আজকের হাবিজাবি "ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মোটি"
১)
"বহুদিন আগে নাকি ছিলো ভগবান, ধনুকেতে টান দিয়ে ছুড়ে দিত বান
কথা নাকি শুনে তার সব হনুমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে দিয়ে দিত প্রাণ
_____________ প্রজারা তাকে কত করে সম্মান
তাই সীতা সতী কিনা করতে প্রমাণ প্রজাদের অনুরোধে আগুন জ্বালান"
হে বিশ্বাসভঙ্গের দেবী, অবাধ্যতার দেবী (promiscuity and disobedience) তোমাকে অভিবাদন।
বেশ কিছুদিন আগে লিলিথ কে নিয়ে একটা পোস্ট পড়েছিলাম, কার পোস্ট মনে না থাকায় পোস্ট টা খুঁজে বের করতে পারলাম না। আজকে শয়তান নিয়া ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে লিলিথ এর কথা মনে পড়লো। লিলিথ কে নিয়ে পোস্টে যেটা লেখাছিলো এবং গুগল করে যা পেলাম মোটামোটি এরকম:
জিউস পুরান অনুসারে লিলিথ আদমের প্রথম স্ত্রী যাকে আদমের মতনই মাটি-পানি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছিলো। তাকে স্বর্গের বাগান থেকে নির্বাসিত করা হয় (বান মারা হয়, সুলায়মানি বান) আদমের শ্রেষ্ঠত্ব অস্বীকার করায়, তার অধীন হতে অস্বীকার করায়, স্পেশালি লাভমেকিং এর সময় নীচে থাকাতে রাজি না হওয়ায়। আদমকে উপহার দেয়া হয় নতুন স্ত্রী যাকে আদমের পাঁজরের হাড় থেকে তৈরীকরা হয়, হাওয়াকে আদমের বুকার পাঁজর থেকে তৈরী করা হয় যেন হাওয়া তেড়িবেড়ি করতে না পারে।
স্বর্গ থেকে নির্বাসিত হবার পর লিলিথ ডাইনী টাইপ চরিত্রে পরিণত হয়, যে রোগ-জ্বরা, মৃত্যু নিয়ে আসে মানুষের জন্য। পুরাণে বর্নিত আছে লিলিথ কিভাবে গভীর রাত্রে জিউশ বেবীদের ধরে ধরে খেয়ে ফেলত। লিলিথ - অবাধ্যতা এবং বিশ্বাসভঙ্গের প্রতীক। যদিও এখন অনেক ফেমিনিস্ট লিলিথ কে পজিটিভ লি দেখে থাকে যে পুরুষের সমান হবার দাবী উত্থাপন করেছিলো -- পৌরাণিক ইতিহাসের প্রথম নারীবাদী।
http://www.art.net/~schong/lilithmyth.htmlÂ
বাইবেল বা পরবর্তী ধর্মগ্রন্থগুলোতে লিলিথ এর অস্তিত্ব নেই। পৃথিবীর প্রথম নারী-পুরুষ -- মাটি-পানির আদম এবং আদমের বুকের পাঁজরের হাওয়া। কখনো কোন মাতৃতাণ্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থায় নারী শাসিত সমাজের নারী ঈশ্বর ইভ এর বুকের পাঁজর থেকে কোন আদম তৈরী করছিলো কিনা আমার জানা নেই। কিন্তু এমন হতেই পারে যে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা থেকে যখন পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থার দিকে এগুচ্ছিলো তখন সেই পরিবর্তনের ত্রৈধবিন্দুতে পুরোপুরি না হলেও কিছুটা ক্ষমতার সাম্য অবস্থা ছিলো, সেই সময়কার মানুষরা যখন আদি পিতা-মাতা এর কথা চিন্তা করেছে তাদের আদি পিতা-মাতা সমান-সমান ই ছিলো। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থার প্রসারের সাথে সাথে মুছে গেছে আদি নারী লিলিথ, পুরুষ পৌরহিত তার বুকের পাঁজর থেকে তার অভিরুচীতে গড়েছেন ইভ কে। আর একবারেই তো ভ্যানিশ করে দেয়া যায় না তাই কলংকিত করেছে লিলিথ এর অধিকার আদায় এর সংগ্রামকে, মানুষ হবার দাবীকে, লিলিথ কে মুছে ফেলার আগে দরকার হয়েছে শিশুরক্ত পানকারী, অবাধ্য, বিশ্বাস ঘাতিনী লিলিথ এর চরিত্র চিত্রন।
"ব্যালকনিতে এসে কে স্বচ্ছরাত্রিবেসে রোমিও জমিও হে ডায়লাগ মারে বাগান ঘেঁষে"
আজকের দিনে যে বালক বালিকাকে টিজ করার কারন বালিকার চলনে-বলনে খুঁজে পায় সেতো এই পুরুষ ঈশ্বরের ই সৃষ্টি তার আর দোষ কি।
২)
প্রথমেই ব্যাবহার করা "বহুদিন আগে ...................আগুন জ্বালান" শিলাজিৎ এর গান।
"ব্রহ্মা ... জানেন ----------------ব্যালকনিতে এসে" -- চন্দ্রবিন্দুর গান।
লিলিথ নিয়া কচকচানির কারন লিলিথ সম্পর্কে আরো জানতে চাই, লিলিথরে পছন্দ হইছে, ব্লগাররা যা জানেন জানাবেন বাংলায়।





ব্রহ্মা ...
পুলাপাইন্রে কি আতেল রুগে পাইসে নাকি ভাবতেসি ...
কাকনার ডা অবশ্য এপু'র লেখার মত এত সহজ(!!) হয় নাই ...দাত মুখ ফুটাইতে পারসি ...
আমার শব্দ ভান্ডার সীমিত ইচ্ছে থাকলেও এপুর মতন সহজ করে লিখা সম্ভব না; করলাম ই না হয় একটু আতলামি একদিন;
লিলিথ এর কথা সবার সাথে শেয়ার করতে মনচাইলো
"লিলিথ আদমের প্রথম স্ত্রী"
এইটা এক্কেবারে বাহুল্য! আদমের কোন দ্বিতীয় স্ত্রীর সুযোগ ছিল না। ঈশ্বরই সেই স্কোপটা রাখেনি। 'প্রথম স্ত্রী' কথাটা তাই অবান্তর।
তবে তসলিমা নাসরিনের ঘাড়ে লিলিথের ভুত আছে কিনা ভেবে দেখা যায়।
ঈশ্বরের বরাবর ই জয়ীদের, পরাজিতরা সবসময়ি পাপী
অতি অতি পৌরানিক কাহিনীতে একজন লিলিথ ছিলো অপেক্ষাকৃত কম পৌরাণিক কাহিনী তারে স্বীকার করে না, কেন কিভাবে লিলিথ মুছে গেল সেই ব্যাপারে আমার ভাবনা শেয়ার করতে চাইছি।
আর বাহুল্য হিসেব করলে আদম-ইভ সবি বাহুল্য।
তসলিমারে নিয়া ফাজলামো ভালো লাগে না; যে দেশে নিজামির গাড়িতে পতাকা ওড়ে সেই দেশে তসলিমার স্থান হয় না; তসলিমার অনেক কিছু অনেকের খারাপ লাগতে পারে কিন্তু মূল্যটা তসলিমা বেশিই দিসে
জগতটাই হলো বিজয়ীদের। পরাজিতের কোন রাষ্ট্র নেই।
তসলিমাকে নিয়ে সিরিয়াস না হয়ে ফানে থাকাই নিরাপদ। কারন তসলিমাকে নিয়ে সিরিয়াস হওয়া লোকজন(পক্ষের + বিপক্ষের) প্রচুর শব্দের, শ্রমের অপচয় করেছে। রক্তক্ষয়ও হয়েছে বেহুদা। কিন্তু দুপক্ষই বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে তসলিমার চেয়ে নিগৃহীত কিন্তু খ্যাতির প্রতি নির্মোহ প্রগতিশীল নারী বাংলাদেশেই আরো অনেক রয়ে গেছে। তাদের নিয়ে কোন যুদ্ধ নেই। তসলিমাকে আর যাই হোক খ্যাতির প্রতি নির্মোহ নারী বলা যাবে না।
আপনি নিজেও তো সিরিয়াস কথাই বললেন; যারাসর্বসংহা ধরিত্রির মতন যুগ যুগ সব সৈহ্য কইরা উত্তর পুরুষরে সৈহ্যশক্তি যুগাইছে তারা তো নিগৃহীত হইবই, তাদের চেয়ে একজন ফোঁস করে ওঠা তসলিমা আমার কাছে বেশি গ্রহনযোগ্য; যে নিজে নিজের জন্য লড়েনা তার জন্য যুদ্ধ কে করে বলেন; তাদের জন্য আহাউহু আর তাদের দেইখা সৈহ্যকরতে শেখ বলাটার মধ্যেই সব শেষ;
খ্যাতির প্রতি মোহ থাকাটা খুব দোষের কিছু মনে হয় না আমার কাছে।
ভালো থাকবেন
লিলিথের নাম এই প্রথম শুনলাম। হাওয়ার আগেও কেউ ছিল সেইটাই জানতাম না।
লিঙ্কটা কাজ করে না তো।
http://www.art.net/~schong/lilithmyth.html
কেন যে কাজ করে না; আবার দিলাম। কপি করে এড্রেস বারে প্রেস করুন অথবা lilith লিখে গুগল করুন
লিলিথ এর নাম শুনাইতে আম্রার পূর্বপুরুষ চায়নাই; নাম মোছামুছি হাসিনা-খালেদার ইউনিক আবিষ্কার না; অতি প্রাচীনকাল থিকা চলে আসতেসে
লিলিথের কাহিনী ভাল্লাগলো ।
ধন্যবাদ আদ্রোহ;
আরে , এমনি কইসি, লিলিথের কাহিনী ভালা লাগসে ...তয়, এপু'রা যে এরকম শব্দ কেমন মনে কইরা কইরা লেখে এইটা আমার কাচে বিরাট বিষ্ময় ...
এপু রেও এই কুচ্চেন কইরা আসছি ...দেখি কি জবাব দেয় ...
খিক খিক খিক; মনে হয় বাংলা ডিকশনারী নিয়া বসে তারপর সবচাইতে কঠিন কঠিন শব্দ বাইছা বাইছা বের করে;
পুরান কাহিনী পড়তে ভালই লাগে।
অফটপিকঃ ইদানিং আপনারে আতেঁল টাইপ পোষ্ট দিতে দেখা যায় , মন খারাপ নাকি ?
নাহ মন ভালো ;
আসলে হঠাৎ ই লিলিথ এর কথা মনে পড়লো, খুঁজে পেলাম না পুরোনো পোস্ট টা তাই গুগল করলাম গুগল থেকে জ্ঞান অর্জন করে মনে হল আপনাদের জ্ঞান ও বাড়ানো দরকার তাই পোস্ট লিখলাম
তসলিমারে নিয়া ফাজলামো ভালো লাগে না; যে দেশে নিজামির গাড়িতে পতাকা ওড়ে সেই দেশে তসলিমার স্থান হয় না; তসলিমার অনেক কিছু অনেকের খারাপ লাগতে পারে কিন্তু মূল্যটা তসলিমা বেশিই দিসে
এই কথাডা পছন্দ হইসে ...
ধন্যবাদ; সামু-আমু তে তসলিমারে নিয়া এত কচলানো দেখসি যে এখন ওরে নিয়া ফান ও পেইন লাগে
..সেমি অফ টপিক : দ্যা দা ভিঞ্চি কোড বইতে, ড্যান ব্রাউন একটা গোপন সংগঠনের রেফারেন্স দিয়া কৈছে, লাস্ট সাপারে জেসাসের একজন (প্রিয়তম জন) সঙ্গী ছিলো ম্যারী ম্যাগদালীন, যারে সে ওয়াইফ হিসেবে নিছিলো, এবং তার পরে, চার্চ প্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব ঐ ম্যারীর ই পাওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু পুরুষ তান্ত্রিক হাবিজাবীতে সেইন্ট পিটার জিৎছে আর ম্যাগদালীন পতিতা হিসেবে জায়গা পাইছে ইতিহাসে(ধর্মীয় গ্রন্থে)...নাইলে জিসাসের নাকি ইচ্ছা ছিলো, নারী জাতির মাধ্যমে...(এইটা বইতে ফিকশন না কৈয়া, ফ্যাক্ট কওয়ার চেষ্টা করছে..)
আমার অবশ্য সবি ফিকশন মনে হয় তবে ফিকশন গুলাতে যেসময় এই ফিকশন তৈরী হইছে সেইসময়কার মানুষের চিন্তাভাবনার একটা খোজ পাওয়াযায় আর কি
পাঁজর দিয়া বানাইয়াও লাভ হয় নাই। তেড়িবেড়া তো করেই। বৃথাই চেষ্টা।
হ; ব্রম্মা জানলেই কি আর সব জানে; ঠেইকা ঠেইকা শিখতে হয়; বুঝতে পারছে মাইয়ারা তেরিবেরি করবোই (বুকের পাঁজরো কিন্চিৎ ত্যাড়া, মেরুদন্ডের হাড় দিয়া বানান উচিৎ আছিল) তাই আপনারে বানাইছে
জানতাম না দিদি । এখন দেখতেছি ইন্টারেস্টিং কাহিনি
এই মিথ এর পিছনে একটা ক্রিমিনাল মাইন্ডসেট লাগছে । দেখি পড়ে -
ক্রিমিনাল মাইন্ডসেট বলতে কি বোঝাইলা বুঝি নাই ভাইঙ্গা বল:
নিধিরাম সর্দারের একটা কথা কোট করার লোভ সামলাইতে পারতেসি না
"এটা আসলে একটা যাষ্ট রম্য দিক দিয়া আলোচনা যে লিলিথ প্রথম নারি অধিকার নিয়া কথা বলছিল আর বিতাড়িত হইসিল গার্ডেন অব ইডেন থেকে।" />
www.somewhereinblog.net/blog/benqt60/28865952
www.somewhereinblog.net/blog/nidhiramblog/28746449
www.somewhereinblog.net/blog/akash1981/28945085
থ্যানকস; নিধিরামেরটা পড়ছিলাম আগে যতদুর মনে পরে ; তবে সবচেয়ে সুন্দর নিঃসন্দেহে আকাশ অম্বরের টা
আকাশ অম্বরের পোস্ট থেকে আরেকটু জানি এই মিথটা:
"কাব্বালাহ মরমিবাদে লিলিথকে দেয়া হয়েছে আরো গুরুত্ব। এক জায়গায়তো বলা হচ্ছে
লিলিথকে তৈরী করা হয়েছে এডামেরও আগে, পঞ্চম দিনে! আরেক জায়গায় বলা হচ্ছে,
লিলিথের উৎপত্তি এডামের মতন একই উপাদান থেকে। শেষ জায়গায় বলা হচ্ছে এডাম আর
লিলিথকে এমনভাবে তৈরী করলেন স্রষ্টা যেন নর ধারন করে আছে নারীকে।
নিজের অধীকার নিয়ে সচেতন, স্বাধীনচেতা এই লিলিথ সর্পরূপে পলায়ন করেছিল
ডেভিলের সাথে। শপথ করেছিল তার মায়া সে বিস্তার করেই যাবে এডামের বংশধরদের
মাঝে। হয়তোবা, ইভ’কে প্রলুব্ধ করে ঐ নিষিদ্ধ ফলটি খাইয়েছিল সর্পরূপী এই
লিলিথ!"
www.somewhereinblog.net/blog/akash1981/28945085
মিথলজির কাহিনী পড়তে খুবই ভাল লাগে। বিশেষ করে গ্রীক মিথলজি। কেমন জানি অন্য দুনিয়ার স্বাদ পাই।
লিলিথ নিয়ে আমি অনেক আগে কিছুটা পড়ালেখা করেছিলাম। কোন ডেফিনিটিব কিছুই পাইনি, একেকজন একেক রকম বলে। মিথলজির কাহিনী নিয়ে অবশ্য কোন গবেষণা করাও সম্ভব না, শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা নৈর্ব্যক্তিক থাকেনা, নিজের ধ্যান ধারণাই প্রকাশ পাবে।
সমাজকে মাতৃতান্ত্রিক বা পিতৃতান্ত্রিক হতেই হবে এই আইডিয়াটা ভাল লাগেনা। সমাজটা মানবতান্ত্রিক হওয়া উচিৎ। ইকুয়ালিটি হয়ত প্রতিষ্ঠা করা যাবেনা, কিন্তু ইকুইভ্যালএন্স (সমতুল্যতা) এবং ইকুইটি প্রতিষ্ঠা করা খুবই সম্ভব।
আমাদের ভালো লাগা না লাগায় কি আসে যায় বলেন; যতদূর জানি সমাজ ব্যাবস্তা মাতৃতান্ত্রিক বা পিতৃতাণ্ত্রিক যেকোন একটা ই ছিলো সব সময়; থিওরিটিক্যালি তো অনেক কিছুই সম্ভব।
আর মিথ তো মিথই; কিন্তু মিথ থেকে কেন লিলিথ হারায় গেল সেটাই ভাবতেছিলাম।
লিলিথকে নিয়ে আপনার জানা মিথ গুলো শেয়ার করলে ভালো লাগত
ভালো থাকবেন
সমাজতাত্বিকদের পিতৃতান্ত্রিক এবং মাতৃতান্ত্রিক সমাজের উৎপত্তি এবং কারণসমূহ নিয়ে ব্যাপক মতপার্থক্য আছে। কোনটা আগে কোনটা পরে এবং এখানে অনেকগুলো বিজনেস সাইকেলের মত সাইকেল অতিক্রম হয়েছে কিনা এসব নিয়ে ব্যাপক গোলমাল। কোন সিদ্ধান্তে আসা মোটামোটি অসম্ভব। অনেকের মতেই মাতৃতান্ত্রিক সমাজের পরবর্তীতেই পিতৃতান্ত্রিক সমাজের উৎপত্তি। যদিও অনেকে এর সাথে দ্বিমত করেন। নিউক্লাসিকালদের মতে মাতৃতান্ত্রিক সমাজের থেকে ক্রমবিবর্তনের ধারায় পিতৃতান্ত্রিক হওয়ার আগে মাঝখানে একটা সাম্যাবস্থা বিরাজ করত, যেটাকে আমি মানবতান্ত্রিক সমাজ বলতে চাচ্ছি। সেটাই মনে হয় সবচেয়ে ভাল ব্যবস্থা। কিন্তু অনেকের মতে মাতৃতান্ত্রিক সমাজের ব্যর্থতার জন্যই পিতৃতান্ত্রিক সমাজের উৎপত্তি, যদি সেটা সত্য হয় তাহলে খুব সহজে মনে হয়না আমরা পিতৃতান্ত্রিক সমাজ থেকে রেহাই পাব। উল্লেখ্য উন্নতবিশ্বে চরমভাবে পিতৃতান্ত্রিকতা বিরাজ করে, আমরা হয়ত সেটা ভালমতে খেয়াল করিনা। হিলারিকেও তার স্বামীর পরিচয়ে পরিচয় হতে হয়।
তবে আশা করতে দোষ কি। আমার ত মনে হয় অবস্থা এখন অনেক ভাল, হয়ত আর ১০০ বছরের মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করবে।
সমাজটা মানবতান্ত্রিক হওয়া উচিৎ। ইকুয়ালিটি হয়ত প্রতিষ্ঠা করা যাবেনা, কিন্তু ইকুইভ্যালএন্স (সমতুল্যতা) এবং ইকুইটি প্রতিষ্ঠা করা খুবই সম্ভব।
-------------
মনে হয় না দাদা । পেসিমিস্ট কথা হয়ে গেলো , তবু ---
@এপু,
পেসিমিস্ট হলে তো চলবেনা! আমার তো মনে হয় আমরা অবশ্যই ইকুইটি-বেইজড সমাজ গঠন করতে পারি। যেখানে প্রত্যেকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিংগ নির্বিশেষে তার সৃষ্টিকর্তা-প্রদত্ত ( বা প্রকৃতি-প্রদত্ত, যদি আপনি সৃষ্টিকর্তাকে না মানেন) সম্ভাবনার সর্বোচ্চ বাস্টবায়ন ঘটাতে পারবে। সমাজতন্ত্রকে মডিফাই করে হয়ত এই শতকেরই শেষভাবে এরকম সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি সমাজতান্ত্রিক না, যদিও একসময় সমাজতান্ত্রিক ধ্যান-ধারণা আমাকে প্রচন্ড আলোড়িত করেছিল। কিন্তু তবুও মডিফায়েড-ইকুইটিবেজড সমাজতন্ত্র মনে হয় এই সময়ে সবচেয়ে ভাল অপশন। মানুষ তো আস্তে আস্তে পরিপক্ক হবেই, এবং পরিপক্বতার শেষ ধাপ তো ইক্যুইটি-বেইজড সমাজ।
আমি প্রচন্ড স্বপ্নবিলাসি মানুষ, স্বপ্ন দেখতে ভাল লাগে। বিশেষ করে ইক্যুইটি-বেইজড সমাজের স্বপ্ন।
ক্রিমিনাল মাইন্ডসেট তো অবশ্য ই । মেয়েমানুষ নিজের অধিকার নিয়ে কথা বললে এবং পুরুষের মত মতো না চললে সেটা যে একটা বিধ্বংসী ব্যাপার - এবং সেই নারী যে দুনিয়ার জন্য একটা হুমকি - সো মেয়েরা এইরকম কথা যেন কখোনো না তুলতে পারে - তুললে তারে যেন প্রথমেই ডিসমিসের লাইনে ভাবা হয় - এই ধারণা এস্টাবলিশ করতেই এরে পরে ডাইনি হেন তেনে নামানো হইছে
এই জামানায় তো হাড় দিয়া তৈরি মেয়েরাও ত্যাদরামি করতেছে , নয়া মিথ আমদানি করা দরকার
এই জামানায় হাড়ের কিন্তু অন্য ব্যাখ্যা আছে; কই যেন পড়ছিলাম পুরাপুরি মনে নাই, থিমটাহইলো রোমান্টিসিজম, চিন্তাকর কত প্রেমময় চিন্তা থিকা ঈশ্বর পুরুষের বুকের হাড় থিকা নারী বানাইছে ; ঐ ব্যাখ্যাটা পড়ে আমার ভালো লাগছিলো; কি প্রেম কি প্রেম
হ কী প্রেম দেখাই যাইতেছে
-------
আপনি সামুতে আর লিখবেন না ?
সামুতে আর লিখবো না সেরকম কিছু ভাবি নাই; লিখবো না কেন; এখানকার পোস্ট একসাথে সামুতে পোস্টানো গেলে হয়তো এগুলাসবি ডুয়েল পোস্টিং হইতো কিন্তু এখান কার পুরোনো লিখা সামুতে পোস্টাইতে বাধো বাধো লাগে
হুমম তা ঠিক ।
কত কি অজানা!!
বুকের পাঁজর দিয়া বানানো। এইটা কথাটা জীবনে বহু শুনছি।ভরা যে জোড়া ত হইয়াই আসছে।বুকের পাজর দিয়া বানাইছে, যেখানেই যাক জোড়া মিলব।দাদীরে জিগাইছিলাম, যে তাইলে প্রেম কইরা যে বিয়া হয় এরা কেমনে জানে যে হেগোরে জোড়া মিলাইয়া দিছে?দাদী কয় কি কছ না কছ?সব আল্লাহ আগে থেকে ঠিক করে রাখে। আমি আসলে কিছুই বুঝি না, কোনটা লজিক, কোনটা শুধু বিশ্বাস!তাই লজিক মাথায় না এনে বিশ্বাস নিয়ে থাকি কখনো কখনো।
আমার নিজের ধারনা ঈশ্বরের কাছে যাওয়ার পথ টা ভক্তির ই; যুক্তির পথে ঈশ্বররে পাওয়ার দাবীটা আমার কাছে ভন্ডামি মনে হয়;
@কাঁকন, আমি তো যুক্তি দিয়েই ঈশ্বরের কাছে যাই। আমার কাছে তো মনে হয় বিশ্বাসের ভিত্তি হওয়া উচিৎ যুক্তিই। যুক্তিহীন বিশ্বাস তো অন্ধবিশ্বাস। ঈশ্বর যদি তার সৃ্ষ্ঠ মানবকে তার কাজের জন্য রেসপন্সিবল করে তাহলে তো যুক্তিই হওয়া উচিৎ একমাত্র মুক্তির উপায়। রেসপন্সিবিলিটি মানেই সেখানে যুক্তির অবতারনা। আর ভক্তির সাথে যুক্তির তো কনফ্লিক্ট থাকার দরকার নেই। ভক্তি কি যুক্তিভিত্তিক হতে পারেনা? কাউকে আমি অযৌক্তিক ভক্তি করব কেন? কেউ ভক্তি ডিজার্ভ না করলে তাকে ভক্টি করাটাই তো বরং ভন্ডামী মনে হয় আমার কাছে। তাই যুক্তিভিত্তিক ভক্তিই ঈশ্বরকে পাওয়ার একমাত্র পথ বলে মনে করি।
আমি জাফর ইকবালকে কেন ভক্তি করি তার পিছনে যুক্তি আছে। আমি গোআকে কেন ঘৃণা করি তার পিছনেও যুক্তি আছে। ঈশ্বরকে ভক্তি করার আগেও কি আমার কনভিন্সড হওয়া উচীৎ না যে সেই ঈশ্বর ভক্তি পাওয়ার দাবিদার? যুক্তিবিহীন অন্ধভক্তি বরং ধর্মান্ধতার আর অন্ধবিশ্বাসের জন্ম দিবে, সেখান থেকে আসবে ঘৃণা এবং জাতিবাদ।
আমি জয়িতাদির দলে;
ভক্তি কোন সময়ি যুক্তিভিত্তিক হয় না; ভক্তির প্রথম কথাই হল সমর্পন।
পড়লাম এবং পড়তাছি।
পড়তে থাকেন.......
লিলিথ নিয়া কচকচানির কারন লিলিথ সম্পর্কে আরো জানতে চাই, লিলিথরে পছন্দ হইছে, ব্লগাররা যা জানেন জানাবেন বাংলায়।
আমারো এক কথা এক দাবী
হ; কেউ কিছু কয় না
মন্তব্য করুন