচের পয়সা নিজেই কামাই বলে দুয়েকটা নতুন বই সাহস করে কিনতে পারি
আপু যে বইটার কথা বলতেছেন ঐটার নাম সে ও নর্তকী; যাক কিছু তো একটা এনজয় করছেন
...খাইছে!! ..ষিঁথির কি হৈছে?...
প্রথম দুইটা প্যারার চাইতে শেষের দুইটা প্যারা আকর্ষনীয় হৈছে অনেক...
এইসব লেখা ঘোর ঘোর লেখা....তোমার (আমার চাইতেও বেশি..
) টাইপো/ ভানাম বুল, ঘোর ভাবটায় ডিস্টার্ব দেয়...
আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি উপভোগ করার ব্যাপারটা ইউনিক....সুন্দর হৈছে।
টাইপো যথা সম্ভব এডিট কইরা ঠিক করা হইলো; এরপর থিকা চেষ্টা কইরো ভুল বানান গুলা সুদ্ধ বানান শুদ্ধা কমেন্টে লিখা দেওয়ার তাইলে আমার সুবিধা হইবো;
আত্মহত্যার চিন্তা টা কিন্তু খুবি রোমান্টিক; যারা একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয় তারা বেশির ভাগ ই পরবর্তীতে আরো ট্রাই করে
খিক খিক খিক হু আ হু আ ভাব প্রবল হইছে। তবে আমার ভাল্লাগছে। কারন আমিও হু আ পার্টি।

হু আ এর মতন শক্তিশালী গল্প বলিয়ে হু আ এর পর বাংলা সাহিত্যে কি আর আসছে? আমাদের জেনারেশনের হু আ পার্টি না হয়ে উপায় কি
সিঁথিকে প্লাস, আত্মহত্যাকে মাইনাস। আত্মহত্যার কোন পূর্বরাত্রি নাই। আত্মহত্যাকে বরং আত্মা হত্যায় কনভার্ট করা যেতে পারে যার কোন ফৌজদারী দন্ড নাই, আছে কেবল সুগন্ধী বেদনা।
আত্মহত্যা কাপুরুষতা জীবন থেকে পালানো আর আত্মা হত্যা তো গ্লানীময় আত্মাহত্যার চেয়ে বোধয় আত্মহত্যা ভালো
কোন হত্যাই সঙ্গত নয়। তবু আত্মা হত্যা শ্রেয় বলেছি কারন আত্মাকে হত্যা করেও মানুষ বেঁচে থাকতে পারে। আত্মা যদি দুরাত্মা হয় তাহলে সেটা খুন করা বাঞ্ছনীয়। আত্মাকে আমরা অনেকভাবে হত্যা করি, আমাদের অজান্তেই। কেউ কেউ প্রতিদিন এক বা একাধিক আত্মাহত্যা করে।
বুড়া হইয়া মরার আগের রাত পর্যন্ত ডেইলি ডেইলি এইরাম প্রি সুইসাইডাল নাইট উদযাপন করা গেলে তো খ্রাপ হইতো না...
বর্ণনা ভাল্লাগছে.... আইডিয়াতে প্লাস... আর... থাক, লেখাটা তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না। আরো কিছু কমেন্ট উপভোগ করা যাক...
আপ্নার মন্তব্য পছন্দ হইছে ; আপ্নি আমার মনের কথাটা বুঝতে পারছেন "বুড়া হইয়া মরার আগের রাত পর্যন্ত ডেইলি ডেইলি এইরাম প্রি সুইসাইডাল নাইট উদযাপন করা গেলে তো খ্রাপ হইতো না..."
একখান কতা, এডি কি স্মৃতিচারণ মূলক পুষ্ট নিকি?
রোহানের কথাতো পছন্দ হবেই, একি পথের পথিক সব।
যেই আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি স্ম্বতিতে উজ্জ্বল সেইটা রসায়ন ২য় পত্র পরীক্ষার আগের রাত্রি; অনেক চিন্তার পর ঠিক করছিলাম পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় যেকোন একটা ট্রাকের সামনে ঝাপ দিমু; এতদিন পর ঠিক মনে করতে পারতেসিনা ঐদিন সাহসে কুলায় নাই নাকি অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকিয়ে যায় থিওরিতে যাত্রা পথে কোন ট্রাক ই পাই নাই;
আরে ঘ্যাটনা তো সেইম সেইম... ইন্টারে কেমিস্ট্রি সেকেন্ড পার্টে গিয়া জৈব রসায়নের চক্করে পইড়া ভাব্লাম পরদিন পরীক্ষার হল থিকা বাইরাইয়া দেওয়ানহাট বিরিজের উপ্রে দিয়া ট্রেনের উপরে লাফ দিয়া সুইসাইড খামু... তয় পরীক্ষার পরে দুস্তকূলের লগে আড্ডার পরে কি সব পেলান করছিলাম সব ভুইলা গেলাম... আফসুস...
কেন জানি জৈব রসায়ন ডা ভালা পাইতাম। অনেক পাইছিলাম। ১৭৫ ঝাপ টাপ কুনুদি দিতে মনচায় নাই অহনো, আপসুস।
তুমার কতা আলাদা মিয়া... সেকেন্ড ইয়ারে তুমি কেলাস করছো পুরা বছর আর আমি দুই চাইর দিন.... তুমি ১৭৫ পাইলে আমার তো ৭৫ও পাওনের কথা না... বিরিজ দিয়া কি তাইলে তুমার ঝাঁপ দেওনের কথা না আমার?
আমি এখনও কেমিস্ট্রি সেকেন্ড পেপারের দুঃস্বপ্ন দেখি প্রতি মাসেই। তোমাদের আর কারো এই অভিজ্ঞতা আছে?
ছাত্ররে একবার বিবিধ বিষয়ের লেখাপড়ায় উদাসীনতার জন্য ব্যাপক ঝাড়ি দিছিলাম, সেই রাত্রে স্বপ্ন দেখছি আমারে মেট্রিকের সমাজ পরীক্ষা দিতে বলা হইছে।
তারপর থেইকা সায়েন্স বাদে আর কোনো সাবজেক্টের জন্য জ্ঞানদান করতে যাই নাই
বুঝলামনা উপ্রের লুকজন লেখাপড়া লৈয়া সুইসাইড খাওনের এত টাইম কৈ পাইলো? আমিতো ছেকা খাইয়া সুইসাইড কৈরা কুলাইতে পার্তাম্না
আমি রসায়ন সেকেন্ড পার্ট পরীক্ষার আগের দিন বাড়ি থেইকা পলানের কথা ভাবছিলাম। কিন্তু টাকার অভাবে আর মায়ের মুখ চাইয়া পলাই নাই। তয় সুইসাইড খাওনের একটা পরিকল্পনা ছিলো আমাগো তিন বন্ধুর। তার মধ্যে কবি শামীম কবির কইরা ফেলছে তার ২৫'এই...বন্ধু রায়হান রাইনের টা মিস গেছে...সে ৩৫'এ করবো কইছিলো...আমার পালা আইতাছে, আর মাত্র ৩ বছর বাদে...৪০'এ।
এর মধ্যে একবার অ্যাটেম্প্ট করছিলাম একবার...কিন্তু একজনের থ্রেট খাওনে গলায় আঙ্গুল দিয়া বমি কইরা ফেলছি...আমার কাছে খুব ভয়ঙ্কর লাগে নাই প্রাক আত্মহত্যা পর্ব...
আমি মাঝে মাঝেই ফিজিক্স ফার্স্ট পেপার পরীক্ষা দেই; যদিও আমিও আরার মতন ফিজিক্সে অনেক পাইছিলাম কিন্তু পরীক্ষা টা মনপুত হইছিলো না মনে হইছিলো আরো ভালো হইতে পারতো তাই ঐটার স্বপ্নই দেখিনা; কেমিস্ট্রিতে ফেইল মারার প্রিপারেশন শুরুর থিকাই ছিলো তাই ঐটা নিয়া তেমন চ্যাৎভ্যাৎ আছিলো না
আমি কেমিস্ট্রিতে ভালো আছিলাম .... খালি বাংলা পরীক্ষার আগে সুইসাইড করতে ইচ্ছা করতো ....
সোনার তরীর দুই লাইন আর ব্যাখ্যা বহুত কষ্টে মুখস্ত কইরা হলে গিয়া ভুইলা গেসিলাম .. ইচ্ছা করসিলো নিজে মইরা পরকালে গিয়া বুইড়ার ( আপনেগো রবীঠাকুর ) গলা ঠাইস্যা ধরি ........
ভালো স্টুডেন্ট গো এরমি হয় এরা বাংলাও নোট টোট কইরা ঠোটস্থ কইরা যায় আমার এরকম প্রব্লেম হয় নাই পরীক্ষার হলে যাইয়া মনের মাধুরী মিশাইয়া লিখতাম খালি প্রব্লেম হইতও ব্যাখ্যায় লাইন গুলা যে কোন গল্প/কবিতা/প্রমন্ধের
মনে এতো মাধুরী নাই গো .... মাধুরী লাগাইতে গেলে বইসা বইসা ভাবি "স্যার হাসবো না তো আবার !!" ..
.. পরীক্ষার টাইম পার হইয়া যায় ... 
আজকালকার পোলাপানের এই এক সমস্যা এগো মনে খালি ক্যাটরিনা/এনজেলিনা; মনে মাধুরি থাকতে হবে বুঝছো
প্রথমত বৈলা লই যে আমার বড় বৈন কুনুদিনই আত্মহত্যার কথা চিন্তা করে নাই
দ্বিতীয়ত তুমার লেখার থিম লাইক হইসে...
প্রতি রাত আত্মহত্যার পূর্ব রাত জিনিসটা বড়ই উপাদেয় একটা জিনিস বৈলা মনে হইতেসে...
....ক্যালাস ফ্যান্টাসীর নতুন একধরনের এডিকশন/ভার্চুয়াল ড্রাগ হৈতে পারে এইটা...কপিরাইট কৈরা বানিজ্য করনের চিন্তা ভাবনা....
ভালা বানিজ্য হইব হে... লও গুল্লা কান্কন্রে বাদ্দিয়া আমরা দুইজন মিল্লা একটা পেরায়ভিত লিমিতিদ কং খুইলা শুরু কইরা দেই
যাও খুইলা ফেল; অনুমতি দিলাম; হাজার হইলেও তোম্রা সহবলগার সহযোদ্ধার সমতূল্য
হুমায়ূন আহমেদরে আমার স্বাধীনতাত্তোর বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখকগো কাতারের সদস্যই লাগে। তয় তার বাজে বইয়ের সংখ্যা কাতারে অবস্থান করা অন্যগো চাইতে একটু বেশী। কারণ তিনি লেখেনও বেশী।
যাউগ্গা এই অনুগল্প ভালো লাগলো...
হুময়ূন আহমেদের নাটক/সিনেমার মান পরে যাওয়াটাই আমারে বেশি পীড়া দেয়; মনে হয় মিডিয়ার তার কাছ থেকে আরো কিছু পাওয়ার ছিলো
আইজকাই খাইয়া ফালাইতো ঘুমের বড়িগুলা। তা না রাইখা দিলো
এখন যদি অন্য কেউ খাইয়া ফালায়?
তাই তো তাহলে কি হবে
;
শিরোনামে তব্ধা গেছিলাম। শেষের দিকে আশ্বস্ত হইলাম।
বর্ণনা উমদা হইছে। লাইক্কর্লাম
ধন্যবাদ
আপনে এতো উচ্চমার্গের লেখা লিখতে শুরু করলেন কবের থেইক্কা ?? আঁতেল সঙ্গে সর্বনাশ হইয়া গেলো না তো আবার !!!
লেখা পড়তে ভালো লাগসে .... অর্থ বুঝলে আরো বেশি ভালো লাগতো ....
ইদানিং বাংলাদেশের বাপ-মা অ্যাবনর্মাল নাম রাখার প্রতিযোগীতায় আছে .. কোরআন হাদিস খুইজা সবচেয়ে পিকুলিয়ার ওয়ার্ডটা বাচ্চার জন্য রাখে ( আরবীতে সেইটার অর্থ যাই হোক না ক্যান , প্রবলেম নাই ) ... পরের পর্বের জন্য অ্যাবনর্মাল নাম লাগলে আওয়াজ দিয়েন ...
আপনের লগে অনেক অনেক কথা বাকি আছে ... একবারে হইবো না ... আস্তে আস্তে কমু নে ........ কথায় পেট ফাইটা যাইতাছে , বড় বড় মানুষগো লগে কইতেও ডর লাগে ......
আমি আসলে উচ্চমার্গের লিখক ই ছিলাম তোমাদের মতন পোলাপানের সঙ্গদোষে একটু খেই হারায় ফেলছিলাম
;
অর্থ বুঝতে সুইসাইড খাইতে হবে
;
সিঁথি কিন্তু এবনর্মাল আরবি নাম না; বাংলা/সংস্ক্বত নাম
আস্তে কও সমস্যা নাই তবে বেশি আস্তে মানে মেগা/গিগা সিরিয়াল এর মতন টাইনো না
তো আমি কখন কইলাম যে সিঁথি আরবি নাম ??
, আপনেই না কইলেন সুমন-টুমন কমন নাম .. তাই কইলাম , মেইন সুইসাইডের পর্বে আনকমন নাম লাগলে আওয়াজ দিয়েন ... 
ওকে এখন কয়তো রেজোয়ান মানে কি ?
আমি যতদূর জানি , বেহেস্তের দুই দ্বাররক্ষী আছে , রেজওয়ান আর রেদওয়ান ... নামটা ওইখান থেইকাই আসছে ...
এখন আল্লায় কি বুইজ্ঝা দাড়োয়ান ভাইদের নাম এইরকম রাখসে সেইটা তার বিবেচনা ...
আপ্নে এত কম বয়সে বিয়া কইরা ফালাইছেন কেন? তয় কামডা ভালা করছেন। দেরী কইরা কুনু লাভ নাই। একদিন আগে বিয়া করলে ঐ একটা পুরা দিন লাভ। বিলাই আমার কথা হুনতাছনি?
...ধর গিয়া কান হৈলো দুইটা, একটা দিয়া কথা ঢুকে, আরেকটা দিয়া বাইরয়...সময় সময় সবারই এইরামই হয়..
কিছু কিছু কথা যে কান দিয়া শুনা হয় ঐ কান দিয়াই বাইর কইরা দেয়া উচিৎ
"আজ বড় ক্লান্ত লাগছে, থাক, সব তো তৈরী ই আছে, অন্য কোন সময় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাবে। মৃত্যু তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না। আরো কিছু আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি উপভোগ করা যাক"
আহা!!! কি আয়েশ
ইন্নালিল্লাহে... রাজেউন.... পড়তে যাইয়া দেখলাম, নাহ ! মেয়েটা মরে নাই। মরার সাহস কী আর সবার হয় ?
সেটাই
টেরাই মারতে থাকো...হেল্পিং হাত এর দরকার পরলে খবর দিও...দেখবা এক সময় পাইরা যাইবা...মাগার আমাগো চল্লিশা খাওনের টাকা টা অগ্রিম দিয়ে যাও ... বলা তো যায় না কখন কার্যকর হয়ে যায়...মাগার মরার মধ্যেও একটা...রোমান্টিক ভাব আছে...আল্লাহ তোমার সহায় হোন...
এই লিখার সকল চরিত্র কাল্পনিক সো চল্লিশাও কল্পনাও খাও
অণূগল্প খুব ভালো, কিন্তু এতো ছোট ক্যান???
এইটা আসলে অনু গল্প না পরমানু গল্প তাই এত ছোট
হুমম। কত কি মনে পড়ে গেলো!!!!!!!!!উদাস হইলাম ।
আপা কি মিল খুজে পাচ্ছেন; কয়বার ট্রাই নিছিলেন? জাতি বিস্তারিত জানতে চায়
এই মেথডটাও কৈলাম মন্দ না
খিক খিক খিক এই মেথডে ট্রাই কইরাও যখন এতদিন বাইচা আছেন তখন মেথডটা মন্দ না
কি যে কন!মাইনষে কি কইব?আমি ভালো মেয়ে, লক্ষী মেয়ে।অনেক কথা মনে পড়লো আরকি!
কি কথা মনে পরলো আপা জাতি সেটা জান্তে চায়
তুমিও কি সুইসাইড খাইতে গেছিলা নাকি?
জাতির থুক্কু ব্লগের বিবেকের প্রশ্ন
আমি কি আমার কথা কইলাম রে গাধা?কুনু কথা কইয়া শান্তি নাই।কই যে যাইতামমমমমমমমমম
আপাকি আপার প্রেমে সারা না পাইয়া দেব্দাস হওয়া প্রেমিক সম্প্রদায়ের কথা কইতে চাইতেছিলেন
এক জীবনে কত ঘটনা ঘটে...কত কি দেখে মানুষ!!!কখনো মনে পড়ে যায়।এই লেখাটা এমন
কিছু মনে করালো.......
হা হা হা হা টুটুল ভাইয়ের মেথডটা ভাল্লাগছে।
আত্মহত্যারে মাইনাস! এইসব না কৈরা শত্রুর হাতে নিজের সঁইপা দিলেই হৈতো!
আত্মহত্যা তোশেষ অবধি করেনাই
১. বানান বিষয়ে সচেতনতা অনেক জরুরী।
২. প্রিয় লেখক শওকত ওসমানের একটা গল্প পড়ছিলাম। নামটা ভুলে গিয়েছি। কাহিনী অনেকটা এমনই। আত্মহত্যার আগে মেয়েটা ইচ্ছামত সাজে। আর আয়নায় তাকিয়ে বলে 'নাগর একবার চাইয়া দ্যাহো'।
৩. গল্প ভালো লাগছে।
মাফ করবেন, জরুরী বানানটা ঠিক করুন ....!
সঠিক বানান কোনটা:ক) জরুরি খ)জরূরি গ)জরুরী ঘ)জরূরী
ভাইয়া ইয়াজিদ, জরুরি এবং জরুরী দুইটা বানানই সাঠিক।
বানাননিয়া বড়ই পেরেশানআছি
২ এর গল্পটার নাম কি?
ধন্যবাদ
গল্পটা ভাল লাগছে...
অনুগল্প হলেও দারুন করে আবহটা আনা হইছে... যেন একটা দৃশ্য আকাঁ হলো...
ধন্যবাদ
খাঁড়ু, তোমাকে মাঝে মাঝে দৌড়ানি দেয়ার ইচ্ছে জাগে! লেখক হওয়ার অনেক গুণ যেমন উপলব্দি, যুক্তি, কৌশল অনেক কিছু তোমার মাঝে বিদ্যমান; শুধু লেখার প্রতি ভালবাসা নেই! আর বানানভুল। কবে যে এসব দিকে নজর দিবে।
উপলব্ধি, যুক্তি কৌশল ইত্যাদি কমন গুন সবারি থাকে হে লেখক হবার জন্য অন্যকিছু লাগেযেটা আমার নাই
আপাতত চা খান। বেশি করে চিনি খান, গ্লুকোজ হবে শরীরে। পরে কাজে দিবে!!!
হুমম
মজা লাগল লেখাটা। স্কুল-কলেজে বাংলা পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমার মইরা যাইতে ইচ্ছা করত, চাপা মারতে মারতে চাপার স্টক পর্যন্ত শেষ হইয়া যাইত ... খালি মনে হইত আর কত?
একটা বিদ্ঘুটে কথা মনে হইল, ফাঁসীর আসামীদের যখন জানানো হয় যে আজকে রাতেই তোমারে মেরে ফেলা হবে- তখন তাদের চিন্তাভাবনা কিরকম হয়?
ফাঁসির আসামীদের ব্যাপারটা আলাদা হবার কথা তারাতো আর ঠিক ইচ্ছে করে মারা যাচ্ছে না।
প্রায় অফটপিক: সিলভিয়া প্লাথ সুইসাইড করেন জ্বলনত স্ট্োভে মাথা রেখে
বিভৎস
ক্লিওপেট্রা পোষা বিষাক্ত সাপের কামড় (নাকি বিষ?) খেয়ে সুইসাইড করেন...
এইটা তাও খারাপ না মনে হয়
আত্মহত্যার পুর্বরাত্রি এত উপভোগ্য হইতে পারে আগে বুঝি নাই। আপনার জন্যও এক কাপ চা ......
ধন্যবাদ
মনে হচ্ছে আত্মহত্যা খারাপ না।
আত্মহত্যা তো অবশ্যই খারাপ তবে আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি কখনো কখনো একটু কম খারাপ আর কি
আজ বড় ক্লান্ত লাগছে, থাক, সব তো তৈরী ই আছে, অন্য কোন সময় পরিকল্পনা
বাস্তবায়ন করা যাবে। মৃত্যু তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না। আরো কিছু আত্মহত্যার
পূর্বরাত্রি উপভোগ করা যাক
এদেখি পুরা আমার কেস। আমি এখনো পূর্ব রাত্রি উপভোগ করছি। আমি অবশ্য ভীতু, মরতে ভয় পাই তাই আজো মরা হয় নাই
মৃত্যু তো সবাই ভয় পায়; এক অনিশ্চিৎ যাত্রা
এইটা রেজি করার আগে পড়সি ...
ধন্যবাদ
মন্তব্য করুন