কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ২
কবি কালিদাস তথা কালিদাস পণ্ডিত নিয়ে আমি গত কিছুদিন নেটে অনেক তথ্য উত্তাপ পড়েছি। কবি কালিদাস প্রসঙ্গে জানা সহজ নয়। ধারনা করা হয় কবি কালিদাসের জন্ম অনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ২য় শতকে। এত আগের নানা তথ্য এখন আর সঠিক ভাবে পাওয়া সম্ভব নয়। কম্পিউটারের কল্যানে এখন যে সব তথ্য সংরক্ষন হয়ে যাচ্ছে তা হয়ত আগামী প্রজন্মের কাজে লাগবে। কবি কালিদাস আমলে কম্পিউটার তথা নেট থাকলে ভাল হত (!)। কবি কালিদাস নেটে নিজ হাতে আত্বজীবনী লিখে গেলে আমাদের আর সত্যমিথ্যা নিয়ে ভাবতে হত না।

(কালিদাস পন্ডিতের হাতে আঁকা আরো কয়েকটা ছবি দেখলাম, কোনটায় গোঁফ আছে, কোনটায় গোঁফ নেই। তবে বাবড়ী চুলের বাহার সব কটায় দেখা যায়)
তথ্যে জানা যায়, কবি কালিদাস বিবাহ পূর্ব পর্যন্ত (এমন কি বিবাহের পরো) মেধাশুন্য ছিলেন। স্ত্রীর কথার জালায় অতিষ্ট হয়ে পানিতে ডুবে আত্বহত্যা করতে গিয়েছিলেন! সেখানে জ্ঞানদেবী সরস্বতী তাকে কৃপা করেন এবং প্রচুর জ্ঞান দিয়ে দেন, যা দিয়ে তিনি বাকী জীবনে অনেক কাব্য রচনা সহ রাজার মেয়ের জামাই হিসাবে ভাল দিন কাটিয়েছেন। কিন্তু শেষ জীবনে রাজা কুমারদাসের রাজত্বকালে সিংহলে এক গণিকার হাতে তিনি নিহত হন। কি চরম নিষ্ঠুরতা! যারা কবি কালিদাস প্রসঙ্গে আরো জানতে চান তারা উইকিপিডিয়ার আশ্রয় নিতে পারেন। আমি কিছু অংশ এখানে তুলে দিলাম।
পন্ডিত কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। ইংরেজ কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের মতো দেখা হয় তাকে সংস্কৃত ভাষার সাহিত্যে। তার কবিতা ও নাটকে হিন্দু পুরান ও দর্শনের প্রভাব আছে। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনি সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি প্রথম জীবনে মূর্খ ছিলেন এবং বিদূষী স্ত্রী কর্তৃক অপমানিত হয়ে আত্মহত্যা করতে গেলে দেবী সরস্বতীর বরপ্রাপ্ত হন।
তাঁর সময়কাল নিয়ে দুটি মত প্রচলিত। প্রথম মতে, তিনি খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতকে বিদ্যমান ছিলেন। তাঁর মালবিকাগ্নিমিত্রম নাটকের নায়ক অগ্নিমিত্র ছিলেন শুঙ্গবংশীয় রাজা, যাঁর শাসনকাল ছিল খ্রিষ্টপূর্ব ১৮৫-৪৮ অব্দ। অপর মতে, তাঁর সময়কাল খ্রিস্টীয় চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতকের মধ্যে। বিক্রমাদিত্য নামে পরিচিত গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সভাকবি হিসাবেই তাঁর খ্যাতি সমধিক। কালিদাসের বহু রচনায় দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজ্য, রাজধানী উজ্জয়িনী ও রাজসভার উল্লেখ পাওয়া যায়। সপ্তম শতাব্দীতে বাণভট্ট রচিত হর্ষচরিত গ্রন্থে কালিদাসের সপ্রশংস উল্লেখ আছে।
কালিদাস মেঘদূতম, কুমারসম্ভবম্, রঘুবংশম, ঋতুসংহার, শৃঙ্গাররসাষ্টক, শৃঙ্গারতিলক, পুষ্পবাণবিলাস নামক কাব্য, নলোদয় ও দ্বাদশ-পুত্তলিকা নামে দুটি আখ্যানকাব্য এবং অভিজ্ঞানমশকুন্তলম, বিক্রমোর্বশীয়ম, মালবিকাগ্নিমিত্রম নামে তিনটি নাটক রচনা করেন।
কালিদাসের রচনা অত্যন্ত সুপরিচিত হলেও, তাঁর জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা যায় না। জানা যায়, তিনি ছিলেন দেবী কালীর (মতান্তরে সরস্বতীর) ভক্ত। একটি কিংবদন্তি অনুসারে, এক রাজকন্যার সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়েছিল। কিন্তু কবি ছিলেন গণ্ডমূর্খ। এজন্য রাজকন্যা তাঁকে অপমান করলে, তিনি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে যান। তখন তাঁর আরাধ্যা দেবী তাঁকে রক্ষা করেন ও বর দেন। দেবীর বরে তিনি কবিত্বশক্তি অর্জন করেন। পরে রাজা বিক্রমাদিত্যের নবরত্ন সভায় তাঁর স্থান হয়। কথিত আছে, রাজা কুমারদাসের রাজত্বকালে সিংহলে এক গণিকার হাতে তিনি নিহত হন।
কালিদাস ঠিক কোন অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন, তা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতবিরোধ আছে। কেউ বলেছেন, তাঁর বাসস্থান ছিল হিমালয়ের কাছে; আবার কেউ বলেছেন উজ্জয়িনী অথবা কলিঙ্গে। এই তিনটি অনুমানের কারণ হল, কুমারসম্ভবম্ গ্রন্থে হিমালয়ের বর্ণনা, মেঘদূত গ্রন্থে প্রকাশিত উজ্জয়িনীর প্রতি তাঁর ভালবাসা এবং রঘুবংশম্ গ্রন্থে বর্ণিত কলিঙ্গ-সম্রাট হেমাঙ্গদের স্তুতিবাদ।
কালিদাসের রচনাবলি ইংরেজি ভাষায় একাধিকবার অনূদিত হয়েছে। পরে জার্মান ভাষাতেও কালিদাসের রচনাবলি অনূদিত হয়। জার্মানির বিখ্যাত কবি গ্যেটে ও হারডার কালিদাসের রচনার উচ্চ প্রশংসা করেছিলেন। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর শিল্পীদেরও কালিদাসের রচনা অনুপ্রেরণা জোগায়। ১৯৬১ সালে ভি শান্তারাম অভিজ্ঞানশকুন্তলম্ অবলম্বনে তাঁর স্ত্রী চলচ্চিত্রটি তৈরি করেন। আর আর চন্দ্র কালিদাসের জীবনালেখ্য অবলম্বনে ১৯৬৬ সালে তৈরি করেন তামিল চলচ্চিত্র মহাকবি কালিদাস। ১৯৮৩ সালে কন্নড় ভাষায় নির্মিত কবিরত্ন কালিদাস ছবিতে অভিনয় করেন রাজকুমার। ১৯৬০ সালে তেলেগু ছবি মহাকবি কালিদাস ছবিতে অভিনয় করেছিলেন এ নাগেশ্বর রাও।
কবি কালিদাস কবে পণ্ডিত উপাধি পেলেন এ বিষয়েও কিছু জানা যায় না। তবে তার রচিত কাব্য সমুহ পড়তে পারলে ভাল লাগত। আমরা যেখানে বিশ্বকবি, বিদ্রোহী কবির লেখা পড়ি না/ বুঝি না, সেখানে কবি কালিদাসে লেখা! কবি কালিদাসের লেখা বুঝার মত পাঠক এখন এই বিশ্বে পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ আছে।
কালিদাস পন্ডিতের লেখা না বুঝলেও তার রচিত (পরিবর্তিত হয়ে আসা হয়ত) ধাঁধাঁ সমূহ বাংলা ভাষার অলংকার হয়ে যুগযুগ ধরে মানুষের মনে আনন্দ বয়ে বেড়াবে বলে আমি মনে করি। আজ থেকে এক হাজার বছর পরেও কোন বাংলাভাষী পিতা তার সন্তানকে যখন ধাঁধাঁ ধরবে, তখন কবি কালিদাস তথা কালিদাস পন্ডিতের নাম মুখে আসবে। এটাই মনে হয় কবি কালিদাসের সাফল্য।
আমার পড়া কালিদাস পডিতের ধাঁধাঁ থেকে আরো দশটা ধাঁধাঁ আপনাদের জন্য পেশ করছি। দেখি আপনারা কে কে জবাব দিতে পারেন। প্রতিটি পারার জন্য ১ নাম্বার পাবেন। চলুন ধাঁধাঁতে চলে যাই।
১।
জলেতে জন্ম যার, জলে ঘর বাড়ী
ফকির নহে, ওঝা নহে, মুখেতে দাড়ী।২।
দিন রাত ছলি ফিরি নাহি মোর অবসর
দিন যায় মাস যায়, যায় চলে বছর।৩।
চার পায়ে বসি, আট পায়ে চলি
বাঘ নয়, ভালুক নয়, আস্ত মানুষ গিলি।৪।
আম নয়, জাম নয়, গাছে নাহি ফলে
তবু সবাই তারে ফল নাম বলে।৫।
হাত নাই, পা নাই, এ কেমন রসিক নাগর
আনায়েসে পার হয় নদী কিংবা সাগর।৬।
কালো হরিণ থাকে কালো পাহাড়ে
দশ জনে ধরে আনে দুইজনে মারে।৭।
হাত আছে পা নাই মাথা তার কাটা
আস্ত মানুষ গিলে খায় বুক তার কাটা।৮।
সাগরে জন্ম, আমরা থাকি সবার ঘরে
পানির পরশ পেলে যাই তবে মরে।৯।
দুই অক্ষরে নাম আমার, পৃথিবীতে থাকি
শেষের অক্ষর বাদ দিলে সেই নামে ডাকি।১০।
দিন করি শতেক বিয়ে কাবিন নাহি হয়
ছেলে মেয়ের মালিক আমি কোন কালে নয়।
প্রথম পর্বের ধাঁধাঁর উত্তর আপনারা অনেকে পেরেছেন। তবে সঠিক উত্তর গুলো দেখার জন্য আর একবার উক্ত পোস্ট ঘুরে আসতে পারেন। শেষের কমেন্টে ধাঁধাঁর সাথে সঠিক উত্তর দেয়া হয়েছে।





১। চিংড়ি
২। ঘড়ি
৩। ?
৪। পরীক্ষার ফল
৫। নৌকা
৬। ?
৭। জামা
৮। লবন
৯। ?
১০। ?
আন্দাজে ঢিল ছুড়লাম। লাগতেও পারে দু'একটা । ৩, ৬, ৯ ও ১০ সম্পর্কে আন্দাজ করতে পারলাম না ।
হুদা ভাই, আপনার দেয়া সব উত্তর সঠিক হয়েছে বলে মনে হচ্ছে (আমাকেও বই দেখতে হবে)! শেষে খুঁজে সব উত্তর দিয়ে যাব।
২। ঘড়ি
৩। পালকি
৪। কর্মফল
৫। নৌকা
----------------
আপনার ধাঁধার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলাম। এবার আপনি যদি একটা ধাঁধার জবাব দিতেন তাহলে ভালো হত।
আপনার পোস্টে মারজুক সাহেব বাজে একটা মন্তব্য করলো। আপনি কিছুই বললেন না?? অন্তত মৌখিক প্রতিবাদ তো করতে পারতেন। পোস্টে কমেন্ট পাওয়া কী এতটাই গুরুত্বপূর্ণ আপনার কাছে? আশাহত হলাম। এর বেশি কিছু না।
এটা জুক্স মারজওয়া অন্য কোনো ব্লগে খাওয়া গদামের স্মৃতিচারণ করসে। এখানে যে আইক্খাওয়ালা বাঁশ ওরে দেয়া হইসিলো, তার ব্যথা এত তাড়াতাড়ি যাওয়ার কথা না। তাই এবি নিয়ে কিছু লিখতে ওরে একশ'বার ভাবতে হবে।
যাউক্গা, হিজলটা যে অচিরেই ওইখানেও বিরাট গদাম খাবে- এটা নিয়ে বাজি ধরবেন উলটদা'? ধরতে চাইলে বলেন। আমি এই কথার পক্ষে বড়-সড় বাজি ধরতে রাজি আছি।
মীর লজ্জা করে না তোমার? ফেইল করে আবার বড় বড় কথা? পাশ করছো? চাট্টিফিট আছে? মারজুক্স এর বোটল থেকে এখন থেকে পানি খাবা। জীবনে তাহলে কিছু হতে পারলেও পারবা।
উদরাজী ভাইও সে আশায় আছেন।
কালিদাস সম্পর্কে অনেক জানলাম। কিন্তু এগুলোতো মনে হয় কোথাও থেকে কপি পেষ্ট। সোর্স উল্লেখ না করা অবশ্য আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই অন্যায় মনে করি।
লিখে প্রমান কি এটাই ব্রাদার উদরাজী?
সিষ্টার,
কিছু অংশ কপি করা (প্রয়োজনে) তা আমি স্বীকার করেছি, সোর্স উল্লেখ করেছি। আপনি ভাল করে পড়েন নাই বলে আমি মনে করি। উইকিপিডিয়ার কথা পোষ্ট বলা হয়েছে।
আপনাকে আমার বলার কিছু নাই। ধন্যবাদ, ভাল থাকুন। আপনার জন্য শুভ কামনা সব সময়।
আমাকে আপনার কিছু বলার না থাকলেও আপনাকে আমার অনেক কিছু বলার আছে। আমার স্বভাবই ঘুরে ঘুরে কথা বলা। সুতরাং
বাই দ্যা ওয়ে, সরি। প্রথমবার পড়ার সময় আবার আমার চোখে উইকিপিডিয়া বাদ গিয়েছিল এ পর্বে।
আর একটা কথা বলি আপনাকে, দুর্জন বিদ্যান, ধনবান, জ্ঞানবান যেই হোক সেই পরিত্যাজ্য। আমরা মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করি এইটা এতো বার বললেন, মানুষে আমাদের গালি দিল সেইটা একবারওতো বললেন না। আমরা কিন্তু আপনার নিজের ঘরের লোক ছিলাম। বাইরের লোকের পাশে আপনি দাঁড়িয়েছেন, দাঁড়ান নাই?
বোন, আমাকে 'পরিত্যাজ্য' করে দিন। আর মাফ করে দিবেন।
মীর ভায়া, আমি আপনাদের সবার বড় ভাই কিংবা ভাল বন্ধু হয়ে থাকতে চাই। আমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে।
@ মীর ভাই, আপনার কথার সাথে সম্পূর্ণ একমত। যে বাঁশ এখানে খেয়েছে তা ভুলতে সময় লাগবে।
আর বাজি ধরলে হেরে যাবো নিশ্চিত। এই ধরনের নোংরা লোক যে কোন জায়গাতেই গদাম খাবে। ব্যাপারটা স্রেফ সময়ের।
উলটচন্ডাল ভায়া, যার যার দ্বায়িত্ব তার তার।
উলটচন্ডাল ভাই, বিষয়টা এত কঠিন ভাবে আমি চিন্তা করি নাই।
এখানে তো কঠিন চিন্তার অবকাশ নাই রে ভাই।
আপনি এত পরিণত, অভিজ্ঞ ব্লগার - আপনি আমরা বন্ধু ব্লগের মেজাজটা ধরতে পারলেন না? এখানে যেই আন্তরিক মন্তব্য পান তার উদাহরণ দুর্লভ। এজন্য আমাকে কেউ যদি এবি ব্লগ নিয়ে অযৌক্তিক কিছু বলে আমার গায়ে লাগবে! আমি ব্যাপারটা পার্সোনালি নিব এবং তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করবো।
উলটচন্ডাল ভায়া, বাংলা ব্লগে (সামুতে বছর তিনেক আগে রেজি করলেও বাংলাটাইপ না জানার কারনে যেতাম না। মাঝে মাঝে যেতাম, কদাচিৎ। সেজন্য ওই দুঃসময় হিসাব করি নাই) আমি এখনো ১ বছর পার করতে পারি নাই!
বয়সের কারনে আমি হয়ত একটু হালকা নিয়েছি।
উলটচন্ডাল ভায়া, আপনারা অভিজ্ঞ বেশী। আপনারা কেন মারজুক ভায়ার পোষ্টে লিখেছেন না। মারজুকের পোষ্ট গুলোতে গিয়ে ওকে যা বলার বলুন। আমার পোষ্ট এসব না বললে পারতেন। মারজুক ভায়া আমার পোষ্ট যে মন্তব্য করেছে আমার উত্তরে দেখেন আমি সেই প্রসঙ্গে কিছু বলি নাই।
ব্লগার হিসাবে আমাদের কি দ্বায়িত্ব সেটা আমি মারজুকে মনে করিয়ে দিয়েছি মাত্র। মারজুক ভায়াকে আমি দুটি জায়গায় (যতদুর মনে পড়ে) একটু হয়শালা (!) দিয়েছিলাম মাত্র। তবে সব সময় আরো সতর্ক হয়ে ব্লগিং করতে বার বার ওনাকে 'লোহা' হবার পরামর্শ দিয়েছি।
এটা মারজুক ভায়াকে সমর্থন বা আপনাদের ফেলে দেয়া নয়। একজন তরুণ ব্লগারকে ভাল করার চেষ্টায় সামিল হওয়া মাত্র।
মারজুক্স ভাইয়া কি জ্ঞানী পুষ্ট দিছিলো জানি না কারণ আমার জ্ঞান কম। কিন্তু যখন আমি এই পোষ্টগুলি লিখেছিলাম তখন মারজুক্সের জন্ম হয় নাই ব্লগে
http://www.sachalayatan.com/tanbira/24194
http://www.sachalayatan.com/tanbira/21900
http://www.sachalayatan.com/tanbira/18109
http://www.sachalayatan.com/tanbira/17359
http://www.sachalayatan.com/tanbira/17165
http://www.sachalayatan.com/tanbira/17029
http://www.sachalayatan.com/tanbira/16665
http://www.sachalayatan.com/tanbira/16440
http://www.sachalayatan.com/tanbira/16298
http://www.sachalayatan.com/tanbira/16156
http://www.sachalayatan.com/15234
আর আপনারে পরিতাজ্য বলি নাই। আপনার বেশি বয়সের ভীমরতির কথা বলছি
সাহাদত উদরাজী ভায়াও কি এ জাগার মডারেটরকে নপুংসক ভাবছেন নিকি। নপুংসকদের এলাকায় থাকতে ভয় পাই বাবা।
শুভঙ্কর ভায়া, সালাম নিবেন। এ যাবত মাত্র দুটো কমেন্ট করলেন! এটা আপনার ২য় কমেন্ট। আন্তরিক ধন্যবাদ জানালাম আপনাকে।
কিন্তু কি জানেন, আমরা বন্ধু সার্ভারের কসম খেয়ে বলি আমি এ যাবত কে মডারেটর, কে ব্লগের কি আমি এখনো ঠাহর করতে পারি নাই। আর ভাবাভাবি তো দুরের কথা!
তবে আমি মড়ারেটরদের তথা ব্লগের সংশ্লিষ্ট/ জড়িতদের মারাত্বক ভয় পাই। এদের দেখা পেলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতাম।
(আপনার সাথে গল্প করার ইচ্ছা জাগছিল মনে, সময় নাই তাই পরে হবে বলে বিদায় নিলাম।)
কালিদাস পণ্ডিতে কয় পথে যেতে যেতে,
নাই তাই খাচ্ছো, থাকলে কোথায় পেতে ?
- জানা আছে নাকি এটার জবাব ?
হুদা ভাই, মনে হয় অনুমান করতে পারছি! দেখেন তো, হল কিনা।
কালিদাস পণ্ডিতে কয় পথে যেতে যেতে,
নাই তাই খাচ্ছো, থাকলে কোথায় পেতে ?
ঊত্তরঃ বাতাস/ বায়ু
হয় নাই । পথে যেতে যেতে কিছু একটা দেখে তার উদ্দেশ্যে প্রশ্নটা করা হয়েছে ।
আগামী কাল দুপুর পর্যন্ত টাইম দেন। ভাবতে ও বইটা দেখতে দিন! আজ নানা কাজের চাপে চাপ্টা হয়ে আছি।
কোন তাড়াহুড়া নাই। যত দেরী, ততই মঙ্গল।
উপরে মন্তব্য করেছেন হুদা ভাই, উলটচন্ডাল, মীর, তানবীরা, এরা সবাই নতুন ছিল। উদরাজী ভাই বলেনতো এইখানের কাকে কাকে প্রথম প্রথম অপমান করা হইছে?
আপনার সামনে মারজুক আমরাবন্ধু ব্লগকে অপমান করেছে। এর পরও আপনি মারজুকের পক্ষে ছিলেন। উদরাজী ভাই, আপনার সামনে আমরাবন্ধুকে এভাবে বললো, অথচ আপনি কিছুই বললেন না। কষ্ট পাইলাম।
বোন জয়িতা, নানা ব্লগে এত ঝগড়া ঝাটি দেখছি, এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না।
শোলা হলে ভাসব, লোহা হলে ডুবব।
(মারজুক ভায়া আমার পরিচিত কেহ নয়। আপনারা তাকে যেমন জানেন আমিও তেমনি জানি)
উদরাজি ভাই, আপনি একটা বিষয় বুঝতে পারছেন না। আপনি নানা ব্লগে লিখেন, অনেক অভিজ্ঞ মানুষ তাই ঝগড়া দেখে আপনি ক্লান্ত। হতে পারে আপনি বিতর্ক এড়িয়ে যেতে চান।
কিন্তু মারজুকের ব্যাপারটা তো কোন ঝগড়া বা ভুল বোঝাবুঝি নয়। এটা স্রেফ কটূক্তি, মিথ্যা নিন্দার নোংরামি। স্রেফ একজন ব্লগার হিসেবেও আপনি প্রতিবাদ করতে পারতেন।
ব্লগ তো আর অ্যাবস্ট্রাক্ট কোন প্ল্যাটফর্ম না। ব্যক্তি মানুষ (ব্লগার) নিয়েই ব্লগ। তাই ব্লগ সম্পর্কে কেউ খারাপ কিছু বললে সেই মানুষগুলোকেই অপমান করা হয়।
মারজুক কী বললো মাথাব্যথা নাই। আপনি প্রতিবাদ করেন নাই - কষ্ট পাইলাম। খুব।
ব্যাপারটা উপলব্ধির। যুক্তির না।
ধন্যবাদ উলটচন্ডাল ভায়া। আমি আসলেই ক্লান্ত। একটা নেগেটিভ কমেন্ট যে কাকে কতদুর নিয়ে যায় তাই ভাবছি।
আপনার মনে আঘাত দিয়ে থাকলে দুঃখিত। ব্লগ বন্ধুদের কারো মনে কষ্ট দিতে চাই না।
উলটচন্ডাল ভায়া, এবার কিন্তু আপনাকে .।.। আরে দূর.।। আমি এসবে কিছুই মনে করি না। আসলে সব বয়সের দোষ। এক এক বয়সে এক একটা বিষয় হজম করতে হয়!
আপনি এবং মারজুক, মীর, জয়িতা এক বয়সের বলে আপনারা যে বিষয়টা বুঝতে চাইছেন না, সেটা আমি বুঝে গেছি!
এই সব কথা ভেবে একদিন আপনারাও হাসবেন। তার চেয়ে এটাই ভাল, আসুন সবাই একসাথে থাকি, জীবনের গান গাই। হারানোর ভয় নেই। সোলা হলে ভাসা, লোহা হলে ডুবা!
বুঝে যাওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে।
(মাসুম ভাইয়ের জোকস গুলো পড়ে দেখতে পারেন। হা হা হা.।.।। হজম হয়! মাসুম ভাই, মাফ করে দিয়েন - তরুনদের আপনার ব্লগে নিয়ে যাচ্ছি।)
মারজুক অন্য কোন ব্লগে এই ব্লগ নিয়ে, এই ব্লগের ব্লগারদের নিয়ে কটুক্তি করেছে, সেখানে উদরাজী ভাইকে কখনো কোন প্রতিবাদ করতে দেখিনি। এবং এই ব্লগের ব্লগার হিসাবে অন্য কোন ব্লগে এই ব্লগের, ব্লগার নিয়ে ভালো কথা না বললেও, দুর্নাম করাটা সত্যি দুঃখজনক। আমরা প্রত্যেকেই আমাদের বন্ধুদের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক।কাউকে উত্যক্ত করার মানসিকতা নিয়ে আমরা ব্লগিং করি না।
বোন জয়িতা, আমার মনে হয় বিষয়টা নিয়ে আর কথা না বলাই ভাল। লাভ লস করো কিছু হবে না। মাঝে বিরাট মন কষাকষি! ক্ষান্ত দিয়ে শান্ত হউন।
আমি আবার নতুন ছিলাম কবেগো? আমারতো ব্লগেই জন্ম

এই পোস্টের কমেন্ট যদি কালিদাস পণ্ডিত পড়তেন, তা'হলে নিশ্চয়ই এক বা একাধিক ধাঁধার জন্ম হতো।
ধাঁধার জবাব তো কেউ দেয় না, সবাই হাঁটছে অন্য পথে ।
হুদা ভাই, এটার নামই মজা লুটা। আপনার ধাঁধাঁ নিয়ে আমি এখনো ভাবছি।
১।কচুরি পানা
২।ঘড়ি
৩।পালকি
৪।পরীক্ষার ফল
৫।নৌকা/জাহাজ
৬।উঁকুন
৭। জামা
৮। লবন
৯।কাক
১০।কাজী
মাথা হাং হওয়া যাচ্ছে?
উত্তর গুলি দিলে ভাল হতো।
মন্তব্য করুন