হ্যালো ২০১১
সারা বছর দেশের জন্যে মন খারাপ থাকে। ঘোলা আকাশ, শীত, ঠান্ডা, মন খারাপ করা অন্ধকার বরফে দেশের জন্য আরো অস্থির লাগে। এই অন্ধকারকে কিছুটা মৃদ্যু করতেই বুঝিবা ক্রীসমাসে সব শপিং মল, বাড়ি, রেষ্টুরেন্টে, রাস্তায় প্রচুর টুনি বাল্ব ব্যবহার করা হয়। ক্রীসমাস এখানে পারিবারিক উৎসব। সবাই বাড়ি ফেরেন, মা – বাবা, নানী – দাদীদের সাথে দেখা করেন। খুব নিরিবিলি চুপচাপ। রাস্তায় ধরতে গেলে কোন লোক দেখা যায় না ক্রীসমাস ইভ থেকে সেকেন্ড ক্রীসমাস ডে পর্যন্ত। সবাই জেগে ওঠে আবার থার্টি ফাষ্ট ইভে। ক্রীসমাসের থেকে অনেক বেশি আনন্দ, উৎসব এবং খরচ হয় এইদিনে। বারবার একটি লাইন মাথায় ঘুরে, আজ থার্টি ফাষ্ট, আজ পশ্চিমের ঘরে ঘরে আনন্দ। সন্ধ্যে থেকে চারধারে ঠুস ঠাস, ফুশ শব্দ সাথে আলোর ঝলকানি। প্রতিটি দিন যেমনই লাগুক, এই একটি দিন নেদারল্যান্ডসে আমার খুবই আনন্দের দিন। মনে হয়, না খুব খারাপ নেই, বরং ভাবি ঠিকাছে। বারোটা এক মিনিটে কানে তালা লাগানো শব্দ করে চারপাশ থেকে আতশ বাজি পুরো আকাশটাকে ঢেকে দেয়। যতোদূর দৃষ্টি যায় সারা আকাশ কখনো লাল, কখনো সোনালী, কখনো সবুজ, কখনো বড় ফুল, কখনো কল্কা বা অন্যকিছু আকৃতি।
আগে খুব মন খারাপ হতো। এরা সারা দেশে যে পরিমান বাজি পোড়ায় আর শ্যাম্পেন ঢালে তাতে বাংলাদেশের মতো একটি দেশের সারা বৎসরের হয়তো বাজেট হয়। আতশবাজি এখানে অনেক দাম। আসে চীন, তাইওয়ান থেকে। কিন্তু এখন আর এতো তীব্রভাবে মন খারাপ হয় না। আমাদের কপাল আমাদের কপাল। আমরা গার্মেন্টসে আগুন লেগে মারা পরবো, বিল্ডিং হেলে মরে যাবো, বাসে পুড়ে মরবো এই আমাদের ভাগ্য। ওরা নিরাপদে বাড়ি ফিরবে, সবাই মিলে কিছু শ্যাম্পেন এর ওর গায়ে ছিটাবে, কিছুটা খাবে, সারা আকাশ আলো করে পুরো পরিবার পাশের বাড়ি মায় পাড়ার সাথে প্রতিযোগিতা করবে বাজি পুড়াবে এটা তাদের ভাগ্য। যার যার ভাগ্য। তাই পুরো মন দিয়ে থার্টি ফাষ্ট নাইট উদযাপন করি। পুরো এলাকা ঘুরে ঘুরে প্রথমে কিছুটা সময় ফায়ার ওয়ার্কস দেখি আর বাকি সময় জানালার পর্দা সরিয়ে বসে থাকি, আকাশের রঙ বদলানোর খেলা দেখতে বড়ো ভালো লাগে। এক মূহুর্তের মধ্যে একটি বড় সংখ্যার পরিবর্তন মনের মধ্যে বিশেষ আর কোন অনুভূতি আনে না। তবে অকারন একটা ভয় থাকে, কেমন যাবে এই সংখ্যাটি? জীবন ধারাপাতে অনেক সংখ্যা অনেক সুখ দুঃখের দাগতো রেখেই যায়। তখন সামান্য সংখ্যাটি স্মৃতিময় বিশেষ সংখ্যায় রুপান্তর হয়ে যায়।
তবে থার্টি ফাষ্টের দুশমন সব দেশের পুলিশ। এবারো মাত্র তিনদিন আগে সরকার বাহাদুর আতশবাজি বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছেন। যদিও অনেকেই পাশের দেশ থেকে চোরাই আতশবাজি নিয়ে এসেছিলেন আগেই কিন্তু সাহস করে পোড়াতে পারেননি। উঠতি বয়সের যুবা শ্রেণীকে এদেশের পুলিশও চোখে চোখে রাখে এদিন। এরা মাত্রা ছাড়িয়ে পান করেন এবং অনেক জায়গায় হল্লাগুল্লা করার চেষ্টা চালান। যদিও পুলিশের গাড়ি পাড়ায় পাড়ায় টহলে থাকে তারপরো খাপ ছাড়া কিছু মারামারি ঘটে যায়। সাধারনতঃ বার আর ডিস্কোতে মারামারির স্বাধীনতা মিলে কিছুটা সময়ের জন্যে। আতশবাজি পোড়ানোর সময় চূড়ান্ত সাবধানতা নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে ঘোষনা দেয়া হয় বার বার টিভি রেডিওতে। তাসত্বেও কিছু কিছু দুর্ঘটনা ঘটে যায়। হাসপাতালে সেদিন ইমার্জেন্সী বিভাগ সচল থাকে অনেক। বেশির ভাগ প্রাথমিক চিকিৎসায় ছাড়া পেলেও অনেকেই সারা জীবনের জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হন। অনেকেরই অংগহানি ঘটে। একটা জিনিসই শুধু ঘটে না। মেয়েদের ধরে টানাটানি করার সংস্কৃতিটা এখানে নেই। হয়তো ছোটবেলা থেকে একসাথে কো এডে পড়ে বলেই মেয়েদের প্রতি অশ্লীল আগ্রহ কম। মেয়েদের মধ্যে অবশ্য মেয়ে মেয়ে ভাবও কম। কিংবা এখানে একসাথে সবাই কুংফু, ক্যারাটে, জুডো শিখে বলে জানে ধরলে উলটো খেতে হবে। তাই প্রানের মায়ায় কেউ ট্র্যাসপাচ করেন না হয়তো।
এদিনে শপিং মলগুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকে। স্টক ক্লিয়ার সেল শুরু হয়ে যায়। কেনাকাটার ধুম চলে। পে করার লাইন লম্বা হয়ে এক কাউন্টার থেকে অন্য কাউন্টারে চলে আসে। অনেক দেশে আবার বক্সিং ডেও থাকে। যদিও অর্থনীতিবিদদের মতে ২০১১ সাল ২০১০ সাল থেকেও কঠিন যাবে। কানাডা, এ্যমেরিকায় নাগরিকরা অধের্য্য হয়ে ওঠছেন আস্তে আস্তে। তারা এ অবস্থা থেকে পরিত্রান চান। অবস্থার পরিবর্তন না হলে সরকার বিরোধী আন্দোলন কিংবা জ্বালাও পোড়াও শুরু হতে পারে। পশ্চিমের সরকাররা অনেকটা হুমকিতে আছেন। আমি ভাবছি যুদ্ধ যখন হবেই তাহলে লেটস ফাইট ডিসুম ঢুসুম। ইয়েস, ওয়েলকাম ২০১১ এন্ড ফাইট টু সারভাইভ।
তানবীরা
০২.০১.২০১১
ফটো কার্টসিঃ তানভীর হোসেন বন্ধুবরেষু










ছবিগুলো সুন্দর, ভাল লাগলো । পোস্টটি পড়ে আনন্দিত হলাম । আমরা মন্দ ভাগ্য নিয়ে জন্মালেও ওরা তো ভাল আছে ! ওদের আর দোষ কি ? তাই ওদের আনন্দে আনন্দ পাবার চেষ্টা আর কি?
''জীবন ধারাপাতে অনেক সংখ্যা অনেক সুখ দুঃখের দাগতো রেখেই যায়। তখন সামান্য সংখ্যাটি স্মৃতিময় বিশেষ সংখ্যায় রুপান্তর হয়ে যায়।'' অত্যন্ত আবেগী উক্তি, এবং একই সাথে আমাদের আবেগকে উস্কে দেবার মত ।
''মেয়েদের ধরে টানাটানি করার সংস্কৃতিটা এখানে নেই।'' তা'হলে তো দেখছি ওরা আমাদের চেয়ে অনেক পিছনে পড়ে আছে !
[চুপিচুপিঃ মনে হয় না খুব খারাপ নেই, একটি নেগেটিভ বাদ দিন ।
উপচে পরা ভীড়কে উপচে পড়া ভিড় করুন । 'ন' আর 'ণ' নিয়ে একটু সতর্ক হতে হবে । সাহস দিয়েছিলেন বলেই তো !]
আমি অত্যন্ত আবেগী মানুষ নাজমুল ভাই। তাই জীবনে কোন উন্নতি হয় নাই
আপনি নির্ভয়ে নিঃসঙ্কোচে আমার ভুল বলে যাবেন, আমি শিখবো। আমাকে তুমি করে বলবেন আপনি।
আর ন আর ণ এর খুব সীমিত ব্যবহার আমি জানি। আমাকে আপনি এর কোন নিয়ম জানলে জানান, প্লীইইজ।
ধন্যবাদ আলোকিত মন্তব্যের জন্যে
পরা হবে পড়া । আর 'ন' আর 'ণ' ব্যবহারের নিয়ম তো অবশ্যই আছে, তবে আমার জানা নেই, চোখে লাগে যখন তখন বুঝি ।
তুমি করে বললে 'আপন' মনে হয়, মনে হয় 'কত কাছের' । অনভ্যাসে কাছের মানুষও দূরে চলে যাচেছ । তবু চেষ্টা করবো ।
কোন পরা আর পড়া বলেছেন, বুঝি নাই। ধরিয়ে দেন প্লীইইজ
দ্রঃ মন্তব্য নং ১ শেষের উপরের লাইন (উপচে পড়া)
কিন্তু আমি যতোদূর জানি "পড়া" "পড়াশোনা" অর্থে ব্যবহৃত হয়
পরা= কেবল পরিধান অর্থে
পড়া= পাঠ, পতিত, পতন (ক্রিয়া, বিশেষ্যআর বিশেষণ)
মৃদু
ণত্ব-বিধান ঠিক রাখতে চাইলে দেখেন (কপি-পেস্ট করলাম)
১: তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ণ-এর নিয়ম
১.১ যুক্তব্যঞ্জনে ট-বর্গের বর্ণগুলির (ট ঠ ড ঢ ণ) পূর্বে মূর্ধন্য-ণ
ণ্ট (ণ+ট) ঘণ্টা, নিষ্কণ্টক, বণ্টন
ণ্ঠ (ণ+ঠ) অবগুণ্ঠন, উৎকণ্ঠা, লুণ্ঠন
ণ্ড (ণ+ড) কলকুণ্ডলি, ঠাণ্ডা, লণ্ডভণ্ড
ণ্ঢ (ণ+ঢ) ঢুণ্ঢি, ঢেণ্ঢন (তেমন প্রচলিত নয় এই শব্দগুলি)
ণ্ন (ণ+ন) অক্ষুণ্ন, ক্ষুণ্ন, বিষণ্ন
দ্রষ্টব্য
(১) ক্ষুন্নিবৃত্তি (ক্ষুৎ+নিবৃত্তি) এবং ক্ষুণ্নি শব্দের উৎস এক নয়। প্রথমটি সাধিত (সন্ধিজাত) শব্দ, যেখানে ৎ+ন=ন্ন (ন এর দ্বিত্ব) হয়েছে।
(২) ওয়ারেন্ট, কমান্ডার, পান্ডা যেহেতু বিদেশি শব্দ, এদের বানানে মূর্ধন্য-ণ হবে না।
১.২ ঋ, র, ষ এর পর মূর্ধন্য-ণ
ঋ বা ঋ-কারের পর
ঋণ, ঘৃণা, মৃণাল
র, র-ফলা, রেফ এর পর
অরণ্য, আহরণ, উদাহরণ
ভ্রূণ, মিশ্রণ, স্ত্রৈণ
অর্ণব, পূর্ণিমা, বিশীর্ণ
দ্রষ্টব্য
এই নিয়মানুসারে রেফ এর পর মূর্ধন্য-ণ হয় বলে তৎসম শব্দে "রেফ-যুক্ত দন্ত-ন" সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু সাধিত শব্দে (উপসর্গ, সন্ধি বা সমাসযোগে গঠিত শব্দ) এর ব্যতিক্রম দেখা যায়: অহর্নিশ (অহ+নিশ), দুর্নীতি (দুর্+নীতি, দুর্নাম (দুর্+নাম)।
ষ এর পর
অন্বেষণ, নিষ্পেষণ, ভাষণ
দ্রষ্টব্য
"ষ এর সাথে ণ যুক্ত" হলে, যুক্তবর্ণের চেহারা হবে ষ্ণ: কবোষ্ণ, বৈষ্ণব, উষ্ণীষ।
ক্ষ=ক+ষ, সুতরাং ক্ষ এবং ষ এর নিয়ম একই: ঈক্ষণ, তীক্ষ্ণ, সমীক্ষণ।
১.৩ একই শব্দে ঋ/র, র-ফলা, রেফ/ষ, ক্ষ/ এদের যেকোনটির পরে যদি
স্বরবর্ণ, ক-বর্গের বর্ণ (ক খ গ ঘ ঙ), প-বর্গের বর্ণ (প ফ ব ভ ম), য য় হ ং এই সব বর্ণের এক বা একাধিক থাকে, তবে তার পরে মূর্ধন্য-ণ হবে। এই নিয়মটি আসলে ১.২ এর বিস্তৃত নিয়ম।
রোপণ (র+ও+প+ন্), শ্রাবণ (শ+র+আ+ব+ন্)
দ্রষ্টব্য
ঋ/র, র-ফলা, রেফ/ষ, ক্ষ/ এর পরে অন্য বর্গের বর্ণ থাকলে মূর্ধন্য-ণ হবে না: দর্শন, প্রার্থন.
সন্ধিজাত বা সাধিত শব্দের ক্ষেত্রেও আগের মত ১.৩ প্রযোজ্য নয়: নিষ্পন্ন (নি:+পন্ন)।
শব্দের শেষ বর্ণটিতে হসন্ত-উচ্চারণ থাকলেও এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়: শ্রীমান্।
১.৪ সাধিত শব্দে মূর্ধন্য-ণ
সাধিত শব্দে ঋ, র ষ ক্ষ এর পর সাধারণত মূর্ধন্য-ণ হয় না। তবে বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য-ণ হতে পারে।
১.৪.১ পরি-, প্র-, নির- এই ৩টি উপসর্গের পর ণ হয়: পরিণয়, প্রণাম, নির্ণয়। [এটি আসলে ১.২ এবং ১.৩ কে অনুসরণ করছে]।
ব্যতিক্রম: পরিনির্বাণ, নির্নিমেষ।
১.৪.২ র বা র-ফলা'র পরপদে -অয়ন থাকলে এর ন মূর্ধন্য-ণ হবে: উত্তরায়ণ, চান্দ্রায়ণ, রবীন্দ্রায়ণ। [এটি ১.৩ কে অনুসরণ করছে: র+স্বরবর্ণ আ+য়]।
১.৪.৩ সাধিত কিছু শব্দে "র" এর প্রভাবে ন মূর্ধন্য-ণ'তে পরিণত হয়: অগ্রণী, গ্রামীণ। ব্যতিক্রম: অগ্রনেতা।
১.৪.৪ সাধিত শব্দ কোন কিছুর নাম বুঝাতে এক শব্দ বিবেচিত হলে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য: শূর্পণখা (শূর্প+নখা), অগ্রহায়ণ।
দ্রষ্টব্য
গণ ধাতু সহযোগে গঠিত শব্দ সমূহে ণ হবে: গণিত, গণনা, গণ্য; গণৎকার; গণশক্তি, জনগণ, গণসংগীত।
১.৫ নিত্য মূর্ধণ্য-ণ
অণু, কণা, কোণ,ফণা, বেণী, শাণ, কঙ্কণ, বাণ, ভণিতা, শোণিত, ঘুণ, বীণাপাণি, লাবণ্য, বিপণি, মাণিক্য, চাণক্য, গণেশ প্রভৃতি।
খাইছে আমারে
ধন্যবাদ
আমারেও খাইছে ! ধন্যবাদ জু.সি. অনেক ধন্যবাদ ।
আপনে তো কোন মজাই করলেন না। জানালার পাশে বসে থার্টিফাস্ট দেইখ্যা লাভ কি?
মজা করি নাই কোথা থেকে জানলেন? আমরা পার্টি করেছি এবারের থীম ছিলো ৮০' ইজ। শুক্রবারে অন্য সিটিতে গিয়েছি আর রোববারে ফিরেছি সন্ধ্যায়, পুরো ৪৮ ঘন্টা
কিন্তু আমি হলাম সেই পদার্থ, যে অনেক সময় অনেক ভিড়েও একলা। পাঁচজনের সাথে কথা বলার মাঝে হারিয়ে যাই দূরে কোথাও। অনেকেই ভুল বুঝেন। অহংকারী ভাবেন অনেক কিছু ভাবেন। আই এ্যাম অলওয়েজ লষ্ট সামহোয়্যার। এই গানটা জানেন
http://www.youtube.com/watch?v=A8eW49tdn54
আমি আবার হিন্দী গানের ভক্ত
বড়ই পছন্দের একখান গান দিলেন তানবীরা'প্পু। ধইন্যাপাতা উইথ শসা, কাঁচামরিচ এন্ড টমেটো।
যাই সালাদ বানাইয়া খাই।
ফেসবুকে টুটুল ভাইয়ের স্ট্যাটাস দেখেন , তার সাথে গানেরও লিঙ্ক আছে
শুভ নববর্ষ!
˛*˛°.˛*.˛°˛.*★ 2011 ★ HAPPY ★* 。*˛.
˛°_██_*.。*./ ♥ \ .˛* .˛。.˛.*.★* NEW *★ 。*
˛. (´• ̮•)*.。*/♫.♫\*˛.* ˛_Π_____.♥˛* ˛* ♥YEAR♥ ˛* ˛*
.°( . • . ) ˛°./• '♫ ' •\.˛*./______/~\*. *.*. 2011
*(...'•'.. ) *˛╬╬╬╬╬˛°.|田田 |門|╬╬╬╬╬*˚ .˛ ...★..
ধুর কি সব ছবি!!!!!!!!!!
হল্যান্ডের মাইয়ারা কেমনে আনন্দ ফুর্তি করে তার দুই/চারটা স্যাম্পল দিবেন না। আজিব।

আফায় নিজে সেইসব কিছু করলে তো দিবো। দেখেন্না ইকটু ফায়ারোয়ার্ক্স দেখসে আর ইট্টু জানালার পাশে বসছে খালি। আর কিছু করার সুযোগ পায় নাই।
হল্যান্ডের পোলারা যেমন আনন্দ ফুর্তি করে মাইয়ারাও তেমনই আনন্দ ফুর্তি করে। তবে তুমি বোধহয় ডিস্কো এলাকার কথা বলছো। আমি আজ অনেক বছর ডিস্কো এলাকায় যাই না। পুরাই গৃহবধূ
। মাইনাসে গৃহবধূদের সাজগোজের শ্যাম্পল তোমার আশা পূরন করবে না 
মেঘ মামণি আর তার বাবামাকে শুভেচ্ছা।
অসাধারণ লেখা। প্রিয়তে নিলাম বারবার পড়বো বলে।
প্রিয় বন্ধু আর তার পরিবারের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা। ভালো থাকুক তার সারা বেলা
নতুন বছরের আগমনের আবেশ পেলাম। হেপী নিউইয়ার।
হ্যাপী স্যাপী নিউইয়ারজী
ইয়েস, ওয়েলকাম ২০১১ এন্ড ফাইট টু সারভাইভ।
ইয়ুপ, বিনা যুদ্ধে নাহি দিবো সূচাগ্র জীবনী
ভালো মন্দের মিশেলের বছরের মত ভালো মন্দ দিয়ে দারুন পোষ্ট। যদি জানালা দিয়েই দেখব্বেন থার্টি ফার্স্ট , তাহলে বিদেশে রইছেন কেন? দেশে চলে আসেন ।
হাহাহাহাহা, দেশে আসলেতো অন্তত চটপটি খেতে পারবো আপনার সাথে, কি বলেন?
না শুধু জানালা দিয়ে দেখি নাই, আরো অনেক কিছু করছিও
কিন্তু সেই এক ঘন্টা জানালার পাশে না বসলে আপনি জানবেন না, জানালার পাশে বসে মন কোথায় হারায়
এই পোস্ট দেখে প্রথম যেইটা মনে আসল সেইটা হচ্ছে আমার ঘরে কোন ক্যালেন্ডার নাই
দুই বছর বাইরে থাকার পরেও এখনো ফায়ারওয়ার্কস দেখলাম না ... থাকি এক গ্রামের মধ্যে
বিদেশের এই একটা জিনিস আমার অত্যন্ত প্রিয়। না দেখে থাকলে সত্যিই মিস করেছেন। এ্যামেরিকায়তো ফোর্থ জুলাই হয় শুনেছি। প্লীইজ দেখে নিবেন।
গত ফোর্থ জুলাই দেশে ছিলাম, আতশবাজি থেকে অনেক আকর্ষনীয়! হে হে ... তবে সামনে আর মিস করব না ঠিক করছি ...
ছবিগুলা সুন্দর তাতাপু। নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
নতুন বছরের অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা জয়িতাকে। ফটোগুলো আমাদের এক বন্ধু তুলেছেন।
আতশবাজির ছবিগুলো চরম!
happy new year
˛*˛°.˛*.˛°˛.*★ 2011 ★ HAPPY ★* 。*˛.
˛°_██_*.。*./ ♥ \ .˛* .˛。.˛.*.★* NEW *★ 。*
˛. (´• ̮•)*.。*/♫.♫\*˛.* ˛_Π_____.♥˛* ˛* ♥YEAR♥ ˛* ˛*
.°( . • . ) ˛°./• '♫ ' •\.˛*./______/~\*. *.*. 2011
*(...'•'.. ) *˛╬╬╬╬╬˛°.|田田 |門|╬╬╬╬╬*˚ .˛ ...★..
তবে আমরা একটি বিষয়ে এখনো ভালো আছি আর সেটা হলো পারিবারিক বন্ধন। সম্ভবত পশ্চিমা দেশ বা উন্নত দেশগুলিতে এটার বড় অভাব শুনেছি। আর পজিটিভ নেগেটিভতো থাকবেই। শুভ নববর্ষ।
আমি বিদেশীদের পক্ষে কিছু বলছি না তবে পারিবারিক বন্ধন এবং সম্মান এখানেও অনেক আছে। আমাদের দেশে আমরা পছন্দ না করে প্রিটেন্ড করি অনেক কিছু যেটা তারা অনেক ক্ষেত্রে করেন না। আমাদের দেশে অনেক মা্নুষের আলাদা বাসায় থাকার সামর্থ্য নেই তাই এক বাসায় ঝগড়া করেই কাটিয়ে দেন জীবন। এখানে দেখা যায় আলাদা বাসায় থেকে সবাই মনের কাছাকাছি ভালো ভাবে থাকেন। সব শোনা কথা ঠিক না
শুভ নববর্ষ
স্বাগতম ২০১১।
স্বাগতম ২০১১।
আমরাও প্রতিদিন নতুন সূর্যের তাপ পাই, কিন্তু আলো পাই না।
শুভ নববর্ষ।
আমরা আলো তাপ কিছুই পাই না
শুভ নববর্ষ।
হ্যাপি নিউ ইয়ার আপু!! নিজের দেশ যতই গরীব বা নোংরা হোক, নিজের দেশে থাকার মত আনন্দ আর কিছুতেই নেই।

এই কথাটাই আমি কাউরে বুঝাইতাম পারি না বইন।
তাই লিজা? তুমি কি নিউইয়ারের রাতে তোমার পছন্দমতো পোষাক পরে হেটে হেটে ঢাকার রাস্তায় ফায়ারওয়ার্ক দেখতে পারো কিংবা পহেলা বৈশাখে? ছেলেদের থেকে বেশি মেয়েদের বাংলাদেশের বাইরে আসা দরকার। তবে বকলম ভাইয়ের মতো সৌদি যেয়ে ধরা খেয়ো না। সেটা হবে বাঘের থেকে ঘোঘের হাতে পরা
শুভ নববর্ষ।
হা হা হা হা .. ওয়েল সেইড তানবীরাপু।
আপু আমার প্রিয় পোশাক স্যালোয়ার কামিজ । রাতে হেটে এসব কখনো দেখিনি আমি । কিন্তু পয়লা বৈশাখে সারাদিন ঘুরছি ।

সমস্যাতো আছেই আপু । সমাধানও আছে । শুধু সমস্যা বইলা মন খারাপ করে বসে থাকলেতো হবেনা । তবে এমন একদিন আসবে যখন ছেলেমেয়ে সবাই একসাথে দাঁড়িয়ে আনন্দে শামিল হবে। সেখানে কোন অশ্লীলতা হবেনা। কোন বাজে কথা কেউ বলবেনা । মেয়েরা ছেলেদেরকে আড়চোখে বা ছেলেরা মেয়েদেরকে আড়চোখে দেখে মুচকি হাসবেনা। সমাধান আমাদের হাতেই। মনটাকে খালি শুদ্ধ করা । আর দিন দিন দেশে শিক্ষিতের হার বাড়তেছে। মানুষ আধুনিক হচ্ছে । সব ঠিক হয়ে যাবে আপু । আমাদের প্রজন্মের আমরা নাহয় রাতের আকাশে আলোর ফুলকি না দেখলাম । কোন না কোন প্রজন্ম তো দেখবেই ।
লিজা'রে মাইকে ধন্যবাদ। একদম মনের কথা কইছেন বইন। ক্রাইম কোন দ্যাশে নাই?!!! গ্রাম্য একটা প্রবাদ আছে "চোরের ভয়ে মাটিতে শোয়া"। চোর সব নিয়া যাইব তাই ঘরে আসবাব ও রাখতে নাই, এইটা যেমন বোকামী, তেমনি দেশের খারাপ অবস্থার দোহাই দিয়ে বৈদ্যাশ পইড়া থাকাও মানসিক দৈনতার লক্ষণ। দেশটা আমাদের, এইটারে বাসযোগ্য করা আমাদের দায়িত্ব। যে জঞ্জাল আছে সেটাকে পরিষ্কার করতে হবে, নাঁক সিটকালেতো চলবে না।
পরবাসীরা হৈলো না 'ঘরকা না ঘাটকা'। না পারে দেশে ফিরতে না পারে বিদেশী হইতে। কাকের ময়ুরপু্চ্ছ লাগানোর গল্পটা মনে পইড়া যায়।
(তানবীরা আপু, খোদার কসম এইটা আপনারে উদ্দেশ্য কইরা বলা না, যারাই বিদেশে আশ্রয় নিতে চায়, সবার প্রতি আমার একই ধারণা। এই ধারণা ভুলও হইতে পারে কারন Man is mortal = মানুষ মাত্রই ভুল
)
লিজা, তোমার কমেন্টটা খুবই ভালো লাগলো। খুব বেশি অপটিমিষ্টিক নও লিখেছো,
আমাদের প্রজন্মের আমরা নাহয় রাতের আকাশে আলোর ফুলকি না দেখলাম । কোন না কোন প্রজন্ম তো দেখবেই ।
কষ্টতো সেটাই। দুঃখের কথা দেখো, যতো আধুনিক লোকজন শিক্ষিত হচ্ছে ততো আধুনিক বদমায়েশি বাড়ছে। প্রভাকে দেখেছোতো? নিম্ন শ্রেণীর কেউ ইউনিভার্সিটির ছাত্রীর ওড়না ধরে টান দেয় না, দেয় সহপাঠি। যাহোক এসব আর নাই বলি।
বকলমদা, আপনার মন্তব্য আমি খুবই পছন্দ করলাম। শুধু ডিসক্লেমারটা করলাম না। ডিসক্লেমারটা দিয়ে আপনি আমাকে ফীল করালেন যে আমি এমন ঝগড়াটে যে আমার সাথে কিছু আলোচনা করা যায় না।
আপনি আপনার মত দিবেন আমি আমারটা, দুজন দুজনের থেকে কিছু শিখবো। এখানেতো ব্যাক্তি আ্ক্রমন হচ্ছে না, হচ্ছে ভিউ এক্সচেঞ্জ। আপনার যা বলার নিঃসঙ্কোচে বলবেন প্লীজ।
পরবাসীদের সংজ্ঞা ক্ষেত্র বিশেষে ভিন্ন হতেও পারে দাদাভাই। আমি পাঁচদিন দুবাই ছিলাম, ট্যুরিষ্ট হিসেবে। দুবাই বা মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে সব পরবাস যাচাই না করাই বোধহয় ভালো হবে। ধরেন অনেকেই এ্যামেরিকা থাকে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে, তাদের ঘরকা বা ঘাটকা অবস্থা বোধহয় না। আমার বাবা মা ভাইবোন যদি বাইরে থাকতেন তাহলে আমি কয়বার দেশমুখো হতাম, কে জানে?
আপনার স্ত্রী, মা, কন্যা আপনার পাশে থাকলে আজকে, কাজ থেকে বাড়ি ফিরলে যেমন লাগে তেমন অনুভূতিই থাকতো দাদা?
জীবনটা শুধু সাদা আর কালো নয় দাদাভাই, অন্যান্য রঙও আছে।
ভালো থাকবেন আর মনটা ভালো রাখার চেষ্টা করবেন
তানবীরাপু, আপনার মত এমন করে সবাই ভাবে না। আপনার সাথে এই বাতচিত আমি এনজয় করি, ভিউটা ডিফরেন্ট হতেই পারে, চাই পরমতসহিঞ্চুতা। নেক্সট টাইম নো ডিস্ক্লেইমার এই লন কথা দিলাম।
আপনি এক নন, অনেককেই দেখি আপনার মত একই মত পোষণ করেন। কিন্তু দেশটার জন্য কি একবারও খারাপ লাগে না?!!! দেশের প্রতি এই আবেগটাকি এতই ফালতু?!!
আরামে শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেছে তাই কষ্ট কষ্টই লাগে ভাইজান
(
হ্যাপ্পি নিউইয়ার।
হ্যাপ্পি নিউইয়ার মেজর
প্রবাসীনির নতুন বছর শুরুর ভাবনার আমেজটা পাওয়া গেলো লেখায়...
আপনার একটা জিনিস দারুন লাগে, সবগুলো উৎসব তাদের নিজ নিজ ভাবভঙ্গিমায় উজ্জাপন করেন, জীবনের আনন্দটা উপভোগের মন সবার থাকেনা, অনেকে সুযোগ পেলেও পারে না...
জেবীনকে অনেক অনেক অনেক নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
নতুন বছরে সকল প্রাণী সুখী হোক।
মুকুলের লাইন ক্লিয়ার হয়েছে দেখলাম ফেসবুকে।
মুকুলের বিয়ে হোক
মুকুল সুখী হোক
সুন্দর সব ছবি!
শুভ নববর্ষ ২০১১।
শুভ নববর্ষ ২০১১।
হ্যাপ্পি নিউইয়ার, তাতাপু
হ্যাপ্পি নিউইয়ার জানেমান
এই তথ্যটি আমার পছন্দ হলো খুব । আমাদের দেশেও এমন কিছু আছে । যেমন, আমার বড় বোন আর বড় ভাইয়ের ছেলেমেয়েরা সবাই আলাদা বাসায় থাকে (গোটা দশেক) - আমার দুটোও থাকে আলাদা বাসায় । আমরা চারটি ভাইবোন থাকি ঢাকায় - আলাদাভাবে । আমাদের মনের কাছাকাছি ভালো ভাবে থাকা দেখলে যে কেউ ঈর্ষান্বিত হতেই পারে !
আপনার খোলা আর ইতিবাচক মনোভাব আমার খুবই ভালো লাগলো। আপনার জেনারেশনের সবাই এমন হলে অনেক সমস্যা এমনিতেই অটো সমাধান হয়ে যেতো।
আপ্নে আজকে এত রাত হৈসে ঘুমান না ক্যান? কাহিনী কি?
৫.৫১ বিকাল। রাত পাইলেন কৈ? আপনের কাহিনী কি?
কাহিনী কিছুই না।কিছুক্ষন আগে মাসুমভাইয়ের সাথে কোলাকুলি করে আসছে।
আমার মনে হয় এটা আমারে বলতে চায়ছিলো কিন্তু ভুল জায়গায় লিখে ফেলছে।
হাহাহাহাহা প গে রাসেল
অন্যান্য দিনে আমাদের এখানে যখন রাত ৩টা/৪টা চলে তখন দেখি আপ্নে লগিন হন, তাই ভাবসিলাম এখনকার এই সময়টায় আপনার এলাকায় রাত চলে। যাউক্গা, বিকাল ছয়টা তো ভালো সময়। এ সময়ে ব্লগে বসার সময় পাইসেন কেমনে?
ঐটা সাধারন নিয়ম। এখন ছুটি চলছে তাই এখন উলটো পালটা নিয়ম
এবারতো দেখলাম বাংলাদেশেও অনেক জায়গায় ফায়ার অর্ক হইছে। গরীব বইলা কি আমাগো স্বাদ আহ্লাদ নাই ? শ্যাম্পেন না হোক, বাংলা খাইয়া আমরাও রাস্তাঘাটে হাউ-কাউ করি। হ্যাপি নিউ ইয়ার।
হ্যাপি নিউ ইয়ার।
হেপী নিউ ইয়ার। নতুন বছর আসলে মনে হয় আরো বুড়া হইলাম
হেপী নিউ ইয়ার। নতুন বছর আসলে মনে হয় আরো বুড়া হইলাম।
এবারের ক্রিসমাস কেনো জানি ঈদ ঈদ লেগেছে আমার কাছে। যদিও ক্রিসমাস আমি পালন করি না তবুও। চারপাশে সব কিছু মিলিয়ে। অনেক বছর পর পুরো অবসরে কাটলো ক্রিসমাস। আপনাদের ওখানের সাথে এখানকার অনেক মিল, তবে ক্রিসমাসে সারা শহর খালি হয়ে যায়।
আমারতো পুরাই ঈদ ছিলো। ২৫ তারিখ থেকে ২ তারিখ কখনো আমি মেহমান কখনো আমি হোষ্ট। ২ কিলো ওজন বেড়ে গেলো এই এক সপ্তাহে।
টেষ্টিং
টেস্টিং সফল ! বকলমের কষ্ট করে শেখানো স্বার্থক হলো ।
মন্তব্য করুন