“তালিমঘরে চড়ুইভাতি”




আমরাবন্ধু’র উৎসাহী বন্ধুদের পরিবেশনায় আর অপারগ বন্ধুদের শুভকামনায় (পড়তে হবে গরুমরা দোয়ায়) এক সজ্জন ডাক্তারসাবের “তালিমঘর” (!!) নামের বাগানবাড়িতে চড়ুইভাতি (যদিও একটাও চড়ুই ভাত দিয়া খাই নাই, :( ) করে এলাম গত শুক্কুরবার।

একদম প্রথানুযায়ী যাত্রা শুরু করেছিলাম আমরা দেরি করে, আমরা গভীর আর্থ-সামাজিক আলোচনায় এমন নিমগ্ন ছিলাম যে ৯টার বাস ছাড়ছে যে কয়টায় খেয়ালই নাই। তবে দিন যে বদলাইসে, তা দিনের শুরুতেই বুঝা গেছে। সারাজীবন শুনে আসছি যে বান্ধবীরা সাজুগুজু করে কালক্ষেপন করে রাস্তায় ছেলেগুলো দাঁড়িয়ে থাকে, আমরাবন্ধুর ক্ষেত্রে ঘটছে উল্টাপুরাণ! ১০/১৫ মিনিট রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, করছিলাম বন্ধুর অপেক্ষা দেখা মিলল বড়ভাইয়ের চাচাশ্বশুরের সাথে!! যতই বলি, চাচা পিকনিকে যাবো বন্ধুদের জন্যে অপেক্ষায় আছি, চাচামিয়া মর্নিংওয়াক বাদ দিয়া খেজুরা আলাপ শুরু করছে, “ভাবসাব দেখি, এইসক্কালবেলা মেয়ে কই যায়!” ভাগ্যি মাথু সাজুগুজুতে(!) দেরি করছে, নইলে খবর হইতো আমার …


স্কুলের সামনে বেশ কিছুক্ষন আড্ডার পর আবার যাত্রাপথে বাসের শেষভাগেই জমেছিল আড্ডা, পথিকভাইয়ের বাশীঁর সুর, সিগারেটের ধুম্রজালে মধ্যমনি মুকুল তার ভাবগম্ভীর সেই পুরানা হা-হুতাশ সহকারে :P । নাশ্তা করতে করতে চিল্লাপাল্লার মাঝে চলতে চলতে পথ দেখি শেষই হয়না, এরমাঝে এক দফা চলল ফলাঘাত (জ্বি না, নারিকেল, কাঠাল, চালতা না, টকমিষ্টি বরই)। চালতাতলা > বাশঁতৈল পুলিশফাড়ী > নানান বাজার কত কি পার হয়েও বাগানবাড়ির দেখা পাইনা, মেসবাহভাইরে জিজ্ঞাসা করতেই মারে ঝাড়ি, “১০০/১৫০ জন নিয়া ১৯ ঘন্টা সুন্দরবনে হারায়া যাবার অভিজ্ঞ্রতা আছে, তোমাদের মতো ৩৫/৪০ জন তো আমার
কাছে ওয়ান-টু’র ব্যাপার” :( আমাদের বৈদেশিক বন্ধুরা যে আমাদের খাসদিলে দোয়া করছিলেন, সেটা আমরাও অন্তর দিয়া বুঝছি। কারন ওই সময়ই যখন রাস্তার জ্যামে পড়ে সবার বিরক্তি আসি আসি করছে ঠিক তক্ষুনি চাক্কা পাংচার তাও আবার এমন জায়গায় যেখানে ছিলো একটা ছাপরা দোকান তাতে পুরি, সিঙ্গারা আর গরম গরম চা পাওয়া যায়। :) তুমুল খানাপিনা করে দোকানিরে লালে-লাল করার পরই আবার বাস ছাড়ল। যদিও “এই পথ যদি না শেষ হয়” … এই গান আমরা কেউ গাই নাই তাও পথ দেখি শেষ হবার নামই নাই। :(

বেলা ১টার দিকে “তালিমঘর”-এর দেখা পেলাম, জায়গাটা পথের দেরি ভুলে যাবার মতোন সুন্দর। দোতালা বাড়িটা ঘুরে দেখার পাশপাশি আয়োজন শুরু হলো রান্না করার আর সাথে রাজকণ্যার (পিয়াল্ভাইয়ের লক্ষীমেয়ে) জন্মদিন পালনের তোড়জোড়। সাথে করে নেয়া বেলুন, কেক, উপহার – দিয়ে মজা করে কেক কাটা হলো। তার পরপরই ঝাপাইয়া পড়ে যেমনে খামচি দিয়া দিয়া বেলুন ফাটাইল জয়িতা, দেখার মতোন বিষয়
হইছিল!! :D পিকনিকে এই হয় সেই হয়, কতো নিয়মনীতি। আমাদের তেমন কিছুই নাই, নাই কোন অফিসিয়াল স্পীচ কিবা কারো লিড দেয়া-দেয়ি। নির্ভেজাল আড্ডা পিটানি যারে বলে তাই দিয়েই চলল সময়।

বাগানবাড়ি থেকে বেরিয়ে ঢালু আকাঁবাকাঁ একটা রাস্তা পার হয়েই দারুন সুন্দর একটা লেক, যার একধারে আমগাছের সারি, অন্যধার বাশঁঝাড়ে ঘেরা আর বাশঁ দিয়ে বানানো কয়েকটা বসার জায়গা। হাটুপানি’র লেক-টার নামকরন করছেন সাঈদভাই “বিশাল পদ্মানদীর লেক” তাতে এক নৌকা। নজু’ভাইতো নৌকায় চড়ে আর নামার নামই নেয় না, অনেক চিল্লাপাল্লা করে উনাদের নামাইয়া আমরা সব হেভিওয়েটরা উঠলাম আল্লাহ আল্লাহ করে যেন না ডুবে। নাজের ইচ্ছে থাকলেও সবাই মানা করায় উঠতে
পারলনা বলে টুটূল্ভাইও আসেননি নৌকায়। এই দারুন জুটির ছোট্ট ছোট্ট
ব্যাপারগুলো দারুন রোমান্টিক, আঠার মতোন একে অন্যের সাথে লেগে নাই কিন্তু কেয়ারিংটা ঠিক জায়গা মতোনই আছে। :)
অনেকক্ষন একের পর একজন নৌকা চালাইছে, সবচেয়ে ভালো করছে রায়হানভাই, আইরিন, ফারজানা (আমাদের জিম করা মাঝি), জয়িতা, বিমাও খারাপ না। হাউকাউ, গান চলছে সাথে, কিন্তু মাসুমভাই চুপচাপ। সবার নৌকা চালানো দেখে আমিও ধরলাম হাল, কিছুক্ষন পর মাসুমভাই কথা বলে উঠলেন “আফা, একই জায়গায় নৌকা নিয়া ৮পাক ঘুরা হইছে এবার চালানি খ্যামা দেন” :( তারপর আমারে নামিয়ে দিয়ে আবার শুরু কারো কারো অন্যদের ঘুরা…… ভালোই হলো, চুপচাপ থাকা লালভাইয়ের সাথে বসে ঝলমলিয়া’র মিষ্টিপানির দীঘির গল্প, ওখানকার মানুষগুলোর জীবনের কথা শুনলাম।
আমরা ছিলাম ঘুরাফিরার মাঝেই আর মেসবাহভাই, রন রান্নার তদারকিতে… রান্নার পর সবগুলোরে ডেকে ডেকে একত্র করে লাইন ধরে খেতে বসা। পাতিল থেকে যার যার মতো তুলে নিয়ে নিয়ে খাওয়া শুরু। আমি আর বিমা বেছে বেছে পোলাও থেকে আলুবোখারা নিচ্ছিলাম, খাবার শেষে হিসাব করে দেখি দু’জনেই সমান সংখ্যক নিতে পারছি… :D খাবার সবার জন্যে পর্যাপ্ত হয়েও আশপাশের বাড়ীঘরের লোকজনদের মাঝেও বিলানো গেছে… সবকিছুর পর কেক্কুকও ছিলো(স্টিমড কেক=ভাপাপিঠা আর
সেভেন আপ=উপ্রে সাত)। খাওয়াদাওয়ার পর হাত ধুতে গিয়ে দেখা গেলো সাবান নাই, অন্যরা কে কেম্নে হাত ধুইছেন জানি না, বিমা’র বুদ্ধিতে, মিনা কার্টুনের বানী স্মরণ করলাম, “বাথরুম থেকে বাইর হইয়া সাবান নাইলে ছাই দিয়া হাত ধুইয়া লইবা” :D
খানাদানার পর শুরু নাহীদের গান সাথে পথিকের বাশীঁতো ছিলোই। সারাদিন সাঈদভাই নিরলসভাবে সবার ছবি তুলছিলেন আলাদা আলাদা করে, সন্ধ্যা হয়ে আসছে দেখে সবার গ্রুপ ছবি তুলে ঢাকার দিকে রওয়ানা দিলাম।

আসার পথের লক্করঝক্কর বাসভ্রমনটা দারুন পরিমান মজার হয়ে উঠল ফেরার পথে সবার গানে। তবে কেউ ১/২ লাইনের বেশি গাইতে পারেনাই কারন ওইটুকু গাইবার পরই অন্য কারোর আরও মজার কোন গান মনে পড়ায় সে দিছে শুরু করে, কি না ছিলো লিষ্টে – চিল্লাপাল্লা গান, গজল, হালকা গান, প্যারোডি – সবধরনেরই। সকালের লম্বাযাত্রাটা অল্প সময়েই পার করে আমরা পৌছে গেলাম ঢাকা।

“তালিমঘরে চড়ুইভাতি”
মনে থাকবো ম্যালা দিন-রাতি

আরো কিছু ছবি:















লাইক্কর্লাম
নিজেরর নাম থাক্লে সবেই লাইক্করে
বুঝতে হলে জান্তে হপে
কেউ ছবি দেয় না ক্যান; খালি প্যাচাল এ কি হয়?
যাইতে না পারা বন্ধুরা যাতে হিংসিত না হয়, সেইজন্য ফটুক দেয়া হয় নাই...


মন্চ নাটক দেখিনাই বইলা কি ডিভিডিতে সিনেমাওদেখতারুম না; মনে রাইখেন আমগো দোয়ার কারনেই না হারায়া ছহি-ছালামতে ফিরছেন
না, মানে কাকঁন আমি আবার বিশেষজ্ঞ ছবির ব্যাপারে তাই এতো ছোট্ট কাজ করতে চাই নাই... আর মডু পালতেছি কেন, ওরাই দিবে আশা করতেসি...
কানুগ্রুপ্ররে অনেক ইয়াদ করছি আমরা সবাই...
শেষের ছবিটা কি রাজকন্যার?
গানের কথা থেইকা দুই / এক লাইন কোট করতে পারতে! যেমন বিমা গাইতেছিলো" ডাক্তারের ছেলে রাত বারোটার পরে আইসো আমগাছের নিচে"
লিরিকস ভুল করো কেন? হইবে রাত বারোটার পরে যাবি ..।
এটাতো রায়হানভাইয়ের গান... বিমাটা তো 'বোরকাওয়ালী'
আর সব আমিই বলব কেন...অন্যদের কিছু বলার সুযোগ দিলাম, আমি ম্যালা উদার মাইক তাই অন্যদের দিলাম
গানের লিরিক্স পুরাডা যদি একটু দিতেন?
চমৎকার হইছে।
মডুগন্রে অনুরোধাইতেছি, এই পিকনিকে যতো ছবি তোলা হইছে সবগুলারে একলগে কইরা প্রয়োজনে একাধিক পোস্ট দেওয়া হউক মডুরামের পক্ষ থেকে।
নাইলে মডুদের ব্যাঞ্চামু কইলাম
পিকনিকগুলায় যা হয়...সারাদিন আউলফাউল ফোটু তুললেও গ্রুপ ছবিখান সন্ধ্যা লাগায়া তুলে। দিনের আলো যায় কইমা... কোয়ালিটি এতো বাজে হয় গ্রুপ ছবিতে আর কাউরে খুঁইজা পাওয়া যায় না। পাস্ট এস্কপেরিয়েন্স

আপ্নেরা অবশ্য বিকালেই তুলছেন
আমরা সবাই যে কি পরিমান ছবি তুলছি... একজন সাবজেক্ট তো কমপক্ষে ৭/৮ টা ক্যামেরা...
এই ছবিটা মানু'র কেরামতি...
জ়েবীন আমার নামে মিথ্যা বললো।আমি খামচ্চাখামচি করি নাই।তবে পিকনিক টা জ়োশ ।রায়হান ভাই মাঝি হিসাবে দারুন।আবার যাইতে মন চায়।
ভাল্লাগসে
রাজকন্যাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তার ছবি কই?
মহারাজ, রাজকন্যার কাজিন, রাজকন্যা ও রানী।
মহারাজ রে মহারাজ কইলে রানীরেও মহারানী কওয়া উচিৎ;
রিমঝিম মাঝে মাঝে এমন বলে তাই সেটাই লেখলাম। বলে, 'বাবা তুমি মহারাজ, মা রানী আর আমি রাজকন্যা'।
রাজকণ্যাটা দারুন মিশুক! সবার কাছেই গেছে, যার কোলেই যায় ছবির মতোনই আদর করে জড়িয়ে ধরে আবার পিঠ চাপড়ে দেয়...
আমার পোস্টে ছবি নাই ক্যান ? কতৃপক্ষ জবাই চাই...
পিকনিকে যেসব আকাম করছেন তার শাস্তি
আমি আবার ki akam korlam...?
মেসবাহ য়াযাদ | ফেব্রুয়ারী ৮, ২০১০ - ১০:০০
পূর্বাহ্ন
যাইতে না পারা বন্ধুরা যাতে হিংসিত না হয়, সেইজন্য ফটুক দেয়া হয়
নাই..
--------- পরের জন্য গর্ত করলে নিজেরেই গর্তে পরতে হয়; মডুরা ভাবসে আপনি সত্য সত্যই পোস্টে ফটুক দিতে চান না
আর আকাম কি করসেন আমি কেমনে কমু আমি কি পিকনিকে গেসি নাকি
হাঃহাঃহা জুস হইছে।
লাইক্করলাম।
আমি এলাকায় নতুন...ফডুডি ট্যাগ করলে বা ফেবু লিঙ্ক দিলে আমাদের মত গরীব দুকহিদের জন্য ভালো হৈতো, আপনারও আকহেরে অনেক ফায়দা হাসিল হৈতো....
টুটুলদার পোস্টেই ফেইসবুক লিংক ছিলো, রায়হানভাইর অ্যাকাউন্টের। তোমারে কি এম্নেই কইছি নিজের পোস্ট ছাড়া অন্যত্রও তাকাইতে। (অ্যানাদার ধরা বাই কানুগ্রুপ)
(অ্যানাদার ধরা বাই কানুগ্রুপ) ... হা হা প গে
রায়হান সাঈদের তোলা ফটুক: http://www.facebook.com/album.php?aid=142984&id=770189023&ref=mf
জয়ীতার তোলা ফটুক: http://www.facebook.com/album.php?aid=140810&id=632479705&ref=mf
জেবীনের তোলা ফটুক: http://www.facebook.com/album.php?aid=141793&id=681844098&ref=mf
আমি কম্পু কানা হৈতে পারি, আমার মনিটরের ফন্ট ছোটো হৈতে পারে, কিন্তু আমি দেখিনা, এইডা কি মিথ্যা, বানোয়াট, ষড়যণ্ত্র প্রসূত অপবাদ.....আমি অচীরেই কানু গ্রুপের দূর্নীতির সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানাই.....আমীন।
....................(লিং - টিং মনে হয় আমার কমেন্টের পরে ).......(আর এইখানেও জিগানের পর, একত্রে কতডি লিংক পাওয়া গেলো? এইসব পরোক্ষ উপকারের বিষয়ডা নুশেরাপু আমলই দিলোনা...)
শুভ জন্মদিন রাজকন্যা।
ভালো লাগলো এই আনন্দ আয়োজন
কেকটা আমাকে টানতেছে। আহা কতোদিন ঢাকাই কেক খাই না।
ছবিগুলো দেখে পেট ভরে গেছে। কার হাতের ওস্তাদী এগুলো? বাসের চাকার ছবিটা সবচে জটিল হইছে
প্রায় সবগুলো ছবি সাঈদভাইয়ের তোলা, তবে টুটূল্ভাই যে কি কারনে অগারে-পাগারে গেসিলেন, সেই মুহুর্তেরটা অন্যের তোলা (বাথরুমে পানির কমতি পড়ার কথা বলিনাই কিন্তু আমি), গাছের সাথে মুকুলেরটা পথিকভাইয়ের তোলা,
একটা ছবিতে ক্যাপ্টেনসাব কাঁচা মাংস খাইতেছেন দেখা যায়, ঘটনা কী?
ক্যাপ্টেনসাব রোষ্ট রান্না করতে শুরু করছিলেন... বাকিসব তো পগারপার ঘুরাফিরায়...
জেবীন ধরা খাইয়া মাইন্ষের দৃষ্টি অন্যত্র ডাইভার্টের অপচেষ্টা... জাতী সব বুঝে
আমি হন্যে হইয়া একটা ছবি খুজতেছি, বাসের মইধ্যে আমার বউর ঘুমাইয়া পড়ার ছবিটা। জেবীন লিখছেন দারুণ। আপনার পুরা কেকটা হা কইরা খাওয়ার চেষ্টাটা কেনো যে চাইপা গেলেন মাথায় ঢুকলো না।
ভাবীর ওই ছবি মনে হয় কেউ তুলে নাই...
অমন একটা ছবি তোলার কারনে সাঈদভাইকে দেখে নেয়া হইবেক ... আমি এখন মাইক নিয়া বলে বেড়াইলেও কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবো না...
ওই ছবিটা আমার ক্যামেরায়। আমি তুলছি...
জেবীন ধরো তোমার জন্য জোড়া কেক রাখছি আমার ফ্রিজে।

ধুর ছবি দেখি আসে না। মন্তব্যগুলা মুছে দিয়েন
ভাগ্যিস মানীর মান আল্লাহ রাখছে!!
আর এখানে কমেন্ট মুসে ফেলা যায় না এখনও... সো ভাবিয়া করিও কমেন্ট করিয়া ভাবিও না (সৌজন্যে কানু গ্রুপ)
চাকা কেন পাংচার হইলো এইটা তো বললা না জেবীন?
দূর্জনেরা একবার বলে যে নুশেরা, কাকন, তানবীরা'র দেয়া বদদোয়ায় ফাটছে...আবার বলে যে জয়িতা বসছে চাকা'র উপরের সিটে...
ভাবসাব এমন সকল দোষ কোন না কোন অঞ্জুঘোষ এরই!!!
এই খানে দোষ য়াযাদ ভাই এর উনি টায়ারের রক্ষনাবেক্ষন ঠিকমতন করতে পারে নাই
মাসুম ভাই রে মাইনাস। উনারে ভালা বইলাই জানতাম।হেতে দেখি এখন জেবীনরে উসকায়!সব ষড়যন্ত্র।
একটা কথা মুকুল বটগাছের গোড়ায় একলা দাড়ায়া কি করে?চেলেটার দুক্ষে চোক্ষে পানি অায়া পড়লো।
জয়িতা কি ঐ চাকার ঠিক উপরের সিটটাতে বসছিলা?
গরুমরা দোয়া যারা করছে তাদেরে লানত
...
বিমার ছবিটা জটিল হইছে...
এইরকম নায়কোচিত পোঝ... যে বানাইছে সে পীস পাবলিক 
হ! তাদের লানত ... আর কারা যেন "পিকনিক বাতিল" পোষ্টের শিরোনাম পড়েই ... "কি মজা, কি মজা" করে চিক্কুর দিছিলো
লালু দা রে দেকলেই হিংসা হয়... ইয়ুথ ধইরা রাকহার সিস্টম টা শিকহা লাগবো লালুদা'র বাসায় গিয়া একদিন
কাকন তুমি মনে হয় সব সময় চান্সে থাকো...আর বিবিসি-র খবর এর মত খবর কে আরও বেশি রসাল আর জুগপো যোগি ও নজর কারা ...খোচা মারা যায় কি করে সে সুজোগে থাক।। তো এই পিক নিকের অকাম কুকাম এর উপর একটা প্রতিবেদন কর না কেনো...তা যেন হয় নিয়ে বিশ্লেশন মুলক...আমরা তোমার ঝাঝাল খবর আর ঝাঝাল বিস্লেশন এর অপেক্ষায় রইলাম...
তিন নাম্বার ছবিটা ভাল লাগল
। গ্রুপছবিতে সব সময় দেখা যায় মেয়েরা দু'জনে ঘাড় বাঁকা করে রেখেছে, একজন উঁকি মারছে, আর একজনকে সাধাসাধি করতে হচ্ছে, আসেন ফটো সেশন হচ্ছে বলে। হাহাহা...
।
।
চমৎকার লাগল
হ
কি হইল?? ক্ষেপচুরিয়াস হইলা কেন??!!
মন্তব্য করুন