প্রকম্পিত ভূমি।
দেড়শ বছরের পুরনো বাসভবনের দ্বিতল এর এক প্রান্তে বসে প্রথম আলো পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছিলাম। পত্রিকার একটি পাতা উড়ে খাটের ঐ পাশে পরেছে। সেটা নেবার জন্য উপুর হচ্ছি আর মনে মনে ভাবছি বাচ্চা দুটি তো পাশের ঘরে টিভি নিয়ে ব্যাস্ত। তবে কে এই প্রকান্ড অট্টালিকা কাঁপিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে। উপুর হবার সাথে সাথেই কি যে হলো, পিছনের এক অদৃশ্য ধাক্কায় মাথা যেয়ে আঘাত করলো দেয়ালে। ঊঃ বলার ও সুজোগ পেলাম না। তার আগেই বুঝলাম ভূমিকম্প হচ্ছে।
জানু খবর শুনছিল। এই সময় পৃথিবী উড়ে গেলেও তার টের পাবার কথা না। এই ধারনা ভুল প্রমানিত করে 'ভূমিকম্প ভূমিকম্প' চিৎকার করতে করতে ছোট দুইটা বাচ্চাকে চিৎকার করে বাইরে যেতে বলে নিজেও দৌড়।
বড়টার ঘর অন্য প্রান্তে। আমি গগন বিদারী চিৎকার করে ওকে ডেকেই যাচ্ছি কোন জবাব নেই। আমি চরকির মত ঘুরে ঘুরে আমার ওড়না খুঁজছি নেই। বিছানায় বসা ছিলাম সেখানেই থাকার কথা, কিন্তু নেই। এদিকে মেয়ের ও কোন জবাব নেই। ডাইনিং স্পেসএ এসে দিলাম প্রান খুলে চিৎকার। ---মা মা কী হয়েছে বলতে বলতে দৌঁড়ে এল । ও নাকি তখন ছিল ওর ঘর লাগোয়া ঝুলন্ত বারান্দায়। যেহেতু বারান্দাটা সব সময়ই কাঁপে তাই সে তখনও কিছু বুঝতে পারেনি।
সিঁড়ির সামনে আবার জানুর সাথে দেখা --এই তুমি আবার কী নিতে ঘরে ঢুকছো? কোন জবাব নেই? দেখি দ্রুত হাতে ড্রায়ার থেকে তার টি শার্ট বের করে নিল। মেয়েকে নিয়ে নিচে চলে এলাম। প্রায় দুই মিনিট স্থায়ী ভূমিকম্প যখন থামলো তখন দেখি জানুর গায়ে ফতুয়া পায়ে স্যান্ডেল সু। হাসতে হাসতে বললাম--শুধু তোমার পায়েই স্যান্ডেল আর আমরা সবাই খালি পা। উনি জবাব দিলেন শুধু মোবাইলটা ছাড়া আমি কমপ্লিট হয়েই নেমেছি। উত্তরে হাতের মোবাইলটা দেখিয়ে বললাম --জামা জুতার চেয়ে এটাই বেশী জরুরী।





মাঝে মাঝে ভয়ই লাগে ....আর একটু বেশী মাত্রার হলেই.....আমােদর দেশ-মািট-মানুষ এর উপর সৃিষ্টকর্তার অসীম দয়া....যদিও পরিসংখ্যান বলে আবার সময় হয়েেছ বড় একটি ভূিমকম্প হবার। সৃিষ্টকর্তার কাছে প্রার্থনা আমার দেশ-মািট-মানুষ ভালো থাকুক।
দড়ির উপরে জীবন
ছোট বেলায় নানী দাদী গল্প বলতেন পৃথিবীটা আছে এক মস্ত ষাঁড়ের শিং এর উপরে। একটা মাছি মাঝে মাঝে তাকে খুব বিরক্ত করে। সেই মাছি তাড়াতে ষাঁড়টা যখন মাথা ঝাকি দেয় তখনই ভূমিকম্প হয়।
সিন্নি আর ফিন্নির মধ্যে পার্থক্য কি? এক হোটেলের তালিকায় দেখলাম ফিন্নি লেখা। তাই জানতে মন চায় যাহা সিন্নি, তাহা-ই ফিন্নি? নাকি যাহা ফিরনি, তাহা ফিন্নি? তাহলে সিন্নি কোনটা?
আপনেগো কি, বিদেশে বৈসা চোখ নাচান, আমরা অসহায় নিরন্ন মানুষ, সিন্নিতো আপনাগোই দিবো
বিদেশ থাকলেই বুঝি চোখ নাচায়? এই তথ্য কোথায় পেলে? তথ্য সূত্র জানতে চাই। বিবিসি নাকি উইকিলিকস নাকি...
দেশে আপনেরা আছেন , আমরা বাবা মা আছে
দূর থেকে কেমন যে পেট পুড়ে সেইটা আপনেরা বুজবেন নাগো দিদি
বুঝি, আমার বাবা-মা একা একা দূরে থাকেন, দুশ্চিন্তা আমাদের অনেক আছেগো দাদা
পেট পুড়লে আপনিও দেশে এসে আমাদের মতন দুলুনি খান। আর ৩০০ টাকা কেজি কাঁচামরিচ, ৮০ টাকা কেজি করলা খান, তাইলে বুঝপেন আমরা কুথায় আছি।
দেশ বদলালেও পরিস্থিতি খুব একটা বদলায় না। বিদেশে জীবন চালাতেও অনেক খরচ করতে হয়, মাসের শেষে হাত খালি থাকে। কাঁচা মরিচ গত ২ দিন আগে কিনেছি ৪০ ডলার কেজি দরে ( ১টা ছোট্ট প্যাকেটের ২০/২৫ টা ৪ ডলার করে ), করলা খাই না তাই দামও জানি না। দুলুনী খাইতে মন্চায়গো আফামনি
ভূমিকম্প থামার পর সিন্নি দেব নাকি আগে???? পরে হইলে হাশরের ময়দানে দাবি রাইখেন না দাদা। আর আগে চাইলে --আমি বাকিতে নাই।
আমি গেলাম, কেউ আমার দিকে নজর দেয় না, স্বজনপ্রীতি চলতেছে। রাগ করলাম।
কিরাম নজর দিপে? চোখটিপির মত নজর? সুমন ভাই মনয় আপনেরে ডরায়।
কে সেই পামর?
যে রশীদা আপার দিকে নজর দেয় না???

এই দেখেন আমি তাকায়া আছি

এমনে তাকায়া থাকলে হপে না, নজর দিতে হপে।
বৃত্ত তুমি কবে থেইকা লুল হইলা
লীপনাপর ডরেই এতকক্ষণ কেউ উনার বান্ধবীর দিকে নজর দেয় নাই, যতই হোক পুলিশের বউ এর বান্ধবী। মাইনষের জানে ডর ভয় আছে তো!
হ। রশীদা সাংঘাতিকও বটে
বৃত্তর কী হৈল রে...
গতকাল ভূমিকম্প পোষ্টে দেখছেন না রাসেলরে কি সব কইছে বৃত্ত! এরে টুটুলরে কইয়া বড় হুজুরের কাছে পাঠাইতে হপে।
দেখেন লীনাপু, কবি মাত্রই লুল এই সৈত্য খান আপ্নি জান্তেন্না বলতেছেন?

ওওওওওওওওওওওও। আপনে তাইলে কবি? কবিরা লুল? আপনে তাইলে লুল?
আমিতো পুরা কবি না, সো পুরা লুলও না
এই মাঝে মৈদ্যে আর্কি :দ
জয়িতা বৃত্ত ক্রমশ ... হুজুর হয়া যাইতেছে

বৃত্ত, শেষ পর্যন্ত তুমিও আনসেফ
বৃত্তরে এতদিন বন্ধু বন্ধু লাগতো, আজকে পোলা পোলা লাগতেছে
আমি কিছু কমু না। কিন্তু কইতে মন্চায়। কিন্তু ডর করে। পরে রায়হান ভাই কইবো.............
হুজুর হৈলে দৌড়ানি দেন। হুজুররা তো লুলের বস।এইখানে কুনু হুজুর নাই তো! ডর করে।
জয়িতা ভয় পাইস না, সিডি হুজুর হাদিসে আছেন
নাউজুবিল্লাহ মিন.......................
আপনে হাদিস পড়া ধরছেন কেন? বুরখা পড়েন নাকি আবার?
আমি চরকির মত ঘুরে ঘুরে আমার ওড়না খুঁজছি নেই। বিছানায় বসা ছিলাম সেখানেই থাকার কথা, কিন্তু নেই। কাল ভূমিকম্পের পরে অফিসে বসে বলছিলাম , আল্লাহ এমন না করুন, রাতে যদি হঠাৎ ভূমিকম্প টের পাই, তাইলে বের হওয়ার জন্য রেডি হইতেই মারা পড়তে পারি। তারপর দেখি সবাই এইটা নিয়ে মোটামুটি চিন্তিত
আমি দুর্যোগকালীন ব্যবস্থা হিসাবে একটা বাথরোব (বাংলা সিনেমায় বড়লোক নায়িকা/নায়িকার বাপ/নায়িকার মা দের যেমন থাকে) কিনুম ভাবছি।
সেইটা কিরম? বেপর্দা না তো! ধরেন যে জুরে বাতাস আইলে! নাউজুবিল্লাহ মিন...........
নাহ, কোমরের কাছে দড়ি থাকে, কইষা বাইন্ধা রাখলেই হইল।
মেরিলিন মন্রো টাইপের সিন সিনারির কথা হৈতেছে মোনায়

বৃত্ত পুলাডা আসলেই গন কেস।
মৌসুম, তাও রিস্ক থেকেই যায়। দুর্যোগ এর সময় মানুষ একজন আরেকজনরে আকড়াইয়া ধরে বাঁচবার চায়। তবে এমন না হোক এই দেশে।
এই চিন্তা আইছে গোসল করতে গিয়া। মানইজ্জত রক্ষার্থে প্রান দিয়া দেয়ার থেইকা বুরখা সদৃশ বাথরোব ভাল জিনিষ। কিন্তু আমি চিন্তা করতেছি আসলেই যদি সেইরকম ভূমিকম্প হয়, এবং সব ভাইঙ্গা গুড়া গুড়া হইয়া যায় এবং আনফরচুনেটলি আমরা বাঁইচা যাই, সেই ক্ষেত্রে আমাদের থাকার জায়গা কি হবে? রেফুজি ক্যাম্প? কোন শেলটার? সেইটা কোথায় হবে?
রেডকিসেন্ট, ইল্ডিয়া এরা লৌড়ায়া আইবো সাহাইয্য লৈয়া। আম্রার রিফুজি ক্যাম্প হৈবো বসুন্ধরার সাইডের কাশখেত, নৈলে রাম্পুরার নয়া যেই রাস্তা হৈতেছে সেই খান।
আমার তাইলে আড়ং এর পাশের খালি জায়গাটা। আর তো কিছু খুঁইজা পাইতেছিনা, হাঁইটা হাঁইটা ঐখানে পৌছাইতে পৌছাইতে আর কোন জায়গা খালি থাকবেনা মনে হয়। আপনেগো ঐদিকে আমার জন্য জায়গা রাইখেন।
আম্রার এদিক বিশাল বেড়ি বাধ রৈছে। আপ্নের লাইগা নাহয় রাক্লাম এক্টু এলাকা।
ওহো এক্টা কথা, আমার "লগ" লাগবো লাইঠাউস কোভের লাইগা। মনে কৈরা পাঠায়েন।
দিসি।
থেনকু
কি যে কুকথা কন আপনেরা! বালাই ষাট!
কাল প্রথম আলোতে পড়লাম, একদল ৫০ উর্ধ্ধ মহিলা প্রতি শনিবার এদরেই কারো না কারো বাসায় আড্ডা দেয়, ছবি আঁকে, খাওয়া-দাওয়া করে তুমুল সম কাটায়। পড়েই মনে হইলো, আহা! এরম একটা আড্ডা গ্রুপ আমাদের থাকুক, বুড়ি হয়েও এমন দারুন, মজার সময় কাটাবো।
আমি ৫০উর্ধ ঐ মহিলাদের একজন হইতে চাই। কত মজা, কয়দিন পরেই মইরা যাইব, কি আনন্দ!
ওইখানে একটা অল্পবয়সী মেয়েও আছে। আরে আমরাই এমন একটা গ্রুপ কেন বানাই না! ত মারামারি কাটাকাটি হোক, গ্রুপ অবিচল থাকবে।
কি কন এইসব? ডর করে। লা ইলাহা........
আপনের বাখরোব না কি যেনো, সেই জিনিস একটা খরিদ করতে হপে তাইলে। সেইটা কি সবসময় কাছে রাখতে হবে? ইয়া মাবুদ!
আপনের কি চিন্তা, ক্যাম্পাস ভরা তো খালি জায়গা। বাথরোব আমি রাখুম বাথরুমে, সবথেইকা দরকারি জায়গায়। এমনে ঘরে তো কাপড় পরাই থাকি!
কাল এক কলিগ কইলো, ঘুমাইলেও মাথার কাছে ওড়না রেখে ঘুমাবা। কি মুসিবত!
ওড়না দিয়া কি কাম? বিপদে ওড়না কি, আর জুতা কি
আরে জানেন না। কাল কলিগরা কত গুরুতর অঅলোচনা করছে এসব নিয়া। একজন নাকি গোসল করতেছিলো এবং টেনশনে পইড়া গেছিলো, তাই নিয়া পরে বিরাট আলোচনা। একজন কয়, বিপদ দেখলে কাঁথা গায়ে জড়ায়া দিবা দৌড়, বুঝেন আবস্থা!
হাহাহাহাহাহহা।
আমি ওড়না ছাড়াই নাইমা গেসিলাম অবশ্য। পাশের ফ্ল্যাটের ভাইয়া তার গার্লফ্রেন্ডে ঝারি দিতেছিল ওড়না খুঁজতে সময় নষ্ট করতেছিল বইলা। পরে মনে হইল ওড়না আইডিয়াটা খারাপ না, সব ধ্বংস হইয়া গেলে যা হাতে থাকে তাই লাভ।
বাড়ির নীচ তলায় কিছু ওড়না মজুদ করে রাখ, নিজের জন্য রেখে কিছু দানও করতে পারবা।
আমার এইখানে নীচতলায় মজুদ রাখেন, দেখবেন বিড়াল কি সুন্দর বাথরুম বানা ফেলছে।
হাহাহা, হলের বিড়াল সমস্যা এখনো আছে! শর্মী বলতো রোকেয়া হলের ক্যান্টিনের সামুচার ভিতরের জিনিষটা হইল বিড়ালের মাংস। নাইলে এতো বিড়াল কই যায়? :প
ইয়া মাবুদ! এইসব কইয়া খান কেমনে? ভাবতেই তো খবর হইয়া যায়...
বিড়াল দম্পতিদের ব্যাপক প্রেম-ভালোবাসা। বিড়াল তাড়ায়া শেষ করন যায় না।
সামুচাটা তো মজার ছিল খাইতে, বিড়াল হইলেই কি! মজার হইলেই হইল।
বিড়ালের মাংস না, এইটা আমি সিওর
আপ্নে শিউর হৈলেন কেম্নে? আপ্নে কি আগের্থিকাই বিড়ালের মাংসের টেস জানেন??
ওয়াকককককককককক। এত্তটা খারাপ হওনের সাহস পাইব বলে মনে হয় না।
যেই কয়জন্রে ফোনাইছি কেউ ফোন্ধরে নাই... কারন সব্বাই মুফাইল রাইখা দৌড়া দিছিলো... এইটা ঠিক হয় নাই... সব্বাই মুফাল লগে রাকপা
আমারে কেন ফুন দেও নাই? আমি তো ফুন ধরতাম। নিঠুর বন্ধু।
আমার লিস্টি হইল ১. ক্যামেরা, ২. মোবাইল, ৩. হাতের কাছে যা পাই কাপড়চোপড় (রেফুজি ক্যাম্পে কাজে দিবে)।
আমি মেয়ে ছাড়া কিছু চাইনা। মেয়ে সঙ্গে থাকলে এক কাপড়ে বস্তিতে চলে যাব, ভিক্ষা-টিক্ষা করে চলতে হবে আর কি।
ভিক্ষা দিবেটা কে? সবার তো অবস্থা খারাপ থাকবে।
আল্লাহ মাফ করুক। আপনেরা এসপ কি কন? আমি না খাইয়া থাকতে পারুম না।
আপনারা সবাই মইরা গেলে বা রিফুজি ক্যাম্পে গেলে ব্লগামু কাগো লগে?

আইছে আরেক চান্দু। আপনে ল্যাপি নিযা চইলা আসপেন।
চইলা গেলে ল্যাপি লাগবো ক্যান? আর আমি কিন্তু আপনাগো রিফুজি ক্যাম্পের খিচুড়ী খাইতে পারুম না।আমারে ল্যাবেডের খিচুড়ী খাওন লাগবো।
উলটাটাও তো হইতে পারে। কোরিয়াতে জীবনেও ভূমিকম্প হয়না নাকি?
গত দেড় বছরে একদিন ও হয় নাই।
আমি ভুমিকম্পের চাইতে উত্তর কোরিয়ার লগে যুদ্ধটা বেশি আশা করি।
আমি এখন খিচুড়ী বসাইলাম। সাথে বাধাকপি, টমেটো, বেশী করে কাঁচামরিচ দিলাম, কারণ আর কিছু রানতে ইচ্ছা করতেছে না।
বাইচচা থাকলেতো মুবাইল
শেষটা পড়ে ছোট গল্প মনে হল
উপস্থিত...
মাস্টারশেফ দেখতে গ্যালাম
আমি ভাতিজিকে পড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো ওর চেয়ারটা নড়ছে। ভাবছিলাম ওর এত শক্তি হলো কবে বসে বসে চেয়ার নাড়ায়!!
এরপর ভাবীর চিৎকার শুনলাম, নিচে নামতে বলতিসে। মোবাইলটা হাতে নিয়ে ঘরের দিকে তাকায় ছিলাম
সারাদিন নেট কানেকশন পাই নাই। এতক্ষনে পাইলাম এবং মন্তব্যগুলি পড়ে হাসতে হাসতে চাপা ব্যথা হয়ে গেল।
মজার কথা হল আমি তো শেষ পর্যন্ত ওড়না ছাড়াই নিচে গিয়েছি কিন্তু মেয়েকে নিয়েই নেমেছি। সব থামার পরদেখি এস পি সাহেব খালি গা এবং হাফপ্যান্ট পরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। আর তার স্ত্রী মুখে তুফান ছুটিয়েছেন --পুলিশ হয়ে ও বউ বাচ্চা সব রেখে বেচারা বাথরুম থেকে গাউ গাউ চিৎকার করে কেন উলটা দৌড় দিলেন?
ভদ্রলোক তখন ছিলেন বাথটাবে। মনে হয় সেখানে দুলুনিতে তার মনে হয়েছে তিনি সুনামীতে পড়েছেন সবাই ভেসে গেছেন একাই বাচঁতে হবে।
ইয়ে মানে, আপনের পোষ্টে আড্ডাইয়া ছেড়াবেড়া বানাই ফেলছি আমরা, মাইনড খান নাই তো!
একটা সরল কথা, হাফপ্যান্ট পড়া এসপি রে দেখনটা ঠিক হয় নাই, গুণাহ হপে। আর বাথটাব থেইকা হাফপ্যান্ট পইড়া কেমনে বাড়াইলো? মৌসুম তো বাখরুব না যেনো কি রাখপে বাথরুমে, ওইরকম মনয়।
বউ এর ঝারি খাইতে খাইতেই এস পির বারটা বাজছে। উনি তখন বুঝচ্ছেন রিমান্ড কারে কয়। কী যে জবাব দিচ্ছেন আর ভাবী যে ভাবে পেঁচাচ্ছিলেন তাতে উনি এস পি র বউ হিসাবে সার্থক।
আড্ডায় আমার তো বিশেষ লাভ হইছে আমার পোস্টটা সপ্তাহের সেরা পাঁচে ১ম দিনেই ২য় স্থান অধিকার করেছে।
আড্ডাইতে মুঞ্চায়।
রিমান্ড কারে কয়

সাবেক স্বরাষ্ট্র পতিমন্ত্রী বাবর বলতে পারবেন ভাল।
কবে আসবো আপনার বাসায়?
সেই কবে দাওয়াত দিয়ে রেখেছি কেউ আসে না। মন খারাপের ইমো হবে। সময় করে চলে আসুন।
খালি হাত মাথায় বুলালে কি কান্না থামে, ঘুষ চাই---
মন্তব্য করুন