জীবন কড়চা
বই মেলা কড়চা নামে একটা সিরিজ লেখা চালু করেছিলাম ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে। খুব ইচ্ছে ছিল- সিরিজটি নিয়মিত করা। এক দুই দিন বাদে সব দিনই বই মেলায় গিয়েছিলাম। ২৯ টি পর্ব লেখার ইচ্ছে থাকলেও ১৭ পর্ব লেখার পর বন্ধ করে দিলাম। এই পর্বগুলো লিখতে যেয়ে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই রাত ১/২ টা পর্যন্ত নেটে থাকতে হয়েছে। একসময় মনে হল আর লিখবো না। সে সময়টার কোন একদিন আমার কোনো এক কারনে এতটাই অভিমান হয়েছিল যে, লিখা বন্ধ করে দিলাম। ভাল করেছি কী মন্দ করেছি- সেটা জানিনা। তবে আজ নিঃসংকোচে বলতে পারি, সিরিজটা বন্ধ করে দেবার পর আমার খুব খারাপ লেগেছে। অনেকের অনুরোধ স্বত্তেও আর লিখিনি। আমি কি একটু বেশি অভিমানী বা জেদী ?
ডিসেম্বর ৩১, ২০১০ তারিখে ল্যাবএইড ছেড়েছি। তারপর ১ জানুয়ারি ২০১১ থেকে নিজেরা একটা পারিবারিক ব্যবসা শুরু করলাম। অফিস ছিল কাকরাইল। মেয়েদের সিক্সথ সেন্স ভাল। ল্যাবএইড ছাড়ার আগে আমার স্ত্রী একদিন আমাকে বললেন,
ব্যবসা- বানিজ্য তোমার জন্য না। তোমার চাকরী করাই ভাল। আমাদের এত বেশি টাকার দরকার নেই। তুমি ল্যাবএইড ছেড়োনা।
আমি হাসলাম। বেশি টাকার চাহিদা আমারও কোন কালে ছিলনা। আজো নাই। ভবিষ্যতে হবে কীনা জানিনা। কোনো একসময় আমার নিজের একটা গাড়ির স্বপ্ন ছিল। সেটা স্টেশন ওয়াগন। তো, স্টেশন ওয়াগনের কত মডেল এল আর গেল। আমার আর সেটা কেনার মত সামর্থ হলনা। এরপর মাথায় ঢুকল- স্টেশন ওয়াগনের বিকল্প ফিল্ডার গাড়িটি। সেটা কেনার লক্ষ্যেই আমার ব্যবসাতে ঢোকা। কিন্তু বিধি বাম !
আগস্ট ২০১১ সালের ১৭ তারিখ। চরম অভিমানে আমি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলাম। এর মাঝে রমজান এবং কোরবানী দুটো ঈদ পার করলাম। যথারীতি ঈদে কেনা কাটা করলাম। একটু মনে হয় বেশিই কিনলাম। বেশ কিছু জমানো টাকা ছিল। ক্রমে সেটা কমতে লাগলো। এদিক সেদিক চাকরীর চেষ্টা চালিয়ে গেলাম। কিন্তু চাইলেইতো আর চাকরী হয়না। আমি আশাবাদী মানুষ। একটা কিছু হবেই। আমার আড্ডা আর ঘোরাঘুরি বেড়ে গেল। হাতে অফুরন্ত সময়। একদিন দেখলাম, ব্যাংকে মাত্র ২/৩ হাজার টাকা আছে... একটু ভাবনাতেই পড়লাম। আমার অনেক বন্ধু/ শুভাকাঙ্খী থাকা স্বত্তেও সচরাচর আমি কারো কাছ থেকে টাকা লোন করিনা। এর মধ্যে ২/১ জন খুব কাছের বন্ধু আকারে ইঙ্গিতে বুঝাল- টাকা পয়সার দরকার হলে যেন বলি... আমি হাসি।
অবশেষে আল্লার নাম নিয়ে একদিন ব্যাংকে যাই। কয়েকটা মাত্র স্বাক্ষর করে একটা ডিপিএস ভাঙ্গিয়ে ফেলি। যেটাতে প্রায় বছর পাঁচেক ধরে প্রতি মাসে ২ হাজার করে জমাচ্ছিলাম। আরো একটি ডিপিএস এখনও অক্ষত আছে। এ কথাটা আমি কাউকে জানালাম না। আপা/ বড় ভাইয়া আমাকে না বলে প্রায়ই আমার বৌকে বলতেন- আমি চলি কীভাবে ? সংসার খরচ কীভাবে যোগাড় হচ্ছে। দুই ভাই বোন অনেকবার টাকা দিতে চেয়েছেন আমার বৌয়ের হাতে। সে নেয়নি। আমার সাথে কথা বলতে বলেছেন তাদেরকে। কিন্তু তাদের কেউ আমার সাথে এব্যাপারে কোনো কথা বলেননি। জানেন, বললেও কোনো লাভ হবেনা। ভাই বোনদের সবার প্রতি আমার অভিমান এতটাই তীব্র ছিল যে, সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেই। একই মহল্লায় থাকা স্বত্তেও বড় আপা বা ছোট ভাইয়ের বাসায় যাইনি প্রায় ৫ মাস... একসময় নিয়তির নির্মম পরিহাসে সবার সাথে আবার আমাকে মিলতে হল। সেটা জানুয়ারির ১৬ তারিখ। বড় আপার মেজো ছেলে প্রত্যুর কারনে। ও আমাদের কাঁদিয়ে হঠাৎ করে চলে গেল না ফেরার দেশে...
সময় টিভিতে আমার জয়েন করার কথা ছিল ১ জানুয়ারি ২০১১। যেহেতু আমি পারিবারিক ব্যবসায় জড়িয়ে গেলাম- তাই ওদের নিষেধ করে দিলাম। তবে ওদের সাথে সম্পর্কটা রইলো আগের মতই। সেপ্টেম্বর ২০১১ এসে আবার যোগাযোগ করলাম সময়রে সাথে। ততদিনে ওদের লোকজন নেয়া শেষ। আমার কথা শুনে ওরা বিপাকে পড়ল। এই মূহুর্ত্যে আমার জন্য একটা নতুন করে পোস্ট তৈরি করাটা বেশ ঝামেলারই হয়ে পড়ল। ফলে আমি ঝুলে গেলাম। একসময় ল্যাবএইডের এমডি ফোন করে জানাল, সে একটা দৈনিক কাগজ করবে। আমি যেন সেখানে কাজ করি। একসময় সেটার কাজও পিছিয়ে গেল। মানে এখনও সেটার কাজ শুরু হয়নি। মিডিয়াতে আমার অনেক বন্ধু আর শুভাকাঙ্খী থাকার সুবাদে আরো দু একটি টিভিতে যোগাযোগ করলাম। এসব চ্যানেলের প্রায় সব কটিতেই লোক নেয়া শেষ। তারপর ওরা চেষ্টা করতে থাকল। এবং সেটা আন্তরিক ভাবেই।
এরমধ্যে একদিন ডাক পেলাম- নতুন একটি দৈনিকের পক্ষ থেকে। নতুন করে দৈনিকটি শুরু করবে। ইনভেস্টর তৈরি। প্ল্যানিং চলছে। মোটামুটি কথা বার্তা যখন চুড়ান্ত- এর মধ্যে একদিন সুন্দর সকালে জানা গেল- প্রজেক্টটা বন্ধ করে দিয়েছে ইনভেস্টররা। হায় কপাল ! এখানেও তীরে এসে তরী ডুবল। তারপর আর কী ? আমাকে না জানিয়ে আমার এক বন্ধু তার আরেক বন্ধুকে বলে রেখেছে- আমার চাকরীর ব্যাপারে। আরেকটি চ্যানেলে (যেটি এপ্রিল/মে নাগাদ অনএয়ারে আসছে) আমার কয়েকজন শুভাকাঙ্খী /বন্ধু ম্যানেজম্যান্টের সাথে আমার ব্যাপারে আলাপ করে রেখেছে। সেটা আমাকে পরে জানিয়েছে তারা। এর মধ্যে সেই টেলিভিশন অফিসে ২/৪ বার আমি গিয়েছিও। আড্ডাবাজী করে চা-বিড়ি খেয়ে এসিছি।
তো, হঠাৎ করে একদিন বই মেলার সময় উত্তরায় এক ভদ্রলোকের সাথে আমার ক্ষাণিক বাতচিৎ হল। পরে জানলাম, ভদ্রলোক তার আরেকটি অফিসের প্রধানকে বলে দিলেন ১ মার্চ থেকে আমাকে নিয়ে নিতে। এটি হচ্ছে আমার বন্ধু স্বপনের সেই বন্ধুর অফিস। যেখানে আমার জন্য স্বপন বলে রেখেছিল। তো, এ অফিস থেকে আমাকে জানান হল ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ। বুঝলাম এবার আর ঘুড়ি উৎসবে যাওয়া হবেনা। উৎসব ২ তারিখে, ওরা যাবে ২৯ তারিখ রাতে। অথচ ১ মার্চ আমার জয়েনিং। তাছাড়া মার্চের ১ তারিখে সমুদ্দুরের জন্মদিন। এদিনে আমি ঢাকা ছাড়ি কী করে ! ১ তারিখ জয়েন করলাম। বিকালে অফিসের বস ডেকে বললেন, আপনি মনে হয় আজ রাতে ঘুড়ি উৎসবে যেতে চান। নো প্রব্লেম, যান। তবে ৪ তারিখ থেকে অফিস করতে হবে। আমি অবাক হয়ে তাকাই তার দিকে। তিনি হাসেন। ১ তারিখ হঠাৎ করেই রাতের বাসে চেপে বসি আমরা ৪ জন। আমি ,স্বপন, অঞ্জন আর জুয়েল। পথে যেতে জানলাম- আমার জয়েন করা, ২ দিন ছুটি নেয়া- সবকিছুতেই স্বপনের প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। আমি ওকে কিছু বলিনা। গতানুগতিক সৌজন্যতা আমাদের মধ্যে নেই। আমাদের কিছু বন্ধুরা এরকমই... আমি ভাগ্যবান...
৪ মার্চ থেকে অফিস শুরু করলাম। সকাল ১১ টার পরে অফিসে আসি। ৬ টার দিকে যাই। নিজের মত করে নেটে ঘুরি। অবিশ্বাস্য স্পিড। ৪ তারিখ অফিস শেষে বাসায় যাবার পরে রাতে এক বন্ধু ফোন করে জানাল- কাল (মানে ৫ মার্চ) বিকাল ৪ টার দিকে ওদের টেলিভিশন চ্যানেলের কর্তৃপক্ষ আমার সাথে বসতে চায়। আমি সম্মতি জানালাম। তারপর আমার প্রিয় একজন মানুষকে জানালাম। সেই টেলিভিশন অফিসের বড় কর্তা যে প্রিয় মানুষটির খুব কাজের মানুষ- সেটা জানা ছিল না। যাই হোক, প্রিয় মানুষটি সেই বড় বড় কর্তাকে ফোনে আমার ব্যাপারে বললেন। আমাকে না জানিয়ে সেই টিভির আরো ৪/৫ জন আমার কথা বললেন বড় কর্তাকে। তিনি ডাকলেন। গেলাম। বসতে বলে প্রথমে জানতে চাইলেন-
আপনার সম্পর্কে অনেক কজন মানুষ এত্ত এত্ত ভাল বলেছে... কেন বলুনতো ?
আমি বললাম-
আমি ভালো মানুষ বলেই হয়ত...
তারপর প্রায় ২৫ মিনিট তার সাথে আলাপ হল। খেলা সেমি ফাইনাল পর্যন্ত গড়াল। আজ আবার যেতে বলেছেন। ফাইনালটা হয়ত আজ হয়ে যাবে...।





১. বইমেলা সিরিজটা বন্ধ করে দেয়াতে আমার খুব খারাপ লেগেছিল। আজকে জানালাম।
২. বাকি মন্তব্য পরে...
৩. এতোগুলো সুখবর, খাওয়াবেন না?
১. আমারও যে খারাপ লেগেছে সেটা বলাই বাহুল্য
২. শুনতে চাই...
৩. আজ ভালো্ ভালো ফাইনালটা হয়ে গেলে সামনের শুক্রবার একটা পরিকল্পনা আছে। জানাব
আপ্নে যে অনেক অভিমানি আমরা জানি! কিন্তু সেইটা যে আপ্নের কাছে মানুষগুলাকে বেশি কষ্ট দিতে ফেলে সেইটাও কিন্তু সত্য!
সিরিজ বন্ধ করে পচাঁ কাজ করছেন! কড়াচার সাথে মান দেখানি উচিত হয় নাই!
হ, জানি জানি। আমি সব জানিরে....
খাবো খাবো..এখন যেন আমি বাদ না থাকি...
(ও ভাই, আরো ছবি দিলাম, দেখেছন?)
বাদ যাবেনা একটি শিশুও। পলিও টিকা ঠিকই খাওয়ামু সবাইরে
ছবি দেখছি। অসম হইছে
প্রায় প্রতি রাতে বইমেলার কড়চা পড়ে ঘুমাতে যেতাম, হটাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কয়েক দিন বেশ ফাঁকা ফাঁকা লাগলো, তারপর যা হয়, জীবন চলে যায় জীবনের নিয়মে..
জমজমাট ফাইনাল হোক..শুভকামনা সব সময়...
~
আসল কথা সেটাই
ঠিকাছে বস
এখন পর্যন্ততো সব ঠিকই আছে
শুভকামনা রইলো।
তোমার জন্যও
ফাইনাল এর ফলাফল আপনার অনুকূলে হোক, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।
ধন্যবাদ। এত্ত এত্ত শুভকামনা নিশ্চয়ই বিফলে যাবেনা, যেতে পারেনা
আপনে তো দেখি চাকরীআলাগো নিয়া ছেলেখেলা শুরু করছেন :P।
হাতে তিন চাকরীর অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার নিয়া আমারে কন চাকরী খুঁজতে...
দেন না ভাই, একটা চাকুরির ব্যবস্থা করে
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো .....
থ্যাংকু থ্যাংকু
Shuvokamona sobsomoi.amar nijer boro vai thakle jemon thakto temoni shuvokamona apnar jonyo.valo manusder God thekabe na.
আমি জানি সেটা। আর সেখানেই আমার যত দুর্বলতা...
"প্রার্থনা" জিনিসটা খুব পাওয়ারফুল। খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষকে পর্যন্ত ঠিকানাতে পৌঁছে দিয়ে আসে। আর আপনি তো সেমি ফাইনাল পর্যন্ত চলেই এসেছেন।
"প্রার্থনা" করলাম আপনার জন্যে।
অনেক সুন্দর করে বলেছেন, আনন্দবাবু।
অভিনন্দন দাদাভাই। ভালো লাগলো শুনতে
অভিনন্দন দাদাভাই। ভালো লাগলো শুনতে
বলতে আমারও ভাল লাগছে ক্যাপ্টেন
ফাইনালে আপনার জন্য শুভকামনা।
থ্যাংকু ব্রাদার
ভাই ছোট ভাইদের কথাও মনে রাইখেন একটু
আপনার মন ভাল দেখে ভাল লাগল 
কেমন আছেন রাজন। সবাই ভাল থাকুন
শুভকামনা
জ্বী জনাব, ধন্যবাদ। আছেন কিরাম আপনি ?
আছি ভালো। দোয়া কইরেন।
শুভকামনা
আপনার জন্যও শুভ কামনা কবিতা প্রিয় মিতুল
কমেন্টের উত্তরে ফাইনালের রেজাল্ট অবশ্যই পাবো।সেই আশাতে রয়েছি।
অপেক্ষা কষ্টের হলেও অপেক্ষাকারীকে খোদ সৃষ্টিকর্তাও পছন্দ করেন
ফাইনালের রেজাল্ট কি? রেজাল্ট যা-ই হোক না কেন, আরেকটা চাকরি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমানটা ছাইড়েন না। এই বয়সে এসে সবাইরে টেনশিত রাখা আর নিজে টেনশিত থাকা কোনো কাজের কথা না!
হ বস, বুঝছি। তবে কিঞ্চিৎ দেরিতে
ফিনালের রেজাল্ট জানতে চাই...
ধৈর্য্য ধারণ কর, যদি তুমি খাঁটি মুমিন হও

সবুরে মেওয়া ফলে
সবুর মিয়ার কি মেওয়ার বাগান আছে?
থাকলে কি কুনু অসুবিধা আছে ?
মেওয়া পইচা গেলো মেসবাহ ভাই।তাড়াতাড়ি কন।
হ, কেমন একটা পঁচা গন্ধ্য পাইতেছি
বস, আপনার মাথায় থাকা লেখাটা হাতের পরশ পেয়ে কি-বোর্ড হয়ে কবে ব্লগে প্রবেশ করবে ??
ফাইনাল দ্রুত সম্পাদন হোক তারপর কড়চা অনুযায়ী আমরা খরচা বাড়িয়ে দেই সবাই খানাদানা খেয়ে!
এইটা কি তোমার মামার বাড়ির আবদার নাকী, ফুপাতো ভাই ?
শান্ত ভাই জিন্দাবাদ!! খাওয়া না দিলে ধাওয়া দেয়া হবে মেসবাহ ভাইরে...

শান্ত ভাই মুর্দাবাদ!! ধাওয়া না দিলে খাওয়া দেয়া হবে সবাইরে...

ধাওয়া ছাড়াই খাওয়া পেলে নাওয়া সেরে আওয়া যাবে...
আমরাও ভাগ চাই
ভালো লাগলো।
বানরের পিঠা ভাগ ???
দাদা ভাই , তাইলে পার্টি কবে ?
আপনেরেতো চিনলাম না ভাই, আপনি জানি কে ?
পই পই কৈরা কইছিলাম ল্যাব এইড ছাইরেন্না... আম্রা ওইখানে আড্ডাই...
তিনি আমার কথা শুনলেন্না
...
হ খিচুড়ীটা বড়ই স্বাদের ছিলো।
পয়লা দিন দেখে শরম কইরা এক প্লেটের বেশী খাইতে পারি নাই।
তিনি তার একমাত্র স্ত্রীর কথাও শুনলেন না, তিনি শুনলেন নিজের কথা। এবং ধরা খাইলেন...
এক প্লেটের বেশি খিচুড়ি খাইতে শরম লাগছিল... কিন্তু খিচুড়ি খাইয়া, হোস্টরে থুইয়া, সিনেমা হলে যাইয়া, বাংলা সিমো দেখতেতো শরম লাগে নাই... বেশরম কোথাকার !!!!
এট রাসেল আশরাফ
না শরম করে নাই।আর সিনেমা দেখতে আমি যাইতে চাই নাই আমারে জোর কইরা ধরে নিয়ে গেছিলো।আর সিনেমা না দেখলে রাতে সেই ভাজাপোড়া আর রসমালাই খেতাম কী করে

আচ্ছা, ঠিকাছে... ঠিকাছে... ঠিকাছে
দেশে আস। বিয়া শাদী লাগুক। তখন সুদে আসলে আদায় কৈরা লমুনে
একটু দোয়া পড়ে ফুঁ দিয়ে দেন তো যেন বিয়ে শাদী তাড়াতাড়ি লাগে আর আমি দেশে যেতে পারি
দোয়া রইল। রইল সমবেদনাও... বলাতো যায়না, তোমার বউ কিরাম হয়
খবর কি এখনো ফাইনাল হয় নি?
শুভকামনা।
ভাই, ফাইনাল খেলা কি হয়েছে ? ফলাফল জানাবেন না। নাকি খেলা পরিত্যক্ত হয়েছে !
ফাইনালের ফলাফল কী?
সালাম ভাইয়া

আজ ১০ মার্চ! ফাইনালের রেজাল্ট-টা জানান প্লীজ!
পজেটিভ রেজাল্ট-ই হবে ইনশাল্লাহ!
ওয়ালাইকুম
সব ঠিক হবে, ঠিকঠাক চলবেও সব। খালি আমাদের ল্যাব এইডের খিচুরি খাওয়া বন্ধ হইল। আফসুস
তাইলে আর কী ! সব ঠিক-ঠাক হৈলে চলেন একদিন সবাই মিলে ল্যাবএইডের খিচুড়ি খাই...। আমিই না হয় মুরগা হমু
ফাইনালের জন্য অনেক শুভ কামনা।

আমি জীবনেও ল্যাব এইডের খিচুড়ি খাই নাই
দেখি কত তাড়াতাড়ি তোমাকে ল্যাবএইডের খিচুড়ি খাওয়াতে পারি
আপনার বন্ধু ভাগ্য দেখে সত্যি ঈর্ষা হয়। সত্যিকার বন্ধু ২/১ জন থাকলেই হয়।
খিচুড়ী কবে?
আসলেই আমার নিজের বন্ধু ভাগ্যে নিজেই ঈর্ষান্বিত

খিচুড়ি হবে হবে
মন্তব্য করুন