ঋণগ্রস্থ
ধার করে আর কতদিন চলা যায়?
আজ এরকাছে, কাল ওর কাছে
ধার করতে করতে পৃথিবীশুদ্ধ ডুবে গেছি
গলা সমান ঋণে।
কারো কাছ থেকে কথা ধার করি
কারো কাছ থেকে স্বপ্ন
বুনট শব্দের আদর কিংবা আলস্যের স্বরলিপি।
এখন আমার দুনিয়াশুদ্ধ পাওনাদার
তারা তাড়নাবিহীন দৃষ্টিতে
কেবলই আমার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়
পাক্কা কাবুলিওয়ালা সেঁজে ঝুলিভর্তি এগিয়ে দেয়
আগ্রহের সকল রসদ।
আমি বিনাসুদে ধার নেই জল, জনশূন্য পথ
অদ্ভুত সৌকর্যময় জীবনযাপন, আর
এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা
একা একা রাত।
আর করতে করতে আমি ডুবি-ভাসি ঋণের পাথারে
তবু ধার নেই, তবু হাত পেতে চলা
যেন মন্দ্র সমূদ্রের মন্ত্রমুগ্ধ পাড়ে
ওদের ধারের আমি এক চিরস্থায়ী প্রাপক।
(১৯.০৩.১১{c}MNI)





দারুন হইছে। আসলে মানুষ জন্ম মাত্রই পৃথিবীর কাছে ঋনী থাকে। সারা জীবন সে পরিবেশের কাছ থেকে শেখে।
উপলব্ধি দারুন।
সুন্দর চিন্তা। ভাল লাগলো কবিতা।
মন্তব্য করুন