উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ
ফেইসবুক বন্ধ হওয়াতে সবচেয়ে খুশি হয়েছে কারা? সবচেয়ে খুশি হয়েছে জামায়াতি ইসলাম অর্থাৎ রাজাকার গ্রুপ। এইটুকু বোঝবার ক্ষমতা আমাদের সরকারের যদি না থাকে তবে আর কি বলার আছে।!
যাকে গ্রেফতার করেছে তার কাছ থেকে অনেক জেহাদি বই পাওয়া গেছে। সে যদি জঙ্গী গোষ্ঠীর হয় তবে তার উদ্দ্যেশ্য তো সফল হয়েছে । জামাতিরা/ যুদ্ধাপোরাধীরা ফেইসবুকে তাদের বিরুদ্ধে জনগনের অবস্থান খুব ভালোভাব বুঝতে পারছিল। তাই যাতে এই সরকার ফেইসবুককে আক্রমন করে সেই ব্যাবস্থা করেছে আর সরকারের মধ্যে অবস্থানকারী জামাতিরা সেই সুযোগে ফেইসবুক বন্ধ করে দিয়েছে। এ যেন সেই ব্যাপার --মাথা ব্যাথা তো মাথাই কেটে ফেল।
ফেইস বুক বন্ধ হবার কারনে জামায়াতিদের খুশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তাদের বক্তব্য পড়লেই বুঝা যাচ্ছে। আমেনী তো বলেই ফেলেছে ফেইসবুক বন্ধ হওয়াতে সে খুব খুশি হয়েছে। এই সরকার এই একটা কাজ করে জামাতিদের সন্তুষ্ট করতে পেরেছে।
সরকার একদিকে ডিজিটাল বংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখে আর অন্য দিকে সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। সত্যিই সেলুকাস---- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ।
কবে যে দেখবো বাংলাদেশে ব্লগিং বন্ধ।





সেটা বুঝার বিন্দুমাত্র ক্ষমতাও যদি থাকত তাদের ...
কি যে হবে দেশের ভবিষ্যত ???? বেশি দূর ভাবতে পারিনা আতঙ্কিত হয়ে পরি হতাশায়।
কবে যে দেখবো বাংলাদেশে ব্লগিং বন্ধ। ---- আমার ও এমন হয়।
মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের চেয়ে ও সভ্য আফ্রিকার বুস উপজাতি বা আমাজান অরন্যের সেই সব উপজাতিরা ।
ব্লগিং ও বন্ধ হবে ... মাত্র তো শুরু
টুটুল ভাই, আমার ও মনে হয়। তবে আমার আরও কিছু কথা ছিলো!
বলুন উদরাজী ভাই।
হাসান ভাই, কেমনে কমু! টুটুল ভাইরে কিছু কন!
বস... থাউক আপনে মুখ খুইলেন্না... তাইলে আবারো সরকার পতন ঘটতারে
দেশে ফ্যক্স বন্ধ ছিল, দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ নথি , তথ্য বাইরে পাচার হয়ে যাবে ,
ইন্টারনেটও দেরী করে পারমিশন দিছিল একই কারনে, ফাইবার অপটিক কানেকশন নেয় নাই - তথ্য সব তার দিয়া পাচার হয়ে যাইবো - ইউটিউব বন্ধ করছিল, সচলায়তন বন্ধ করছিল তারো আগে, সেই দেশে ফেসবুক বন্ধ হবে - এতে অবাক হবার কিছুই নাই। উদ্ভট ঊটের পিঠে আজ থেকে তো আর চলছে না স্বদেশ , আমরা জন্মেই দেখছি এই অবস্থা।
কথা ঠিক.....

অন্য যে সব কারণ দেখিয়েছে তাতে করে মানুষরে বুঝ দেয়া গেলেও এই জিনিসটা বাংলাদেশের সাধারন মানুষ কখনোই মেনে নিবে না ... ধর্মান্ধদের কাছে নতি স্বীকার করে এই সরকার শুধু নিজেরা না বরং সারা পৃথিবীর সামনে আমাদেরকে ছোট করেছে ....
দলান্ধ লোকরাই একমাত্র ফেসবুক বন্ধ হওয়ায় খুশি হয়েছে।
বিভিন্ন ব্লগে দেখেন, দলান্ধ আলীগ-বিএনপি-জামাত বা অন্যান্য মৌলবাদিদল গুলোর সমর্থকরা ফেসবুক ব্যান করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাচ্ছে। এই জায়গায় সবগুলা এক।
হ ।
এই পোস্টের সেরা মন্তব্য ।
হুমমম
আমি ফেইসবুকে নেই তাই এইটা বন্ধ হওয়াতে আমার নিজের ব্যক্তিগত কোন ক্ষোভে পুড়তে হচ্ছেনা। কিন্তু এতোটা ব্যক্তিগত মনে হয় এখন আর থাকা চলেনা, যেখানে স্বামী, পরিবারের অনেকেই এতে আবদ্ধ! আমার প্রবাসে অবস্থানরত ভাগ্নীর তার বাবা মায়ের সাথে যোগাযোগের প্রধাণ মাধ্যম এই ফেইসবুক তাই বোনের বিরক্তি আমাকেও স্পর্শ করেছে। কিন্তু ব্লগ! ব্লগে কোন আগ্রাসন হলে আমি কী করবো! নিশ্চয়ই প্রতিবাদ করবো। রাস্তায় মিছিল হলে সেখানেও নেমে পড়বো।
আর আপনি যে বিষয়টার কথা বললেন, জামাতীদের খুশী করা। এইটা নিয়ে আমার আপত্তি আছে। আসলে বাংলাদেশের যে কোন সরকার সেইটা ডান, বাম বা অতি ডান বা অতি বাম সব সরকারে কাছেই ধর্ম একটা বড় ইস্যু। এই দেশে বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠির ভোটকে কাউন্ট না করে কোন সরকার কোন কাজ করবেনা। সেই মুসলমানদের মধ্যে আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি এমনকি ওয়ার্কাস পার্টির সমর্থকও আছে। তাই সেক্যুলার দল হিসাবে খ্যাত আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকেও হিজাব পরে ভোট ভিক্ষা করতে হয়, এইটা রাজনীতির প্যাঁচ। তাই ফেইসবুক বন্ধ করার সিদ্ধান্তে জামাতের খুশী হওয়া না হওয়া অন্য ব্যাপার এইটা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সরকারের একটি কৌশলগত উদ্যোগ বলেই আমার ধারণা।
ফেইসবুক আমার অনেক পুরানো বন্ধুদের পাইয়ে দিয়েছে! যাদের আমি হয়ত সারা জীবন খুজেও পেতাম না। গত সাপ্তাহে পেয়েছিলাম বন্ধু সেলিমকে, যার সাথে গত ৭ বছর কথা/ দেখা হযনি, সে আমাকে অবাক করে ফোন করেছিল। আমাকে ফেইসবুকে পেয়েছে সে। বন্ধু সেলিম এখন পুরা পরিবার নিয়ে থাইল্যান্ড থাকে। দেখু্ন, কত আনন্দের কথা!
পাকিস্তানিরা তো ব্যান তুলে দিছে। এখন কি হবে? হায় হায়
মাসুম ভাই, দেখলাম। লজ্জা সরমের মাথা খাই আমরা। হয়ত আগামি কাল, আমাদের ঘোষনাও এসে যাবে কিন্তু কোন দুঃখ প্রকাশ থাকবে না! হাহা.। গু হাতে ঘাটা ঘাটি অবস্থা!!!
জয় বাবা ডিজি-টাল বাংলা......
সব কিছু একসময় ঠিক হয়ে যাবে। সবাই সবকিছু ভুলে যাবে। কিন্তু, ফেইসবুক বন্ধ হয়েছিল, সেটা মনে থাকবে। আর, তরুণদের একটা বিশাল অংশ এই সিদ্ধান্তে ক্ষিপ্ত। তাদের ব্যাপারটাও সরকার বিবেচনা করেনি। এটা একটা ভূল ইংগিত দেবে।
মুহাম্মদের ছবি আঁকনের ঐ পেইজ ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ ডিলিট মারছে তাই পাকিস্তানিরা আরব্যান করছে...কিন্তু আমাগো সরকারের তো আরো একটা ইস্যূ মাথায় আছে। তারা তো হাসিনা-খালেদার ক্যারিকেচাররে ফিল্টারিং করবার চায়।
প্রথম আলো ব্লগে নাকি বিচিত্র-হোল-ছাগল এইরম আরো শব্দ লিখন যাইতো না, **** এইরম চিহ্ন আসতো। ফেইসবুকে হাসিনার ছবি দিলে মনে হয় পবিত্র জেসাসের ছবিতে পরিনত হইবো সেইটা...কম্পিউটাররে কি মনে করে আওয়ামিরা? মানুষের চাইতে জ্ঞানী? সজীব ওয়াজেদ শিখাইছে এইসব তার মায়রে?
আনব্যান*
ফেইসবুক বন্ধ থাকাই ভালো, বেপর্দা ব্যাপার শেপার। যাই ওজু করি গা
উটের পিঠ ব্যথা হয়ে যায় না ক্যান এখনো?
আগে প্রায় প্রায় বেফাঁস মন্তব্য করে নিজে বেকায়দায় পড়তেন, দলকে বেকায়দায় ফেলতেন। কাজেও তার প্রমাণ রেখেছেন।
এইবার মসনদে গদিয়ান হবার পর তার আচরণে সাময়িক পরিপক্বতা দেখা গিয়েছিলো। তবে ওই যে বলা হয়, ..১২-১৪ মাস ঘিয়ের টিনে ডুবায় রাখলেও সোজা হয় না.. কথাটার প্রমাণ পাইলাম। অল্প সময়ে, বেশ কিছু কারণে।
মন্তব্য করুন