জনক জননীর গল্প /মোস্তফা কামাল--------------একটি বই যা আমার অমূল্য সম্পদ।


"জনক জননীর গল্প" বইটি মোস্তফা কামালের লেখা।
একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রাষ্ট্র সম্মান না জানালেও মুক্তিযোদ্ধারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়েছে। এটাই সোলায়মান মন্ডলের বড় পাওয়া।
এবারে বই মেলা শুরু হবার পর পরই আমাকে ফোন করে বললো --আপু ঢাকায় কবে আসছেন? আপনাদের জন্য একটা সামান্য উপহার আছে।
আমি হাসলাম,বললাম-- কি আমাকে কোন বই উৎসর্গ করেছ?
সে হাসলো-- আপনি কি বই উৎসর্গ করার মত বড় কিছু হয়েছেন?
আমি ও কপট রাগ দেখিয়ে বললাম ---ইস্ আমি তোমাকে কত কি খাওয়াই তবুও একটা বই আমাকে উৎসর্গ করা যায় না।
ডাকপিয়ন একটি গিফট প্যাক বাসায় দিয়ে গেল। খুলে দেখি জনক জননীর গল্প নামে একটি বই লেখক মোস্তফা কামাল। স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই বইটির পৃষ্টা উল্টিয়ে দেখলাম।
আমার বাবকে নিয়ে লেখা বইটি। আমার বাবার মুক্তিযুদ্ধের কথা আমার বাবার জীবন যুদ্ধের কথা আমার বাবার পাওয়া না পাওয়ার কথা। বহুবার বইটি পড়তে চেষ্টা করলাম। একটি পৃষ্ঠা শেষ করতে পারছি না। চোখ ভরে উঠে অশ্রু দিয়ে। এই আবেগ থাকবে কিছুদিন।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে কামাল এই বই লিখেছে যার নায়ক আমার বাবা। এটা আমার জন্য সত্যিই এক চমক এক অবিশ্বাস্য আনন্দ। এই বইয়ের প্রতিটি চরিত্র বাস্তব।
আমি জানি কামালে অবস্থান আমার কৃতজ্ঞতার অনেক উর্ধ্বে । ও অনেক বড় ।
বইটি সময় প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত।





প্রকাশনীর নাম জানালেন না !
জানালাম । ধন্যবাদ।
কামাল ভাই আমাদের অনেক প্রিয় মানুষ। তার লেখালেখি অসাধারন। তাকে আমরাবন্ধু ব্লগে নিয়মিত দেখতে চাই।
জি কামাল। মোস্তফা কামাল।
কামাল ভাইএর লেখা পড়তে চাই। পোস্টদাত্রীকেও এবি'তে নিয়মিত চাই।
আসব নিয়মিত।
এইটা আমাদের আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাই না। এই মোস্তফা কামাল একজন সাংবাদিক, এখন কালের কন্ঠে আছেন। আমরা একসময় একসঙ্গে সংবাদে ছিলাম, তারপর দীর্ঘদিন প্রথম আলোতে।
জি কামাল এখন কালের কন্ঠে। আপনাদের সাথে ছিল একসময়।
আকিদা তুমিও লেখো না কেন বাবাকে নিয়ে, এই ব্লগেই। আগ্রহী পাঠক হবো।
আজকের পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখেছি বইটির; সাফল্য কামনা করছি।
এই ব্লগে লেখার অনুরোধ রইলো
পারিনা নুশেরা বাবাকে নিয়ে লিখতে। খুব ইচ্ছে করে কিন্তু পারিনা।
ব্লগে তুমি এত অনিয়মিত হয়ে গেলে কেন?!
তোমার বাবার গল্প পড়বো।
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।
বইটির সাফল্য কামনা করছি।
আপনাকেও নিয়মিত চাই ব্লগে।
মন্তব্য করুন