ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৪০
কালকের রাতটা আমার কেরম উদ্ভট গেছে। বহুবছর বাদে কোন স্বপ্ন দেইখা আমি
এক্কেরে আক্ষরিক অর্থে ভয় পাইছি। কেরম অদ্ভুত সব মুখোশ পরা ভুতের মতোন
চরিত্র গুলি আসছে আর ভয় দেখাইছে। আর যারা বন্ধুবৎ ছিলো তারাও কেরম আচরণ
করতেছিলো...আমি টের পাইতেছিলাম স্বপ্নের গতিধারা কোন পথে
প্রবাহিত...কিন্তু কিছুতেই পাল্টাইতে পারতেছিলাম না। আর অনিশ্চয়তার দিকে
যাইতেছিলো সকল আকার। মুখোশগুলিও পাল্টাইতেছিলো ক্ষণেক্ষণে।
জানো, এই ব্রিজের মধ্যে আমার রক্ত আছে...
নভেম্বর মাসে ছেলটির বিয়ে হলো। দীর্ঘ ১২ বছরের প্রেমের সফল পরিণতি। ছেলেটি তখন কুমিল্লাতে চাকুরী করে। মেয়েটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। এম এ ক্লাসে। মেয়েটির বাবা থাকেন নারায়ণগন্জ। সেই সূত্রে মেয়েটিও নারায়ণগন্জ থাকে। মাঝে মাঝে কুমিল্লাতে যায়। ছেলেটি আসে নারায়ণগন্জ।
সেইযে আমার নানা রঙ্গের দিনগুলি...
আমাদের বাসায় (যার নাম ছিলো " যন্ত্রণা ") ছিলো বন্ধুদের যখোন তখোন আড্ডার স্থান। আমার বাবা ছিলেন মাই ডিয়ার টাইপের মানুষ। ছোট ৩ ভাই-বোন ছিলো বজ্জাতের হাঁড়ি। ওদের বন্ধু-বান্ধবীরা সবসময় আমাদের বাসা ভরে থাকতো। ছেলে-মেয়েগুলো হোস্টেলে থাকতো। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়তো ওরা। ভালো-মন্দ খেতে মন চাইলেই আমাদের বাসায় চলে আসতো। চেটে-পুটে ফ্রিজের সব খাবার নিজেরাই রান্না করে, খেয়ে তারপর হলে ফিরে যেতো। ভাই-বোনদে
তিনদিনের শুভেচ্ছা সফরে ঢাকা আসছি
অনেক দিন ঢাকা যাই না (পেরায় ৮ মাস)। আমার ভক্তকূল এই নিয়া ব্যাপক মনোকষ্টে ছিলো। এইবার ভাবলাম ভক্তকূলকে পদধূলি দিয়াই আসি! তাই ৪ তারিখে ঢাকা আসতেছি। আশা করছি ৪ তারিখ বিকেলে বইমেলায় থাকবো। সো, আমার ভক্তকূলকে বইমেলায় বিকেলে থাকার জন্য অনুরোধ করা গেলো।
এলাম
এলাম। ভালো লাগছে।
অনেককিছু কাজ করছে না রাইটিঙ-প্যানেলে। বেটা-সংস্করণ শেষে লেখালেখি শুরু করার ইচ্ছে রইল। দেখি...
শুধু নিজপাতায় পোস্ট দেয়ার কোন অপশন নেই? সবচেয়ে ভালো হয় 'সাহায্য' ট্যাব খুলে সব বিস্তারিত রাখা।
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ২য় পর্ব]
চা শেষ করে কাপ নিয়ে শাহানা তার বেড রুমে ঢুকে। এখনও সকালের বিছানা গোছানো হয় নাই। এক সময় তার শখ ছিল সেগুন কাঠের একটা খাট কিনবে , সেই শখ পূরন হয়েছে বছর খানেক আগেই । কারুকাজ করা খাটে জায়গায় জায়গায় ধূলো জমেছে , বিছানার চাদরটাও বেশ ময়লা হয়ে গেছে।
ডাইরী ৩৯
চোখের ডাক্তার দেখাইয়া বিপদেই পড়লাম। নতুন চশমা দিছে। বাল্যকালের সকল সমস্যা নাকি আবার ফিরা আসছে। এক্সিসে সমস্যা। মাইওপিয়া হইছে দ্বিগুণের বেশী। চশমার সিলিন্ড্রিক্যাল কাঁচের অনভ্যস্ততায় পড়ছি। তয় চশমার দোকানে গিয়া ছোটকালের সেই শিয়াল পন্ডিত ফ্রেমটা কিনতে ইচ্ছা করতেছিলো বহুত। কিন্তু কি ভাইবা জানি কিনি নাই।
আলেয়া
৯:৪০ মিনিটে অফিসে ঢুকলাম।কাজের পাহাড় নিয়ে বসলাম। এর মধ্যেই মাথা থেকে একটা পোকার ভনভন কিছুটা কমানোর জন্য একটা পোষ্ট দিলাম। আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি ছুটি শেষ করে ১ ফেব্রুয়ারী চলে আবার লন্ডন চলে যাচ্ছে। ”বন্ধু আছি পাশে” ভাবতে প্রথমেই ও কে মনে পড়ে। যার মায়ের সাথে দেখা হলেই আমাকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকে। ওকে বললাম তুই রাপা প্লাজায় এসে আমাকে ফোন দিবি , আমি ১০ মিনিটের জন্য আসব।ও ফোন করেছে, আমি বললাম আসছি আমি
আমার প্রিয় গান ১- নজরুলের গান
গল্পটা শোনা আমার বড় খালার কাছে। আজ থেকে প্রায় ৪৫ বছর আগের কথা। তখন আমার মা বোধ হয় নাইনটেনে পড়েন। আমার বাবামার বিয়ের আগের কথা। ঢাকায় বেড়াতে এসেছেন বড় বোনের বাসায়। মা যেহেতু এক আধটু গান করতেন, বোনের বাসায় গান ধরলেন বোন-দুলাভাইয়ের অনুরোধে। টিনের তৈরী বাসার বসার ঘরে বসে গান গাইলেন। দুটো গান গাওয়ার পর সবাই অবাক হয়ে দেখলো বাইরে রাস্তায় লোক জমে গেছে। আবার "আপা আরেকটা গান করেন" এমন অনুরোধ জানাতেও দ্বিধা করলেন না কেউ একজন । নাহ আমার মা বিরাট কোন সংগীতশিল্পী হননি, সম্ভবত হবার কথাও ছিলোনা। তবে আমার বয়স ৭-৮ বছর হওয়া পর্যন্ত গান টান করতেন। (ষেও প্রায় ৩০ বছর আগের কথা) বাসায় একটা হারমোনিয়ামও ছিলো। আমার মার সুর জ্ঞান খুব ভালো ছিলো এটা বুঝতাম। গত ১৫-২০ বছরে ওনাকে খুব একটা গান শুনতেও দেখিনি। তবে গান শোনাটা যদি কোন খারাপ কাজ হয়, তবে আমার সে খারাপ কাজের দায় পুরো
জহির রায়হান - এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে যেভাবে হত্যা করেছে পাকি দোসররা
সন ১৯৫২, ২০শে ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ১৪৪ ধারা জারী করা হয়, উদ্যেশ্য ২১শে ফেব্রুয়ারীর হরতালকে পন্ড করা। ছাত্ররা সেদিন রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার ষড়যন্ত্রকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলো। ২০শে ফেব্রুয়ারীর রাতেই ফজলুল হক হল, ঢাকা হল ও সলিমুল্লাহ হলের ছাত্ররা মিটিং করে জানিয়ে দিলো যে সরকার রক্ত চক্ষু দেখিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চাইলে তারা একতিলও ছাড় দিতে রাজী নয়, তারাও গর্জে উঠতে জানে, চেলেঞ্জ ছুড়ে দিলো
ডাইরী ৩৮
তিনি চাইলেন আকাশটারে ছুঁয়ে কাটাবেন বাকীটা জীবন
আর উনি আকাশের চাইতে ভালোবাসেন সবুজ বন
অথবা পাহাড়।
তিনি পায়ে হাটা পথটারে চান মসৃণতার নির্মাণ,
আর উনি খানিকটা এলোমেলো ছন্দবিহীন চলেন
তাঁর দায়িত্ববোধে সচেতনা
উনি স্বপ্নে থাকেন বিলাসী...
ফারাকগুলো চোখের 'পরে লাগে
ফারাকগুলো ভীষণ যন্ত্রণাতে বাঁজে
তবু
যে কীসের অনুরাগে আছেন তাহারা পরস্পরে...
তবু আমি সময়টারে উপভোগেই থাকি
সময়ের নদীতে জীবনের ডিঙ্গি নৌকায় আমি...
কূল কূল করে বয়ে যাচ্ছে সময় নদীর স্রোতের মতো। সেই সময় নদীতে আমার ছোট্ট সাদামাটা জীবন নৌকা। সেই নৌকার দাড় উঠিয়ে আমি র্নিলিপ্ত মনে বসে থাকি। আমার নৌকোর ছেড়া পালে সুখদুঃখগুলো বসন্ত, শরৎ বা আষাঢ়ের হাওয়া হয়ে আছড়ে পড়ে। আমার ছোট্ট জীবন তরী সে হাওয়াতে কখনও দ্রুত আবার কখনওবা মৃদুমন্দ গতিতে অস্তগামী সূর্যকে নিশানা করে চলতে থাকে, ঠিক যেখানটায় নদীটা আকাশের প্রান্তে গিয়ে মিশে সেখানটায়। কখনও ভরা জ
দুম করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেলাম দুফর বেলা!!!
শনিবার, মেইলের উৎপাত কম। দুপুরে বসে বসে স্প্যাম ঝাড়ু দিচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো এগুলা কখনো উল্টিয়ে দেখলামো না ছাই, কত শত মেইল পাঠায় ওরা। হাজারের মধ্যে একটাও কি সুখবর থাকতে পারে না? উড়াইয়া দেখিবে ছাই, পাইলেও পাইতে পারো মানিক রতন......বেছে বেছে কয়েকটা খুললাম-
এক টুকেরা অনুভব
চা এর কাপটা দুহাতের মাঝখানে, চা এর কাপের উত্তাপ দু হাতের তালুতে। ছুটির দিনের প্রতিটা সকালের মত কাপটা নিয়ে বারান্দায় বসতেই সামনের খোলা জায়গায়?চোখে পড়লো অনেক ফুল ফুটেছে এই ক’দিনে।চোখে, মনে একটা মুগ্ধতার ছটা। ফাল্গুন আসছে। আবার ফাল্গুন এলো বলে। অদিতি এখনও অনুভব করে সেই উষ্ণতাটাকে। অদিতি সবে অনার্স পাস করেছে। মাস্টার্স শুরু হয়নি। অদিতির ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান একদিন ডেকে বললো এক
সবার জীবনে প্রেম আসে তাই তো সবাই ভালোবাসে .....প্রথম যারে লাগে ভালো যায় না ভোলা কভু তারে...... স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি.....
"ছোট বেলার গল্প শোনার দিন গুলো এখন কত দূরে.... আজ আসে না রাজার কুমার পঙ্খীরাজে উড়ে....."