ইউজার লগইন

হুদাহুদাই (৫)

আঙ্গুলের কড়ায় গুনতে গেলে মাত্র আট, সংখ্যায় খুবই নগন্য। কিন্তু এই দু’গন্ডা মাসের সময়টাতেই দুই ঈদ, পুজা আর ক্রীসমাস পার করলাম এখানে। রোজাতে ইফতার-সেহেরির সময় উল্লেখ করা অনেক ক্যলেন্ডার, দাওয়াত পেলেও রোজার সেই আমেজটা স্বাভাবিক ভাবেই একদমই পাইনি। ইফতারে আজান শুনতাম অনলাইনে ইন্সটল করা আজান সফটওয়ার দিয়ে আর সেহেরি ঘড়ি দেখে। দাওয়াতগুলো ইফতারির চেয়ে শো-অফই বেশি লেগেছে, তা সবার সাজগোজ কিবা টেবিলে খাবারের পদের বাহুল্যই বলেন। দাওয়াতে পরিবারের কোন সদস্য যদি না আসে, তার জন্যে খাবার প্যাক করে দেয়ার একটা রীতি চালু আছে এখানে, দেখে বেশ লাগলো, কারন ছোট থেকেই মা-খালাদের দেখতাম এমনি করে দাওয়াত শেষে খাবার প্যাক করতে বসছেন।

ঈদতো এখানে কয়েকদিন যাবত পালন করে, একেক এলাকার হুজুরের একেক মত! একদিক দিয়ে সুবিধাই, কারন এক জায়গায় ঈদ পালন করা লোকেদের বাড়িতে ঈদ না পালন করা অন্য জায়গার লোকেরা বেড়িয়ে যেতে পারছেন সুবিধা মতো। ঢাকাতেও অনেক মহিলা ঈদের জামাতে যায় শুনেছি, তবে সেটা নগন্যই হবে। এখানে শুনলাম অনেকেই যায়, আমাদের দুই পিচ্চিও গেলো এবার। নানান বাড়িতে ঈদ ঘুরান্তি দিতে গিয়ে এক অভিজ্ঞতা হলো। দিনভর অচেনা মানুষদের বাড়িতে ঘুরে ঘুরে সন্ধ্যায় এক ডাক্তারের নতুন কেনা বাড়িতে গেলাম, যেখানে পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৩, আর ঘরের বেডরুমের সংখ্যা ৭! বাড়ির কথা উল্লেখ করার কারন হচ্ছে, আপ্যায়নের মূল সময়টাতে সব মেহমানদের বাড়ির ট্যুর করানোতেই ব্যস্ত ছিলেন মেজবান। অনেক তথ্যবহুল ট্যু্র ছিলো বলাই বাহুল্য, অতো তথ্যে নাই বা গেলাম।

সেই দমবন্ধকর আথিতিয়তার আতিশয্যে বেশিক্ষন না থেকে এক আপুর বাড়ি গেলাম যেখানে ঈদ উৎসব পালন করা হচ্ছে না। বাড়ির ২৩বছর বয়েসি ছেলেটার বোনম্যেরো ক্যান্সার বাড়াবাড়ি পর্যায়ে বলে ও এখন বাড়িতেই ট্রিটমেন্টে আছে। অবাক হলাম এই জেনে যে, এখানে অসুখের মোটামুটি পর্যায়ে রোগীকে হাসপাতালে রাখা হয়, আর অবস্থা বেশি খারাপ হলে অভিজ্ঞ নার্সের ত্বত্তাবধানে বাড়িতেই রাখা হয় যাতে করে হাসপাতালের জার্ম’স না ধরতে পারে রোগীকে। নানান মেশিনপাতি দিয়ে ছেলেটার ঘর ভরা, কেমোথেরাপির কারনে চুল পড়ে, শরীর নষ্ট হয়ে গিয়ে কেমন যে দেখাচ্ছে ওকে। ওদের এরিয়ার লোকজন নাকি নিজ দায়িত্বে গিয়ে টেষ্ট করাতে দিয়েছে যদি কারুর সাথে ম্যাচ করে। হাসপাতাল থেকে রেডক্রসে খোজঁ লাগানো হয়েছে, বিশ্বের যেখানেই ম্যাচিং ভলান্টারি ডোনার মিলবে অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে। (মাসখানেক আগে শুনেছিলাম, রেডক্রসের মাধ্যমে হংকং’এর এক মেয়েকে পাওয়া গেছে, যার সাথে ম্যাচ করেছ!) আপুর সাথে নানান কথায় জানালেন, সরকার সব খরচ দিচ্ছে বলেই এই বিশাল ব্যয়বহুল চিকিৎসা চলছে, নইলে উনার পক্ষে সম্ভব ছিলো না চালানো। গর্বের সাথেই বললেন, ছেলেটার অসুখটা বাদে কোনই অপূর্নতা নাই সংসারে, কারুর কাছে ধারও নাই উনার। শুনতে শুনতে ভাবছিলাম, কিছুক্ষন আগেই একজনের মুখেও গর্বের টোন শুনেছিলাম, “এই বাড়িটা কিনলাম ১.৮ মিলিয়ন দিয়ে, ব্যাঙ্ক থেকে নিয়েছি ১মিলিয়ন। আর সব ফার্নিচারই নতুন কিনেছি, ওটারও লোন আছে!”

তফাৎটা কি? রাত আর দিন ভাই, রাত আর দিন,
কার মাথায় বলেন তো কম আছে আয়োডিন?

কোরবানির ঈদের আগের দিন সকাল থেকেই আব্বা-ভাইদের হাটে যাওয়ার তোড়জোড়, গরু আনলে রাতভর ওটার দেখভাল করা ‘খাবার-পানি-মশার কয়েল’ দিয়ে! সকালে কোরবানি করা থেকে শুরু করে, বিলিবন্টন, ফকিরদের লাইনের সাথে চিল্লাপাল্লা, আত্নীয়-পাড়াপ্রতিবেশির নামে নামে প্যাক করা। কসাইরা চলে যাবার পর উঠোন জুড়ে থাকা সব রক্ত ময়লা পরিষ্কার করা, সব সামলে বিকেল ৫/৬টার আগে কোন ঈদে দম ফেলার ফুরসত পেতাম না। আর এখানে কোরবানিতেও কত কাহিনী! কসাইয়ের দোকানে টাকা দিয়ে দাও ভাগের ঈদের একদিন কি দু’দিন পরে প্যাক করে মাংস পাঠিয়ে দিবে তারা! আর তিনভাগ করার যেই নিয়ম তা মানার নিমিত্তে, যেহেতু মিসকিনের দেখা নাই এখানে তাই একভাগের পরিমান টাকা দেশে পাঠিয়ে দেন বিলি করার জন্যে। চেনাজানাদের কাছে শুনলাম, ওনারা আগে নাকি কোন খামারে গিয়ে কোরবানি দিতেন, খাবারদাবার সাথে নিয়ে যেতেন কয়েক পরিবার, গরু জবাই হয়ে,বিলিবন্টন করার সময়ে পিকনিক পিকনিক ভাব ছিলো। সেই খামারে কোরবানি দেওয়া মানা করা হয়েছে এখন।

পূজা যাচ্ছে কি করে বুঝলাম? কাছে ধারে বাসে-ট্রেনে বেশকিছু মহিলাকে দেখলাম মোটা দাগের সিদুঁর দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ক’দিন যাবত। হরিয়ানার এক মেয়েকে দেখি কেমন যেন মুখ শুকনা করে চলছে, জিজ্ঞেস করলাম অসুস্থ কিনা। বলে কি, আরে না নবরাত্রি গেলো না তাই শুকিয়ে গেছি! এরা পূজার দশদিন নাকি উপোস দেয়ার ব্রত রাখে! (এত্তো হিন্দি সিনেমা দেখলাম এইটা জানতাম নাহ!)

ক্রীসমাসেই লম্বা ছুটি পায় সবাই, তাতেই চলে বেশি ঘোরাফেরা। মাতাল সম্পর্কে ধারনা কেবল টিভি দেখেই যা কিছু, মানে এলোমেলো হাউকাউ আচরন আরকি। এক সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছি, ট্রেনে একলোক দেখি যেচে পড়ে কেবল কথাই বলে যাচ্ছে আর ক্ষনেক্ষনে হাসে। বুঝিনি প্রথমে, কিছুপরে নিজেই বলে, “শুনো আমার বেশি কথায় কিছু মনে করো না, আমি ড্রাঙ্ক, ক্রিসমাসের সময় একআধটু ড্রাঙ্ক হয়ে পথ চলা দোষের নয় কি বলো?” এই সময়টাতেই আমি স্টেশনে, ট্রেনে ফকির দেখেছি! ট্রেনের ফকিরকে শিশুমেলার সামনে দাঁড়ানো গাঞ্জাখোরদের যেমন লাগে তার চেয়ে আলাদা লাগেনি দেখতে, আর স্টেশনের ফকিরতো ভাব'ওলা, কথা নাই কেবল টিনের কৌটা ঝনঝন করে! ক্লাশ করে ফেরার পথে পড়ে কয়েকটা শপিংমল এর মাঝে একটার মাঝ দিয়ে আমার ষ্টেশন! কুইন ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং – শপিংমলটাতে বিরাট এক ক্রীসমাস ট্রি সাজানো হয়েছে,স্যন্টা'র সাথে বাচ্চারা যেন ছবি তুলতে পারে তাই একটা গম্বুজের মতোন একটা ঘেরা জায়গা, সাথে নানান সাজে সাজানো পুরো মার্কেটটাও। ২৩/২৪ তারিখের দিকে ছবি তোলার ধান্দায় ক্লাশ আদ্ধেক করেই বের হলাম, ধারের ক্যামেরা নিয়ে। টুকটাক ছবি তোলার সময় দেখি, দু'জন একটা স্ট্রিট শো করেছে, সবাই গোল হয়ে দেখছে ওদের নাচ/কসরত, মজার মজার কথা বলছে ওরা, আর সাথে এও বলছে, ভালো লাগলে টাকা দিও প্লিজ না দিতে চাইলে নাই বা দিও, কিন্তু হাসি আর তালি অবশ্যই দিতে হবে, তবে আমাদের মুখে হাসি ফোটাতে কিছু টাকাতো দেয়াই উচিত তোমাদের। বেশ উপভোগ্য তাদের উপস্থাপনা, দেখছিলাম তালি দিচ্ছিলাম, শেষ হবার পর ক্যামেরাটা ব্যগে রাখতে রাখতে ভিড় থেকে বেরিয়ে যাবার সময় একজন এসে বলে, "কি এতক্ষন ব্যগ হাতড়ালেন আর টাকা দেবার বেলায় চলে যাচ্ছেন যে!" বিশুদ্ধ বাংলায় এহেন অভিযোগ শুনে হতবাক হয়ে তাকিয়ে দেখি অপরিচিত একলোক! একলোক! জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাতেই বলে “আপনি বাঙ্গালী না?” চুপ করে আছি দেখে কনফিউসড হয়ে “সর‌্যি সর‌্যি“ বলা শুরু। যেই জানতে চাইলাম, অপরিচিত কাউকে কি আমরা এমনি করে কিছু বলি? মাতব্বর মামু দেখি ভিড়ে মিলিয়ে গেলো!

ক্রীসমাসের দিন ডারলিং হারবারে সাজানো দেখতে যাবার পথে পথে স্যান্টা সাজে অনেকেই দেখা গেছে, তবে ঠান্ডা আবহাওয়ার মাঝে ৩ নাঙ্গুবাবা স্যান্টা দেখে চমকে গেছি! নাহ, মানে পুরা জন্মদিনের পোষাকে নয়, এট্টুর জন্যে ইজ্জত রক্ষা করে চলেছে সেই থ্রি স্টুজেস!

সিডনীর থার্টিফার্ষ্ট নাইটের আতশবাজিতো জগৎবিখ্যাত! সেদিন হারবার ব্রিজের ধারে কাছে যাওয়াও মুশকিল, ভোরবেলা থেকেই লোকজন জায়গা দখল করে ঠায় বসে থাকে রাতের আতশবাজির আশায়। এবার রকডেল সিটি কাউন্সিল আয়োজন করেছিল ব্রাইটন বীচে ছোট পরিসরে আতশবাজির আসরের। দুধের স্বাদ ঘোল না হোক মাঠায় যদি চাখা যায় আর কি! রাত নয়টা থেকে আতশবাজি শুরু হবার কথা, কিন্তু ছয়টার দিকে গিয়েও দেখে বেশ ভিড়। ব্রাইটন বীচে যতবারই গেছি সব হিজাবীদের আড্ডা দেখেছি, হুক্কা-পানি নিয়ে রীতি মতো আসর বসানো। এই বীচের কাছে লেবাননিদের আবাসস্থল বেশি বলেই এমনটা দেখা যায়। তো থার্টিফার্ষ্ট সন্ধ্যায় গিয়ে দেখি, এরা সব তাবু, বিছানা, চুলা-চাল্লি, হুক্কা সব নিয়েই হাজির, পিকনিকের চেয়ে ক্যম্পিংই লাগছে যেন! সাতটার দিকেই আতশবাজি বোঝাই তিনটা বার্জ বীচের কাছে উপস্থিত। নয়টাতে দু’টা বার্জ থেকে আতশবাজি শুরু হলো, একটা রেখে দেয়া হলো ১২টার দিকে করা হবে বলে। ডিসেম্বর মাসের ঘোরাফেরার আর গায়ের উপর ফুলঝুরির মতো এগিয়ে আসা আতশবাজি দেখতে দেখতে নিজের ক্যামেরার জন্যে আফসোস বেড়ে গেলো অনেক অনেক গুন!

ফোন আর চেয়েচিন্তে নেয়া অন্যের ক্যামেরা দিয়ে তোলা কিছু ছবি দেখেন।
16.JPG

2.JPG

10.JPG

4.JPG

picture

...

picture

picture

picture

picture

সময় নাকি ফুৎকারে চলে যায় কিন্তু এখন যেন যাচ্ছেই না। জীবনের গেল বাকি বছরগুলোর সাথে আকাশপাতাল তফাত এই দুই-তৃতীয়াংশ বছরটার। পরিবারের সবার কথা হলো, বড়ো হচ্ছো তুমি! এই বুড়োকালে বড়ো হতে আর ভালো লাগছে না মোটেই।

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ভাস্কর's picture


জোস ট্রাভেলগ...

জেবীন's picture


Laughing out loud থ্যাঙ্কস ভাষ্কর'দা। নিজের ছোট্ট গন্ডিটার কথাবার্তা নিয়েই লেখা, আলাদা করে ট্রাগেলগ হবে ভেবে লিখিনি

মীর's picture


আপনার লেখা বিদেশে গিয়ে অনেক ভালো হয়ে গেছে।

জেবীন's picture


মানে কি? আমি খারাপ লেখছি কবে? Stare আপ্নে জানেন, সেই নাইন্টিন সিক্সটিভাইভে লেখছিলাম, সেই যে একটা লেখা ... Cool

থ্যাঙ্কস কমেন্টের লাগি Smile

রাসেল আশরাফ's picture


"কি এতক্ষন ব্যগ হাতড়ালেন আর টাকা দেবার বেলায় চলে যাচ্ছেন যে!"

ফাটাফাটি ঝাড়ি খাইছেন দেখি Big smile Big smile

জেবীন's picture


ঝাড়িটাতে পয়সা না দেয়াতে বিব্রত হওয়ার চেয়ে বিরক্ত আর আশ্চর্য বেশি হইছি! আমার যেন বেয়াই লাগে বেটা মশকরা করতে আসছে এম্নে কইরা! Stare

গ্রিফিন's picture


আফাগোওওওও এক্টা ফটুকদেইখা পুরাই পাংখা হইয়া গেলেম।

জেবীন's picture


্কয় কি! কুন সেইরকম ফটুক তো দেই নাই, এমন কি হিজাবী বীচেরও না, তাইলে কি দেখিয়া পাঙ্খা হইলেন কন তো! Stare

শাফায়েত's picture


অপূর্ব!!! বিশেষ করে লেখাটা।

১০

জেবীন's picture


Smile ধন্যবাদ। Laughing out loud

১১

জ্যোতি's picture


চমৎকার লেখা এবং ছবি। তোমার হাতে তো যাদুর ছোঁয়া লাগছে।

১২

জেবীন's picture


থ্যাঙ্কু! Laughing out loud
তা যাদু'টা ছোয়াঁ দিয়া কই পালাইছে বলো তো! সামনে পাইলে তারে Tongue

১৩

বিষাক্ত মানুষ's picture


আহা !!

নিজের কত কত স্মৃতি মনে পড়ে গেল Smile

১৪

জ্যোতি's picture


সেসব তাইলে লেখ।

১৫

শাতিল's picture


হ্যাঁ লেখেন Steve

১৬

জেবীন's picture


বিমা@ তোমার স্মৃতিতো অনেক মজার মজার থাকার কথা, ডেনিয়েল আর ওর বান্ধবীর গল্প দিয়াই না হয় শুরু করো! Smile

শাতিলের ও তো অনেক কাহিনি জমার কথা এদ্দিনে। কিছু জানাও Laughing out loud

১৭

শাতিল's picture


পরিবারের সবার কথা হলো, বড়ো হচ্ছো তুমি!

বিয়ে শাদীর কথা চলতেছে মনে হয় Wink

১৮

জেবীন's picture


বুড়াকাল শব্দটা মিস করছো মনে হয়! Wink

তা একটা কথা আছে কিন্তু, "ওই উনার পাতে দই দে রে!" এইটা বলে কি বুঝানি হয় কও তো! Tongue

১৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বিদেশ গেলে কত কিছু জানন যায়, দেখন যায়... Big smile
আফসুস ! কবে যে বিদেশ যামু ... Wink

২০

জেবীন's picture


বেড়াইতে গেলে বিদেশ ভালো, কিন্তুক থাকোন প্রেফার করিনা Sad আর আপনারে যতদূর জানি, আপনেও পছন্দ করেন না।.। তাই হুদাহুদাই পোষ্টে হুদাই আফসুস কইরেন না Tongue

২১

সাঈদ's picture


কি সৌভাগ্য আপনার, আপামনি !!!

কত্তকিছু দেখলেন, খাইলেন (উইথ ঝারি)

২২

জেবীন's picture


কারুর পৌষমাস তো কারুর সর্বনাস! সৌভাগ্য নাকি দূর্ভাগ্য কেমনে বুঝাই Stare Sad(
ঝাড়ি ছাড়া আর কিচছু খাই নাই বিজাতীয়! Tongue

২৩

তানবীরা's picture


নাঙ্গুবাবাদের ছবি কোথায় Shock

লেখা আর ছবি দুইই জোশ

২৪

জেবীন's picture


কি কন, সদ্য হজ্ঝ করে আসা বড়ভাই ছিলো সাথে, ভাতিজি আর আমি তাকায়া হাসতেছিলাম এই বেশি, ক্যামেরা তাক করলে তো বেদদপ বেশরম খেতাব পাইতাম। Stare

২৫

শওকত মাসুম's picture


জোস, বরাবরের মতোই

২৬

জেবীন's picture


Big smile

২৭

রায়েহাত শুভ's picture


তুমি *লা নিয়মিত লেখো না কেন? তোমার লেখার ভিতরে একটা ঝরঝরা ভাব আছে, যেইটা অনেকের ভিতর থাকেনা...

২৮

জেবীন's picture


ঝরঝরা!
তার মানে রুখাশুখা ামার লেখা! Stare
তার মানে রষকশহীন! Puzzled
তার মানে .... Sad
Tongue
Cool ষ্টারটা দেইখা মজা পাইছি Big smile

২৯

রায়েহাত শুভ's picture


আব্বে, ঝরঝরা ভাত খাইতে মজা পাওনা? নাকি সেইটাও রুখাশুখা লাগে? হুক্কা

আর তারা দেইখা মজা পাওনের কিছু নাই Tongue আমি সুশীল খাতায় নাম লেখানির চিষ্টায় আছি Wink

৩০

লীনা দিলরুবা's picture


ছবিগুলো বেড়াছেড়া কিন্তু লেখাটা অসাম!

৩১

কিছু বলার নাই's picture


ক্রিসমাসের সময় রাস্তায় অপরিচিত লোকজন চোখে চোখ পড়লেই 'মেরি ক্রিসমাস' বলতো ঐটা আমার ব্যাপক লাগতো।

স্ট্রিট শো এর কথায় মনে পড়লো, আমি আর শর্মি ঠিক করছিলাম টিউবস্টেশনের সামনে টুপি রাইখা গান গামু, তারপর যেই টাকা জমবে ঐটা দিয়া বার্গার খামু। অন্য সব কোটি কোটি পরিকল্পনার মতন এইটাও হয়নাই। তবে সময় ফুরায় নাই, আমরা নিশ্চয়ই করুম জয় একদিন!

৩২

আরাফাত শান্ত's picture


দুঃখের দিনের হবে অবসান
শত যন্ত্রনাও শেষ হবে একদিন
সেই দিন যেনো দ্রুত আসে
তারই প্রার্থনা করি রাত্রি দিন!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.