ইউজার লগইন
ব্লগ
আগামীকাইল কিন্তু পিকনিকের চাঁদা দেবার শেষ দিন
আপনেরা সবতে জানেন, এবির সাথে সংশ্লিষ্টরা মিলে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, শুক্কুরবার সকালবেলায় অজানার পথে পাড়ি জমাইবার খায়েস করিয়াছি। আমরা একখান বাস লৈয়া সকালবেলায় চিল্লা-ফাল্লা করিতে করিতে যাত্রা শুরু করবো। সকালে নাস্তা , দুপুরে ভাত/পোলাউ, আবার বিকালে নাস্তা খাইবার ইচ্ছা রাখি। এইছাড়া সারাদিন গান-বাজনা-ক্যাটায়াক-আড্ডা-ঘুম-বাথরুম এইসবতো আছেই...। তা এইসব করিবার জন্য আমাদের যা যা লাগিবে :
১. কতজন যাইবো, তা নিশ্চিত হয়া
২. সবার টেকা পয়সা এক জায়গায় জড়ো করা
অনেকদিন দেখা হবে না, তারপর একদিন দেখা হবে
১. ব্যস্ততা দিচ্ছে না অবসর। হঠাৎ করে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। অফিস থেকেও নতুন কিছু দায়িত্ব পাওয়ায় কাজের চাপও বেড়ে গেছে। ব্লগ পড়া হয়, মন্তব্য করা হয় না, লেখা তো নয়ই। টুটুল ম্যাসেঞ্জারে এসে নক করে, কেন ব্লগে আসি না। অফিস ফেসবুক বন্ধ করে দিছে। প্রক্সি দিয়ে ঢুকলেও আগের মতো সক্রিয় না। কেউ কেউ এসএমএস করে ফেসবুকে আমন্ত্রণ জানালে তবেই ঢোকা হয়। কেমন নিরস হয়ে যাচ্ছি।
২. প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ফলাফল নিয়ে খুব বেশি উচ্ছসিত হতে পারিনি। ভারত বিরোধী কোনো উগ্র অবস্থান আমার নেই। কিন্তু অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে আমার খানিকটা সমালোচনা করতে চেয়েছিলাম। ইচ্ছা ছিল একটি উপ-সম্পাদকীয় লেখা। মতি ভাইকে বলতেই তিনি বললেন প্রথম পাতার জন্য সংবাদ বিশ্লেষন আকারে লিখতে। লিখেছি, আজ যাচ্ছে। সরকার বিষয়টি কি ভাবে নেয় বুঝতে পারছি না।
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ৩
বিয়ের আগের দিন সকাল সাড়ে সাতটার বাসে চড়ে রওনা দিলাম কোশালিনের উদ্দেশ্যে। সাথে একটা ছোট ব্যাগ আর ডজনখানেক সফর সঙ্গিনী , প্রায় নয় ঘন্টার জার্নি খুব মেজাজ খারাপ নিয়ে শুরু হলো , বাস ভর্তি লোকজন কিন্তু সুন্দরী সফর সঙ্গিনী নাই একটাও। সুন্দরী তো দুরের কথা ত্রিশের নিচেই কেউ নাই। জানলা দিয়ে বাইরের প্রাকৃতির ফটু তুলতে তুলতে পুরাটা রাস্তা কাটাইলাম। বাইরে মন খারাপ করা থেমে থেমে ঝিরঝির বৃষ্টি, এরমধ্যেই বিকাল স
আসুন পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করি
পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করা - কথাটা প্রথম শুনেছিলাম কোন একটা নাটকে, অনেক ছোট বেলায়। নায়ক ছিল আসাদুজ্জামান নূর আর নায়িকা লুৎফন্নাহার লতা। সেই থেকে মাথায় গেঁথে আছে এই নিকনিক করা কথা টা।
কিন্তু এই নিক নিক করা মানে কি বুঝায় ?
ইন্টারনেট
ইন্টারনেট নামক বস্তুটার সাথে আমার প্রথম দেখা-সাক্ষাৎ হয় ২০০১ সালে। তখনো নিশ্চিত ছিলাম না এইটা দিয়া কি করা যায়, খালি জানতাম ভাল-খারাপ অনেক কিছু করা যায়! তখন কলেজে পড়ি, এক বন্ধু ধরে নিয়ে গেল কাছাকাছি এক সাইবার ক্যাফেতে। হাতে ধরে বুঝাইল কেমনে এক্সপ্লোরার খুলে ওয়েবসাইট নামে কিছু একটা খুলতে হয়। ও-ই বসে থেকে আমার একটা ইমেইল খুলে দিল। আমি তো মহা উত্তেজিত! শালার ইন্টারনেটে আমার একটা ঠিকানা আছে!
মন্দায় দিনাতিপাত
ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র শক্ত চাক্কা (হার্ড ডিস্ক) একত্রিত হেতু বড় সাইজের চাক্কা সংগ্রহের নিমিত্তে আম্রিকার থিক্কা ১ টিরাবাইটের আদেশ। বিধি বাম। হস্ত বেঈমানীর খপ্পরে পাইয়াও খোয়ানো। মন্দার প্রথম ধাপ 
শ্বশুরালয় হইতে কর্মক্ষেত্রে যাত্রা পথে নিজস্ব দ্বিচক্র যান্ত্রিক জানের সহিত অপরের ব্যক্তিগত জানের কিঞ্চিৎ ধাক্কা।
সাপের মনি!!!
৮৭/৮৮ এর দিকে কল্যানপুরের বাড়িগুলোর আশপাশ জুড়ে অনেকটা ফাকাঁ জায়গা থাকত, গাছপালা আর ঝোপঝাড় ছিল প্রচুর। সন্ধ্যা হলেই কারেন্ট যেত আর লেখাপড়া বন্ধ করে আরামে উঠানে মজার আড্ডা দিতাম সবাই। সেসময়টা শ্রীদেবীর নাগিন সিনেমা দেখার পর মাথায় ঘুরতে লাগল সাপের মনি!!! সন্ধ্যার আড্ডার অনেকটা জুড়ে থাকত একেকজনের সাপ-সম্পর্কিত গল্প। সবচেয়ে উদ্ভট গল্পগুলা হতো আমাদের কাজের ছেলে সাজুর।
এই সব হাবিজাবি
অসম্পূর্ণ ঘুম, অসম্পূর্ণ কবিতা
গত রাতে ঘুমটা খুব বেয়াড়া হয়ে উঠেছিল, তোমার চেয়েও বেশী,
তুমি যে আসনবে না, সে তো জানা তথ্য।
অথচ ঘুম তো আসে , প্রায়ই আসে , তবুও এলোনা গত রাতে...
তোমার সাথে কোন গোপন আতাতের নিকোষ আভাস,
অথবা তোমার প্রেমে সেও পড়েছে আমার মত আর
দূর থেকে দূরে দৌড়ে গিয়ে ভর করেছে তোমার ঐ মায়ার চোখে।
ঘুম গেলো , রাত গেলো, প্রেম গেলো, গেলো শান্তির মিথ্যে বান
তবুও তো কিছু আছে , সে আমার কবিতার প্রাণ ...
প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ৫ম পর্ব (আপাতত শেষ পর্ব)
টিউবে করে চলে এলাম হলবোর্ণ। সেখান থেকে চেঞ্জ করে সেন্ট্রাল লাইন। সেন্ট্রালে করে এসে লেটনস্টোন স্টেশনে নামলাম। জামিরাও নতুন মাত্র ৩ দিনের পুরানো আমার থেকে। আর এই বাসায় উঠেছে আগের দিন। ওরাও রাস্তা চিনে না। হাটা শুরু করলো । হেটে এক রাস্তার মাথায় গেলাম। নোমান বলল এই রাস্তা না। পরে একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম। সে রাস্তা বলে দিলো। হাটা শুরু করলাম। ভারী ভারী সুটকেস, হ্যান্ডব্যাগ, কাধে ব্যাগ নিয়ে হাটতে হাটতে এ
একটা ছেলে
আমরা বন্ধু ব্লগ পড়ছি শুরু থেকেই.।। কিন্তু কেন জানি লিখতে ইচ্ছে করতো না।।আজ শরীরটা ভাল না,সেই সাথে মনটাও।মনে হল কিছু ১টা দিয়ে শুরু করি।তারপর দেখা যাব।ইয়াহু গ্রুপ এবি কে ভালবাসি অনেক আগে থেকেই,এবি ব্লগ কেও অনেক বেশি ভালবাসতে চাই।আপাতত গান শুনছি,তোমরাও শুনবে নাকি আমার সাথে। আমার খুব প্রিয় ১টা গান।সাহানার গাওয়া।
১টা ছেলে মনের আঙ্গিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে,
কোন পাহাড়ী ঝরনা খুজে,
এলোমেলো কথাবার্তা, অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা ১: তবুও আশায় থাকি, তবুও স্বপ্ন দেখি
সব মানুষের না হলেও, কত মানুষের জীবনেই কত দুঃখজনক ঘটনা থাকে আমরা জানিনা।
গুনগুন
গত কয়েকদিন ধরে দুইটা গান শুনে যাচ্ছি... সায়ানের এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধু আর ব্লিংক-১৮২ এর এডামস সঙ।
এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুশিল্পীঃ সায়ান
এলবামঃ আবার তাকিয়ে দেখ
এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সাথে সকাল বিকেল বেলা
কতো পু্রোনো পরিচিত গান গাইতাম খুলে গলা
কতো এলোমেলো পথ হেঁটেছি দুজন, হাত ছিলো না তো হাতে
ছিল যে যার জীবনে দুটো মন, ছিল জড়াজড়ি একসাথে
শুভ সকাল…....
সালাম সবাই কে… কেমন আছেন সবাই …ধন্যবাদ রনি কে …আমরা বন্ধু বাংলা ব্লগ তৈরি করার জন্য…। তবে লগ ইন করার পর মন টা খারাপ হয়ে গেল পিকনিক নোটিস দেখে…ইচ্ছা করলেও উপাই নেই…সে যাই হোক …সবাই পিকনিক খেয়ে আসুন… আর নতুন নতুন ছবি আপলোড করতে ভুল্ করবেন না…ভাল থাকুন সবাই…আল্লাহ হাফেয
একটি দুঃসংবাদ- ব্যাতিক্রম পোষা প্রানীর মৃত্যু
"মটর শুটির খোসাটা খুলতেই লাফ দিয়ে আমার আঙ্গুলে উঠে পড়লো । তারপর আমার আঙ্গুল নিয়ে ও খেলা শুরু করলো। খুবই কিউট, মা তুমি দেখলে তোমারও আদর করত ইচ্ছা করবে। ওর রংটা একদম সবুজ, তাই ওর নাম রেখেছি গ্রীন। যদি বুঝতে পারি ও একটা মেয়ে তাহলে পরে বদলে গ্রীনি রাখবো। জানো ওর বাবা মা সাথে নেই, ওর মনটা খুব খারাপ। আমি ওকে বলেছি আজ থেকে আমি তোমার বাবা, মা, বন্ধু সবকিছু। এখন থেকে আমি ওকে খাওয়াবো, গোসল করাবো..ওর সব খেয়