আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন?
আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন। আজ শুক্রবার। সাধারনত আমাদের সবারই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর ছুটির দিনে আমাদের মোটামুটি সবার ঘরেই ভাল রান্না হয়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্দ্ব, খ্রীষ্টান সবার ঘরেই। বিশেষ করে এইদিনে দুপুরের খাবারটা আমাদের দেশে বেশ জেরেসোরে হয় - স্বামী স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, মা বাবা সবাইকে নিয়ে দুপুরে খেতে বসার মজাই আলাদা, এই আনন্দ বলে শেষ করার মত নয়।
আমার এমনি একটা পুরানো ইচ্ছা যদি এমন একদিনে আমরা বন্ধু'র সবাইকে নিয়ে এক দুপুরে খেতে বসতে পারতাম! চলুন, আপনাদের জন্য আমার আইটেম গুলো কি কি হতে পারে দেখে আসি।
আইটেম ১; দুই ধরনের ভর্তা। টমেটো পুড়িয়ে শুকনা মরিচের ভর্তা। সাথে টাকি মাছের ভর্তাও থাকবে।
আইটেম ২; কাঁচা মরিচ দিয়ে পুটিমাছ ভাজি।
আইটেম ৩; সৌল মাছের ঝোল, সাথে মটরশুটি থাকবে।
আইটেম ৪; টমেটো টক ঘন (মোটা হয়ে যাবার ভয়ে আজকাল অনেকে ডাল খেতে চায় না)
আইটেম ৫; দুই প্লেট সাবার করার পর মুরগীর গোসত দিয়ে আর এক প্লেট যদি পারেন, মন্দ কি!
আইটেম ৬; সাদাভাত (যত পদের তরকারী থাক না কেন, বাংগালীর ভাত না হলে চলে কি করে)
আইটেম ৭; এত কিছুর পরো যাদের মুখে রুচি আসবে না, তারা পোয়াজের সাথে কাঁচা মরিচ মেখে চারটা খেতে পারেন।
যে কোন সময় খেতে বসার আগে পানি আছে কি না দেখে বসুন।
বিঃদ্রঃ এবারে বই মেলায় এখনো যেতে পারি নাই। আমার ওয়াইফের একটা কথা শুনে আরো যেতে ইচ্ছা হচ্ছে না। গত কয়েকদিন ধরে তিনি বলেই চলছেন - মেলায় নাকি 'ফকরুদ্দিনের গুপ্ত রান্না সমুহ' নামক একটা বই বেরিয়েছে, সেটা অবশ্যই কিনতে হবে! সিদ্দীকা কবির থেকে মনে হয় এবার বের হয়ে যাবেন!





অবশ্যই অবশ্যই, মন্দ কি? না পারারও তো কোনো কারণ দেখি না।
মীর ভায়া, আপনি কি ধরা দিয়েছেন!
কাকা আইটেম-১ আর ২ বুক দিলাম।
আইটেম ১ আর ২ শেষ। সব সাবাড় করে ফেলেছি।
পেটের মধ্যে রাক্ষস বাসা বাধঁছে নি??

উহ্, আপনের জন্য মটরশুঁটি দিয়ে রাঁধা শোল মাছের ঝোল আছে। আর মুরগীর রান।
শোল মাছ আমার পছন্দ না কেমন জানি অজগর অজগর লাগে।আর দেশে আইসা মুরগী খাওয়া বাদ দিছি।
কি আর করা টমেটো দিয়া চারটা খাই।না তাও শেষ করে দিছো?তোমার বলে আবার মুখে রুচি নাই।থাকলে যে কি করতা??আল্লাহ মাবুদ জানে।

আরে না, এক আর দুই নং আইটেম আবার আসছে। ভাবী রিফিল দিছে দ্যাখেন না? আসেন দুইভাই আবার বসি।
শোল মাছ খান না? মাশুল খান?
মাশুল কি??
পাহাড়ী বড় শোল মাছ। গায়ের মাংস লালচে ধরনের এবং ভাঁজে ভাঁজে চর্বি।
মাফ চাই।খামু না।



শোল, গজাড়, টাকি আর এ ধরনের যে সব মাছ, তাদের ইংরেজী নাম 'স্নেক হেডস'। এদের মাথার সাথে সাপের মাথার আশ্চর্য সাদৃশ্য আছে, তাই এমন নাম ।
হা, এজন্য মনে হয় মেয়েরা শোল দেখতে পারে না। আমার ওয়াইফ সব 'স্নেক হেডস' জমিয়ে রান্না করে একদিন! শুধু আমি খাই!!!!! বেশী ঝাল দিয়ে!!
মাশুল, নূতন শুনলাম। পাহাড়ী বড় শোল, কোথায় পাওয়া যায়। শোল মাছ আমিও একসময় খেতে পারতাম না, এখন বেশ ভাল লাগে। আর কিনিও বেশী, কারন তাজা পাওয়া যায় (অন্তত ফরমালিন মিশানোর চান্স থাকে না! জানের মায়ায়)।
তবে আপনাদের দুই ভাইয়ের অবগতির জন্য বলছি, মেয়েরা শোল মাছ তেমন পছন্দ করে না! শোল মাছ বেশী খায় এমন ছেলের কথা শুনলে, খবর করে ফেলবে!!!
খেক খেক। এইটা জানার পর শোল মাছের প্রতি বিশেষ অনুরাগ জন্ম হলো।
ঢাকার প্রায় সব মৃত মাছে ফরমালিন থাকে, কথা সত্য। এজন্য জ্যান্ত মাছ কিনি, সেটা যে কোন মাছই হোক না কেন! আমি জ্যান্ত টাকি মাছ ও কিনি (ছোট বেলায় টাকি দেখলে বিশাল ভেটকি মারতাম)!
কেন খবর করবে??আপনি তো বহাল তবিয়তে আছেন।
কাকা, উত্তরটা আমি পুরা দিতে পারছি না। তবে দেখেছি! আশাকরি কেহ এসে উত্তর বলে যাবে! হুদা ভাই একটা কারন বলেছেন! 'স্নেক হেডস'! মেয়েরা 'স্নেক' ভয় পায়!!!!
শোল মাছ কত বড় ! টাকি, তা বড় হলেও অপছন্দ হবার কথা নয় !

শোলের মত বড় জিনিষ (মাছ), তাও আবার জ্যান্ত, ম্যানেজ করা কি চাট্টিখানি কথা !
মেয়েরা স্নেক ভয় পায় আর ছেলেরা কি ভালো পায়?
আমারতো তিনকাল যেয়ে এককালে ঠেকেছে । আমার আর ভয় পাওয়ারও কিছু নাই, ভালো পাওয়ারও কিছু নাই । 'আমরা বন্ধু'র বন্ধুরা নিকট অতীতে কোন এক পোস্টে মন্তব্য করেছিল, তাদের নাকি আপেল খুবই পছন্দ । তার পরও আরও কয়েকটি পোস্টে আপেল প্রসঙ্গ দেখা গেছে । তাই ধরে নেওয়া যায় যে, ছেলেরা আপেল ভালো পায় ।
লুল ছেলেরা নিশ্চই
। সবাই না । আপনিও কি আপেল ভালো পান
??
দূর ! কি যে বলেন ? আমি কী লুল দলের ?

শিশু আর ত্থুরত্থুরে বুড়োরা বাদে সবাই আপেল পছন্দ করে।এখানে লুল অলুল কই থেকে আসলো??

রা'শরাফ বলেছেন,
কৈ, আমিও তো শিশু, তাও তো...
জন্ম নিবন্ধন কার্ড দেখি??তার পর ডিসিশন দেয়া হবে তুমি শিশু না অন্য কিছু??
বাড়ি খাইতে খাইতে মাথা টাল হয়ে গেল। যে কারণে কার্ড খুঁজে পাইতেসি না।
কাকা, সৌল মাছটা মন্দ হয় নাই! (নূতন ইমো গুলো ঝাকাস হয়েছে। এবিতে অনেকদিন পর টেকনিক্যাল দিকের চরম উন্নতি)
মীর ভায়া, একি!
অবশ্যই কাকা, আপনার জন্য জান কোরবান। আপনি ঢাকা এলে একবার আমার সাথে চুপিচুপি দেখা করবেন (চাচীমাতো মনে হয় এবার জোগাড় করতে পারছেন না, ইস রে)! ওনারা আপনাকে যে খিচুড়ির কথা বলেছিল তা আসলে ভাল সুস্বাদু খাবার নয়! এখান কার ভাল খাবার হচ্ছে, ছানামিষ্টি! একদম পিউর! খেলে আমাকে স্বরন করবেন আজীবন!
খিচুড়ী আমিতো খাইছি ভালোই লাগছে।আর সেদিন আপনার অফ ছিলো তাই দেখা হয় নাই।
ছানার মিষ্টি খাইতে হয় তাইলে।সময় পেলে চুপিচুপি না জানান দিয়ে যামু নে।
কাকা, জানি। ছবিসহ পোষ্ট আশা করছিলাম। আশাকরি কোরিয়া ফিরে ছবিগুলো 'উইকিলিক্স' করে দেবেন!
তবে আমি সত্য কথা বললাম! ছানামিষ্টি, এলএর অপুর্ব সৃষ্টি!
সেদিন ছবি তোলা হয় নাই। আড্ডাটাও ক্যান্টিনে হয় নাই।খিচুড়ী খাইয়া দৌড়িয়ে মেহেরজানের কাছে গেছিলাম দিয়ে দাদাভাইয়ের দাবাড় খেয়ে তার বাসাতে।
রান্না ভালা হইসে। গুড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়
পুরা বাঙ্গালী খাবার।
আশফাক ভাই, বই মেলায় যান।
গরুর গোশত ছাড়া শুক্রবারের দুপুরের খানা সম্পূর্ণ হয়না । খাসিও চলতে পারে, তবে লেডি খাসি নয়, প্যঁঠাও নয় । টমেটোর টকে আপত্তি নাই, মসুরির ডাইলের সাথে টমেটোর টক বেশী মজাদার । যে কোন একটা শাক থাকলে মন্দ হয় না ।
তা, আয়োজনটা কবে করবেন ?
হুদা ভাই, এই বয়সে যা বললেন না! গরুর গোশত! খাসির গোশত! দাঁত ঠিক আছে তো! এই দুটো গোশতই কিন্তু সাধারন বাঙ্গালীর খাবার নয়! হা হা হা.।।
এরকম আযোজন করতে হলে আপনাকে আমার গ্রামের বাড়ী নিয়ে যেতে হবে। আম্যাবশা রাতে জোনাকীর আলো দেখবেন!
দাঁত ঠিক আছে । পেটে সইলে পারতাম অনেক কিছুই - কিন্তু - - - - - । গ্রামের বাড়ীতে যেতে রাজী আছি - খাওয়ার দাওয়াতে নয়, অমাবস্যায় জোনাকীর আলো দেখতে ।
পেটের আবার কি হল! কি কি হয়! কেমন লাগে আমাদের শেয়ার করুন, আমরাও আসছি সেই বয়সে!
সত্যি, আমাদের গ্রাম অনেক সুন্দর। চান্স পেলে জানাব।
কী আর হবে ? কমজোর হয়ে গেছে, অতিরিক্ত বোঝা টেনে ক্লান্ত এখন । কোন রকমে ধুঁকে ধুঁকে চলছে ।
চান্স পেলে আমিও যাব ।
হুদা ভাইকে অনলাইনে দেখছি! কি ভাবছেন! এসে পড়েন! ভাবী আজ কি কি রান্না করলো! বয়রা বাজারের তাজা মাছের খবর চাই! একদিন হঠাত হাজির হয়ে যাব খুলনায়!
এখন তো দুপুর গড়িয়ে বিকেল, সন্ধ্যা নামবে একটু পরেই ।
আপনার ভাবী এখন আর রান্নার দিকে বেশী নজর দিতে পারেনা ।
আমি খুলনায় যাই - তাজা মাছের খবর দেব তখন ।
হঠাৎ খুলনায় হাজির হবেন আমি যদি থাকি সে সময়, খুশী হব ।
রান্না তো মনে হয় টেস্টি হইছে । দেখতেও কি সুন্দর !!
বোন লিজা, আপনিও ভাল রান্না করতে পারেন বলে জানি। মাঝে মাঝে দু একটার রেসিপি দিলে পারেন।
আপনি ভুল জানেন
একটা বাধাঁকপির রেসেপি দিয়েন তো।আগামী দুই মাস বাধাঁকপি খেয়ে থাকা লাগবে তো।@লিজা
কাকা কিমছির রেসিপিটা কি দেয়া যাবে! আমার বড় ভাই আমাদের কিমছি খাইয়েছে অনেকদিন। এখন আর ওনাকে পাই না, এ দিকে আমি কিমছির কথা ভুলতে পারছি না।
সচিত্র হলে ভাল হয়। আলাদা পোষ্ট চাই।
কাকা@ আপনার কিমছিররেসেপি।
আগের পোষ্টটাতে আর যেতে পারি নাই। সরি.।।। এখানে কপি করে রেখে দিলাম। ধন্যবাদ.।.।।। বানিয়ে খেতে চেষ্টা করব। মুলার শাক দিয়ে বানাব.।.। (ইংরেজী পড়তে দাঁত ভেঙ্গে যায়!)
রাসেল আশরাফ | ডিসেম্বর ৭, ২০১০ - ৯:০৭ অপরাহ্ন
কাকা@ এখানে মুলার শাক দিয়ে কিমচি বানাতে দেখি নাই।সবই তো বাধাঁকপি দিয়ে বানায়।তাও আমাদের দেশের বাধাঁকপি না।এখানকার এই বাধাঁকপির নাম ''ভেচু''।আপনার জন্য রেসেপি দিয়ে দিলাম।
Korean Kim Chi Recipe
(KimChi)
Ingredients :
1 big Chinese cabbage (approximately 1 lb)
1/2 cup sea salt
1/2 teaspoon of Cayenne pepper
6 Finely chopped scallions
2 finely chopped garlic cloves
5 cm grated ginger
3~4 teaspoons chopped chili
1 tablespoon fine sugar
2 1/2 cups drinking water
Cooking Method :
First halved the Chinese cabbage before cutting them into large pieces of the bite-sized. Then start layering the cut cabbage by using a big bowl before sprinkling some salt on top of them. Once you have finished with the first layer, continue with the next layer until you have used up all the cabbage. However, remember to end the final layer with salt. Next is to get a heavy plate to be placed on top of the layered cabbage as they need to be weighted down with some heavy items. Then leave aside for about 5~6 days in a cool spot. After the few days, remove the weighted items and discard off any liquid in the bowl before rinsing the earlier layered cabbage with cold running water.
Remove as much excess water as possible before adding the pepper, scallions, ginger, chili, garlic and sugar. Toss them well to combine thoroughly before putting them in a dry and sterilized container. Add the drinking water into the container and tightly seal with a lid. Keep refrigerated for about 4 days before it will be ready for consumption.
দেশে যুদ্ধ লাগলো নাকি??

(নূতন ইমো পাইয়া ফাইটিং ফাইটিং!)
খাবার দাবারের ছবি দেখে ক্ষুদা লেগে গিয়েছে
১,২,৪ খুব লোভনীয় লাগছে।
ধন্যবাদ সিস্টার। আপনি কেমন রান্না করেন? আমি অনেক ভাল রান্না করতে পারি, গ্রামে গেলে আমিই রান্না করে সবাইকে খাওয়াই!
এমন মন খারাপ করা পোস্ট কেন যে দিলেন ? !!! ??? ইস
মারজুক ভাই, মনে হয় ডিমভাজি খেতে খেতে জান শেষ করে ফেলছেন! আমিও প্রায় ৯ বছর বিদেশ ছিলাম! জানি অনেক কিছু.।.।।
৯ বছর !!! মারা যাননি বলে ভালো লাগছে । খাবার নিয়ে আমার সমস্যা নাই, সমস্যা হলো সারা দিন খুব একা থাকি । অসম্ভব রকমের খারাপ লাগে । ছোটতে পড়েছিলাম মানুষ সামাজিক জীব একা একা বাঁচতে পারে না । এখন খুব ফিল করি এটা । ভাগ্যিস দেশের চাকুরীটায় ছুটি নিয়ে এসেছিলাম , নিজের এই একটা বুদ্ধিই আমার পাথেয় ।
আপনার জন্য শুভ কামনা। এখন আপনি একা কই! ব্লগার বন্ধুরা আছে না!
মানুষের আনন্দ দেখার আনন্দই আলাদা। যাহোক। তারিখ দেন এসে আনন্দে শরিক হই। ভাগ করলে আনন্দ আরো বাড়ে।
সিষ্টার তানবীরা, দুলাভাইকে নিয়ে আসবেন কিন্তু! (দুনিয়া কয় দিনের! কি আছে দুনিয়ায়!)
বোমা মাইরা সবকিছু উড়ায় দেয়ার একটা ইমো চাই
সারাদিন না খাওয়া, ক্লাস-মাস শেষ কইরা আইসা ব্লগে ঢুইকা এত খানাপিনার ছবি দেখলে কেমনটা লাগে?
নড়বড়ে ভাইকে দেখছি, পুরাই বাঙ্গালী!!!!
খেয়ে দেয়ে বাতিঘরে বসে হুক্কা! মজাই আলাদা!
পোস্ট সরাসরি প্রিয়তে। আমি পেটুক মানুষ, খাওয়ার পোস্ট পেলে কোন ছাড়াছাড়ি নাই।
হই হই
উলটচন্ডাল ভায়া, ধন্যবাদ। আপনার সাদাকালো ছবি গুলো সুন্দর হচ্ছে।
আপনার 'খাইতে খাইতে যায় বেলা' ও বেশ ভাল লেগেছিল। আপনাদের পরিবারের খাদ্যের ছবি গুলো চরম ছিলো।
পোষ্টটা পুরা জমিয়ে দিল মীর ভায়া ও রাশেল কাকা!
এদের দুইজনকে পেলে বাইম মাছের ভুনা খাওয়াতাম।
শশা কই?
মাসুম ভাই, আমি শশা খাই না! শশা বাটা মুখে লাগাই!!! গোল করে কেটে চোখে রাখি!!
(বেশী শশা খেলে গ্যাষ্টিকের ব্যারাম হবে।)
মাসুম ভাই, আমি শশা খাই না! শশা বাটা মুখে লাগাই!!! গোল করে কেটে চোখে রাখি!!
(বেশী শশা খেলে গ্যাষ্টিকের ব্যারাম হবে।)
আমি খাওয়ার কথা বললাম কখন? আমিও তো শশা খেতে যাবো না
মাসুম ভাই, উত্তরটা বেশ রঙ্গীন (সাদাকালো নয়) দিলেন!
(আগামী কাল সন্ধ্যার পর বই মেলায় থাকবেন। আপনার বইটা কিনে আপনার একটা অটোগ্রাফ নিতাম চাই!)
আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম গুপ্ত রান্নার মানেটা কী। গুপ্ত শব্দটা কী বই বেচনের জন্য ইউজ নাকি ? ভাবি যদি বইটি সংগ্রহ করে তবে অবশ্যই জানাবেন গুপ্ত রান্নার মানেটা । জীবনের সবকিছু সীক্রেট হয়ে যাচ্ছে ।
ভর্তা গুলো দেখে লোভ হচ্ছে
ছোট আপা, এত পরে এলেন! এখনতো সব শেষ!
(শুনলাম আপনিও খুব ভাল রান্না করেন)
আইটেমগুলোতো বিশেষ লোভনীয়। ভর্তার চেহারা বলে দিচ্ছে ভাবী ভালো রাধুনী। দাওয়াত কবে দিচ্ছেন? সিরিয়াস আলাপ কিন্তু
সামুতে অপসরা জটিল সব খাবারের পোষ্ট দিতো কিন্তু পলায় পলায় থাকতো, আপ্নে কিন্তু পলানোর চেষ্টা করবেন না, পার্টি দেন
বোন লীনা দিলরুবা, সময় আসুক, দিমুনে। এ আর কি!
এখন এতডি খাবার কই পাই !!!!
চাঙ্কু ভাই, এত কম লিখেন কেন? এবির ভাল মানুষের মাঝে আপনিও অন্যতম। লিখুন।
মন্তব্য করুন