ইউজার লগইন
ব্লগ
প্লাসে মাইনাসে প্লাস!
আজন্ম সুখি মেয়েটা আমাকে ফোন দিয়েছিল অনেকদিন পরে। ঠিক ফোন না মিসকল দিয়েছিল, কারন সে জানত আমি হয়তো কল দেবো। তার নামটাও সত্যি সুখিরই প্রতিশব্দ - হ্যাপি।
ফোনে প্রথম কথাই ছিল, এসব দুঃখের কথা কেনো লিখেছেন, সুখের কথা লিখতে পারেন না।
আমি একটু উচ্ছ্বাস নিয়ে বললাম, তার মানে বইটা পেয়েছো।
সেতো পাবই, আপনার বই আমি জোগার করবনা তা কি হয়। কিন্তু এত নেগেটিভ কথা লিখেছেন কেনো?
ভেতর-বাহির ( শূণ্য পর্ব)
রোজ যা ভাবি মনে
বলব ক্ষণে ক্ষণে
রোজ যা আমি দেখি
যায় না বলা সবই
ভেতর-বাহির প্রতীত যত
বলব যে তাই আমার মত...
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ১ম পর্ব]
বাড়ীগুলোর সামনে দিয়ে টানা বিদ্যূতের তারে আপন মনে বসে থাকা কতগুলো কাক , তাদের মধ্যে একটা কা কা করে ডেকে যাচ্ছে তারস্বরে। কিছু বলতে চাইছে হয়তো , হয়তো কিছু বুঝাতে চাইছে সে। আর সকালের আড়মোড়া ভাঙ্গা সূর্য টা এরই মধ্যে তাপ বিলাতে শুরু করেছে চারপাশে। তার আলো ঢাকা শহরের উচু উচু দালান ভেদ করে ভূমিতে স্পর্শ করুক বা না করুক, তাপ পৌছে যাচ্ছে সেই ভূমিতে , পিচ ঢালা রাস্তায় , ডোবা - নালায় এমনকি পরিপাটি করে সাজান
শিশির
খুব মায়াবতি, খুউবই মায়াবতী একটা মাইয়া। দেখলেই কইলজার মধ্যে খালি খালি লাগে। মনে লয় তুলা বিছাইয়া তারে তার উপরে বসাইয়া রাখি।
তার চেহারাডার দিকে সারাজীবন তাকায় থাকলেও যেন দেখার ক্ষিদা মিটবো না।
কপিতা: মিস কল
হে অচেনা, আমি তোমাকে একটুও মিস করি না।
তবু অচেনা কোন নম্বর থেকে মিস কল এলে
ব্যাকুল হয়ে দেখি এটা সেই অজানা নাম্বার কিনা।
নেটের কসম আমি তোমাকে কখনোই মিস করি না।
কেউ কি একটা চিঠি লিখবেন ?
একসময় অনেক চিঠি লিখতাম। প্রায় প্রতিদিন ৪/৫ টা চিঠি আসতো আমার নামে। অনেক কলম বন্ধু ছিলো আমার। আজ আর কারো কাছে চিঠি লিখিনা। পাইনা। মোবাইলে যত কথাই হোক, চিঠির ব্যাপারটাই ছিলো অন্যরকোম। এখনো সংগ্রহে হাজার দুয়েক চিঠি আছে। মাঝে মাঝে সেসব খুলে বসি। পড়ি। বউ, ছেলেকে পড়ে শুনাই। এরমধ্যে ছেলের মায়ের চিঠি আছে। বন্ধুদের আছে। যাদের প্রায়
ভুলে থাকা
হঠাৎ একদিন বিকেলে শুভংকরের ফোন পেয়ে
খুব অবাক হলো অহনা, বলল, আবার ফোন কেনো
বেশতো চলছিল আমাদের এই ভুলে থাকার পালা।
সবাইকে বোঝাতে চায় অহনা ভুলে গেছে সে শুভংকরকে
নিজেকে একান্তে জিজ্ঞেস করে অহনা একি সত্যি?
একি ভুলে থাকা নাকি ভুলে থাকার অভিনয়?
'কখন' ভুলে থাকে অহনা শুভংকরকে?
সকালে মেল চেক করার সময় কি বুক ধুক ধুক করে না অহনার
মোবাইলে অজানা নম্বর থেকে মিসড কল এলে কি
আমার প্রথম ফীচার লেংথ সিনেমা "অপুর গল্প"-এর টাইটেল সংগীত...
কোন এক ব্লগ পোস্টে আমি ফীচার লেংথ ফিল্ম বানানের কথা বলছিলাম মনে হয়। গল্পটা প্রায় গুছাইয়া নিয়া আসছি। চিত্রনাট্যের কাজে কয় মাস লাগবো এখনো নিশ্চিত না, তবে ধইরা রাখছি ৭/৮ মাস। আমার ফীচার ফিল্মের নাম খুব সাধারণ অপুর গল্প। একেবারেই বিনোদন ধারার একটা ছবি বানাইতে চাই। গল্পটা এই মুহুর্তে ফাঁস করতে চাই না...তবে একজন টাংকিবাজ জাতের ক্যারেক্টার ছবির প্রোটাগনিস্ট হইবো। অপু সেই ছেলেরই নাম। কাকত
ভারত থেকে ঋণ নয়, বাণিজ্য সুবিধা পাওয়া বেশি প্রয়োজন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের শেষ দিনে অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি
দিল্লির মৌর্য শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক
প্রশ্ন করেছিলেন, তাৎণিকভাবে কোন বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সুফল বয়ে আনবে। এর উত্তরে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘ভারতের ১০০ কোটি ডলারের (প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা) ঋণসহায়তা আমাদের অনেক উপকারে আসবে।’
নিশি কথন-৩
সেদিনও রোজকার মতোই বিকেল ছিল। শীতলক্ষার ঘাটে বসে ছিলাম আমি। কোন এক মন্ত্রী সাহেব নাকি ঘাটটাকে পাকা করে বাঁধাই করেছিলেন। তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারলামনা। নয়তো বিকেলটা এতো সুন্দর হতো কি করে?
আগামীকাইল কিন্তু পিকনিকের চাঁদা দেবার শেষ দিন
আপনেরা সবতে জানেন, এবির সাথে সংশ্লিষ্টরা মিলে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, শুক্কুরবার সকালবেলায় অজানার পথে পাড়ি জমাইবার খায়েস করিয়াছি। আমরা একখান বাস লৈয়া সকালবেলায় চিল্লা-ফাল্লা করিতে করিতে যাত্রা শুরু করবো। সকালে নাস্তা , দুপুরে ভাত/পোলাউ, আবার বিকালে নাস্তা খাইবার ইচ্ছা রাখি। এইছাড়া সারাদিন গান-বাজনা-ক্যাটায়াক-আড্ডা-ঘুম-বাথরুম এইসবতো আছেই...। তা এইসব করিবার জন্য আমাদের যা যা লাগিবে :
১. কতজন যাইবো, তা নিশ্চিত হয়া
২. সবার টেকা পয়সা এক জায়গায় জড়ো করা
অনেকদিন দেখা হবে না, তারপর একদিন দেখা হবে
১. ব্যস্ততা দিচ্ছে না অবসর। হঠাৎ করে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। অফিস থেকেও নতুন কিছু দায়িত্ব পাওয়ায় কাজের চাপও বেড়ে গেছে। ব্লগ পড়া হয়, মন্তব্য করা হয় না, লেখা তো নয়ই। টুটুল ম্যাসেঞ্জারে এসে নক করে, কেন ব্লগে আসি না। অফিস ফেসবুক বন্ধ করে দিছে। প্রক্সি দিয়ে ঢুকলেও আগের মতো সক্রিয় না। কেউ কেউ এসএমএস করে ফেসবুকে আমন্ত্রণ জানালে তবেই ঢোকা হয়। কেমন নিরস হয়ে যাচ্ছি।
২. প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফল নিয়ে খুব বেশি উচ্ছসিত হতে পারিনি। ভারত বিরোধী কোনো উগ্র অবস্থান আমার নেই। কিন্তু অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে আমার খানিকটা সমালোচনা করতে চেয়েছিলাম। ইচ্ছা ছিল একটি উপ-সম্পাদকীয় লেখা। মতি ভাইকে বলতেই তিনি বললেন প্রথম পাতার জন্য সংবাদ বিশ্লেষন আকারে লিখতে। লিখেছি, আজ যাচ্ছে। সরকার বিষয়টি কি ভাবে নেয় বুঝতে পারছি না।
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ৩
বিয়ের আগের দিন সকাল সাড়ে সাতটার বাসে চড়ে রওনা দিলাম কোশালিনের উদ্দেশ্যে। সাথে একটা ছোট ব্যাগ আর ডজনখানেক সফর সঙ্গিনী , প্রায় নয় ঘন্টার জার্নি খুব মেজাজ খারাপ নিয়ে শুরু হলো , বাস ভর্তি লোকজন কিন্তু সুন্দরী সফর সঙ্গিনী নাই একটাও। সুন্দরী তো দুরের কথা ত্রিশের নিচেই কেউ নাই। জানলা দিয়ে বাইরের প্রাকৃতির ফটু তুলতে তুলতে পুরাটা রাস্তা কাটাইলাম। বাইরে মন খারাপ করা থেমে থেমে ঝিরঝির বৃষ্টি, এরমধ্যেই বিকাল স
আসুন পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করি
পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করা - কথাটা প্রথম শুনেছিলাম কোন একটা নাটকে, অনেক ছোট বেলায়। নায়ক ছিল আসাদুজ্জামান নূর আর নায়িকা লুৎফন্নাহার লতা। সেই থেকে মাথায় গেঁথে আছে এই নিকনিক করা কথা টা।
কিন্তু এই নিক নিক করা মানে কি বুঝায় ?
ইন্টারনেট
ইন্টারনেট নামক বস্তুটার সাথে আমার প্রথম দেখা-সাক্ষাৎ হয় ২০০১ সালে। তখনো নিশ্চিত ছিলাম না এইটা দিয়া কি করা যায়, খালি জানতাম ভাল-খারাপ অনেক কিছু করা যায়! তখন কলেজে পড়ি, এক বন্ধু ধরে নিয়ে গেল কাছাকাছি এক সাইবার ক্যাফেতে। হাতে ধরে বুঝাইল কেমনে এক্সপ্লোরার খুলে ওয়েবসাইট নামে কিছু একটা খুলতে হয়। ও-ই বসে থেকে আমার একটা ইমেইল খুলে দিল। আমি তো মহা উত্তেজিত! শালার ইন্টারনেটে আমার একটা ঠিকানা আছে!