ইউজার লগইন
ব্লগ
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ২য় পর্ব]
চা শেষ করে কাপ নিয়ে শাহানা তার বেড রুমে ঢুকে। এখনও সকালের বিছানা গোছানো হয় নাই। এক সময় তার শখ ছিল সেগুন কাঠের একটা খাট কিনবে , সেই শখ পূরন হয়েছে বছর খানেক আগেই । কারুকাজ করা খাটে জায়গায় জায়গায় ধূলো জমেছে , বিছানার চাদরটাও বেশ ময়লা হয়ে গেছে।
ডাইরী ৩৯
চোখের ডাক্তার দেখাইয়া বিপদেই পড়লাম। নতুন চশমা দিছে। বাল্যকালের সকল সমস্যা নাকি আবার ফিরা আসছে। এক্সিসে সমস্যা। মাইওপিয়া হইছে দ্বিগুণের বেশী। চশমার সিলিন্ড্রিক্যাল কাঁচের অনভ্যস্ততায় পড়ছি। তয় চশমার দোকানে গিয়া ছোটকালের সেই শিয়াল পন্ডিত ফ্রেমটা কিনতে ইচ্ছা করতেছিলো বহুত। কিন্তু কি ভাইবা জানি কিনি নাই।
আলেয়া
৯:৪০ মিনিটে অফিসে ঢুকলাম।কাজের পাহাড় নিয়ে বসলাম। এর মধ্যেই মাথা থেকে একটা পোকার ভনভন কিছুটা কমানোর জন্য একটা পোষ্ট দিলাম। আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি ছুটি শেষ করে ১ ফেব্রুয়ারী চলে আবার লন্ডন চলে যাচ্ছে। ”বন্ধু আছি পাশে” ভাবতে প্রথমেই ও কে মনে পড়ে। যার মায়ের সাথে দেখা হলেই আমাকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকে। ওকে বললাম তুই রাপা প্লাজায় এসে আমাকে ফোন দিবি , আমি ১০ মিনিটের জন্য আসব।ও ফোন করেছে, আমি বললাম আসছি আমি
আমার প্রিয় গান ১- নজরুলের গান
গল্পটা শোনা আমার বড় খালার কাছে। আজ থেকে প্রায় ৪৫ বছর আগের কথা। তখন আমার মা বোধ হয় নাইনটেনে পড়েন। আমার বাবামার বিয়ের আগের কথা। ঢাকায় বেড়াতে এসেছেন বড় বোনের বাসায়। মা যেহেতু এক আধটু গান করতেন, বোনের বাসায় গান ধরলেন বোন-দুলাভাইয়ের অনুরোধে। টিনের তৈরী বাসার বসার ঘরে বসে গান গাইলেন। দুটো গান গাওয়ার পর সবাই অবাক হয়ে দেখলো বাইরে রাস্তায় লোক জমে গেছে। আবার "আপা আরেকটা গান করেন" এমন অনুরোধ জানাতেও দ্বিধা করলেন না কেউ একজন । নাহ আমার মা বিরাট কোন সংগীতশিল্পী হননি, সম্ভবত হবার কথাও ছিলোনা। তবে আমার বয়স ৭-৮ বছর হওয়া পর্যন্ত গান টান করতেন। (ষেও প্রায় ৩০ বছর আগের কথা) বাসায় একটা হারমোনিয়ামও ছিলো। আমার মার সুর জ্ঞান খুব ভালো ছিলো এটা বুঝতাম। গত ১৫-২০ বছরে ওনাকে খুব একটা গান শুনতেও দেখিনি। তবে গান শোনাটা যদি কোন খারাপ কাজ হয়, তবে আমার সে খারাপ কাজের দায় পুরো
জহির রায়হান - এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে যেভাবে হত্যা করেছে পাকি দোসররা
সন ১৯৫২, ২০শে ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ১৪৪ ধারা জারী করা হয়, উদ্যেশ্য ২১শে ফেব্রুয়ারীর হরতালকে পন্ড করা। ছাত্ররা সেদিন রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার ষড়যন্ত্রকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলো। ২০শে ফেব্রুয়ারীর রাতেই ফজলুল হক হল, ঢাকা হল ও সলিমুল্লাহ হলের ছাত্ররা মিটিং করে জানিয়ে দিলো যে সরকার রক্ত চক্ষু দেখিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চাইলে তারা একতিলও ছাড় দিতে রাজী নয়, তারাও গর্জে উঠতে জানে, চেলেঞ্জ ছুড়ে দিলো
ডাইরী ৩৮
তিনি চাইলেন আকাশটারে ছুঁয়ে কাটাবেন বাকীটা জীবন
আর উনি আকাশের চাইতে ভালোবাসেন সবুজ বন
অথবা পাহাড়।
তিনি পায়ে হাটা পথটারে চান মসৃণতার নির্মাণ,
আর উনি খানিকটা এলোমেলো ছন্দবিহীন চলেন
তাঁর দায়িত্ববোধে সচেতনা
উনি স্বপ্নে থাকেন বিলাসী...
ফারাকগুলো চোখের 'পরে লাগে
ফারাকগুলো ভীষণ যন্ত্রণাতে বাঁজে
তবু
যে কীসের অনুরাগে আছেন তাহারা পরস্পরে...
তবু আমি সময়টারে উপভোগেই থাকি
সময়ের নদীতে জীবনের ডিঙ্গি নৌকায় আমি...
কূল কূল করে বয়ে যাচ্ছে সময় নদীর স্রোতের মতো। সেই সময় নদীতে আমার ছোট্ট সাদামাটা জীবন নৌকা। সেই নৌকার দাড় উঠিয়ে আমি র্নিলিপ্ত মনে বসে থাকি। আমার নৌকোর ছেড়া পালে সুখদুঃখগুলো বসন্ত, শরৎ বা আষাঢ়ের হাওয়া হয়ে আছড়ে পড়ে। আমার ছোট্ট জীবন তরী সে হাওয়াতে কখনও দ্রুত আবার কখনওবা মৃদুমন্দ গতিতে অস্তগামী সূর্যকে নিশানা করে চলতে থাকে, ঠিক যেখানটায় নদীটা আকাশের প্রান্তে গিয়ে মিশে সেখানটায়। কখনও ভরা জ
দুম করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেলাম দুফর বেলা!!!
শনিবার, মেইলের উৎপাত কম। দুপুরে বসে বসে স্প্যাম ঝাড়ু দিচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো এগুলা কখনো উল্টিয়ে দেখলামো না ছাই, কত শত মেইল পাঠায় ওরা। হাজারের মধ্যে একটাও কি সুখবর থাকতে পারে না? উড়াইয়া দেখিবে ছাই, পাইলেও পাইতে পারো মানিক রতন......বেছে বেছে কয়েকটা খুললাম-
এক টুকেরা অনুভব
চা এর কাপটা দুহাতের মাঝখানে, চা এর কাপের উত্তাপ দু হাতের তালুতে। ছুটির দিনের প্রতিটা সকালের মত কাপটা নিয়ে বারান্দায় বসতেই সামনের খোলা জায়গায়?চোখে পড়লো অনেক ফুল ফুটেছে এই ক’দিনে।চোখে, মনে একটা মুগ্ধতার ছটা। ফাল্গুন আসছে। আবার ফাল্গুন এলো বলে। অদিতি এখনও অনুভব করে সেই উষ্ণতাটাকে। অদিতি সবে অনার্স পাস করেছে। মাস্টার্স শুরু হয়নি। অদিতির ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান একদিন ডেকে বললো এক
সবার জীবনে প্রেম আসে তাই তো সবাই ভালোবাসে .....প্রথম যারে লাগে ভালো যায় না ভোলা কভু তারে...... স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি.....
"ছোট বেলার গল্প শোনার দিন গুলো এখন কত দূরে.... আজ আসে না রাজার কুমার পঙ্খীরাজে উড়ে....."
ভেতর-বাহির (প্রথম পর্ব)
অনেকদনি পর রাতে ভালো ঘুম হয়েছে। দুপায়ের মাংসপেশীতে টনটনে ব্যাথা, ঘুম তো আসবেই। টানা তিন ঘন্টা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলাম। না মাঝে মাগরিবের নামাযের বিরতির সময় পুলিশ ভাইদের সাথে একটু মেঝেতে বসেছিলাম, মাত্র ৫ মিনিট। ঐ এসএগেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মুফতে একটা টিকিট পেয়ে ঢুকে পড়েছিলাম।
হাতুড়ে গদ্য (ক্যাকফনি)
সন্ধ্যার ঝিম ধরানো সিগন্যালে; এলোমেলো কিন্তু সারিবদ্ধ ঝিঁঝিঁ পোকাগুলোর চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ আলফেসানী, কানে ইয়ার-প্লাগের হোসপাইপ লাগিয়ে মগজের শুকনো জমিতে কিছু শব্দ আর ছন্দের চাষে ব্যাস্ত ছিলো। হঠাৎই রিয়ার ভিউ মিররে তাকিয়ে স্মৃতির কলসি ভেঙ্গে একঝাঁক কোমল ছবি ছড়িয়ে ফেলল এদিকে সেদিকে।
-----------
আমরা বন্ধু
বন্ধু মানেই একসঙ্গে অনেকটা পথ চলা,
বন্ধু মানেই প্রাণের কথা যা কাউকে
যায়না বলা,
যতই নামুক রাত্রি গভীর ঘনাক আঁধার কালো,
বন্ধু মানেই হাজার
খুশি হাজার তারার আলো,
বন্ধু মানেই ভোর-রাঙা ঐ সূর্য, হাসি আকাশ,
আর যা
হারায় হারাক এই জীবন থেকে,
ছলকে ওঠা স্মৃতি; তলানিতে পড়া ভাবনা
সাপ ও ব্যাঙ সমাচার:
"ম্যা তেরি দুশমন দুশমন তু মেরা
ম্যা নাগিন তু সাপেরা"
We make so many FRIENDS ( Collected from Jbed)
We make so many FRIENDS,
Some become Dearest,
Some become Special,
Fell in LOVE with someone,
Some go abroad,
Some change their cities,
Some left US,
We left Some,
Some are in contact,