ইউজার লগইন

প্রকম্পিত ভূমি।

দেড়শ বছরের পুরনো বাসভবনের দ্বিতল এর এক প্রান্তে বসে প্রথম আলো পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছিলাম। পত্রিকার একটি পাতা উড়ে খাটের ঐ পাশে পরেছে। সেটা নেবার জন্য উপুর হচ্ছি আর মনে মনে ভাবছি বাচ্চা দুটি তো পাশের ঘরে টিভি নিয়ে ব্যাস্ত। তবে কে এই প্রকান্ড অট্টালিকা কাঁপিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে। উপুর হবার সাথে সাথেই কি যে হলো, পিছনের এক অদৃশ্য ধাক্কায় মাথা যেয়ে আঘাত করলো দেয়ালে। ঊঃ বলার ও সুজোগ পেলাম না। তার আগেই বুঝলাম ভূমিকম্প হচ্ছে।

জানু খবর শুনছিল। এই সময় পৃথিবী উড়ে গেলেও তার টের পাবার কথা না। এই ধারনা ভুল প্রমানিত করে 'ভূমিকম্প ভূমিকম্প' চিৎকার করতে করতে ছোট দুইটা বাচ্চাকে চিৎকার করে বাইরে যেতে বলে নিজেও দৌড়।

বড়টার ঘর অন্য প্রান্তে। আমি গগন বিদারী চিৎকার করে ওকে ডেকেই যাচ্ছি কোন জবাব নেই। আমি চরকির মত ঘুরে ঘুরে আমার ওড়না খুঁজছি নেই। বিছানায় বসা ছিলাম সেখানেই থাকার কথা, কিন্তু নেই। এদিকে মেয়ের ও কোন জবাব নেই। ডাইনিং স্পেসএ এসে দিলাম প্রান খুলে চিৎকার। ---মা মা কী হয়েছে বলতে বলতে দৌঁড়ে এল । ও নাকি তখন ছিল ওর ঘর লাগোয়া ঝুলন্ত বারান্দায়। যেহেতু বারান্দাটা সব সময়ই কাঁপে তাই সে তখনও কিছু বুঝতে পারেনি।

সিঁড়ির সামনে আবার জানুর সাথে দেখা --এই তুমি আবার কী নিতে ঘরে ঢুকছো? কোন জবাব নেই? দেখি দ্রুত হাতে ড্রায়ার থেকে তার টি শার্ট বের করে নিল। মেয়েকে নিয়ে নিচে চলে এলাম। প্রায় দুই মিনিট স্থায়ী ভূমিকম্প যখন থামলো তখন দেখি জানুর গায়ে ফতুয়া পায়ে স্যান্ডেল সু। হাসতে হাসতে বললাম--শুধু তোমার পায়েই স্যান্ডেল আর আমরা সবাই খালি পা। উনি জবাব দিলেন শুধু মোবাইলটা ছাড়া আমি কমপ্লিট হয়েই নেমেছি। উত্তরে হাতের মোবাইলটা দেখিয়ে বললাম --জামা জুতার চেয়ে এটাই বেশী জরুরী।

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

উচ্ছল's picture


মাঝে মাঝে ভয়ই লাগে ....আর একটু বেশী মাত্রার হলেই.....আমােদর দেশ-মািট-মানুষ এর উপর সৃিষ্টকর্তার অসীম দয়া....যদিও পরিসংখ্যান বলে আবার সময় হয়েেছ বড় একটি ভূিমকম্প হবার। সৃিষ্টকর্তার কাছে প্রার্থনা আমার দেশ-মািট-মানুষ ভালো থাকুক।

লীনা দিলরুবা's picture


দড়ির উপরে জীবন Sad

সামছা আকিদা জাহান's picture


ছোট বেলায় নানী দাদী গল্প বলতেন পৃথিবীটা আছে এক মস্ত ষাঁড়ের শিং এর উপরে। একটা মাছি মাঝে মাঝে তাকে খুব বিরক্ত করে। সেই মাছি তাড়াতে ষাঁড়টা যখন মাথা ঝাকি দেয় তখনই ভূমিকম্প হয়।

মাহবুব সুমন's picture


চোখ টিপি আমার দরগায় সিন্নি দিয়া যান, সব বালা মুছিবত আছান হয়ে যাপে

রশীদা আফরোজ's picture


সিন্নি আর ফিন্নির মধ্যে পার্থক্য কি? এক হোটেলের তালিকায় দেখলাম ফিন্নি লেখা। তাই জানতে মন চায় যাহা সিন্নি, তাহা-ই ফিন্নি? নাকি যাহা ফিরনি, তাহা ফিন্নি? তাহলে সিন্নি কোনটা?

লীনা দিলরুবা's picture


আপনেগো কি, বিদেশে বৈসা চোখ নাচান, আমরা অসহায় নিরন্ন মানুষ, সিন্নিতো আপনাগোই দিবো Sad

রশীদা আফরোজ's picture


বিদেশ থাকলেই বুঝি চোখ নাচায়? এই তথ্য কোথায় পেলে? তথ্য সূত্র জানতে চাই। বিবিসি নাকি উইকিলিকস নাকি...

মাহবুব সুমন's picture


দেশে আপনেরা আছেন , আমরা বাবা মা আছে Sad দূর থেকে কেমন যে পেট পুড়ে সেইটা আপনেরা বুজবেন নাগো দিদি

লীনা দিলরুবা's picture


বুঝি, আমার বাবা-মা একা একা দূরে থাকেন, দুশ্চিন্তা আমাদের অনেক আছেগো দাদা Sad

১০

মাহবুব সুমন's picture


টিসু

১১

লীনা দিলরুবা's picture


সান্তনা

১২

মাহবুব সুমন's picture


কোক

১৩

জ্যোতি's picture


পেট পুড়লে আপনিও দেশে এসে আমাদের মতন দুলুনি খান। আর ৩০০ টাকা কেজি কাঁচামরিচ, ৮০ টাকা কেজি করলা খান, তাইলে বুঝপেন আমরা কুথায় আছি।

১৪

মাহবুব সুমন's picture


দেশ বদলালেও পরিস্থিতি খুব একটা বদলায় না। বিদেশে জীবন চালাতেও অনেক খরচ করতে হয়, মাসের শেষে হাত খালি থাকে। কাঁচা মরিচ গত ২ দিন আগে কিনেছি ৪০ ডলার কেজি দরে ( ১টা ছোট্ট প্যাকেটের ২০/২৫ টা ৪ ডলার করে ), করলা খাই না তাই দামও জানি না। দুলুনী খাইতে মন্চায়গো আফামনি Cool

১৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


ভূমিকম্প থামার পর সিন্নি দেব নাকি আগে???? পরে হইলে হাশরের ময়দানে দাবি রাইখেন না দাদা। আর আগে চাইলে --আমি বাকিতে নাই।

১৬

রশীদা আফরোজ's picture


আমি গেলাম, কেউ আমার দিকে নজর দেয় না, স্বজনপ্রীতি চলতেছে। রাগ করলাম।

১৭

জ্যোতি's picture


কিরাম নজর দিপে? চোখটিপির মত নজর? সুমন ভাই মনয় আপনেরে ডরায়।

১৮

রায়েহাত শুভ's picture


কে সেই পামর? Angry যে রশীদা আপার দিকে নজর দেয় না??? Angry Angry

এই দেখেন আমি তাকায়া আছি Day Dreaming Day Dreaming Day Dreaming

১৯

জ্যোতি's picture


এমনে তাকায়া থাকলে হপে না, নজর দিতে হপে।

২০

লীনা দিলরুবা's picture


বৃত্ত তুমি কবে থেইকা লুল হইলা Crazy

২১

রায়েহাত শুভ's picture


Hypnotized Hypnotized Hypnotized এমনে নজর দিতে হৈবো নিকি?

২২

জ্যোতি's picture


লীপনাপর ডরেই এতকক্ষণ কেউ উনার বান্ধবীর দিকে নজর দেয় নাই, যতই হোক পুলিশের বউ এর বান্ধবী। মাইনষের জানে ডর ভয় আছে তো!

২৩

লীনা দিলরুবা's picture


হ। রশীদা সাংঘাতিকও বটে হুক্কা

২৪

লীনা দিলরুবা's picture


Crying
বৃত্তর কী হৈল রে...

২৫

জ্যোতি's picture


গতকাল ভূমিকম্প পোষ্টে দেখছেন না রাসেলরে কি সব কইছে বৃত্ত! এরে টুটুলরে কইয়া বড় হুজুরের কাছে পাঠাইতে হপে।

২৬

রায়েহাত শুভ's picture


দেখেন লীনাপু, কবি মাত্রই লুল এই সৈত্য খান আপ্নি জান্তেন্না বলতেছেন? Thinking Wink

২৭

জ্যোতি's picture


ওওওওওওওওওওওও। আপনে তাইলে কবি? কবিরা লুল? আপনে তাইলে লুল?

২৮

রায়েহাত শুভ's picture


আমিতো পুরা কবি না, সো পুরা লুলও না Wink এই মাঝে মৈদ্যে আর্কি :দ

২৯

লীনা দিলরুবা's picture


জয়িতা বৃত্ত ক্রমশ ... হুজুর হয়া যাইতেছে Wink
বৃত্ত, শেষ পর্যন্ত তুমিও আনসেফ Steve

৩০

রায়েহাত শুভ's picture


Crazy Crazy Crazy Crazy

৩১

লীনা দিলরুবা's picture


বৃত্তরে এতদিন বন্ধু বন্ধু লাগতো, আজকে পোলা পোলা লাগতেছে Glasses

৩২

জ্যোতি's picture


আমি কিছু কমু না। কিন্তু কইতে মন্চায়। কিন্তু ডর করে। পরে রায়হান ভাই কইবো.............

৩৩

রায়েহাত শুভ's picture


Sad Sad Sad

৩৪

জ্যোতি's picture


হুজুর হৈলে দৌড়ানি দেন। হুজুররা তো লুলের বস।এইখানে কুনু হুজুর নাই তো! ডর করে।

৩৫

লীনা দিলরুবা's picture


জয়িতা ভয় পাইস না, সিডি হুজুর হাদিসে আছেন Big smile

৩৬

জ্যোতি's picture


নাউজুবিল্লাহ মিন.......................
আপনে হাদিস পড়া ধরছেন কেন? বুরখা পড়েন নাকি আবার?

৩৭

মাহবুব সুমন's picture


চোখ টিপি আমি দিলাম

৩৮

জ্যোতি's picture


আমি চরকির মত ঘুরে ঘুরে আমার ওড়না খুঁজছি নেই। বিছানায় বসা ছিলাম সেখানেই থাকার কথা, কিন্তু নেই। কাল ভূমিকম্পের পরে অফিসে বসে বলছিলাম , আল্লাহ এমন না করুন, রাতে যদি হঠাৎ ভূমিকম্প টের পাই, তাইলে বের হওয়ার জন্য রেডি হইতেই মারা পড়তে পারি। তারপর দেখি সবাই এইটা নিয়ে মোটামুটি চিন্তিত Smile

৩৯

কিছু বলার নাই's picture


আমি দুর্যোগকালীন ব্যবস্থা হিসাবে একটা বাথরোব (বাংলা সিনেমায় বড়লোক নায়িকা/নায়িকার বাপ/নায়িকার মা দের যেমন থাকে) কিনুম ভাবছি।

৪০

জ্যোতি's picture


সেইটা কিরম? বেপর্দা না তো! ধরেন যে জুরে বাতাস আইলে! নাউজুবিল্লাহ মিন...........

৪১

কিছু বলার নাই's picture


নাহ, কোমরের কাছে দড়ি থাকে, কইষা বাইন্ধা রাখলেই হইল।

৪২

রায়েহাত শুভ's picture


মেরিলিন মন্রো টাইপের সিন সিনারির কথা হৈতেছে মোনায় Crazy Crazy Crazy

৪৩

জ্যোতি's picture


বৃত্ত পুলাডা আসলেই গন কেস।
মৌসুম, তাও রিস্ক থেকেই যায়। দুর্যোগ এর সময় মানুষ একজন আরেকজনরে আকড়াইয়া ধরে বাঁচবার চায়। তবে এমন না হোক এই দেশে।

৪৪

রায়েহাত শুভ's picture


Steve Cool Steve

৪৫

কিছু বলার নাই's picture


এই চিন্তা আইছে গোসল করতে গিয়া। মানইজ্জত রক্ষার্থে প্রান দিয়া দেয়ার থেইকা বুরখা সদৃশ বাথরোব ভাল জিনিষ। কিন্তু আমি চিন্তা করতেছি আসলেই যদি সেইরকম ভূমিকম্প হয়, এবং সব ভাইঙ্গা গুড়া গুড়া হইয়া যায় এবং আনফরচুনেটলি আমরা বাঁইচা যাই, সেই ক্ষেত্রে আমাদের থাকার জায়গা কি হবে? রেফুজি ক্যাম্প? কোন শেলটার? সেইটা কোথায় হবে?

৪৬

রায়েহাত শুভ's picture


রেডকিসেন্ট, ইল্ডিয়া এরা লৌড়ায়া আইবো সাহাইয্য লৈয়া। আম্রার রিফুজি ক্যাম্প হৈবো বসুন্ধরার সাইডের কাশখেত, নৈলে রাম্পুরার নয়া যেই রাস্তা হৈতেছে সেই খান।

৪৭

কিছু বলার নাই's picture


আমার তাইলে আড়ং এর পাশের খালি জায়গাটা। আর তো কিছু খুঁইজা পাইতেছিনা, হাঁইটা হাঁইটা ঐখানে পৌছাইতে পৌছাইতে আর কোন জায়গা খালি থাকবেনা মনে হয়। আপনেগো ঐদিকে আমার জন্য জায়গা রাইখেন।

৪৮

রায়েহাত শুভ's picture


আম্রার এদিক বিশাল বেড়ি বাধ রৈছে। আপ্নের লাইগা নাহয় রাক্লাম এক্টু এলাকা।

ওহো এক্টা কথা, আমার "লগ" লাগবো লাইঠাউস কোভের লাইগা। মনে কৈরা পাঠায়েন।

৪৯

কিছু বলার নাই's picture


দিসি।

৫০

রায়েহাত শুভ's picture


থেনকু Smile

৫১

জ্যোতি's picture


কি যে কুকথা কন আপনেরা! বালাই ষাট!
কাল প্রথম আলোতে পড়লাম, একদল ৫০ উর্ধ্ধ মহিলা প্রতি শনিবার এদরেই কারো না কারো বাসায় আড্ডা দেয়, ছবি আঁকে, খাওয়া-দাওয়া করে তুমুল সম কাটায়। পড়েই মনে হইলো, আহা! এরম একটা আড্ডা গ্রুপ আমাদের থাকুক, বুড়ি হয়েও এমন দারুন, মজার সময় কাটাবো।

৫২

কিছু বলার নাই's picture


আমি ৫০উর্ধ ঐ মহিলাদের একজন হইতে চাই। কত মজা, কয়দিন পরেই মইরা যাইব, কি আনন্দ!

৫৩

জ্যোতি's picture


ওইখানে একটা অল্পবয়সী মেয়েও আছে। আরে আমরাই এমন একটা গ্রুপ কেন বানাই না! ত মারামারি কাটাকাটি হোক, গ্রুপ অবিচল থাকবে।

৫৪

জ্যোতি's picture


কি কন এইসব? ডর করে। লা ইলাহা........
আপনের বাখরোব না কি যেনো, সেই জিনিস একটা খরিদ করতে হপে তাইলে। সেইটা কি সবসময় কাছে রাখতে হবে? ইয়া মাবুদ!

৫৫

কিছু বলার নাই's picture


আপনের কি চিন্তা, ক্যাম্পাস ভরা তো খালি জায়গা। বাথরোব আমি রাখুম বাথরুমে, সবথেইকা দরকারি জায়গায়। এমনে ঘরে তো কাপড় পরাই থাকি!

৫৬

জ্যোতি's picture


কাল এক কলিগ কইলো, ঘুমাইলেও মাথার কাছে ওড়না রেখে ঘুমাবা। কি মুসিবত!

৫৭

লীনা দিলরুবা's picture


ওড়না দিয়া কি কাম? বিপদে ওড়না কি, আর জুতা কি Sad

৫৮

জ্যোতি's picture


আরে জানেন না। কাল কলিগরা কত গুরুতর অঅলোচনা করছে এসব নিয়া। একজন নাকি গোসল করতেছিলো এবং টেনশনে পইড়া গেছিলো, তাই নিয়া পরে বিরাট আলোচনা। একজন কয়, বিপদ দেখলে কাঁথা গায়ে জড়ায়া দিবা দৌড়, বুঝেন আবস্থা!

৫৯

লীনা দিলরুবা's picture


হাহাহাহাহাহহা।

৬০

কিছু বলার নাই's picture


আমি ওড়না ছাড়াই নাইমা গেসিলাম অবশ্য। পাশের ফ্ল্যাটের ভাইয়া তার গার্লফ্রেন্ডে ঝারি দিতেছিল ওড়না খুঁজতে সময় নষ্ট করতেছিল বইলা। পরে মনে হইল ওড়না আইডিয়াটা খারাপ না, সব ধ্বংস হইয়া গেলে যা হাতে থাকে তাই লাভ।

৬১

লীনা দিলরুবা's picture


বাড়ির নীচ তলায় কিছু ওড়না মজুদ করে রাখ, নিজের জন্য রেখে কিছু দানও করতে পারবা।

৬২

জ্যোতি's picture


আমার এইখানে নীচতলায় মজুদ রাখেন, দেখবেন বিড়াল কি সুন্দর বাথরুম বানা ফেলছে। Sad

৬৩

কিছু বলার নাই's picture


হাহাহা, হলের বিড়াল সমস্যা এখনো আছে! শর্মী বলতো রোকেয়া হলের ক্যান্টিনের সামুচার ভিতরের জিনিষটা হইল বিড়ালের মাংস। নাইলে এতো বিড়াল কই যায়? :প

৬৪

জ্যোতি's picture


ইয়া মাবুদ! এইসব কইয়া খান কেমনে? ভাবতেই তো খবর হইয়া যায়...
বিড়াল দম্পতিদের ব্যাপক প্রেম-ভালোবাসা। বিড়াল তাড়ায়া শেষ করন যায় না।

৬৫

কিছু বলার নাই's picture


সামুচাটা তো মজার ছিল খাইতে, বিড়াল হইলেই কি! মজার হইলেই হইল।

৬৬

জ্যোতি's picture


বিড়ালের মাংস না, এইটা আমি সিওর

৬৭

রায়েহাত শুভ's picture


আপ্নে শিউর হৈলেন কেম্নে? আপ্নে কি আগের্থিকাই বিড়ালের মাংসের টেস জানেন?? Wink

৬৮

জ্যোতি's picture


ওয়াকককককককককক। এত্তটা খারাপ হওনের সাহস পাইব বলে মনে হয় না।

৬৯

টুটুল's picture


যেই কয়জন্রে ফোনাইছি কেউ ফোন্ধরে নাই... কারন সব্বাই মুফাইল রাইখা দৌড়া দিছিলো... এইটা ঠিক হয় নাই... সব্বাই মুফাল লগে রাকপা

৭০

জ্যোতি's picture


আমারে কেন ফুন দেও নাই? আমি তো ফুন ধরতাম। নিঠুর বন্ধু।

৭১

কিছু বলার নাই's picture


আমার লিস্টি হইল ১. ক্যামেরা, ২. মোবাইল, ৩. হাতের কাছে যা পাই কাপড়চোপড় (রেফুজি ক্যাম্পে কাজে দিবে)।

৭২

লীনা দিলরুবা's picture


আমি মেয়ে ছাড়া কিছু চাইনা। মেয়ে সঙ্গে থাকলে এক কাপড়ে বস্তিতে চলে যাব, ভিক্ষা-টিক্ষা করে চলতে হবে আর কি।

৭৩

কিছু বলার নাই's picture


ভিক্ষা দিবেটা কে? সবার তো অবস্থা খারাপ থাকবে।

৭৪

জ্যোতি's picture


আল্লাহ মাফ করুক। আপনেরা এসপ কি কন? আমি না খাইয়া থাকতে পারুম না।

৭৫

রাসেল আশরাফ's picture


আপনারা সবাই মইরা গেলে বা রিফুজি ক্যাম্পে গেলে ব্লগামু কাগো লগে? Sad Sad

৭৬

জ্যোতি's picture


আইছে আরেক চান্দু। আপনে ল্যাপি নিযা চইলা আসপেন।

৭৭

রাসেল আশরাফ's picture


চইলা গেলে ল্যাপি লাগবো ক্যান? আর আমি কিন্তু আপনাগো রিফুজি ক্যাম্পের খিচুড়ী খাইতে পারুম না।আমারে ল্যাবেডের খিচুড়ী খাওন লাগবো।

৭৮

কিছু বলার নাই's picture


উলটাটাও তো হইতে পারে। কোরিয়াতে জীবনেও ভূমিকম্প হয়না নাকি?

৭৯

রাসেল আশরাফ's picture


গত দেড় বছরে একদিন ও হয় নাই। Sad Sad

আমি ভুমিকম্পের চাইতে উত্তর কোরিয়ার লগে যুদ্ধটা বেশি আশা করি।

৮০

জ্যোতি's picture


আমি এখন খিচুড়ী বসাইলাম। সাথে বাধাকপি, টমেটো, বেশী করে কাঁচামরিচ দিলাম, কারণ আর কিছু রানতে ইচ্ছা করতেছে না।

৮১

তানবীরা's picture


বাইচচা থাকলেতো মুবাইল Smile

৮২

কামরুল হাসান রাজন's picture


শেষটা পড়ে ছোট গল্প মনে হল Smile

৮৩

রায়েহাত শুভ's picture


উপস্থিত...

৮৪

রায়েহাত শুভ's picture


মাস্টারশেফ দেখতে গ্যালাম

৮৫

একজন মায়াবতী's picture


আমি ভাতিজিকে পড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো ওর চেয়ারটা নড়ছে। ভাবছিলাম ওর এত শক্তি হলো কবে বসে বসে চেয়ার নাড়ায়!!
এরপর ভাবীর চিৎকার শুনলাম, নিচে নামতে বলতিসে। মোবাইলটা হাতে নিয়ে ঘরের দিকে তাকায় ছিলাম Sad

৮৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


সারাদিন নেট কানেকশন পাই নাই। এতক্ষনে পাইলাম এবং মন্তব্যগুলি পড়ে হাসতে হাসতে চাপা ব্যথা হয়ে গেল।

মজার কথা হল আমি তো শেষ পর্যন্ত ওড়না ছাড়াই নিচে গিয়েছি কিন্তু মেয়েকে নিয়েই নেমেছি। সব থামার পরদেখি এস পি সাহেব খালি গা এবং হাফপ্যান্ট পরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। আর তার স্ত্রী মুখে তুফান ছুটিয়েছেন --পুলিশ হয়ে ও বউ বাচ্চা সব রেখে বেচারা বাথরুম থেকে গাউ গাউ চিৎকার করে কেন উলটা দৌড় দিলেন?
ভদ্রলোক তখন ছিলেন বাথটাবে। মনে হয় সেখানে দুলুনিতে তার মনে হয়েছে তিনি সুনামীতে পড়েছেন সবাই ভেসে গেছেন একাই বাচঁতে হবে।

৮৭

জ্যোতি's picture


ইয়ে মানে, আপনের পোষ্টে আড্ডাইয়া ছেড়াবেড়া বানাই ফেলছি আমরা, মাইনড খান নাই তো!
একটা সরল কথা, হাফপ্যান্ট পড়া এসপি রে দেখনটা ঠিক হয় নাই, গুণাহ হপে। আর বাথটাব থেইকা হাফপ্যান্ট পইড়া কেমনে বাড়াইলো? মৌসুম তো বাখরুব না যেনো কি রাখপে বাথরুমে, ওইরকম মনয়।

৮৮

সামছা আকিদা জাহান's picture


বউ এর ঝারি খাইতে খাইতেই এস পির বারটা বাজছে। উনি তখন বুঝচ্ছেন রিমান্ড কারে কয়। কী যে জবাব দিচ্ছেন আর ভাবী যে ভাবে পেঁচাচ্ছিলেন তাতে উনি এস পি র বউ হিসাবে সার্থক।

আড্ডায় আমার তো বিশেষ লাভ হইছে আমার পোস্টটা সপ্তাহের সেরা পাঁচে ১ম দিনেই ২য় স্থান অধিকার করেছে।

আড্ডাইতে মুঞ্চায়।

৮৯

একজন মায়াবতী's picture


রিমান্ড কারে কয় Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor

৯০

সামছা আকিদা জাহান's picture


সাবেক স্বরাষ্ট্র পতিমন্ত্রী বাবর বলতে পারবেন ভাল।

৯১

একজন মায়াবতী's picture


দেড়শ বছরের পুরনো বাসভবন, কাঠের সিঁড়ি, ঘর লাগোয়া ঝুলন্ত বারান্দা

কবে আসবো আপনার বাসায়? Love

৯২

সামছা আকিদা জাহান's picture


সেই কবে দাওয়াত দিয়ে রেখেছি কেউ আসে না। মন খারাপের ইমো হবে। সময় করে চলে আসুন।

৯৩

একজন মায়াবতী's picture


সান্তনা

৯৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


খালি হাত মাথায় বুলালে কি কান্না থামে, ঘুষ চাই---

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সামছা আকিদা জাহান's picture

নিজের সম্পর্কে

যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল
কূড়ি ধরে শুধু নাহি ফোটে ফুল
আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে।
পূজা গৌরব পূর্ন বিভব কিছু নাহি নাহি লেশ
কে তুমি পূজারী পরিয়া এসেছ লজ্জার দীনবেশ।
উৎসবে তার আসে নাই কেহ
বাজে নাই বাঁশি সাজে নাই গেহ
কাঁদিয়া তোমারে এনেছে ডাকিয়া ভাঙ্গা মন্দির দ্বারে।
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারে বারে।