অপেক্ষার ভবিতব্য
অচিরেই পৃথিবীর সকল খবরের কাগজ ভরিয়া যাইবে এই শিরোনামে যে, গতকাল এক স্বপ্নময় প্রত্যুশে আমাদিগের প্রত্যাশা নামক গাছখানা ভরে উঠিয়াছিলো ফুলে ফুলে। ঝাঁকে ঝাঁকে মধুলোভীরা ভিড় করিয়া পান করিয়াছিলো মধুকণিকা। তাই আজিকে এখনো তাহারা মগ্ন প্রত্যাশায়।
অচিরেই পৃথিবীর সকল দেওয়াল ভরিয়া যাইবে এই শিরোনামে যে, কাব্যকথার দৃশ্যরূপ চাই। কবিতার মতো রমনীগণ তাহাদের আলতো হাতে তুলিবে ছন্দের শস্য। তাহার পর চাঁদনি রাতে মগ্ন হইয়া শুনিবে প্রেমের গান। চুল উড়িবে বাতাসে, এলামেলো এলোমেলো।
অচিরেই পৃথিবীর সকল মানুষের হাতে থাকিবে চরকা। বিভিন্ন দলছুট বাতাস তাহাতে ছড়াইবে রঙের ঢেউ। কোনো এক ছোট্ট বালক সে চরকা লইয়া দৌড়াইয়া যাইবে তুলার মতন ভাসিয়া ভাসিয়া। পথ হারাইয়া আঁকাবাঁকা, এইগলি, ওইগলি, ভুলগলি।
অচিরেই পৃথিবীর সকল কবির চোখে নামিবে ঘুম। স্বপ্নের নীল আঁচলে তাহারা দেখিবে তারাদের ক্ষেত। প্রাণ ভরিয়া টানিবে কচুরি পানার ঘ্রাণ। কচি লেবুর মতন গন্ধ দিয়া তাহারা লিখিবে ইতিহাস। গড়িবে শতাব্দীর সবচাইতে সুন্দর ভাস্কর্য।
(১০.০৪.২০০৮)





অপেক্ষায় থাকলাম।
দেখা যাক কি হয়!
ভাষা ভাল্লাগছে।
আপেক্ষায় থাকলাম।
ভাবতে ভালোই লাগছে, সবাই গালে হাতদিয়ে, উদাস নয়নে অপেক্ষা করছে।
শব্দ চয়ন খুব চমৎকার!
সুন্দর
অপেক্ষায় থাকলাম।
দেখা যাক কি হয়!
মন্তব্য করুন