এর কোনো মানে হয় !
একজন মানুষ জন্ম নেবে, বেড়ে উঠবে। পড়াশুনা করবে, চাকরী বা ব্যবসা করবে। বিয়ে থা করবে। সংসার হবে, ছেলে পুলে হবে। হাসি আনন্দ করবে। বুড়ো হবে, তারপর একদিন সবাইকে কাঁদিয়ে মরে যাবে। এর কোনো মানে হয় !
তাইলে আর জন্ম নেবার কী এমন প্রয়োজন। এক একটি মৃত্যু, কী ভীষন কষ্টের ! যার যায়, সে বুঝে। অন্যরা শোক টোক করে। কিছুদিন মনে রাখে। একসময় ভুলে যায়। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সে পরিবারের মানুষগুলো আজীবন মরে যাওয়া মানুষটার স্মৃতি বয়ে বেড়ায়।
আমি আগে ভাবতাম, আমাদের পরিবারের কে আগে মারা যাবে ? কেউ না কেউতো মরবেই ! তাইলে আমরা অন্যরা বাঁচবো কী করে ? শোক সইতে পারবোতো ? একদিন আমাদের কাঁদিয়ে, অসহায় করে দিয়ে মা মরে গেলেন। আমাদের পরিবারের প্রথম মৃত্যু। কী যে কষ্ট, কত যে যন্ত্রণা। আমরা ৬ ভাই বোন অসহায় হয়ে পড়লাম। বাবা একদম চুপ হয়ে গেলেন। একদিন বাবাও চলে গেলেন।
এরপর কার পালা ? আজ কাল প্রায় মৃত্যু চিন্তা আমাকে গ্রাস করে। হঠাৎ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। পাশে স্ত্রী আর ২ ছেলে ঘুমিয়ে আছে। আমি মরে গেলে এদের কী হবে ? এসব কেনো ভাবি, জানিনা। বয়স হয়ে যাচ্ছে ?
মৃত্যুর আবার বয়স কী ? বড় মানুষগুলো আগে মরবে, এমন কথাতো কোথাও লেখা নেই। কে যে কখন মরে যাব, তার কথা কেই বা বলতে পারি ! এইতো ৫/৬ দিন আগে একটা ছেলেকে রক্ত দিয়ে এলাম। কাল হাসান মোরশেদ জানালো, ছেলেটা গত পরশু সকালে মরে গেছে। কী আশ্চর্য ! এতটুকুন একটা ছেলে, ও কেনো এত তাড়াতাড়ি মরবে ?
এই পৃথিবী, সংসার, মায়া, ভালবাসা, অর্থ-বিত্ত কিছুই না; তুচ্ছ। ওপারের ডাক আসলে যেতে হবে। মিছে সবকিছু...
(স্যরি, মৃত্যু নিয়ে ২/৩ টি পোস্ট দেখে লিখলাম...)





আসলে এইটাই আসল কথা, বুঝলা বইন !
ধূর! কি বলেন এসব? বালাই ষাট। এসব ভাববেন না একদম। মাইর দিমু। দোয়া করি প্রিয়জনদের বুক ভরে থাকেন, বাচ্চাদের বুকে নিয়ে থাকেন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকেন শতবছর।
কও কী, আরো ৫৯ বছর ! এত্তগুলান বছর তোমগো যন্ত্রণা সহ্য করতে হৈবো ? ভাল কামনা মিথ্যা হৈলেও ভাল। তোমার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক...
পোষ্টে মাইনাস।
লেখার বিষয় বিষণ্ন, ঘটণাগুলোও, কিন্তু মানের গুণে লেখাটা ভালো লাগলো। এটি তো মিমাংসিত বিষয়। সবাই একদিন চলে যাবে। এটি নিয়ে বেশি ভাবনা চিন্তা করার কোন মানে নেই।
হেপ্পী ব্লগিং। মেজবাহ ভাই, ব্যস্ত থাকেন আর যাই থাকেন নিয়মিত ব্লগে থাকবেন এইটাই হলো শেষ কথা।
নারে বইন, ব্লগিং টগিং ছাইড়া ভাবতাছি- আল্লার কামে বাইর হৈয়া যামু।
হক মাওলা
মাথায় বাড়ি দিলা, আবার গুল্লিও করলা... তাইলেতো পরিণতি মৃত্যুই হৈলো ! নাকী মিছা কৈলাম ?
লন, আমার সাথে তিন চিল্লায় চলেন!
সব্বোনাষ, বৈদেশির লগে চিল্লায় ? তাও আবার চিটাগাংয়ের মানুষ !!
এবির শেষ আড্ডা কি আজিমপুর গোরস্থানের আশে পাশে হয়ছে??

ভেরি সিম্পল কোশ্চেন :
এবি'র শেষ আড্ডা আজিমপুরেই হোক আর আজমপুরেই হোক, তাতে প্রবাসীগো কী সমস্যা... ?
আমাগো কুনু সমস্যা নাই খালি মনে দুঃখ কুলখানী আর চেহ্লাম খাইতে পারুম না।

ভাই, মরার আগে আমার কাজটা করে যাবেন কিন্তু!
(মৃত্যু চিন্তা আমার মনে অনেক আগে থেকেই চলে আসছিল, এটা পড়ে আরো বেড়ে গেল)
আইচ্ছা
‘Life is a trap we’ve always known; we are born without having asked to be, locked in a body we never chose, and destined to die’ (আমরা সবসময়ই জেনে এসেছি, জীবন একটা ফাঁদ। আমরা আদৌ জন্মাতে চাই কী না সেটি জিজ্ঞেস না করেই আমাদের জন্ম দেয়া হয়েছে, আমাদেরকে এমন এক দেহে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে যেটি আমরা নিজেরা বেছে নিইনি; অথচ জন্মেই আমরা দেখেছি - আমাদের জন্য অবধারিত হয়ে আছে মৃত্যু!)
কথাটা মিলান কুন্ডেরার, ভাবানুবাদ করলাম আর কি!
জীবনটা শেষ পর্যন্ত একটা ফাঁদ-ই।
লেখাটা ভাল্লাগছে মেসবাহ ভাই, আমাদের বোধহয় সত্যিই বয়স হয়ে যাচ্ছে!
দুর, বয়স টয়স বিষয় না... হঠাৎ ১৬ বছরের একটা ছেলে মরে গেল। যাকে ২/৩ দিন আগেই রক্ত দিয়েছিলাম। ব্যাপারটা মানতে কষ্ট হচ্ছিল। ৮৮ তে মা আর ২০০২ তে বাবা মরে গেলেন। দিব্যি বেঁচে আছি না ?
আর এসব ভাবনা নয়, চিয়ার আপ ম্যান !!!
সবাই মন খারাপ করা লেখা দিতেছেন...
দুর কাউয়া, লেখাতো লেখাই...
মন খারাপ করা বিষয় । অল্প বয়েসিদের মৃত্যু মেনে নেয়া সবচেয়ে কষ্টের
আমি নিজে সবার আগে মারা যাবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
মরার এতো শখ ক্যান?
সময় হৈলে ডাক দিয়েন বস @ মীর
আফারমেটিভ স্যার্
ওকি-টকিজ
যাক পোস্ট দিছেন তাইলে। আমি ভাবছিলাম আপনারো বাড়ি চট্টগ্রাম কীনা!
রায়হান সাহেবতো ১ দিন পর পরই পোস্ট দেয়, তাই নারে জয়ি ?
দাদাভাই রাগ করলেন!
সরল প্রশ্ন.................... আচ্ছা মারা গেলে কি হবে? কোথায় যাবো? মৃত্যু পরবর্তী জীবনটা কেমন? আসলেই কি মৃত্যু পরবর্তী জীবন বলে কিছু আছে? ------ অনেক প্রশ্ন ----- উত্তর নাই!!
শূন্য
এককথায় চমৎকার উত্তর।
ওহ!... সেই ছেলেটা নেই...
ধুর! আজাইরা কথা কেন বলেন, মরলে তো মরলেনই... এইসব আগে বলার কি আছে...
হ, এই সব আগে বলার কী আছে ? মরার পরে এসএমএস দিমুনে... আইেসা
বস, ৭ বছর বয়সে বাবা আর ১০ বছর বয়সে আমাদের মা মারা যায়, এর কি কোন মানে আছে ????
কোনো মানে হয়না। আপনে তো আমাদের চেয়েও দুর্ভাগা দেখছি। এ এক অন্য রকম খেলা ঈশ্বরের... আমরা তো ক্রিড়ণক মাত্র...
এর কোনো মানে নেই। মন খারাপ করা লেখা
কোনো মানে নেই, স্যরি ম্যান !!
মন ভাল হইছে?
অল্প, স্বল্প
মজার ব্যাপার হলো মরার সময় চিন্তা ভাবনা করার টাইম পাবো না, ফট করে মরে যাব
হাছা কতা কৈছেন বৈদেশি বইন
আব্বা মারা যাবার পরের চারপাচ মাস আমার চিন্তাধারাও এমন ছিল। তখন আবার বড়মামা, খুবই ঘনিষ্ট আরও কজন মারা যাওয়াতে এইসমস্ত চিন্তাধারা পাকাপোক্তভাবে মনে থেকে গেছে।
তাইলেতো সব্বোনাষ রন্টি
মন্তব্য করুন