অপেক্ষায় আছি দেশি মুরগারা
(উৎসর্গ : এবি'র সকল বৈদেশী বন্ধুগো)
বিদেশ থাকা মানুষগুলান ক্যান জানি
এরাম হয় ! মানি, বিদেশে টেকা কামাই করাটা বড়ই
কষ্টের। তাই বলে দেশে কামাই করাটা কি
খুব সহজ। বুঝিনা আমি। দিনের পর দিন
এরা ঘর-বাড়ি-প্রিয়জন ছেড়ে বাইরে থাকে, কষ্ট হয় এদের জন্য-
যারা পড়াশুনা করতে যায়, তাদের কথা নাহয়
আলাদা। কিন্তু যারা জামাইয়ের সাথে বা
বৌয়ের সাথে থাকে ? চাকরী-ব্যবসা করে ? তারাও দেখি
কেমন জানি !
আমরা যারা দেশে থাকি, বিদেশ যাওনের ইচ্ছা বা
ক্ষমতা নাই- তারাই বরং ভালো আছি।
পেটে-ভাতে আছি, প্রিয়জন নিয়েই আছি। প্রতি সপ্তাহে
আড্ডাই, খাই-দাই। আইজ এরে মুরগা বানাইতো
কাইল অন্যজনরে। হাসিমুখে তা মেনে নেই বা নেয়।
দৈবাৎ ২/১ জন আসে, আমাদের বৈদেশী বন্ধুরা---
আমাদের সাথে আড্ডায়, আমরাও অপেক্ষায় থাকি
মুরগা বানানোর
অথচ স্মৃতি বড়ই যাতনাময়। আমরা ওদের কাউরে
মুরগা বানানোর সুযোগ পাই না। আড্ডা শেষে রাইতে
ফিরার সময় টের পাই--- মুরগা বানাতে গিয়ে
নিজেদের কেউই মুরগা হয়ে গেছি।
আমরা নতুন করে আশায় বুক বাঁধি। কোনো না কোনো একদিন
কাউকে না কাউকে অবশ্যই সফলভাবে
মুরগা বানাতে পারবো। মহান রাব্বুল-আলামিন আমাদের
দেশি মুরগাদের সেই তৌফিক দান করুন---





বিদেশে যার বউ-বাচ্চা নিয়া থাকে তাদেরকে ধরে ধরে মুরগা বানানো হোক! একমত।
ধরা খাইছেন নাকি মেসবাহ ভাই?! ধরা খাওয়ার কাহিনী খুইলা কন।
বলাবাহুল্য, ১ এবং ২ নং কমেন্টস বৈদেশী দুই জনের। দুই জনের বাড়িই চট্টগ্রামে--- এইটা কাকতালমাত্র !!!
৪ নম্বর টাও!
বিদেশিরা দুঃখী, তো দুঃখীদের আপনারা খাওয়াবেন না ? একটা ফোনতো করেন না দেশে গেলে আবার খোটা
ইয়াজিদ তোমারে খোটা দিছে ! দাড়াও খাইছি হালারে।
তাতাপু, আমি আপনারে ফোন করি নাই?খোঁজ নেই নাই?আপনি তো কলকাতা গেলেন, বান্দরবান গেলেন।
বিদেশ থিকা দেশে আসার পর নিয়ম হইল কলকাতা যাওয়া। ঐখানে বেশকিছুদিন থাকার পর ঢাকা ফেরার পর পরই আবার পার্বত্য এলাকার দিকে যাওয়া। ঐখান থেকে এসে ব্যাংকক যাওয়া। এই হইল বিদেশ অনেকদিন থাকার পর দেশের টানে দেশে ঘুরে যাওয়ার নিয়ম। তারপর দেশের খ্যাত ম্যাত মানুষ গুলির উপ্রে উল্টা ধাপ নেওন, দেশে গেলাম তমাদেরতো পেলুমইনা। ফোনই করলেনা!
মাথা বেদম ঝাক্কাইয়া "হ" কৈতে কৈতে মাথাই খুইলা পৈড়া যাওনের দশা।
মানে হৈলো গিয়া, "সহমত"।
রোজার মাসে না খেয়ে থাকলাম, একজন কইছিল কয়টা সুন্দর ফটুক বানায় দিপে। দেশে গেলাম, ফোনই করলো না
দেয়ার ইজ অলয়েজ নেক্সট টাইম, বেইবে।
আপনি তো তাতাপুর লগে কাজটা ঠিক করেন নাই। আবার মিষ্টি কথা কন!
আমিও রায়হান ভাইয়ের দলে......একমত
তুমি কবে থেকে মেসবাহ ভাইয়ের আইডিতে পোষ্ট দাও? জানি নাতো
তাতাপু, কারে কন?আমারে না নিশ্চয়ই?
তোমারেইতো। মেসবাহ ভাইরে উত্তর দিলাম, ফস করে উঠলা তুমি
আমারে ক্ষেপাইওনা কৈলাম। তাইলে পরবাসীগো সবতের খবর আছে... ব্রেকিং নিউজ দিলাম
জয়ি, না না করেছি মেসবাহ ভাইকে ক্ষ্যাপাইতে। খেপে গেলে কিন্তু এখন ওনি রোজ আমারে ফুন দিবে, তুমারে খিচুড়ি খাওয়াবে, তখন ??????
বিদেশ যারা চাকরী গো করে, তারা কেনো মুরগা ধরে হায়রে বন্ধুগো!
(ঢাকায় যারা চাকরি গো করে, তারা কেনো প্রেম করে হায়রে সখীগো!)
অয়
মহান রাব্বুল-আলামিন আমাদের সেই তৌফিক দান করুন
আমি এখন কোন অবস্থায় আছি??????
বিদেশে শান শওকতে থাকার পরও দেশে এসে লোকজন জেইরকম শুকনা ভাব নেয়! সুতরাং তোমারে আম্রা কাঙ্গালী হিসাবে ট্রিট করতেছি।
তৌফিক আমারও লাগবে ...
ইয়ে এইখানে কি নিয়া আলাপ হয়.... ?
আঁরা চাঁটগায়া নওজোয়ান...বুগত টেলি ঝড়তুয়ান...
গত সপ্তাহেই দেখলাম দেশী মুরগার দাম লাফ দিয়েছে হঠাৎ, মুরগারা নিজেদের মাংস নিজেরা খাওয়া শুরু করাতেই বোধহয়.........
ইয়ে......হঠাৎ এই প্লাসটেশানের কারণটা কি
কারন একটাই বস, বাজে অভিজ্ঞতা (বৈদেশী ভাষায় মনে অয় এর কয় ব্যাড এক্সপেরিয়েন্স) ... একটার পর একটা। আমার একার না, আমগো দেশি সবতের... যাউকগা, হক মাওলা !!
অ
কবি এখানে অসাধারন অনুভুতির বহিঃপ্রকাশ করেছেন মাত্র। আমার অভিজ্ঞতাও এমনটা বলে! আম্রিকা থেকে আসা বন্ধুদের ও আমি এমন দেখি! লেটেষ্ট ঘটনা বেইলী রোড়ের বন্ধু মাসুদ (নাম বলে দিলাম! ও আবার ব্লগ ফ্লগ পড়ে না! এসব নাকি খুচরা কাজ!) আমার অফিসে এসে ছিল (আম্রিকা থাকে, বিরাট টেলিকম ব্যবসাহী, তুই সম্পর্ক), খিছুড়ী খেল (আমি ভাবলাম, আজ ফ্রী খেলাম), ৫৬০ টাকা বিল হল, কাউন্টারে যাবার পরো ও পকেটে হাত দিচ্ছে না! লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে বললাম, বিল্টা দে! উলটা বলে বিদেশ থেকে এসেছি, বাংলা টাকা নাই!
যতদুর জানি, কিছু দিন আগে এই কবির এমনি এক বন্ধু আম্রিকা থেকে এসেছিলেন (আমি হালকা সাক্ষী), তার কাছেও কবি এমন মুরগা বনেছিলেন! তিন কিলো নাকি হাটতেই হয়েছিল! আর একটা ব্যাপার লক্ষ করেছি, ওরা মুখে বলে, এটা খাই নাই, ওটা খাই না! কিন্তু খেতে বসলে সবই মিনারেল নয় জেনারেল!
যাই হোক মুরগা বনতে আমি ভালবাসি! তবু সবাই কে খুশি রাখতে চাই!
কবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে খাট করতে চাই না! অসাধারন প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তার কবিতায়! আসাধারন নিয়তি, আকুতি, মিনতি! কবির এই কবিতা লাইন বাই লাইন বিশ্লেষনের দাবী রাখে! কবি এখানে যে কথাটা বলেন নাই, কিংবা গোপন করে গেছেন, তা হচ্ছে মাঝে মাঝে খাওয়া দাওয়া শেষে ওনাদের বাসায়ো পৌঁছে দিতে হয় (হলুদ মোটর সাইকেলে চড়ার ইচ্ছা পোষনো করেন তারা)। সম্প্রতি এমন ঘটনা চট্রগ্রামেও ঘটেছে, ঢাকা থেকে গিয়ে হাত ধরে প্রবাসীনিকে রাস্তা পার করে দিয়েছেন আমাদের বন্ধু ঢাকার লম্বা, সুদর্শন, হ্যান্ডসাম, জনপ্রিয় লেখক কাম গবেষক! (বিষয়টা বিবেচনা(!)র দাবী রাখে!)
পরিশেষে আমার বিশ্বাস এই কবি কাউকে মুরগা বানাতে পারবেন না! মুরগা বানালে কবিতা লিখবে কে!
হ, কবিরে খাট বানানের দরকার নাই।
একদম টেবিল চেয়ার বানাই দেন।
বালিশ দেব!
নো থ্যাংক্স।
হাসতে হাসতে জান শেষ!
হোয়াই 'নো থ্যাংস'!
গুরু, আপনি আপনার ছবির হিট নায়িকার সাথে হাসলেন! ভক্তের মনে খটকা লাগল!
ভায়া, ভাল ধরেছেন! চেয়ার থেকে পড়ে যাবার চান্স আছে তাই খাট চিন্তা! আপনারও দেখছি খাট লাগবে! বিবাহ শাদী কবে করবেন! চেয়ারে আর কত দিন!
ভায়া কি এখন চেয়ারেই ঘুমায়?
গুরু, ডাক শুনে মনে হয় জমে আছেন! বুঝেন না কিছু!
একদম ক্ষীরের মত জমার একটা উপমা দেন তো উদরাজী ভাই। আপনের সেই ই ই রকম উপমা গুলা ইদানীং পাইনা কেন?
বিলাই ভায়া, আমার আর সেই বয়স নাই!
এখন সময় আপনাদের!
পড়ি আর হাসি ! হাসি আর পড়ি ! বারবার পড়ি, বারবার হাসি ! হাসতে হাসতে জান শেষ ! মেসবাহ য়াজাদ কী একখানা কবিতা দিলেন, যা পড়েও হাসি, মন্তব্য পড়েও হাসি ! কবিতা নিয়ে কোন কথা আর বলা হয়না ।
মন্তব্য করুন