ইউজার লগইন
ব্লগ
বিচ্ছিন্ন ভাবনা ১ : মাসুম ভাইয়ের টক শো, সার্কের খেলা, জাতির লজ্জা
অফিসে সারাদিন কারেন্ট নাই। একঘন্টা জেনারেটর চলে একঘন্টা বন্ধ। কী করা যায়! সার্কের খেলা দেখার ইরাদা নিয়া মিরপুর ইনডোরে গেলাম। ভলিবল খেলা, শ্রিলংকা বনাম আফগানিস্থান। আফগানিরা লম্বা ঢ্যাংগা কিন্তু খেলায় বাঙালিদের মতই অবস্থা। দুর্ভাগা জাতি খেলবে কি বোমা খেতে খেতেই জান কাবার। ওদের তো আল্লা শরীর দিছে আমাদের তাও দেয় নাই। একতরফা খেলা, শ্রিলংকা ধুইয়ে দিচ্ছে। না দেখেই ভাগলাম।
'আনুকা'র পক্ষ থেকে আমরাবন্ধুর সবাইকে শুভেচ্ছা
'আনুকা' গ্রুপের পক্ষ থেকে আমরাবন্ধুর সবাইকে শুভেচ্ছা ও কুঁইয়রের স্বাদ জানাই। 
আমরাবন্ধুর উৎকর্ষতা জন্য 'আনুকা' গ্রুপ গঠন করা হলো। গ্রুপে নির্দিষ্ট পদ নেই। সবাই সমান। আনুকা এসেছে আ-শরাফ, কা-কন, ও নু-শেরা নামাংশ থেকে। শ্রুতিমধুরতার জন্য কানুআ, আকানু ইত্যাদি না গ্রহণ করে আনুকা নামকরণ করা হয়েছে।
গ্রুপের কিছু কাজ:
*নবীন ব্লগারদের ব্লগিঙ বিষয়ে সাহায্য করা।
খিচুরি পোস্ট
স্বপ্ন:
সবার জীবনে প্রেম আসে ..... থুক্কু সবাই ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে এবং ঘুম ভাঙলে বা তার পর বেশির ভাগ স্বপ্নই মনে থাকে না; কিন্তু কিছু কিছু স্বপ্ন মানুষ বার বার দেখে। আমার সেরকম কিছু স্বপ্নের কথা বলি:
১) প্রায় ই স্বপ্নদেখতাম আমি খুব উঁচু থেকে পরে যাচ্ছি ঘুম ভেঙে দেখতাম মাথা বালিশের থেকে পড়ে গেছে।
তবে কি আমি ভাঙ্গা কুলো?
আমি কি তবে এক ভাঙ্গা কুলো!
ছাই ফেলতে কেন আমার তুলো?
এমন তো ভাবিনি, হবে হীরা মুক্তো
আপন করেছিলাম তোমার দুঃখ
চেয়েছিলাম সব কষ্ট ভুলো
ভেবেছিলাম তোমায় দিব
আমার মনের সব কালো
কিন্তু দেখি আমি এক ভাঙ্গা কুলো
দাও দিতে চাও যা ছাই-ধুলো।
আমি এক ভাঙ্গা কুলো।
আমি লিখতে চাই :-(
আজ রেজি করেছি। মনে হয় ভালো কিছু লেখা দরকার!
কিন্তু মাথায় লেখা আসতেছে না! ৫ তারিখ আমার রিপোর্ট জমা দিতে হবে! 
একটা হার্ড রক প্যাটার্নের গানের লিরিক লিখলাম গতোকালকের ফেইসবুক স্টেটাস মাথায় নিয়া...
ইদানিং গান শুনতে গেলে টের পাই বয়স কতোটা বাড়ছে। ৬ গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিওন্স নোয়েল্সরে মনে হয় এইসব কেমনে মানুষের পছন্দ হইতে পারে! জনপ্রিয় ব্রায়ান অ্যাডাম্স কিম্বা রিচার্ড মার্ক্স শুনলে উপলব্ধ হয় এইসব পুতুপুতু প্রেমের গানে কেমনে মানুষ এইরম ভালোবাসা দ্যায়!
প্রলাপ
(উপযুক্ত শিরোনাম খুঁজে না পেয়ে 'প্রলাপ' হিসেবে চালিয়ে দিলাম। পরবর্তীতে আবারো শিরোনামহীনতা কিংবা শিরোনামহীনমন্যতায় ভুগলে প্রলাপ-১, ২, ৩ এইভাবে গ্যাটিস মেরে চালিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা রাখি
)
এক.
পিকনিক:: আগামিকল্য অনুষ্ঠিতব্য পিকনিক বাতিল করা হলো
বন্ধুরা...
অত্যন্ত দু:খের সহিত জানাচ্ছি যাচ্ছে যে, আগামিকালের পিকনিক বাতিল বলে ঘোষনা করা হয়েছে। আপনারা যারা চাঁদা প্রদান করিয়া গোঁফে তা দিচ্ছেন তাদের এখন বসে বসে গোঁফ ছির্তে অনুরোধ জানানো গেল। যাদের গোঁফ নাই তারা কি করপে তাহা ‘কানু’ গ্রুপ অতি শিঘ্রই জানিয়ে দিবে।
>>>
>>>
>>>
>>>
>>>
ভেতর-বাহির ( দ্বিতীয় পর্ব)
( যান জট, বইমেলা গম এবং ব্লগ দিবস বিষয়ক ...)
গতকাল কালের কণ্ঠ পত্রিকার একটা কার্টুন বেশ মন কেড়েছিল। একজন লোক তার একমাত্র বসবাসের বাসাটি ভাড়া দেয়া হবে বলে টু লেট নোটিশ ঝুলিয়েছেন । তারপর এক জনের প্রশ্নের উত্তরে কারন দর্শালেণ, আরে ভাই যে জ্যাম, সারাসময়তো রাস্তাতেই কাটাতে হয়, তাই বাসা ভাড়া দিয়েই বরং কিছু বাড়তি ইনকাম...ঠিক ভাষাটা এরম না হলেও ভাবটা ওমনই ছিল।
ডাইরী ৪০
কালকের রাতটা আমার কেরম উদ্ভট গেছে। বহুবছর বাদে কোন স্বপ্ন দেইখা আমি
এক্কেরে আক্ষরিক অর্থে ভয় পাইছি। কেরম অদ্ভুত সব মুখোশ পরা ভুতের মতোন
চরিত্র গুলি আসছে আর ভয় দেখাইছে। আর যারা বন্ধুবৎ ছিলো তারাও কেরম আচরণ
করতেছিলো...আমি টের পাইতেছিলাম স্বপ্নের গতিধারা কোন পথে
প্রবাহিত...কিন্তু কিছুতেই পাল্টাইতে পারতেছিলাম না। আর অনিশ্চয়তার দিকে
যাইতেছিলো সকল আকার। মুখোশগুলিও পাল্টাইতেছিলো ক্ষণেক্ষণে।
জানো, এই ব্রিজের মধ্যে আমার রক্ত আছে...
নভেম্বর মাসে ছেলটির বিয়ে হলো। দীর্ঘ ১২ বছরের প্রেমের সফল পরিণতি। ছেলেটি তখন কুমিল্লাতে চাকুরী করে। মেয়েটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। এম এ ক্লাসে। মেয়েটির বাবা থাকেন নারায়ণগন্জ। সেই সূত্রে মেয়েটিও নারায়ণগন্জ থাকে। মাঝে মাঝে কুমিল্লাতে যায়। ছেলেটি আসে নারায়ণগন্জ।
সেইযে আমার নানা রঙ্গের দিনগুলি...
আমাদের বাসায় (যার নাম ছিলো " যন্ত্রণা ") ছিলো বন্ধুদের যখোন তখোন আড্ডার স্থান। আমার বাবা ছিলেন মাই ডিয়ার টাইপের মানুষ। ছোট ৩ ভাই-বোন ছিলো বজ্জাতের হাঁড়ি। ওদের বন্ধু-বান্ধবীরা সবসময় আমাদের বাসা ভরে থাকতো। ছেলে-মেয়েগুলো হোস্টেলে থাকতো। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়তো ওরা। ভালো-মন্দ খেতে মন চাইলেই আমাদের বাসায় চলে আসতো। চেটে-পুটে ফ্রিজের সব খাবার নিজেরাই রান্না করে, খেয়ে তারপর হলে ফিরে যেতো। ভাই-বোনদে
তিনদিনের শুভেচ্ছা সফরে ঢাকা আসছি
অনেক দিন ঢাকা যাই না (পেরায় ৮ মাস)। আমার ভক্তকূল এই নিয়া ব্যাপক মনোকষ্টে ছিলো। এইবার ভাবলাম ভক্তকূলকে পদধূলি দিয়াই আসি! তাই ৪ তারিখে ঢাকা আসতেছি। আশা করছি ৪ তারিখ বিকেলে বইমেলায় থাকবো। সো, আমার ভক্তকূলকে বইমেলায় বিকেলে থাকার জন্য অনুরোধ করা গেলো।
এলাম
এলাম। ভালো লাগছে।
অনেককিছু কাজ করছে না রাইটিঙ-প্যানেলে। বেটা-সংস্করণ শেষে লেখালেখি শুরু করার ইচ্ছে রইল। দেখি...
শুধু নিজপাতায় পোস্ট দেয়ার কোন অপশন নেই? সবচেয়ে ভালো হয় 'সাহায্য' ট্যাব খুলে সব বিস্তারিত রাখা।
