হাবিজাবি -- (কোন সুরে গাইছে কোকিল)
১)
ব্লগে গল্প,উপন্যাস (বড়গল্প), কবিতা-কোবতে-খবিতা-গবিতা-অকবিতা-নাকবিতা, প্রবন্ধ ছাড়া যে লিখাগুলো আমার নিজের বেশি ভালো লাগে, ব্লগ জুড়ে বেশি থাকে তা হোলো যাপিত জীবনের কথা, যাপিত জীবনের টুকরো ঘটনা। আমার মাঝে মাঝে অযাপিত জীবনের কথা লিখতে ইচ্ছে হয়, যে জীবন হয়নি যাপন কিন্তু যে জীবনের আকাঙ্খা ছিলো সেই জীবনের গল্প লিখতে মনচায়। মাঝে মাঝেই অযাপিত জীবনের গল্প লিখার জন্য ব্লগ খুলে বসে থাকি কিছুই লিখা হয়না। আমার অযাপিত জীবনের গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করতে না পারলেও অযাপিত জীবন এর প্রতি আমার টানটা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
২)
"দুপুরের খামোকা খেয়াল, ভাঙা তাক পুরোনো দেয়াল
খুঁজে পাওয়া বই জানতে চায় বান্ধবী আছে কে কোথায়....."
এই ইয়াহু-ফেসবুকের যুগে বান্ধবী কে কোথায় আছে জানাটা কঠিন না। কিন্তু মানুষ যত পায় তত চায়। আমার মনে হয় আমি যদি সেই দিন গুলোতে ফিরে যেতে পারতাম।আমার ফেইস-বুক টুইটারে হবে না আমার চাই টাইম মেশিন।
৩)
"ধূলো লাগা চেনা বইসব, হাতরায় কে না শৈশব
ধূলো লাগা চেনা বইসব, ভালোবাসে কে না শৈশব
"
বাঙালীর শৈশবে হয়তো বাপের হাতের মাইরটা বাধ্যতামূলক।আমিও খাইছি। কিন্তু অনেক কম, অন্য আনেকের থিকাতো কমই আমার নিজের ভাইদের থিকাও কম। সেইটা আমার গুণ না বাপের গুণ তা অন্য হিসাব। হউমায়ূন আহমেদের বই পইড়া হিসাব মিলাইতে যাইয়া আমার সেই বয়োঃসন্ধিতে মনে হইতো আমার বাপ আমারে ভালোবাসেনা, তার সাথে আমার ভালোবাসাবাসির কোন স্মৃতি নাই। কিন্তু আজ শৈশব হাতরায়ে দেখি সেও আমারে অনেক ভালোবাসতো, সবা সন্তানি সমান তবু মনেহয় আমারেই বেশি ভালোবাসতো। সেই ভালোবাসা হয়তো হুমায়ূন আহমেদের বাবাদের মতন ছিলো না কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না।
৪)
শততম আন্তর্জাতিক নারী অধিকার দিবসে নিজের কিছু হিসেব-নিকেশ মিলাইতে বসছিলাম। আমার পরিবার কি আমার সাথে বৈষম্যমূলক আচরন করছে কিনা। কুলোটা-মূলোটা বা মুরগীর রান আর মাছের মাথা নিয়া কোন বৈষম্য হয়নাই। কিন্তু একটা বৈষম্য তারা করছে। স্বাধীনতার বৈষম্য। আমার ভাইরা যত স্বাধীনতা ভোগ করছে তাদের শৈশবে-কৈশরে আমি করিনাই। আমার ভাইরা ছোট থিকাই একা একা মেলায় গেছে বন্ধু-বান্ধব নিয়া, আমার মা আমারে বগলদাবা কইরা নিয়া গেছে নিয়া আসছে। আমার বান্ধবীর বোনের বিয়েতে আমি আমার মায়ের সাথে গেছি খাইয়া দিয়া আবার মায়ের সাথেই ফেরত চলে আসছি আমার ভাই একাই তার বন্ধুর বোনের বিয়েতে গেছে ঐখানে গিয়া ফোন দিসে হিন্দু বিয়ের লগ্ন যেহেতু রাত ৩/৪ টা হয় সে বিয়ে দেখতে আগ্রহী এবং রাতটা ঐখানেই থাকবে আমার মা যেন বাপরে ম্যানেজ করে আমার মাও সুন্দর ভাইয়ের পক্ষ নিয়া বলতো অতরাতে ফেরা রিস্কি কালকে বাসই বিয়া দেইখাই আসবে।
এই টাইপ বৈষম্যমূলক আচরন খুজলে আরো পাওয়া যাবে। কিন্তু আমি তাদের এই বৈষম্যমূলক আচরনগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ।
৫)
শৈশবে ভালো লাগে ক্যারাম-ডাঙ্গুলী, কৈশরে চেপে ধরে সুনীল-গাঙ্গুলী.................. এখন যে কি ভালো লাগে বুঝিনা, সেই ভালো লাগার মনটাই আর নাই এখন মনে হয় আলাউদ্দীনের চেরাগ পাইলেও খুব ভালো লাগবো না মনে হইবো বাহ ব্যাপারটাতো মন্দ না।





কিছু কিছু উপকারী বৈষম্য থাকা জরুরী।
পুরুষ শাষিত বা পুরুষতাণ্ত্রিক সমাজের সামাজিক স্ট্রাকচারের কারনে এই জাতিয় বৈষম্যের স্বীকার হইতে হয় সেই আপেক্ষিকতায় বৈষম্যগুলা উপকারি না অপকারি বিতর্কে না গিয়া্যেটা কইতে চাই সেটা হইলো এই স্ট্রাকচারটা এই সমাজব্যাবস্থাটা আমার পছন্দ না, এই ব্যাবস্থাটা আমার সামগ্রিক ভাবে কারো জন্যই উপকারী মনে হয় না।
স্বাধিনতার বিষয়টা নিয়া আলোচনা করতে গেলে বিতর্ক বাড়বোই, কারন শুরুতেই আসবো নিরাপত্তা....ইত্যাদি ইত্যাদি......ধুরু, এই আলাপ বাদ....
কথা হৈলো, আমি স্কুল লাইফের সবচেয়ে মিসাই যেই জিনিষটা, সেইটা হৈলো, স্কুল থেইকা ফিরা, দুপুরে কহাটে শুইয়া, বৈসা, খাইতে নিয়াও গল্পের বই (প্রধানত তিন গোয়েন্দা) পড়া....কত শত হাযার অলস দুপুর গেছে, কখনো মনেও হয়নাই তাড়া আছে লাইফে কোনো...শুধু বড় হবার তাড়া ছাড়া....
এখন কোনো একটা দুপুর অলস যায়, আর ভয় হয়, ইশ, আরো কতখানি সময় চৈলা গেলো, একটা কাজ পিছাইয়া গেলাম....
আমিও মিসকরি ঐ সময়টা; সামসুদ্দিন নওয়াব পেইনটা তিন গোয়েন্দার বারোটা বাজাইছে ধইরা দেয়া দরকার
খালি দেখি "স্মৃতি তুমি বেদানা" পোস্ট!!
সব কি বুড়া হইয়া যাইতেছে নাকি??
বুড়া তো কবেই হইছি; এখন ভালোয় ভালোয় মরতে পারলেই হয়; চিত্রগুপ্তের সাথে বাতচিত এর মহরা দেই মাঝে মাঝে ওগুলা একদিন ব্লগে লিখতে হবে
চিত্রগুপ্তের সাথে স্বাক্ষাৎ হইলে জিগাইয়েন তো, হেয় বিশ্রাম নিবো কবে? আর, তার জায়গায় অন্য কাউরে নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিবো কবে??
)
আইচ্ছা; আমি অবশ্য যম দাদুর অবসরে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি
অদ্যকার মাতুব্বরী: লিখা = ভুল, লেখা = সঠিক
বানান অনেক প্রগ্রেস করছে। তাই টুকটাক দুই একটা ধরলামনা।
এখন সন্দেহ হইলে সংসদ বাংলা অভিধানে সার্চদেই লিখা/লেখা নিয়া সন্ডেহ হয় নাই আর কি;
ধন্যবাদ
আপনার অযাপিত পোস্ট পড়ার আগ্রহ বাড়লো...
আমারোতো লিখতে মন চায় কিন্তু পারি না
সেইটা হয়তো বৈষম্য না। মায়েরা মেয়েদের একা ছাড়তে চাইতেন না, সমাজের নানান অসংগতিই তার জন্য দায়ী। অন্তত কলেজে উঠা পর্যন্ত এই বৈষম্য (!) প্রায় সব পরিবারের মেয়েদের উপরই চলতো।
হ যুগ যুগ ধইরা চলে বলেই তো চোখ সয়েযায়; এইখানে বৈষম্যটা বিভৎস না কিন্তু এর পেছনের কারন টাকিন্তু বিভৎসই
আমার মায়ের হাতে জীবনে কতবার মাইর খাইছি কোন হিসাব নাই তবে বাপের হাতে একবারই খাইছিলাম, বেশি জোরেও মারে নাই। তবু সেই মাইরের কথা কেন জানি ভুলতে পারি না।
আমার মা মারামারি বকাবকি পছন্দ করতো না
আমার অবস্থা তোমার উল্টা। বাপের হাতে বেধড়ক মাইর খাইছি। তাই আম্মা আর মাইর দেওনের মওকা পায়নাই।
দুনিয়াজুড়া আসলেই পচুর বৈষম্য। আমরা তিন ভাই বড় হইতে গিয়া একমাত্র বোনের প্রতি বাপ-মায়ের নির্ভেজাল পক্ষপাতিত্বের কারণে অনেক বৈষম্যের শিকার হইসি। সে খামচি দিয়া আমাদের ছাল-চামড়া উঠাইয়া ফেললেও কোন বিচার হইতোনা, আর আমরা কেউ তার একটা ফুলের টোকা দিলেও মায়ের পিটানি আর বাপের দৌড়ানিতে বনবাসী ( ফুপুর বাড়িতে রাজনৈতিক আশ্রয়) হওন লাগতো। খোদার দুনিয়ায় দজ্জাল বোনেগো সাতখুন মাফ
তাও ভালো দজ্জ্বাল বোনের কথা কইছেন দজ্জ্বাল বৌ এর কথা কন নাই
হা হা হা। ..রাজী ভাইয়ের কথা মনে পড়ল।
রায়হান ভাইয়ের মন্তব্যে জাঝা
লোকটা এমনেই ব্লগায় না এইরকম করলে তো তার জন্য ইন্টারনেটই হারাম হয়ে যাবে
আমার স্মৃতিশক্তি তেমন ভাল না। শৈশব বলতে যদি একদম ছুডোকাল বুঝায় তয় মেমরী ছিড়া ছিড়া দৃশ্য দেখায়। ঐসব জোড়া লাগায়া কইতে গেলে আমার মতো আইলসার বিড়াট হেপা। কৈশোরের স্বৃতিগুলান অতটা ছিড়া না। সেবা'র প্রথম বই কিশোর ক্লাসিক ব্রাম ষ্ট্রোকের কাউন্ট ড্রাকুলা। তিন গোয়েন্দার ও আগে পড়া। পইড়া তিন রাত ঘুমাইতে পারি নাই। আরও আছে পরের গাছের কাঠ বাদাম চুরি করা, কাগজ দিয়া বিড়ি বানাইয়া ফুকা, বড় হওনের লাইগা অগ্রিম গাল চাইছা দাড়ি গজানোর চেষ্টা, দুপুর বেলা অংক না কইরা মা'র চোখ ফাকি দিয়া সাগর পাড়ে গিয়া বইসা থাকা। আরও বহুত প্যাচাল। আলসীটা সব খাইল। হা আ ই... (হাই উঠতাছে)
এত্ত আইলসামির মধ্যে বড় হৈলেন ক্যাম্নে? নাকি এখনো হন্নাই?
কৈশোরের "কবে বড় হব" এর উদ্বেগটুকু
এখন "কবে বুড়ো হব" এর আতংকে পরিনত হয়েছে।
আহা! চাইলেই যদি আলসি কইরা ছুড়ো থাকন যাইতো?!!!
হ
)
( দীর্ঘশ্বাস এর ইমো দেক্তে হপে
দিনগুলো মোর সোনার খাঁচায়
রইলো না ... রইলো না
সেই যে আমার নানান রঙের দিনগুলো
আমি সেবার একটা বই যেটার ৩ খন্ড ৩ জন আলাদা আলাদা লেখক অনুবাদ করছিলো নাম সম্ভবত অশুভ সংকেত পড়ে ৩ রাত না ঘুমায় আছিলাম; তখন কাউরে প্রথম দেখলে মনে হইতো এর হাতে কি রেখা আছে
কিন্তু আমি তাদের এই বৈষম্যমূলক আচরনগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ।
------------------------------------------------------------------------
শুধু কৃতজ্ঞতাই না। একটু বেশি ভালোবাসা, একটু বেশি কেয়ার। এই ভাবেও ভাবতে পারেন। :) পোষ্ট ভালো লাগছে।
তাও ভাবা যায় ভাবতে তো দোষ নাই, ভাবনার স্বাধীনতা বলে কথা; ধন্যবাদ
অযাপিত জীবনের আকাঙ্খার গফ শুন্তাম্ছায়
আমারো কইতে মন্চায় কিন্তু আফসোস
বাপের মাইর খাইছি বইলা মনে পড়ে না...সব মাইর মা-ই দিছে
এইটাও একটা বৈষম্য।
হ, ভাঙ্গা ঠিকই কইছে। কিন্তু এত মাইর খাওনের পরও সব আহ্লাদ আর আবদার কেন শুধু মায়ের কাছেই থাকতো, বাপেরে কিছু কইতাম না এইটাও একটা বৈষম্য হইলেও হইতে পারে।
আপনি ভাগ্যবান মায়ে গো মাইরের তো লিমিট থাকে, হাত ও নরম থাকে অল্পক্ষন মারামারি কইরা টায়ার্ড হইয়া যায়,
আপনি ভাগ্যবান কারে কন বুঝিনা। মা'য় আমারে চেলা কাঠ দিয়া পিটাইছে, পিটাইয়া গলায় পাড়া দিছে... হ, তারপর হয়তো টায়ার্ড হইয়া গেছিল নইলে এই কমেন্ট কর্তেপার্তাম না।
আপনে মনে হয় কিন্চিৎ অভাগা অথবা ব্যাপক জিনিষ (এইটা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি):
আমার মা যদিও মারামারি-বকাবকির বিপক্ষে ছিল তাও একবার আমার ভাইরে খুব মারছিলো ; তারপর রাত্রে আমার মা আমার ভাইরে কয় আমি যে মারছি ঐটা ভুইলা যাও টাইলে ব্যাট/বল কিছু একটা দিমু এরপর থিকা আমার ভাই কিছুদিন পরপরি কইতো তুমি যে আমারে মারছিলা আমি ভুলিনাই অমুক জিনিষ কিনা দিলে ভুইলা যামু
মাথার উপর দিয়া গেল কাক্নাফা।
কইতে চাইলাম আপনে নিঃশ্চই দুষ্টের শিরোমনি লংকার রাজা আছিলেন আর মায় মারছে দেইখা চ্যালাকাঠ দিয়া মারছে বাপে চ্যালাকাঠ পিঠেই ভাঙতো আর মায় গলায় পারা দেওয়ার পরো ব্লগলিখতেপারতেসেন বাপে পারা দিলে এত দিন ওপরওয়ালার পেয়ারা হইয়া যাইতেন
ও এই কথা! টিউবলাইট বইলা আমার দূর্ণাম আছে।
নাহ তেমন কিছুই ছিলাম না। যা ছিলাম তা হইলো ডামিশ, মাথায় ঘিলু ছিল না। আমার মা বড়ঘরের কন্যা ছিল, কপালের ফেরে গরিব খানদানী ঘরে বিয়া হইছে। নিজের অভাগ্য তাকে হয়তো পীড়া দিত, তার উপর আমার ডামিশ এক্টিভিটি তার মাথায় রক্ত উঠানোর জন্য হয়তো যথেষ্ঠ ছিল।
তারপরও মা'রে আমি ছাড়ি নাই।
আপনি যেটা বলতেসেন সেটা অনেকক্ষেত্রেই ঘটে
কত কথা বলে রে!!!
কৃতজ্ঞ ক্যান কয়া ফালান!! বিস্তারিত!!!
দেখেন বাপের বাড়িতে টূকটাক বৈষম্য হইলেও বিবাহের পর কি হয়?!!! মেয়েরা তো জামাই এর সাথে পুরাই বৈষম্য করে !
(
সিনেমা-নাটক ছাড়া মেয়েরা জামাই এর সাথে পুরা বৈষম্য করে এইটা চোখে পরে নাই আসলে
আপনার স্মৃতি শক্তি তো প্রখর।
ধন্যবাদ তবে প্রোপোজিশনটা ভুল
"শৈশবে ভালো লাগে ক্যারাম-ডাঙ্গুলী, কৈশরে চেপে ধরে সুনীল-গাঙ্গুলী"
কাঁকন দেখি বেশ ভাল ছন্দমিলিয়ে কবিতা লেখে।
আপু ঐ লাইনটা চন্দ্রবিন্দুর গান থিকা কোট করা
এইসব লেখা পড়লেই মন উদাস হয়।আজকাল এমন সব লিখছে সবাই পড়ে মন অস্থির করে ঘুরে বেড়াই।গানের লাইনটা মনে ধরলো।ডাঙ্গুলী খেলছেন কখনো?আমি খেলছি।চাচাত ভাইদের সাথে। মজার খেলা। মারবেল খেলছি ভাই দের সাথে।এখন কেউ খেলে না। জন্মাইয়া বড় হয়ে যায়।
ধূর এই বয়স ভালো লাগে না।
ডাঙ্গুলী খুব কম খেলছি, মার্বেল খেলছি প্রচুর, আরো কত কিছু কুতকুত, ইচিং বিচিং, ফুলটোক্কা, ওপেন্টি বায়োস্কোপ, দাঁড়িয়া বান্ধা, বৌচি, বরফ-পানি .......... এখনকার পোলাপাইনতো ডি-এক্সবল, কমান্ডো এগুলাখেলে
এখন পোলাপান শৈশব কি বুঝে না। যা কইলেন সব খেলছি। ভাইদের সাথে ফুটবল খেলতাম বৃিষ্ট হলে যখন মাঠে পানি জমতো। বিলে যখন শাপলা ফুটতো কলার ভেলায় করে যেতাম সবার সাথে।সাতার জানি না তাই ভয়ে কুঁকড়ে থাকতাম।অামার ভাই বোনরা গাছের উপড় থেকে লাফ দিয়ে নদীতে পড়তো,আমি গাধা বসে বসে দেখতাম।এই একটা সাহস হয় নাই কখনো।পানিতে নামা খুব ভয় পাই।শক্ত করে কাউরে ধরে থাকতে হয়।
কি যে মনে করাইলেন!
ফুটবল খেলিনাই, অল্পকিছুদিন ক্রিকেট খেলছি ভাইগো সাথে, আমি সাঁতার জানিনা কিন্তু নৌকায় উঠলে সেইটা মনে থাকতোনা, তবেগাছের ওপর থিকা পানিতে লাফানোর সাহস হয়নাই সম্ভবত ঐটার পূর্বশর্ত সাঁতার জানা
জমজমাট একটা ছোটবেলা কাটাইছি। যেটা মনে পড়ে বারবার, ফিরে পেতে ইচ্ছা করে।সেজন্য বোধহয় এখনো বয়স হৈছে যে ই ভাবটা নিতে পারি না।
ভাব নেয়ার কি দরকার; মামী/চাচি হইলে আপ্নেই ভাব চলে আসবে
একটা সিরিয়াস কমেন্ট করি কাকন্দি
আপনার লেখালেখিতে সিরিয়াস হওয়া উচিত । আপনার হাত আছে । এইটা নষ্ট করা উচিত হবে না
বানানের অবস্থা একটু খারাপ খালি
----------------
আর আমার কাহিনিও কমবেশি একই টাইপ ---------
হ সিরিয়াস কমেন্ট ঠিকাছে। লেখালেখিতে সিরিয়াস হওয়া উচিত। তয় এরাম হাবিজাবি পোষ্টও দেয়া উচিত। আর বানান, ঐটা নিয়া টেনশন নিয়েন না। আমিও নিই না। এপু আর নুশেরাপু এরা থাকতে বানাম ভুল হইতেই পারে না।
আরে ধুরো রাকিব ভাই - আমি কি এই পোস্ট না দেয়ার কথা বলছি নাকি
আমি বলছি - এই পোস্টগুলাতে যে রকম টেনে নেয়ার পাওয়ার আছে সেইটা ইউজ করা উচিত , গদ্যে প্রমিজিং লেখা তার । লেখায় প্যাশন আনলে ইট উইল বি গ্রেট !
আর বানানে ইদানিং আমি অনেক বকা খাইতেছি
বাট কাকন্দির বানান ভুলগুলা অনেক ক্রিয়েটিভ - আই লাইক
টিভি/সিনেমায় অনেক পার্শঅভিনেতা থাকে যাদের দেখলে মনে হয় এরা মূল চরিত্রে দারুন
করতো ;
কিন্তু কোন সময় মূল চরিত্র করলে আরভালো লাগে না;
আমি সিরিয়াস লেখা-লেখি করলে ব্যাপারটাসেরকম হবে
কাঁকনের লেখা পড়তে গিয়া আমার কোনদিন বানান কিম্বা টাইপো নজরদারীর ইচ্ছা হয় নাই...আসলে অন্তর থেইকা লেখা হইলে তার টানটা অন্যরকম লাগে...
ধন্যবাদ ভাস্কর দা
বৈষম্য না বইলা কেয়ারিং বলতে ভুট কর্লাম।
অযাপিত জীবনের গল্প ভাল্লাগছে, দিন্দিন বুড়া হইতেছি এইটাই আপ্সুস।
অটঃ আপ্নেরে স্ক্রিপ্ট রাইটার বলিনাই। আসল যারা স্ক্রিপ্ট লেখে তাদেরই বলছি
বৈষম্য না বইলা কেয়ারিং বললে ঐ কেয়ারিংনেসের পেছনের কাহিনীটা হালকা হয়ে যায়
গো চারণের মত ইসমিরিতি চারণ কর্তেছো বড়? আহারে ইসমিরিতি তুমি বড় বদনা
হ
পুলাপান বয়সের কথা আবছা মনে পড়ে। বহু বয়স হইছে তো তাই
আপনার আর বয়ষ; আপনি হইতেছেন বাংলা ব্লগের দেভ আনন্দ চিরবালক
থ্যাংকু
আমার বাবা আমাকে কখনো মারে নি, একবার শুধু জোরে ধমক দিয়েছিল। সে কারণে দুই দিন কথা বলি নি!
মায়ের হাতে প্রচুর মার খেয়েছি, সেটা আবার কৈশোরের আগে। তবে আমাদের পরিবারে সবচেয়ে বেশি আদর পেয়েছে আমার বড় দিদি। এরপর ভাইদের মাঝে আমি!
===================
তোমারে অদ্ভুত মনে হয়, বারবার।
সব মামুষি অন্যের চোকে কিন্চিৎ অদ্ভুত
১) অযাপিত জীবনের কথা ভুলে যাবার ক্ষমতা পর্বতপ্রমাণ হওয়া চাই
২) আমরা আট বান্ধবী একটা সময়ে অবিচ্ছেদ্য ছিলাম... একসঙ্গে একই বাসে উঠবো নইলে না- এমন সিদ্ধান্ত থাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাটিয়ে দিতাম... হাসতে ভালোবাসতাম ভীষণ, জীবনের যাবতীয় তুচ্ছতায় দাঁত বের করে হাসার উপাদান খুঁজে পেতাম... ভাগ্যক্রমে আটজনের জীবনেই বিচিত্র সব দুর্বিপাক এসেছে মাত্র কয়েক বছরেই... এখন আমরা কেউ কারো সাথে যোগাযোগ রাখি না
৩) হুঁ
৪) ভূমি দফতরে এক সিনিয়ার অফিসারের অধীনে ট্রেনিং নিতাম, অদ্ভুত সব দার্শনিক কথাবার্তা বলতেন। তার একটা হলো, আমাদের দেশে ভাইয়েরা বোনদের কতো ভালোবাসে তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ হইলো আরওআর । র্যান্ডমলি ১০০টা আরওআর নিলে দেখা যাবে অন্তত ৯০টা পরিবারে কোন মহিলা সদস্য নাই (জমির মালিকানা সংক্রান্ত একরকম দস্তাবেজ যার নাম "রেকর্ড অফ রাইটস")
৫) ভালো থাকাটা একটা ভ্রান্ত ধারমা তবু ভালো থাকলে ভালো লাগে
১)যাপিত / অযাপিত সব জীবনের কথাই ভুলে যাবার ক্ষমতা পর্বতপ্রমাণ হওয়া চাই আপু; তবে আমার গুরুত্বপূর্ন দিন তারিখ (জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী)ভোলার ক্ষমতা পর্বত প্রমান।
২) জীবন যেখানে যেমন
৩)সে যে আমারে ভালোবাসে এইটা যে আমি বুঝছি সেটা হয়তো তারে জানানো হবে না, সে শুধু শুনবে মায়েরে করা অনুযোগ বাপী আমারে দুই চোখে দেখতে পারে না, ব্লা ব্লা ব্লা
৪) কোন ভালোবাসাবাসি ই স্বার্থপরতার উর্ধে না
৫) "ভালো থাকাটা একটা ভ্রান্ত ধারমা তবু ভালো থাকলে ভালো লাগে" -- বাণীচিরন্তনি তে স্থান পাওয়ার মতন মন্তব্য হইছে
নুশেরা আপার ৪ নং এর মর্তবা টা বুঝতাম পারলাম না... একটু বিশদ কইরা কইলে ভালো হইত...
জেডি এত মন খারাপ লেখা লেখেন ক্যা??? ...
মর্তবাফর্তবা কিছু নাই ভাইডি। সবতে ভাইবইন নিয়া কতা কয়, আমি পার্টিসিপেট কর্তারিনা কারণ আমার নিজের ভাই নাই, তাই শুনা কথা একখান ছাড়লাম আরকি
কেন! ব্লগেতো আপনার বান্দর ভাইডির অভাব দেখিনা।
হ সেইটা ঠিক
অযাপিত জীবনটা আসলে ফষ্কাইয়া যাওয়া বড় মাছটার মত...খুতখুতামিটা আর কাটে না ।
আপনের মা যে আপনারে বগলদাবা কইরা সাথে নিয়া যাইতো সেইটা তো আসলে একরকম ভয় বা শঙ্কা থিকা ।
আমার তো মনে হয় নারীদের প্রতি সম্মানটা আরও বেশি দরকার । তাইলে স্বাধীনতা এমনি এমনিই আসবে...
ধন্যবাদ আপু; অযাপিত জীবনটারে আসলেই ফস্কায় যাওয়া বড়মাছ মনে হয়
এইডাতো দেখি আগে পড়ছি, আফসোস, আজকাল কিছুই মনে থাকে না।
স্মৃতি বর্ধক ঔষধ খান
কাঁকনের লেখাগুলোতে ভীষন একটা সততা আছে, পড়তে ভীষন ভালো লাগে।
ধন্যবাদ আপু ; ভালো থাকবেন
মন্তব্য করুন