প্রামান্যচিত্রঃ 'অপরাজেয় বাংলা'
অপরাজেয় বাংলা আমাদের অতি চেনা স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক। দীপ্ত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা ওই তেজস্বি তরুনতরুনী ত্রয় আমাদের কাছে কেবল মাত্র তিনটি মুর্তিই নয়, স্বাধীনতার কালে অন্যায়ের প্রতিবাদে গর্জে উঠা আমাদের যুবসমাজের প্রতীক এটি। একাত্তরের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের স্মারক - দুই যোদ্ধা-পুরুষ,সঙ্গে শুশ্রূষার প্রতিরূপ এক নারীর এ ভাস্কর্যটি নির্মিত হওয়ার পর থেকে আন্দোলন প্রতিবাদের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। আজো যেকোন প্রতিবাদের স্থানই হয়ে উঠে এই অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ, মূর্তিত্রয়ের চোখে কালো কাপড় বেধেঁও জানানো হয় অহিংস প্রতিবাদ।
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটা গড়ে উঠার পিছনের কথকতা নিয়ে বানানো ছবি নিয়েই এই লেখা। সাইফুল ওয়াদুদ হেলাল এই ছবির পরিচালক, যিনি ব্লগার লালদরজা নামেই পরিচিত। উনার প্রায় ৭বছরের শ্রমের ফল এই ছবি। সেই ২০০৫ থেকে এই নিয়ে চিন্তাভাবনা, আর তথ্যউপাত্ত, দূর্লভ নেগেটিভগুলো যোগাড় করা, কারিগরিকাজের যোগাড়যন্ত্র করা শুরু। পরিচালকের মতে এই ছবি তৈরীর প্রক্রিয়াটাই অনন্য। কারন ব্লগিং করতে করতেই এই ছবি তৈরীর স্ক্রিপ্ট বানানো হয়েছে। উনার ব্লগের পোষ্টগুলোর থেকে একটু একটু করেই জেনেছি আমরা এই ছবি বানানোর প্রক্রিয়া, বাধাবিপত্তি, এই নিয়ে উনার তাৎক্ষনিক চিন্তাভাবনা। অপরাজেয় বাংলা’র ভাস্কর, মডেলরা, সবাই একেকজন এখন দুনিয়ার নানান স্থানে ছড়িয়ে আছেন। নিজের নানান প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্নের কাজটা তৈরীর জন্যে লালভাই সেই ইতিহাসের মানুষগুলোকে একটু একটু করে খুজেঁ বার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জানতে চেষ্টা করেছেন কি করে তৈরী হলো আমাদের স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘অপরাজেয় বাংলা’। সেই সময়কার ব্লগের পোষ্টগুলো আর ছবির প্রোমো । ছবিটা নিয়ে আরো দারুন কিছু পরিকল্পনা আছে পরিচালকের, একটু একটু করে সামনে আসুক ওইগুলো।
ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ছবির শো।
নিউইয়র্ক ফিল্ম সেন্টারের আয়োজনে ছবির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে জুইশ সেন্টার, জ্যাকসন হাইটস, নিউ ইয়র্ক (3706 77th Street) এ শুক্রবার, ডিসেম্বর ৯, সন্ধ্যে সাড়ে ছয়টায়। আর ঢাকা আর্ট সেন্টা্রের আয়োজনে দেশে প্রথম প্রদর্শনী হবে ঢাকা আর্ট সেন্টার, বাড়ী# ৬০,ধানমন্ডি ৭/এ তে বৃহষ্পতিবার,১৪ থেকে ১৭ ডিসেম্বর, প্রতিদিন সন্ধ্যে ৪টায় ও ৬টায়।
সুন্দর একটি প্রামান্যচিত্র দেখার অপেক্ষায় রইলাম। সাথে এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।





সবাই মিলা দেখমু, আর তোমারে মিস কর্মু...
সবাই মিলে দেখতে যাওয়ার মজাই আলাদা। এর আগেরবার লাল্ভাইয়ের অন্য ছবিটা আমার ক'জন মিলে দেখেছিলাম, সাথে সারাদিন দারুন বেড়ানিও হইছিলো!
কতো কি মিস করতেছি! এই বাজে একটা বছর কেন আইলো আমার জীবনে?
দেখার অপেক্ষায় থাকলাম ।
আইজুদ্দিন অপেক্ষায় থাকেন
আর আমি করমু মিস! সবই কিসমত! 
কেমন আছো তুমি?
বাহ বাহ বেশ বেশ। এক্টু এক্টু শুরু হচ্ছে। নিজে দেখতে চাই এবং অপরকেও দেখতে বলতে চাই

কিন্তু আমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার দেখার খুব ইচ্ছা ছিল
আরে, ওই ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারে কি আছে? হুদাই!
তার চেয়ে নিজের জায়গায় বসে ছবি দেখবেন আর পরে গিয়া আবারো 'অপরাজেয় বাংলা'টারে দেখে আসবেন! 
দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
হুম, সবাই মিলে যাইয়েন।
সামু তে লালভাইয়ের পোস্ট ছিল মনে হয় এই রকম, মূর্তি নিয়া আমার প্রামান্য কথন। জটিল লাগত।
হ্যা, ঐ পোষ্টগুলারই লিঙ্ক দিলাম তো! ১৫/১৬টা পর্যন্ত পোষ্ট দিছেন ব্লগে, বাকিগুলো দেন নাই। সবগুলো লেখা নিয়েও লাল্ভাইয়ের একটা পরিকল্পনা আছে। দেখেন কি কি আসে সামনে।
আমিও দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
দেইখো, ভালো লাগবেই, কারন পোষ্টগুলো পড়তেই দারুন লাগতো আমাদের, ছবিটা নিশ্চয়ই পছন্দসই হবে।
সুযোগ পেলে তখন ঢাকা ঘুরে আসবো। রথ দেখা কলাবেচা দুটোই
সময় করে চলে যাইয়েন, রথতো দেখবেনই সাথে কলা বেচাঁও দেখবেন অনেক সাফল্যজনক হবে, পয়সা উসুল মার্কা!
সুন্দর একটি প্রামান্যচিত্র দেখার অপেক্ষায় রইলাম। সাথে এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।
আমার বিশ্বাস এটা একটা দারুন কাজ হইছে।
শুভকামনা ডকুমেন্টারীটার জন্য!
সাথে দোয়া করি আপ্নেও অপারেজেয় বাংলাদেশের মতো অপরাজিত থাকেন যাবতীয় মন খারাপ করা ব্যাপার গুলোকে সাইডে রেখে!
সবার সাথে গিয়ে দেইখো এটা।
মনে আছে, আগেরটা আমরা একসাথে দেখছিলাম, শুধু কি ছবি দেখা, সেদিন কতো কি নতুন দেখলাম, বিউটি বোর্ডিং-এ খাইলাম, নানান জায়গা দেখলাম। আমি জীবনেও অইদিকে যেতে পেরে উঠবো কিনা জানি না। থ্যাঙ্কস লাল্ভাই'রে আর তোমাদের ওইদিনটার জন্যে।
দোয়ার জন্যে ধন্যবাদ রে ভাইয়া। কিন্তু মন, সেটাতো আর ক্যালেন্ডার না যে নতুন একটা টাঙ্গাইলেই, পুরানোটার সব গুরুত্ববহ দিনক্ষন মুছে গিয়ে ঝকঝকা হয়ে যাবে। কি জানি অনেকই হয়তো পারে, দেখি শিখতে হবে।
আশা করি দেখব। আর শুভকামনা রইলো।
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=179455&hb=2
সিনেমাটা নিয়ে লাল্ভাই এখন নিউইয়র্কে আছেন। কালকে শো।
দলবল মিল্লা দেখুম, তোমারে মিস করুম আমি বেশি। মনে আছে পুরান ঢাকায় তুমি আমি আর শান্ত মিল্লা ছুটাছুটি করছিলাম ! বিউটি বোর্ডিং এ লাঞ্চ করছিলাম
হুম, কি মজায় যে কাটছিলো সেইদিনটা! সিনেমাতো দেখলামই আর কতো জায়গা ঘুরলাম। হুদাই কি ভাব দিয়া আমরা সিনেমাবোদ্ধাদের সাথে ঘুরতেছিলাম! আমাদেরতো তারা একেকজন কি না কি ভাবতেছিলো!
মিস করুম!
মন্তব্য করুন