ইউজার লগইন
ব্লগ
chobi koi ..chobi......( picnic 2010)
aami mori nai .....ekhono beche achi ...tomra sobai moja kore picnic khaiba ....aar amra jara jaite parmu na tader jonne to chobi tuku tule dhorte parba tomra..ei jono sommukhe...vai sob ashun jar kache je somosto picture machin ache '' amra bondhu group er picnic 2010''' e giye ...sundor sundor picture tuli ar amra sob picture gulo jatir sommukhe tule dho
কল্পনায় ৭১ - ১
আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি যুদ্ধে গেছি, মুক্তিযুদ্ধে। আমার অবসেশন এটা। মাঝে মাঝে খুব দুঃখ হয় তখন কেন হলাম না। হইনি তো কি হয়েছে? গল্প লেখতে তো দোষ নাই। তাই এই গল্পের প্রয়াস। প্লট হবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেরই। কিন্তু মর্ডান টেকনোলজি থাকবে কিছু। আশা করি এটাকে কেউ খারাপ ভাবে নিবেন না। ও হ্যা, গল্পে আমি নিজের নামটাই ব্যাবহার করলাম। অন্তত গল্পে তো মুক্তিযুদ্ধ করতে পারবো।
বন্ধু হয়ে ওঠার গল্প: স্পেশাল পিকনিক পর্ব
আমরা বন্ধুর পিকনিক
পর্ব ১ http://www.amrabondhu.com/nazrul/212
পর্ব ২ http://www.amrabondhu.com/nazrul/236
তো সেই বৈঠকেই আসলে যা হবার তাই হলো। সব সিদ্ধান্ত পাক্কা। পিকনিকের আগে আরো অনেক অনেক মিটিং করা হইলেও সেগুলা আসলে আড্ডাই হইলো।
একটা পুতুপুতু রুমান্তিক কোব্তে....
দু-স্বপ্ন দেখে কোনো তড়িঘড়ি ঘুম ভেঙ্গে
চুল আলুথালু, আমার কাছে ছুটে আসো....
তোমার চোখের কোনে জমে থাকে গুড়ো গুড়ো ঘুম---
তকহনও তোমায় ভালো লাগে।
দুপুরের গরমে আঁটো শাড়ীতে হাঁসফাঁস
নিমীলিত মলিন চোখ, পাপড়ি গুলো ঘামে ভেজা,
রাস্তার পাশ ঘেষে ক্লান্ত পায়ে ধীরে পথ চলো যখন....
তোমায়, লোকালয়ের ভীড়ে লুকিয়া থাকা মধ্যহ্ন দেবী মনে হয়।
শুভ্র বসনে, পরিপাটি খোলাচুলে
ডঃ স্ট্রেঞ্জলাভ একটি যুদ্ধবাজী বিরোধী সিনেমা।
স্ট্যানলি কুবরিক তখন মার্কিনী চলচ্চিত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে শুরু করেছেন। তার সিনেমাটিক পরিভাষা তৎকালীন আমেরিকান গড়পড়তা ছবির বাইরে দর্শকদের নতুন করে ভাবনার উদ্রেক করছিলো। কেবল তার সিনেমার কাহিনী চিত্রনাট্য নয় প্রযুক্তির ব্যবহারেও তিনি অনেক এক্সপেরিমেন্টের মধ্যদিয়ে গিয়েছেন তার প্রারম্ভিক সময়ে। কিন্তু ৫০ দশকের সময় থেকেই কুবরিক তার সিনেমায় যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে পরিমিতি নিয়ে
বিচ্ছিন্ন ভাবনা ১ : মাসুম ভাইয়ের টক শো, সার্কের খেলা, জাতির লজ্জা
অফিসে সারাদিন কারেন্ট নাই। একঘন্টা জেনারেটর চলে একঘন্টা বন্ধ। কী করা যায়! সার্কের খেলা দেখার ইরাদা নিয়া মিরপুর ইনডোরে গেলাম। ভলিবল খেলা, শ্রিলংকা বনাম আফগানিস্থান। আফগানিরা লম্বা ঢ্যাংগা কিন্তু খেলায় বাঙালিদের মতই অবস্থা। দুর্ভাগা জাতি খেলবে কি বোমা খেতে খেতেই জান কাবার। ওদের তো আল্লা শরীর দিছে আমাদের তাও দেয় নাই। একতরফা খেলা, শ্রিলংকা ধুইয়ে দিচ্ছে। না দেখেই ভাগলাম।
'আনুকা'র পক্ষ থেকে আমরাবন্ধুর সবাইকে শুভেচ্ছা
'আনুকা' গ্রুপের পক্ষ থেকে আমরাবন্ধুর সবাইকে শুভেচ্ছা ও কুঁইয়রের স্বাদ জানাই। 
আমরাবন্ধুর উৎকর্ষতা জন্য 'আনুকা' গ্রুপ গঠন করা হলো। গ্রুপে নির্দিষ্ট পদ নেই। সবাই সমান। আনুকা এসেছে আ-শরাফ, কা-কন, ও নু-শেরা নামাংশ থেকে। শ্রুতিমধুরতার জন্য কানুআ, আকানু ইত্যাদি না গ্রহণ করে আনুকা নামকরণ করা হয়েছে।
গ্রুপের কিছু কাজ:
*নবীন ব্লগারদের ব্লগিঙ বিষয়ে সাহায্য করা।
খিচুরি পোস্ট
স্বপ্ন:
সবার জীবনে প্রেম আসে ..... থুক্কু সবাই ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে এবং ঘুম ভাঙলে বা তার পর বেশির ভাগ স্বপ্নই মনে থাকে না; কিন্তু কিছু কিছু স্বপ্ন মানুষ বার বার দেখে। আমার সেরকম কিছু স্বপ্নের কথা বলি:
১) প্রায় ই স্বপ্নদেখতাম আমি খুব উঁচু থেকে পরে যাচ্ছি ঘুম ভেঙে দেখতাম মাথা বালিশের থেকে পড়ে গেছে।
তবে কি আমি ভাঙ্গা কুলো?
আমি কি তবে এক ভাঙ্গা কুলো!
ছাই ফেলতে কেন আমার তুলো?
এমন তো ভাবিনি, হবে হীরা মুক্তো
আপন করেছিলাম তোমার দুঃখ
চেয়েছিলাম সব কষ্ট ভুলো
ভেবেছিলাম তোমায় দিব
আমার মনের সব কালো
কিন্তু দেখি আমি এক ভাঙ্গা কুলো
দাও দিতে চাও যা ছাই-ধুলো।
আমি এক ভাঙ্গা কুলো।
আমি লিখতে চাই :-(
আজ রেজি করেছি। মনে হয় ভালো কিছু লেখা দরকার!
কিন্তু মাথায় লেখা আসতেছে না! ৫ তারিখ আমার রিপোর্ট জমা দিতে হবে! 
একটা হার্ড রক প্যাটার্নের গানের লিরিক লিখলাম গতোকালকের ফেইসবুক স্টেটাস মাথায় নিয়া...
ইদানিং গান শুনতে গেলে টের পাই বয়স কতোটা বাড়ছে। ৬ গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিওন্স নোয়েল্সরে মনে হয় এইসব কেমনে মানুষের পছন্দ হইতে পারে! জনপ্রিয় ব্রায়ান অ্যাডাম্স কিম্বা রিচার্ড মার্ক্স শুনলে উপলব্ধ হয় এইসব পুতুপুতু প্রেমের গানে কেমনে মানুষ এইরম ভালোবাসা দ্যায়!
প্রলাপ
(উপযুক্ত শিরোনাম খুঁজে না পেয়ে 'প্রলাপ' হিসেবে চালিয়ে দিলাম। পরবর্তীতে আবারো শিরোনামহীনতা কিংবা শিরোনামহীনমন্যতায় ভুগলে প্রলাপ-১, ২, ৩ এইভাবে গ্যাটিস মেরে চালিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা রাখি
)
এক.
পিকনিক:: আগামিকল্য অনুষ্ঠিতব্য পিকনিক বাতিল করা হলো
বন্ধুরা...
অত্যন্ত দু:খের সহিত জানাচ্ছি যাচ্ছে যে, আগামিকালের পিকনিক বাতিল বলে ঘোষনা করা হয়েছে। আপনারা যারা চাঁদা প্রদান করিয়া গোঁফে তা দিচ্ছেন তাদের এখন বসে বসে গোঁফ ছির্তে অনুরোধ জানানো গেল। যাদের গোঁফ নাই তারা কি করপে তাহা ‘কানু’ গ্রুপ অতি শিঘ্রই জানিয়ে দিবে।
>>>
>>>
>>>
>>>
>>>
ভেতর-বাহির ( দ্বিতীয় পর্ব)
( যান জট, বইমেলা গম এবং ব্লগ দিবস বিষয়ক ...)
গতকাল কালের কণ্ঠ পত্রিকার একটা কার্টুন বেশ মন কেড়েছিল। একজন লোক তার একমাত্র বসবাসের বাসাটি ভাড়া দেয়া হবে বলে টু লেট নোটিশ ঝুলিয়েছেন । তারপর এক জনের প্রশ্নের উত্তরে কারন দর্শালেণ, আরে ভাই যে জ্যাম, সারাসময়তো রাস্তাতেই কাটাতে হয়, তাই বাসা ভাড়া দিয়েই বরং কিছু বাড়তি ইনকাম...ঠিক ভাষাটা এরম না হলেও ভাবটা ওমনই ছিল।
