বেহিসেবি ভাবনার এলোমেলো কথা
নিজের এবং চারপাশের মানুষজনের জন্ম আসলে এক চমৎকার দুর্ঘটনা। এই শ্বাপদসংকুল পৃথিবীতে অনেক আগেই আমার কোন পূর্বপুরুষ মারা যেতে পারতো।আমার বাবার আমার মায়ের সাথে বিয়ে না হয়ে অন্যকারো বিয়ে হতে পারতো এবং আরো অনেক কিছু হতে পারতো তাহলে তো আর জন্মানো হোতোনা। জন্মনিয়ন্ত্রণ আরো ২০০ বছর আগে সহজলভ্য হলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের জন্মানো হোতো না। এই কুড়িয়ে পাওয়া জীবন নিয়ে সব দিশেহারা।
জীবনের গল্প আসলে কিসের গল্প? আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ, পাওয়া-নাপাওয়ার হাসি-কান্নার গল্প। আমি জানিনা তবে মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনে দীর্ঘশ্বাসের গল্পই বেশি। হৃদয় নিংড়ানো বুকচেরা দীর্ঘশ্বাস অথবা নিজের অগোচরে ঝরে পড়া দীর্ঘশ্বাস, প্রতিটি ব্যর্থতা প্রতিটি না পাওয়ায় আমার আর সব অর্জনে অন্যকারো দীর্ঘশ্বাস মিশে আছে। আপনার নিজের নারী অথবা আমার একান্ত পুরুষ সেও তো অন্যকারো আরাধ্যই ছিলো..............
জীবন টা বোধয় স্বপ্নেরো; জেগে-ঘুমিয়ে যত স্বপ্ন মানুষ দেখে....আচ্ছা পশু-পাখিরাও কি স্বপ্ন দেখে? পাখির স্বপ্নে কি থাকে? কাকের স্বপ্নে কি ডাস্টবিন থাকে অথবা বেড়ালের স্বপ্নে ইঁদুর।বানর কি কোট-টাই পরে অফিস করার স্বপ্ন দেখে। আমার কেন যেন মনে হয় মানুষ ছাড়া আর কেউ স্বপ্ন দেখে না। অন্যরকম মানুষের অসাধারন স্বপ্নই সভ্যতাকে এগিয়ে নেয়। অবশ্য আমার মতন আমজনতারা আম স্বপ্নই দেখে বড়জোর আমসত্ত্ব স্বপ্নে দেখতে পারে তাও আমার বহু বহু বহু আগের পূর্বপুরুষ আমসত্ত্বও স্বপ্নে দেখতোনা তখনো আমসত্ত্ব আবিষ্কার হয়নি কি না; আমি যেমন কাঠালের আমসত্ত্ব স্বপ্নে দেখতে পারি না।
সব শুধু বদলে যায়; আমার গ্রাম আগের মতন সবুজ নেই; আমার মফস্বলে আগের মতন মাঠ-ঘাট-পুকুর নেই; এমনকি আমার শহর ও আগের মতন নেই সে আরো উঁচু হয়েছে।আমার সম্পর্কগুলো আগের মতন নেই, গরুর দুধে পুষ্টি নেই, মাছের গায়ে তেল নেই, সরিষার তেলে ঝাঁঝ নেই, আখের রসে মিষ্টি নেই; বিয়ের কনের চোখে জল নাই; নতুন বৌর মাথায় ঘোমটা নেই, পোলাপানের আদব-লেহাজ নেই মোদ্দাকথা কোন কিছুই আগের মতন নেই।ব্রাদার আপনি নিজেও অনেক বদলে গেছেন।আপনার সদ্যকৈশোরোত্তীর্ণ ছেলের চুলে জেল দেখে আপনি যেমন চোখ-মুখ কোঁচকান আপনার টেরিকাট চুল দেখে আপনার বাবাও তেমন দীর্ঘশ্বাস ফেলেছেন।বদলানোটাই রীতি, সবি আপেক্ষিক কোন কিছুই শেষ অবধি স্বতঃসিদ্ধ না।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে গল্পগুলো কতটা বদলায় আসলে, কতটুকু বদলায় চরিত্ররা। আমার ছেলেবেলার রাক্ষস-খোক্ষস, দেও-দানো থেকে আজকের এলিয়েন রা আসলে কতটুকু দুরে থাকে। রূপকথার মায়াবিনী-কুহকিনী আর সায়েন্স ফিকশনের ডিকয়দের উদ্দেশ্য-বিধেয় ও তো একিরকম লাগে। দূর নক্ষত্র থেকে মহাকাশ যানে করে আসা ইটি আর স্বর্গ থেকে অগ্নিরথে আসা ইন্দ্রদেবের আবেদনে পার্থক্য কতটুকু।
দেশ থেকে দেশে মানুষ থেকে মানুষের ইতিহাসের ও কি খুব বেশি পার্থক্য থাকে। আমেরিকান আর রেড ইন্ডিয়ানদের কাহিনী বা অস্ট্রেলিয়ায় ইংলিশ সেটেলার আর আব্রোদের কাহিনী ইতিহাস হওয়ার আগেই কোথাও কোথাও এখনো বাস্তব হয়। পৃথিবীর ইতিহাস শেষ পরযন্ত শোষন আর বঞ্চনার ইতিহাস;দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারের ইতিহাস সেটা সাদা-কালো, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান......... যেই ফরম্যাটেই হোক মোটা দগে সবি আসলে ঐ আধিপত্য বিস্তারের ভূমি দখলের আয়োজন।
ইতিহাস নাকি ফিরে ফিরে আসে আর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এই যে ইতিহাস থেকে কেউ কোন শিক্ষা নেয় না। দিকভ্রান্ত বিপথগামী ভারতীয় ষড়যন্ত্রের শিকার পূর্বপাকিস্তানিদের যেভাবে সায়েস্তা করতেচেয়েছিলো পাকিস্তানিরা সেভাবেই অবাঙালী পাহাড়ী বা পাহাড়ী বাঙালীদের বিদ্রোহ দমন করতে চায় বাংলাদেশ ।সত্যি সেলুকাস!!!





বাপরে। পোষ্টের ঠেলায় ভেসে যাচ্ছি। ভালো লাগছে এত এত দারুন পোষ্ট দেখে। না পড়ে কমেন্ট দিলাম। এবার পড়ি।
মুগ্ধ, সম্মোহিত। পাঠককে টেনে নিয়ে যায় এমন লেখা! কাকতালীয়তা, স্বপ্নভঙ্গ, স্বপ্ন, পরিবর্তন, অপরিবর্তনের গল্প হয়ে শেষ স্টেশন সমসাময়িকতায় পৌঁছানোর কায়দাটা অসামান্য।
আপু আপনার মন্তব্যটা পড়ে কেমন লজ্জ্বা লজ্জ্বা লাগছে মনে হচ্ছে পোস্ট টা আরো যত্ন নিয়ে লেখা উচিৎ ছিলো
কি কমু বুঝতাছিনা। তয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এই যে ইতিহাস থেকে কেউ কোন শিক্ষা নেয়না, এর উপ্রে কোনো কথা নাই। শুধু এই ব্যাপারেই না, সব ব্যাপরেই এইটা মহা সত্য কথন।
হুমম ; কিন্তু আফসোস জন্মাইতে লেট হইয়াগেসে দেইখা এই বাণী আমার আগেই আরেকজন দিয়া ফেলসে আমার তার কথা কোট করা লাগে
; অনেক দিন হইলো এই বেলা কিন্তু আমরাবন্ধু আপনার কাছ থেকে একটা পোস্ট পাইতে পারে
কিছু বানান ঠিক করার অনুরোধ রইলো-
শ্বাপদসংকুল
জন্মনিয়ন্ত্রণ
নিংড়ানো
বুকচেরা
ব্যর্থতা
স্বতঃসিদ্ধ
আমসত্ত্ব (ত+ত+ব-ফলা)
কৈশোরোত্তীর্ণ
কোঁচকান
শিকার (ষড়যন্ত্রের)
ঠিক করলাম আপু; আশাকরি আজকে ১০ টা বানান শিখলাম যেগুলা ভবিষ্যতে ভুল করবো না
দুর্দান্ত লেখা...
পৃথিবীর ইতিহাস শেষ পরযন্ত শোষন আর বঞ্চনার ইতিহাস;দুর্বলের ওপর সবলের
অত্যাচারের ইতিহাস সেটা সাদা-কালো, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান.........
যেই ফরম্যাটেই হোক মোটা দগে সবি আসলে ঐ আধিপত্য বিস্তারের ভূমি দখলের
আয়োজন।
হাঁচা কথা এক্কেরে
জ্বী টেকা মাটি, মাটি টেকা; মাটি দখলে রাখতে হবে;
"বস্তুতঃ ব্যক্তি মানুষের ইতিহাস
দৃষ্টিগ্রাহ্য কিছু জয়ের সাথে
অসংখ্য না জানা ছোট ছোট পরাজয়ের ইতিহাস।"- মুকুলের লেখা একটা অসাধারণ কবিতার এই অংশটা একই কথা বলে! পুরো কবিতাটা তুলে দিই- (মুকুলের অনুমতি পরে নেয়া যাবে)-
ফিরে আসা বলে কিছু নেই
শহীদুল ইসলাম মুকুল
মার খেয়ে খেয়ে
দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া
অস্থি চর্মসার দূর্বল জনগোষ্ঠিও
এক সময় ফুঁসে উঠে।
বারংবার দমিত হয়
আবার রুখে দাঁড়ায়
চূড়ান্ত বিচারে পরাজিত হয় না কখনো।
সমষ্টির ইতিহাসে পরাজয় শব্দটি
না থাকলেও
কখনো কখনো
ব্যক্তি মানুষ পরাজিত হয়।
যোগ্যতমের বিজয়ের পথে
অযোগ্যরা সরে যায়,
সরে যেতে হয়।
বস্তুতঃ ব্যক্তি মানুষের ইতিহাস
দৃষ্টিগ্রাহ্য কিছু জয়ের সাথে
অসংখ্য না জানা ছোট ছোট পরাজয়ের ইতিহাস।
যাপিত অন্ধকারে
জ্বলে উঠা অশুভ স্ফুলিঙ্গ
পুড়িয়ে ভস্ম করার আগেই
আমরা আমাদের কাছে
পরাজিত হওয়ার চেয়ে
এই ভালো ঢের
সরে যাওয়া নিভৃতে!
পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে
ফিরে আসা হয় না
ফিরে আসতে নেই
আমিতো জানি
ফিরে আসা বলে কিছু নেই।
যে মানুষটি চলে যায়
সে মানুষটি ফিরে আসে না কখনো
পুরোনো সে মানুষটিকে ফিরে পাওয়া যায় না কখনো
যেরুপ একই নদীর জলে দু’বার স্নান হয়না...
কবিতা টা খুব সুন্দর; আসলেই কেউ কখনো কোথাও ফেরে না সবাই শুধু সামনে চলে;
"বস্তুতঃ ব্যক্তি মানুষের ইতিহাস
দৃষ্টিগ্রাহ্য কিছু জয়ের সাথে
অসংখ্য না জানা ছোট ছোট পরাজয়ের ইতিহাস।" -- আসলেও তাই; এবং সমাজ বা রাষ্ট্রের ইতিহাস ও তাই ই মনে হয়
আসলে অনেক দৌড়ের উপ্রে ছিলাম কয়দিন।
দৌড় ঝাপ কমছে। একটা পোষ্ট দিয়াই ফেলব দেখি। 
জ্বী দিয়া ফেলেন; টোকাদেয়ার জন্যও তো একটা পোস্ট লাগে
হ্যা নজরুল যেমন বলল এইটাই আসল সত্য। লেখাটা চরম হইছে।
বানান নিয়া বইন সজাগ থাকা জরুরী। একটা টিপস দিই। ষ ও র এর পরে ন থাকলে চোখ বন্ধ করে ণ দিয়ে দিবেন।
টিপসের জন্য ধন্যবাদ; টিপস মনে রাখবো ;
....বারে, কাঁকনের দুই পোষ্ট, দুই মেরুর হৈছে...
খুব সত্য কথা....হিস্ট্রি রিপিটস ইটসেলফ, সবাই জানে...এ্যনার্জি আর মিনারেল, এর জন্যই এত দখলদারী .....
আমাগো কয়লাও নিবোগা...
বিলাই ও মন্তব্য রিপিট করে
; "....বারে, কাঁকনের দুই পোষ্ট, দুই মেরুর হৈছে..." --এই কথাটা সে ঘুইরা ফিরা কয়েক পোস্ট পরপর কয়
....এইটাতেই প্রমান হয়, আমার চিন্তা ভাবনা একইরকম, এদিক সেদিক হয়না...এক জবানের মানুষ আর্কি....কি পরিমান ভালো মানুষ আমি, নিজেই অবাক হৈয়া যাই...
(তা, আমার আর দোষ কি? তুমি এইরকম কৈরা পোষ্টাইলে, কথা রিপিট হৈবেই, যদিও আমার একদমই মনে নাই, আগেও কখনো একই রকম কমেন্ট করছি....
)
খুবই ভালো লাগলো অনুভূতিগুলো।
আপনার নিজের নারী অথবা আমার একান্ত পুরুষ সেও তো অন্যকারো আরাধ্যই ছিলো--- এই কথাটা একেবারে ক্লাসিক!
ধন্যবাদ; ভালো থাকবেন
আমার তো লজ্জার সীমা নাই, কাদের মধ্যে আছি? কি অসাধারণ সব ক্ষুরধার লেখা। নিজের পোস্টগুলি কি মুছে দেব?
না মুইছেন না; আপবার পোস্ট নিয়া আমার মাথা-ব্যাথা নাই কিন্তু আপনার পোস্টে আবার আমার অমুল্য সুচিন্তিত অসাধারন ক্ষুরধার মন্তব্য আছে কিনা
এইরকম বিনয় মজুমদার সেজে যাবেন নিয়মিত; ভালো লাগে।
....নিজের প্রশংসায়, মুখতো ৫ টা ১০ টা হৈয়া গেছেরে...ঢোল আস্তে বাড়ি দেও গোল্লা, কানে লাগেতো.
..অন্যদের কমেন্ট গুলা দেইখা আইসো....
আজকালকার দিনে নিজের ঢোল নিজেরেই পিটাইতে হয় অন্যরে পিটাইতে দিলে ফাটায় ফেলতে পারে; আর কানে লাগতে লাগতেই মনে লাগবে ; কানে লাগে লাগুক আস্তে পিটানো জাবে না; ঢোলের শব্দ জনতার কান পর্যন্ত না গেলে পিটাইয়া কি ফায়দা
কাম আর ক্ষমতার জন্য পৃথিবীতে যতো যুদ্ধ চলে...দুনিয়াটাই চলে!--আমি বলি নাই, জ্ঞানী লোকে বলে, আর শুনে আমার মনে ধরে যায়। নিজের চলচ্চিত্রে সবাই হিরো, আর কারো চলচ্চিত্রে ভিলেন কিনা দেখার সময় কই? দেখা যাবে, পাকিরাও ৪৭ আর তার আগের গৌরব নিয়া ফালাফালি করে, ৭১ আসলে চুপ হইয়া যায়--হয়তোবার মালাউনের গুষ্ঠী বলে আমাদের দু-একটা গাল পাড়ে। আমরাও ৫২,৬৯,৭১ নিয়া লাফালাফি করি(২১ ফেব্রুয়ারী নিয়া লাফালাফি আর করতে পারবো?), আদিবাসী প্রসংগ আসলে চুপ হয়ে যাই,; হয়তো জংলি পাহাড়ি বলে গাল পাড়ি।
রাঙ্গামাটি বান্দরবান ঘুরতে খুবই ভাল, তবে এখন ঘুরতে যাইয়েন না, আর্মি আগে নাক-বোচা জংলিগুলারে শায়েস্তা করুক, তারপরে যাইয়েন।
হুহ...যেখানে দেশের আশি থেকে নব্বই ভাগ তরুণ আর্মির শাসন চায় না, সেনা মোতায়েন চায় না, সেখানে পাহাড়ি এলাকায় তরুণেরা কিসের আশায় সেনা মোতায়েন চায়, উনারা ভাল বুঝে, সেনারাও ভাল বুঝে। আমরা দূর থেকে তামশা দেখি।
কাম মনে হয় সরাসরি প্রভাবক হয় না;ক্ষমতার সাথে উপরি হিসেবে আসে;
মানুষ শেষ অবধি মানুষের ওপর অন্যার নিতে পারে না মনে হয় চক্ষুলজ্জ্বা বলেও তো একটা কথা আছে তাই কারো ওপর অন্যায় করার আগে সাধারনের চোখে তাকে মানুষের চেয়ে নীচুতে নামিয়ে দিতে হবে; জংলি ওরাতো পুরোপুরি মানুষ না; সবি লাভ-ক্ষতির হিসেব; হয়তো পাহাড়ি এলাকায় থাকলে আপনি - আমি ও লাভের গুড়ের আশায় পাহাড়িদের পক্ষে থাকতাম; আর শুধু পাহাড়ি এলাকার তরুন কেন শহুরে অনেকেও তো পাহাড়ে সেনা মোতায়েনের পক্ষেই এটা জাত্যভিমান, জাতীয়তাবাদ না কি আমি বুঝিনা; ফিলিস্তিনিদের জন্য আমাদের সমবেদনা আছে আমাদের মিডিয়াসরব থাকে অথচ পাহাড়িরা অচ্ছুত।
ফান টাইপ কিছু লেখা হবে মনে কইরা পড়া শুরু করছিলাম। পইড়া ধাক্কা খাইছি। দারূণ একটা লেখা। লেখায় চমৎকার গতি। মুগ্ধ হইছি। আর ভাবতাছি।
ধন্যবাদ মাসুমভাই
জীবনের গল্প আসলে কিসের গল্প? আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ,
পাওয়া-নাপাওয়ার হাসি-কান্নার গল্প। আমি জানিনা তবে মাঝে মাঝে মনে হয় জীবনে
দীর্ঘশ্বাসের গল্পই বেশি। হৃদয় নিংড়ানো বুকচেরা দীর্ঘশ্বাস অথবা নিজের অগোচরে ঝরে পড়া দীর্ঘশ্বাস, প্রতিটি ব্যর্থতা প্রতিটি না পাওয়ায় আমার আর সব অর্জনে অন্যকারো দীর্ঘশ্বাস মিশে আছে। আপনার নিজের নারী অথবা আমার একান্ত পুরুষ সেও তো অন্যকারো আরাধ্যই ছিলো..............
কী হৈছে কাঁকন ? মন খারাপ ??
নাহ্ ; একটু মেজাজ খারাপের বাই প্রোডাক্ট
লেখাটা ভাবালো, গভীরভাবেই ভাবালো।
ভাবেন গভীর ভাবেই আপনি যারে যে কাজের জন্য ঘৃনা করেন সেই কাজটাই অন্যের সাথে আপনি করবেন কি না? -- অবশ্য শেষ পর্যন্ত সবি মাপা হয় সাফল্য ব্যার্থতার হিসেবে -- "রাম যদি হেরে যেত রাবায়ন লিখা হত রাবন দেবতা হত সেখানে "
লেখা সুন্দর ,সাবলীল ।
আর শিরোনামটা একটু এডিট করে দিয়েন ,কারণ লেখাটা আমার কাছে যথেষ্ট গোছানোই মনে হল
ধন্যবাদ; ভাবনা গুলো বেহিসেবিই লিখতেগেলে অটমেটিক একটা ধারাবাহিকতা চলে আসে
আমার এক বন্ধু হঠাৎ হঠাৎ আনমনা হইয়া বইলা উঠতো ইতিহাস কি কাঁদে?
আমরা তার কথায় মজা পাইতাম। হাসাহাসি করতাম। ছেলেটার একসময় নার্ভাস ব্রেকডাউন হইলো...
কিন্তু এখন বুঝি ইতিহাসরে আসলেই কানতে হয়...যেই ইতিহাসে মানুষের অস্তিত্ত্ব অনিশ্চিত হয় সে কি না কাইন্দা পারে!?
লেখা ভাল্লাগছে...বানান ভুল থাকলেও বা টাইপো থাকলেও ক্যানো জানি এমন লেখায় সেইটা ধরতে পারি না।
মানুষেরব ইতিহাস তো কান্নার ই ইতিহাস ভাস্কর দা, যুদ্ধ, রক্ত আর কান্নার ইতিহাস
বিদ্রোহ কিভাবে দমন করতে হয় ?
বিদ্রোহ কিভাবে দমন করতে হয় জানি না; তবে মানুষ নির্মূল না করে বিদ্রোহের কারন নির্মূল করাটাই জরুরী মনে করি; বিদ্রোহ দমনের নামে গ্রাম কে গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া, হত্যা, ধর্ষনের সমর্থন করতে পারি না; এইটা যদি বিদ্রোহ দমন হয় তাহলে আর পাকিরা কি দোষকরছিলো আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ই চাওয়া কেন?
তাদের সাথে কথা বলতে হবে ; বলতে হবে এই ৫৬০০০ বর্গমাইল ততটুকুই তোমার যতটুকু আমার; ওরা যেমন মরছে সৈন্যও তো মরছে, মৃত্যুর এই আয়োজন বন্ধ হোক। আর এই সংঘর্ষে শেষে কতজন মারাগেলো সেটা আপনার আমার কাছে শুধুই সংখ্যা; কিন্তু তারা সবাই তো কারো না কারো আপনজন, তাদের ঘিরে আছে অনেকের অনেক স্বপ্ন।
মুগ্ধ হলাম...মনে গেঁথে গেলো।
ধন্যবাদ
চমৎকার
ধন্যবাদ
সুন্দর লেখা।
ধন্যবাদ; আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো
একটা ধার করা ডায়ালগ দেই..
"সেই দিন কি আর আছে? দিন বদলাইছে না?"
দিন বদলের পালায় আমরাও বদলাই, সবাই বদলায়। কেবল, ক্ষমতা নিয়ে কামড়া-কামড়ি থামে না, শিকারী- শিকারের খেলায় কেবল কুশীলবগুলো বদলায়, মূল ঘটনাটার কোন বদল হয় না।
হুমম
ক্ল্যাসিক !!!
আরেকটু চেষ্টা করলেই আমার মত লিখতে পারবেন আশা করি ...
এইটা ঠিক কাঁকন লেখা না, অন্য লেখা
মন্তব্য করুন