হুদাহুদাই (৪)
উপহার দেও, উপহার। অপরকে আর নিজকে, সে দেওয়াও আনন্দ, নেওয়াতেও। ক্ষমা করে দেওয়াতে কিবা বিস্মৃত হয়ে যাওয়াতেই সকল আনন্দ নিহিত। কিন্তু দেয়া নেয়ার এই খেলাতে ভীষন অপটু যে! হাসিতো সংক্রামক কিন্তু দূঃখের অনুভূতিও কি তাই? তবে একটাকে ভালোবাসি অপরটাকে কেনইবা ডরাই! আমার ঘরের দক্ষিনা জানালা দিয়ে আম-কাঠাল গাছের ফাকঁ দিয়ে কেবল একফালি না, উঠান জুড়ানো জোছনা দেখা যেত। এখনতো দিব্যদৃষ্টিতে জোছনা দেখি না, ঘোর লাগা আলোতে আর অহেতুক খুশিতে ভাসতে পারি না। দেখার আর অনুভবের বিষয়টাতে এতো বৈপরীত্ব কেন হয়? এখন হঠাৎ অজান্তেই মন জোছনাময় হয়, সব ভার হয়ে যায় । আজ আবার তেমনি জোছনা, আজ আবারও মন ভালোনা।(লাল্ভাইর কথা এটা, পড়েই আসলে মন ভার হয়ে গেছে।)
দু’টা সেমিষ্টার প্রায় শেষের পথে। নাহ, কঠিন লাগেনি মোটেই, উপরন্তু লেগেছে যে, এর চেয়ে কঠিন আমাদের পড়ার ধারা। অনেককিছুই থাকে আমাদের সিলেবাসে, আর এরা কেবল সব টপিক ভাসাভাসা করে যায়, ইন ডেপথে খুব কমই যায়। তবে টিচারদের পড়ানোর কারনেই কিনা আগ্রহ থাকে পড়া্নো বিষয়বস্তুতে, অনেক উদাহরন দেন বর্তমান ব্যবসা সংক্রান্ত তা কেবল অষ্ট্রেলিয়া ভিত্তিকই নয়, বিশ্বব্যাপি, এমনকি নানান দেশের ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন তাদের দেশে কি প্রচলিত, না জানলে পরের ক্লাশে জেনে যেন সবাইকে জানায়। ভাসাভাসা সব পড়ালেও টিচারেরা বিষয়ভিত্তিক অনেক তথ্যই জানেন, প্রশ্ন করলেই বুঝা যায়। সহজ করে না পড়ানো ছাড়া মনে হয় উপায় নাই, কারন অন্যথা হলে স্টুডেন্টরাই খেপে যায়! সত্যি বলছি! একটা পরীক্ষায় মোটামুটি ন্যারেটিভ ধাচেঁর প্রশ্ন এলো, আধঘন্টা পেরিয়ে যাবার পর দু’জন অসি দাঁড়িয়ে টিচারকে ডেকে বলে, “তোমার কি মনে হয় আমি টিনএজার? এটা কেমনতরো প্রশ্ন করেছো! ম্যান, আমরা ত্রিশের বয়েসি, মুখস্ত করে তা লিখে দেয়ার মতো ধৈর্য্য থাকবে আশা করো কি করে! নেও যা পারছি লিখছি” ঝাড়ি দিয়ে বার হয়ে গেলো, আর টিচার উলটা কাচুমাচু মুখ করে রইল! এহেন সহজ পড়ার ধারা দেখে ভেবেছিলাম, পুরা ফাটায়া রেজাল্ট করবো, কিন্তু হায় অরিন্দম! আজীবনই ভাবি এক আর পাই উল্টপুরান!
সবসময় নানান জায়গার লেখাকে সাজিয়েগুজিয়ে দিয়েই রিপোর্ট লিখে, কিছু রেফারেন্সিং দিয়ে নিজের নামেই চালিয়ে দিতাম। সেই সুকুমার বৃত্তিতে শুরুতেই বাধা পড়লো এক বিচ্ছিরি সফটওয়ারের বদৌলতে, নাম যার টার্ন-ইট-ইন! রিপোর্ট জমা দেয়া হলে তা ঐ সফটওয়ারের মাধ্যমে চেক করা হয়, সেটা জানান দেয় কতো পার্সেন্ট চৌর্যবৃত্তির ফসল এটা আর কোথা থেকেই বা চুরি করা হয়েছে! বিষয়টা দেখে বেশ পছন্দ হওয়ায় কপি করে নিতে চেয়ে জানতে পারলাম এটা অনেক হাজার ডলার খরচ করে কেনা জিনিস যা কেবল টিচাররাই ব্যবহার করতে পারে। অনলাইনে একটা লিঙ্ক পেলাম যা দিয়ে কেবল চেক করা যাবে কতো পার্সেন্ট চুরি, কিন্তু কই থেকে নেয়া হয়েছে তা আসে না, ক'দিন পর আবার দেখি সেই লিঙ্কও কাজ করে না। আইটি’র ইনচার্জকে ক’দিন বেশ হাই-হেল্লো মার্কা তেল-ঝোল দেয়ার পর আসল দাবী জানালাম এই বলে যে আমাদের রিপোর্ট তৈরীর উদ্দেশ্যেই চাইছি ওটা! আহা, দেখি কি দারুন হাসি দিলো, ভাবি এই রে কেল্লাফতে! লেজেন্ডারি নুরাভাই’র অতি পছন্দের দেশের লোক সুমিষ্ট হাসি দিয়া আমাদের মানা করে দিলো! ওহ, কাকতালীয়ভাবে ইরানী সেই লোকটার উপাধি ‘নূরী’!
ক্লাশে যেটা মজা লাগছে তা হলো, ইচ্ছে হলে লেকচার শুনো, নইলে ঘুম দেও কিবা নেটে বসে থাকো! টিচারের কোন মাথাব্যাথা নাই কেবল তার লেকচারে বাধা না পড়লেই হলো, তুমি বড়ো হয়েছো দায়িত্ব তোমার। এক ইন্দোনেশিয়ান মেয়ে প্রতিক্লাশে প্রথম বেঞ্চে বসে আয়োজন করে ৩ঘন্টা ঘুম দেয়! তাই দেখে আমাদের বাফড়ার কথা মনে পড়েছে।
নানান জাতীয় মানুষের সাথে কথা হচ্ছে, টুকটুক করে বিজাতীয় তুচ্ছ তুচ্ছ কতো কি জানছি। আমার চাইনিজ ক্লাশমেট মাইকেল(ওর আসল নামটা কি যে বিকট পারি না মনে রাখতে!) চাইনিজ লেখা শিখাতে দু’দিন চেষ্টা করেছে এক্টাও পারিনি শিখতে! হ্যাং হাউ = আ’ম ফাইন, সীসা=থ্যাঙ্কস! এই বলেই ক্ষ্যন্ত দিয়েছি। সেইখান থেকেই জানতে পারলাম ওদের প্রতিটা শব্দের আলাদা আলাদা অক্ষর! আর শেখা শুরু করে কেবল অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন হতেই নাকি প্রায় ৫বছর লেগে যায় একেকজনের, তারপর ওরা বিষয়ভিত্তিক লেখাপড়া শুরু করে! আলেক্স জানালো রাশিয়ানদের খাবার মেন্যুতে নাকি অতিঅবশ্যই আলু থাকবে, ব্যাপারটা নাকি “আলু ছাড়া আমার চলেই নাহ” কিবা “তোমার জন্যে মরতে পারি ও সুন্দরী তুমি গলার মালা, কিন্তু পাতে আলু না দিলে ও তুমি কে গো খালা” হালের। থাইল্যান্ডের কেট’কে ক্লাশ শেষে একটা ছেলে নিতে আসে, দু’জন একসাথে স্টেশনে যায়। সবার সাথে পরিচয় করালো যে, ওর রুমমেট নাম বিগ! অন্য একদিন কে যেন জানতে চাইলো তোমার বয়ফ্রেন্ড কেমন আছে? কেট জানালো ওতো বয়ফ্রেন্ড খুজঁছে আর থাইল্যান্ডের অনেক অনেক ছেলেদের মতোই ‘বিগ’ গে! আরেক থাই মেয়ে এমি’র কাছে জানতে চাইলাম, আসলেই কি তোমাদের বেশিরভাগ ছেলে গে? উত্তর না দিয়ে ও কেবল হাসে! দুবাই’তে নাকি কখনোই অন্যদেশিদের রেসিডেন্সি দেয়া হয় না! সে তুমি যতো বছরই থাকো না কেন! কাজ করো টাকা কামাও, পরে রিটায়ার্ডের সময় এলে বাড়ি ফিরে যাও! ৩৭বছর দুবাইয়ে বসবাস করা শ্বশুরের এহেন পরিস্থিতি দেখে গ্রেসিটা অসি হবার আশায় নিজের ৯ বছরের ফিনান্সের ক্যারিয়ার জলাঞ্জলি দিয়ে স্টুডেন্ট ভিসায় বানভাসির মতোন হালে চলছে! বাড়ি ফেরার পথে অক্টোপাসের ঠ্যাং ভাজা খেতে খেতে ফিলিপাইনের গ্রেসি আমায় নানান গল্প শু্নায়, প্রথম প্রথম নাক শিটকাতাম “কি সব খাচ্ছে রে বাবা” ভেবে। পরে মনে হলো, আমরা যে গরুর ভুরি ভূনা কি মজা করে খাই, শুনলে কি এদের পিলে চমকাবে না! লেবাননের মোহাম্মদ নিজের জাতীয়তার ব্যাপারটা সবার কাছ থেকে লুকাতে চেষ্টারত থাকে, কারন অষ্ট্রেলিয়াতে নাকি লেবানিজদের রেপুটেশন খারাপ, হেন বাজে কাজ নাই লেবানিজরা করে না। কিন্তু সে নাকি তেমন না, কিন্তু জাতীয়তা শুনলেই ওকে না জানতে চেয়ে, লোকের বাজে’দের কাতারেই ফেলে দেয়! এইখানে অসিদের চেয়েও এশিয়ান স্টুডেন্টে ক্লাশ ভরা, আর চাইনিজ, ইন্ডিয়ান, বাংলাদেশি আর পাকিস্তানিও প্রচুর। অন্যদের সাথে অবলীলায় ইংরেজি বললেও, পাকিস্তানিদের সাথে আমাদের বাঙ্গালীরা হিন্দি-উর্দু মিশিয়ে কথা বলে!! একবার কেবল এই তিন দেশিরা আছি, পাকিস্তানি ছেলেটা আমাকে বলে “আরে এইটা আড্ডা ফর্মালি কিছু না, তুমি উর্দুতে কথা বলছো না কেন!” এইবার খাস বাংলায় কথা বলা শুরু করে বললাম “বুঝছো তো কি বলছি?” বলে, “আরে আমি কেম্নে বাংলা বুঝবো!” সুন্দর মতো ঝাড়ি দিয়া বললাম, “তাহলে আশা করো কি করে আমি উর্দু জানবো?” লাক্স নিয়ে মার্কেটিং রিপোর্ট প্রজেন্টেশনে “টার্গেট মার্কেট” পার্টে সেই ছেলে কয়, “for matured women with huge breast, long thigh and bum!” আমি হা করে এইদিক ওইদিক সব্বার মুখের দিকে তাকালাম, দেখি কেউ কিচ্ছু বলে না, মনে হয় ৩/৪ঘন্টা একেরপর এক প্রেজেন্টেশন দেখে সব্বাই ত্যাক্ত! আমি মজা করে দেখছিলাম কারন, ওর গ্রুপমেট বাংলাদেশি একজন প্রতিবার “লাক্স ইন পাকিস্তান” উচ্চারন করতে গিয়ে বলছে “ফাক-ইস্তান”, ও কি ইচ্চাকৃত বলছে নাকি উচ্চারনের ভুল জানি না, তবে প্রতিবার বলার সময় আমার হাসি আসছিলো! পরে প্রশ্নোত্তর অংশে সুইটলি পাকি ছেলেরে বললাম, “প্লীজ তুমি কি ওমুক স্লাইডটার কথাগুলো ইলেবোরেট করবা?” খুব উৎসাহ নিয়ে শুরু করতে গিয়ে এইবার নিজেই ইতস্তত করে! স্যারও দেখি মজা নিচ্ছে ওর হালে, বাকি সব্বার কথা নাই বলি! অনেক বৈদেশিদের কথা বললাম, এবার দেশি প্রচন্ড অস্থির পিচ্চি একজনের কথা বলি। কেবল কে কি পেলো তা নতুন লেকচার নাকি রিপোর্ট নাকি রিফ্রেশপমেন্ট তাই তার চিন্তা, আছে না কিছু মানুষ, নিজের ভরা রইলেও খালি অন্যের পাতে কি গেলো চিন্তায় ব্যাস্ত! ট্রেন স্টেশনের ধারেকাছে প্রায়ই ফ্রি স্যাম্পেল পন্য নিয়ে দাঁড়ায় লোকজন, পাশ দিয়ে গেলে সবাইকে অফার করে। একদিন ওর সাথে যাচ্ছি, টিকেট খুজেঁ পাচ্ছি না বলে ব্যাগ হাতড়াই কেবল, এর মাঝেই একজন কি যেন অফার করলো না দেখেই নিয়ে বগলে চেপে চলতে চলতে টিকিট খুজঁছি! পাশ থেকে ছেলেটা এসে বলে, “তুমি সবসময় সবকিছু পাও, আমি মিস করে ফেললাম যাহ”। বলি “আচ্ছা আমি দাড়াচ্ছি, তুমি নিয়ে আসো” পরে এসে বলে, “আমাকে দিলো না, দেখো তুমি লাকি না, পেয়ে গেলা”। একেতো টিকিট খুজেঁ পাইনা, এর উপর এই প্যানপ্যানানি শুনে কি জিনিশ না দেখেই ওর হাতে দিয়ে হাসিমুখ দেখে হাটা দিলাম। এট্টুক্ষন পর দৌড় দিয়ে এসে বলে “না তুমিই রাখো এটা”। সমস্যা কি, আবার কি হইছে এই ভেবে প্যাকেটা নিয়ে দেখি, “ফ্রি স্যাম্পেল অব স্যানিটারি ন্যাপকিন”!





লেখা সাবলীল লাগলো..
=====
বিস্তারিত কমেন্ট আসছে অপেক্ষায় থাকুন
তাও ভালো রবীন্দ্র উত্তর জাতীয় কপি-পেষ্ট কমেন্ট ছাড়েন নাই!

সব আপনার পড়তে পারার গুন, সাবলীল ভাবে না পইড়াই কমেন্টের জন্যে থ্যাঙ্কস দিলাম না, সেইটা বিস্তারিত কমেন্টের অপেক্ষায় রইলো
মন খারাপের কথা দিয়ে শুরু করলেও মাঝখানে আর শেষে এসে দারুণ মজার করে তুলেছেন লেখাটা। ভালো লাগলো।
্কি করবো বলেন মেঘপিওনের কিবা জোছনা ভরা রাতের তারা ভরা মনখারাপের দিস্তা! সব ভাজঁ করে রেখে ভালো আছি বলেই চলতে চাই।
ঝাক্কাস হইছে জেবু। এত সবলীল যে এক নিশ্বাসে পড়ে ফেললাম।
আপ্নের করা কমেন্টগুলা সব সময়ই উৎসাহ দেয়, লাগে কমেন্ট দিছেন মানে পছন্দ হইছে, আর যখন দেন না মানে চলনসই হয় নাই!
আর আপ্নে না অন্য নামে ডাক্তেন আমারে, নয়া নাম যে!
হঠাৎ মনে হইল এইটা তো সোন্দর লাগে। একটু খ্যাত বাট মায়া জড়ানো।
নাম লয়া একটু দকদারি করণ আমার বাল্যকালের স্বভাব। নামগুলান কিন্তু আমি দেই না কিন্তু পাবলিসিটির ভার নেই:)
যেমন তোমারটা, বেলিরটা আমার দেয়া না।
এই তো সেইদিন পাইলাম একজনরে। কিন্তু এত পিচ্চি যে পাবলিসিটি করতে কেরম লাগে!
হ্যা, আমারটা দিসিলো আরন্যক যাযাবরে আর জয়িতারটা বিমা। কিন্তু আপ্নেই বেশি ডাকছেন এই নামে, অনেকেইতো ভাবতো আসলেই অইটা কি কোন আদুরে নাম কিনা।
নতুনটা কার নাম? আরে, শুরু করেন আম্রাও করমু সাথে
ফাটাইন্না লেখা।আমার তো এরম লেখতে মন্চায়। কেমনে লেখে গো আফা!
এইখানে সবার লাগি বুক ফাটে তো, কিন্তু মুখ তো ফোটার চান্স নাই, তাই মনে হয় ফাটাইন্না লেখা হইছে!
তোমার বইমেলা সিরিজ যেমন দারুন হচ্ছে আর নাই বললাম, কি দারুন দরকারী ইনফোগুলার সাথে নিজের মনের কথাগুলোর সারসংক্ষপ দিয়ে পোষ্ট দিচ্ছ! দারুন পছন্দ হচ্ছে! এইবার মেলায় না গেলেও তোমাদের সব্বার লেখা থেকে মজা বেশ পাচ্ছি, কেবল মাঞ্জা দিয়া মেলায় যাওন, আড্ডা দেওন, নিজেরা নিজেরা এরেওরে পচাঁনি, কথার পিঠে কথা চলানি অহেতুকই - সব সবটা মিস করছি।
রে... দারূণ লিখছো... টানা পইরা গেলাম...
আপ্নের মন্তব্য খুশি মনে বুঝিয়া পাইলাম
কিন্তুক তুমি কার কার মাঝে টানা পইরা গেলা? দেখো আমাদের জানবার হক আছে কইলাম!
কে, কে সেইসব সুন্দরী, ছেয়ে আছে যারা তোমার মন জুড়ি?
পাক ছেলেটিকে দেয়া আপনার উত্তরটা বেএএএশ হয়েছে!!
====================
আরেব্বা! আজ দুইটা চাইনিজ ওয়ার্ড শিখলাম!
====================
লিখাটা অতীব চমৎকার লেগেছে
শব্দ দুটি মনে হয় হবে "নি হাঊ" আর "শিয়েশিয়ে"
~
স্বপ্নের ফেরীওলা@সীসাটা শিয়েশিয়ে হতেই পারে কারন আমি সহজে মনে রাখার জন্যে বলছিলাম অন্যদের, আরে সীসা খায় না আজকাল এটা তাই, মানে হচ্ছে কাইন্ড অব হুক্কাটানা
কিন্তু হ্যাং হাউ তো এমনি বলছিলো!
যাজ্ঞা, ২/৩মাস আগের কাহিনি, ভুল করতেই পারি, ম্যান ইজ মর্টাল= মানুষ মাত্রই ভুল করার অধিকার রাখে! 
আমি তো জানতাম নী হাউ মা= কেরাম আছেন। এখন্তো আউলায়া যাইতেছি
বৃত্ত@বিশ্বাস করো, বেচারা ম্যলা চেষ্টা করলো, শেষে হতাশ আমার হাল দেখে! কি করমু, সবই এখই লাগে
্লাবনী@ অই পোলার ভাবে মেজাজ খারাপ ছিলো, আর অমন কথাতে তাই কি ছাড়ি নাকি আর!
পড়ার জন্যে ধন্যবাদ
শেষে এই হৈল অবস্থা!
ভাল্লাগছে, মজা পাইলাম, চ্রম লেখা ... এর বাইরে তো আর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না
আপ্নার ভালো লাগ্লো জেনেই ভালো লাগ্লো, শুভেচ্ছা নিরন্তর, ভালো থাকুন, লেখা পড়ে মন্তব্যের জন্যে অশেষ ধন্যবাদ,.... এর বাইরে আর কিছু প্রতুত্তর নাই!
থাইল্যান্ডেই সম্ভবতঃ মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার একটা আইডিয়াল সিচ্যুয়েশান ছিলো। প্রচূর থাই ছেলে আছে যারা টাকা জমায় সেক্স চেইঞ্জ করার জন্য...এইটা নিয়া তাদের কোনো লুকোছাপা নাই। ব্যাংকক নাইট লাইফে বিষয়টারে যেইভাবে যৌনতার রগরগে বর্ণনায় লেখা হয় বিষয়টা তার চাইতে অনেক অনেক বেশি ফিলোসফিক্যাল মনে হইছে...
লেখা উমদা হইছে...
ব্যাপারটায় আসলে অনেক অবাক লাগছে যে, একটা দেশের আশংকাজনক সংখ্যক ছেলেরা কেন গে! কেটের মতে, ওদের ছেলেরা সফটনেস পছন্দের চেয়ে ম্যাস্কুলিন বিষয়টাতেই বেশি আগ্রহি! তাই মেয়েরা নিজেদের চেয়েও ভিনদেশি পার্টনারের খোজেঁই থাকে। হাস্যকর লেগেছিলো এটা যে, নামে "বিগ" আর চালচলনে ... যাক যে দেশে যেই চলন!
থ্যাঙ্কস ভাইয়া কমেন্টের জন্যে নইলে ব্যাংকক নাইট লাইফ বিষয়টার প্রতি খোজ করার স্কোপ পাইতাম না।
আপনাকে আগেই বলেছি, আপনার লেখার সবচে' সুন্দর দিকটি হচ্ছে- এক-একটা বিষয়ের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ। যা নিয়ে লেখেন, সে সম্পর্কে একটা ক্লিয়ার আইডিয়া পাওয়া যায় সহজেই। বরাবরের মতোই মুগ্ধ হয়েছি এবারও।
আমি মানুষটা ভীষন বকাবাজ টাইপ, সামান্য কিছুতেই অনেক কথা বলি, যেটা মনে লাগে তা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করাতেই আমার আনন্দ। কিন্তু বিশ্লেষনধর্মী কিছু নেই আমার মাঝে। আমার গল্পগুলাতে দেখবেন, কেবল কথার পর কথাই থাকে, কিন্তু কোন কিছুর রুপক বর্ননা, জীবনবোধের গূঢ় কথাবার্তা আসে না। নিজের এই অক্ষমতাটা সত্যিই পীড়া দেয়।
মন্তব্যের জন্যে থ্যাঙ্কস মীর
খুবই মজা পাইলাম। আপনি কি শুধু সেমিস্টার ব্রেকে পোস্ট দেন নাকি?
্কই না তো!
মাথাত কিচ্ছু আসে না, তাই দেয়া হয় না। 

কিন্তু তোমার কাহিনি কি, পরীক্ষা না শেষ, তা নিজে লেখা কম কম দিয়ে যে ঘুম দিয়ে বেড়াইতেছো, তার কি!
হা হা হা.... জম্পেশ !!!
দিন কাল তো তাইলে বেশ মজাতেই যাচ্ছে দুস্তি, আর এদিকে তোমার প্রবাস জীবনের দুঃখে আমরা মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি
লেখালেখি পুরাদমে চালায়া যাও
হ! আর জম্পেশ!
আগে যে বলতা, এই বন্ধুহীন প্রবাস লাইফটায় ব্লগ না থাকলে হাস্ফাস করে মইরাই যাইতাম! এখন বুঝি কথা কতো সত্য!
তুমি শিশু সাহিত্যের বাকি পর্বগুলা কবে ছাড়বা? দারুন হইছে কিন্ত অইটা
আমার বোন গত পরশু গেলো অস্ট্রেলিয়ায়, মাস্টার্স করতে।
আপনি কোন শহরে থাকেন?
আমি সিডনীতে, আর আমাদের ব্লগেরই শাতিল আছে মেলবোর্নে।
ওর কোন দরকার লাগলে অবশ্যই জানায়েন। যোগাযোগ করবো।
অক্টোপাসের ঠ্যাং ভাজা, ইয়াম ইয়াম!
সত্যিই ফ্রাই'টার ঘ্রান আসে অনেক লোভনীয়, জিনিসটার কাচাঁ হালটা যদি না দেখতাম, হয়তো না খেয়েও ফেলতাম কোনদিন। কিন্তু দেখার পর থেকে গা গুলায়। আর অনেকে তো পিচকা পিচকা গুলা কাচাঁ না যেন আধাসিদ্ধই সালাদ দিয়ে খাচ্ছে!
আধসিদ্ধ যেকোনো জীবজন্তু আমার ভালো লাগেনা খাইতে। কিন্তু স্কুইড/অক্টোপাস ভাজা খাইয়া দেখতে পারেন, অনেক মজার জিনিষ। কাঁচা অবস্থায় তো শিং মাছ অথবা বাইন মাছ-ও দেখতে সুন্দর না।
হ! মানুষের আসলে সবকিছুই অভ্যাসের দায়বদ্ধতায় পাক খায়, তাই তো বললাম, আম্রাও এমন সবকিছু খাই যা শুনলে বা দেখলে পিলে চমকায়া যাবে যে কারুরই!
আপ্নের খবর কি? লেখা যে সব গাপ করে রাখছেন দেখলাম সেদিন।
আমি স্কুইড, অক্টোপাস দুইটাই খাইছি, আমার কাছে ভাল্লাগছে। "ওয়াও" বা "জোশ" টাইপের না হইলেও ভাল্লাগছে
থাক তাইলে খাইলাম নাহ!

লাক্স আর পাকিস্তানী পার্ট অতুলনীয়
ওই ছেলে আমারে পরে বলে, "তুমি এতো হট ট্যেম্পারড কেন?"
মন্তব্য করুন