ইউজার লগইন
ব্লগ
পিকনিক কৃতজ্ঞতা :: সকল অংশগ্রহণকারীদের

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ব্যপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আমরাবন্ধুর পিকনিক সুসম্পন্ন হইল। পিকনিক আয়োজনের টেনশন... লোকজনের সুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখা .. এরম অনেক কিছুই দেখা/করা নিয়ে ম্যানেজমেন্টের টেনশিত ভাব শেষ :)।
কক্সবাজার কাহানী- সাথে ব্যাড বয়ের ব্লগিং যাত্রার শুরু
দেশে আইসা বন্ধুবান্ধবরা সব জব-টব জুটায়া চুটায়া জব করতাছে আর আমি গায়ে বাতাস লাগাইয়া ঘুইরা বেড়াইতাছি... কেউ জিগাইলে বিটিশ অ্যাক্সেন্টে ভাবলয়া কওয়ার চেষ্টা করি ''আ'ম হ্যাভিং ফান
''... কিন্তু এই ফান টা কপালে সইল না...
অস্কার বিজয়ী “আভাতার” ও ঢাকাই ঢিষ্টিং ঢিষ্টিং ফ্লিমের সাদৃশ্যসমূহ
অনেক কষ্টে পকেটের টাকা গুনিয়া দিয়া অত্যাধুনিক থিয়েটারে বসিয়া চোখে কালো চশমা পরিধান করিয়া তিন মাত্রায় বিস্তৃত (3D) অস্কার তথা সারা পৃথিবী বিজয়ী চলচিত্র “আভাতার” দেখিয়া আসিলাম। অনলাইনে ফ্রীতে দেখি নাই মজা নষ্ট হইয়া যাইবে বিধায়। সাধারন সিনেমার টিকিটের থেকে বেশি মূল্যে তিন মাত্রায় বিস্তৃত সিনেমার টিকিট কিনিয়া হলে বসিয়া বসিয়া আমি পাপিষ্ঠা ভাবছিলাম ঢাকাই ফ্লিমের সাথে এটার এতো মিল মিল লাগে ক্যান?
আমিও একটু ধরাধরি করি [উৎসর্গ কানু গ্রুপ]
প্রচণ্ড ক্লান্ত। ঘুমাতে যাবার আগে আমার একটা ধরা খাওয়ার কাহিনী বলে যাই।
তখন স্কুলে পড়ি। সিদ্ধান্ত নিলাম পাড়ায় একটা অনুষ্ঠান করবো। মহল্লাবাজী আরকী। এসব সাধারণত বড়ভাইরা করে, কিন্তু স্কুলের শেষকালে নিজেরে তো বিরাট মনে হয়, আমরা কী করবো? তাই আমরাও একটা বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর নাটকের আয়োজন করে ফেললাম।
এ কোন বিপাকঃ
খুব বেশি দিন আগের কথা নয়। আমার ভাইয়ের ছেলের (৩ বছর) সহিত শুরু হইতেই আমার সম্পর্ক ও ভালবাসা বেশ প্রবল। আমাকে দেখিলেই কোলে উঠিয়া প্রথম যে প্রশ্নটি করিবে তাহা হইতেছে, আমার জন্য কি আনিয়াছো? সেই দিন কাজে বাহির হইবো বলিয়া রেডি হইয়া যেই না দরজা পর্যন্ত গিয়াছি, অকস্যাৎ সে সামনে পড়িল এবং যথারীতি তাহার ঐ প্রশ্ন। কি করি?
প্রসঙ্গতঃ ফকির লালন শাহ্ ও তার রচিত পদ
জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজী
সবই দেখি তানা না না।।
ধরাকে সরা
সবাই যার যার ধরা খাওয়ার গল্প বলে যাচ্ছে, আমিও বাদ থাকি কেন? যথারীতি উৎসর্গ কানু গ্রুপকে।
আমার এই ক্ষুদ্র জীবদ্দশায় ধরা খাওয়ার কাহিনী অল্পই, এতেই প্রমাণ হয় আমি কতটা চামবাজ ছিলাম - তারমানে কাহিনী ঘটায়েও ধরা না খাওয়ায় পারদর্শী ছিলাম আরকি ;-)। যেমন-
কল্পনায় ৭১ - ২
ব্রিগেডিয়ার কাছে আসতে ওরা উঠে দাড়ালো।
- আরে বসো বসো। তোমাদের সাথে কথা বলতে এলাম।
মাহফুজ বলল, জ্বী স্যার। প্লীজ বসুন। ব্রিগেডিয়ার ইফতেখার চেয়ার টেনে বসলো।
- কি অবস্থা তোমাদের?
- জ্বী স্যার ভালো।
- যুদ্ধ নিয়ে কি ভাবছো?
- স্যার কিছুই না। দুঃখজনক ব্যাপারটা।
- কি রকম?
জামি বলল “ স্যার নিজেরা নিজেরা যুদ্ধ করাটা দুঃখজনক।”
ভেতর-বাহির (তৃতীয় পর্ব)
আমার ধরা খাওয়া অথবা না খাওয়ার গল্প (এইটারও উৎস্বর্গ করলাম নুশেরা আর কাকনকে)
বিদ্যুৎ ভাই চমৎকার গান করেন। বিদ্যুৎ ভাই মানে সুজিত মোস্তফা, আবু হেনা মোস্তফা কামালের ছেলে। অনেকে যেটা জানেন না তা হল বিদ্যুৎ ভাই আসর জমাতে পারেন চমৎকার। সম্ভবত বাবার এই গুণটা তিনি ভালই পেয়েছেন। এই আড্ডা অবশ্য সুশীল না, বড়দের গল্প বলার ক্ষেত্রে এরকম দক্ষতা আমি অন্তত আর পাইনি। বড়দের গল্প না হয় অনেকে শুনুছেন, বড়দের গান? শুনতে হলে বিদ্যুৎ ভাইই ভরসা।
ধরা খাওয়ার কাহিনীনামা (নুশেরা'বু ও কাকনা'দিকে)
সবগুলো ঘটনাই মাতুলবাসের ঘটনা।
১) সে বছর প্রাইমারী থেকে নতুন হাই স্কুলে উঠছি মাত্র। কাঞ্চন ভারতচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র এটা ভাবতেই কেমন গর্বিত গর্বিত ফিল হইয়া সিনা কয়েক ইঞ্চি উঁচু হইয়া যাইতো। ক্লাস সিক্সের ঘটনা।
পিকনিক সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ...
অবশেষে পোলাপাইনের বিশেষ অনুরোধে আমি ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব নিলাম আবারো (প্রথমবার নিছিলাম সুর্য উৎসবে, সে প্রসঙ্গে আর কথা না বলি)। সব অকর্মার দল। কিয়ের বলে পিকনিক করবো ! মাগার কামে নাইমা দেখি সবতের বিয়াপক অভিজ্ঞতা এই ব্যাপারে !
সবতে সব কাম কৈরা দিছে। আমি খালী যা যা করছি :
১. আপন টাকা দিয়া কিনা অকটেন পোড়াইয়া, নিজের মটর সাইকলে লৈয়া মিরপুর দুয়ারিপাড়া গিয়া একখান বাস ঠিক করলাম
প্রসঙ্গতঃ ফকির লালন শাহ্ ও তার রচিত পদ
জাত গেল জাত গেল
হুদাই আরি
এক.
নড়বড়ের সৌজন্যে আমরা বন্ধু এসো রান্না শিখি
সুধি ব্লগারবৃন্দ নড়বড়ের সৌজন্যে আমরাবন্ধু এসো রান্না শিখি অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাগতম। আজকে আমরা শিখবো কিভাবে চা রান্না করতে হয়। শুধু চা নয় যেকোন রান্নার জন্ই আপনার গরম পানি রান্নার সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে; যেহেতু এখানে সাত ঘাটের পানি খাওয়া থুক্কু সাত ব্লগের পোস্ট পরা ব্লগার রা আছেন তাই আমি বাই ডিফল্ট ধরে নিচ্ছি আপনারা গরম পানি রান্না করতে পারেন। তারপরো যেসব ব্লগাধম গরম পানি রান্না করতে প