একি উৎকন্ঠা নাকি নখরামি?...
আমি নাকি রঙে আছি! কানাঘুষা শুনলাম বসন্তকালে আমার গায়ে রঙ লেগেছে! শুনেছি যাহা রটে তা কিছু হলেও ঘটে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে একদম ঠিক মিলে গেলো গুজবটা! এধার ওধার করে গা বাচিঁয়ে যতই পথ চলতে চাই রঙ লেগেই যাচ্ছে বারবার, লাগাতার। হাপিয়ে উঠেছি রঙে রাঙিয়ে উঠতে উঠতে! গত একসপ্তাহ যাবত এথেকে মুক্তি চাইছি, কিন্তু সেই পাকা রঙ ঘষে তুলতে গিয়ে জীবন জেরবার, তারপিন/কেরোসিনের গন্ধে গায়ের অবস্হা অথৈবচ। জ্বি, দেয়ালের রঙের কথাই বলছি। বাড়িতে চলছে ঝাড়মোছ, একের পর এক ঘরের রঙ করানো, আসবাবপত্রের টানাহ্যাচঁরার ঝামেলা, টুকিটাকি হারানো জিনিষ খুজেঁ পাওয়ার মজা,। সাধারনত ঘরদোর রঙ করানো শুরু হলেই আশপড়শীর কানাকানি বাড়িতে কি বিয়ে লাগল নাকি? কথায় কথায় বাড়ে কথা, একান ওকান হতে হতে আত্নীয় এমনকি বন্ধুমহল থেকেও কথা আসে "বিয়েটা তবে লেগেই গেল", অনেকেতো কয়েক কাঠি বাড়া - "হুম, বিয়ে করলি জানালিও না!!"। কিন্তু আমার বাপজানকে যারা মোটামুটি চিনেন, তারা জানেন ঘরদোর রঙ করানো টাইপ বিয়ের ফলস এ্যালার্ম উনি হরহামেশাই দিয়ে থাকেন! কিন্তু এবার কি করে যেন ঝড়ে বক মারা পড়ল। আব্বাও রঙের কাজ ধরলেন আর হুট করেই ঠিক হয়ে গেল বিয়ে!.... (জানি এদ্দূর পড়েই জয়িতা দিবো চিল্লানি, " কইছিলাম না?..আমি জানতামই এটা" ... বন্ধু রয়েসয়ে, আরেকটু পড়েন... )
যদিও বেশকিছু সময় ধরেই ভাই জোরেশোরে এমবিএ(মা বউ আনো) বিবিএ(বাবা বউ আনো) ভাব দিতেছিল, এমনকি "মন বসে না পড়ার টেবিলে থুক্কু ঘরে" টাইপ উদাসভাব দেয়াও শেষের পথে সাথে আম্মা-আব্বাও এদিক ওদিক সন্ধানে ছিলেন ‘বউ’য়ের, কিন্তু ভাইয়ের লাগছিল খোজঁ করার মাঝে কেন জেহাদী জোশটা নাই! পিঠাপিঠি ভাই তাই সব মনের কথার আলোচনা/সমালোচনা (দূর্জনেরা যদিও বলে কুকুর-বেড়াল টাইপ ঝগড়া/মারামারি) আরামছে চলে আমাদের। আগের ভাইগুলো অনেক বড়ো হওয়ায় ওসব তেমন আচঁ করতে পারিনি। তবু দেখেছিলাম বিয়ে ঠিক হবার সাথেই তাদের কি গরমাগরমি কথা বার্তা, “এখনি কেমনে বিয়ে করি, অফিসের ঝামেলা, বড়ো জলদি হয়ে যাচ্ছে বিয়েটা” ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন অবাক হয়েছিলাম যে, বিয়ে ঠিক হলো এতো হুজ্জত করে তখন কিছু না বলে এখন বিয়েতে মানা করছে, একি নখরামি?! শেষে দেখেছিলাম মা-খালারা অনেক বুঝিয়ে বিয়েতে রাজি করিয়েছেন, যদিও সেই বুঝানোর পালা ছিল মাত্র একবিকেলের আড্ডা! যেন ভাবটা এমন “মা-খালারা জোর করলো বলেই করলাম বিয়ে, নইলে কার এতো ঠেকা বিয়ে করার”!
যাক যা বলছিলাম, হুট করেই বিয়ে ঠিক হলো, মোটামুটি কথা চলছিল তবে তেমন গা করে নয়। একআত্নীয় এসে আব্বাকে কি ফুস মন্ত্র দিলেন, আব্বাও রাজী (ওই আত্নীয়ের সাথে এটা আব্বার দ্বিতীয়বার জানাশোনা! প্রথমবার নাকি সেই আব্বা-আম্মার বিয়ের সময়, ওই লতায়পাতায় মামা নাকি আব্বার বিয়ের দিন ষ্টেশনে অপেক্ষারত অবস্থায় সাথে নিয়ে যাওয়া মিষ্টির টিনগুলো ফুটা করে দিয়েছিল উনার ভাইয়ের সাথে আম্মার বিয়ে না দেয়ার কারনে, পুরো বরযাত্রীরা নাকি রসে টইটুম্বুর হয়ে পৌছেছিল!!) যেই না ভাইকে জানালাম “তোর বিয়েতো ঠিক করে ফেলা হচ্ছে, তোর কি মত?” সিনসিনারি দেখি সেই দশবছর আগের মতোনই! নখরামিও একই টাইপ! তবে ওরে বুঝানো একটু ঝামেলা হইলো, বোনেরা বুঝানি শেষ করে, তারপর ভাবীদের দিয়ে শুরু করালাম। শেষে দেখি বলে, “আচ্ছা তাহলে আমার কোরবানিতে সবাই সামিল হইলেন আপনারা, যান আপনাদের সোয়াব কামানির সুযোগ দিলাম”!!
জানতে চাইছি, ছেলেরা বিয়ের জন্যে এত উতালা হবার পরও যখনি বিয়ে ঠিক করা হয় তখন কেন এমন “বিয়ে না করার” তাল তোলে? কি উৎকন্ঠা কাজ করে এখানে, নাকি শুধুই নখরামি, যেন একবারে হ্যাঁ করে ফেললে কি না কি ভাববে লোকে?





এখন তোমারটা কবে সেইটা কও দিকিন
এখানে আমি আসলাম কেম্নে??...
প্রশ্ন করলাম উত্তর দেন না কেন?... নখরামি কেন করছিলেন?... কতোক্ষন যাবত করছিলেন?
তুমিতো আগেরথিক্কাই আছ

নখরাম কৈর না
তারাতারি উত্তর দেও
ঐ পাতে দৈ দাও । আমরা বুঝি ।
....চর্রম...
এতো দেখি সমঝদার পাব্লিক!! তা কতবার বলছেন পাতে দই দেওনের কথা?...
..আম্রা দেইখা শিখি..
আবার জিগায়, অবশ্যি নখরামি
...মানে, পোলাদের দোষ ধরলেন, নাকি ভাইদের ধরলেন(ভাই ছাড়া কারো উদাহরন তো পাইলাম্না...)...তাই তো বুঝলাম্না....
যাই হোক, আমি এই এলাকার না
তুমি কোন এলাকার না?
মানে আমি বিয়া কৈরাও ফেলিনাই, ঠিকও হয়নাই...নখরামির ও সুযোগ হয়নাই...
মাসুম ভাই এর মতন সহৃদয় কোন ব্যাক্তি কি নাই অথবা মাসুম ভাই নিজেই কি প্রতুর বিবাহের মতন আরেকটা বিলাই এর বিবাহ প্রজেক্ট হাতে নিতে পারে না; বিলাই একটু নখরামি করতে চায়
হাহাহাহাহা
সে একটা সময় ছিল
ওইসব সিরিজ দিয়ে একটা ই-বুক বের করা যায়
পূর্বসূরীদের ঋন বইলা একটা কথা আছে টুটুল ভাই সেইভাবে দেখলে বিলাইর বিয়ার দায়িত্ব নিয়া ঋণমুক্ত হওয়া আপনার নৈতিক দায়িত্ব
আম্রা না হয় বেশরম বেলাজ

শাওন আসলে কতটা নিতে পারবে? পরে শরম পাইয়া ব্লগ ছাড়বে নাতো?
শাওনরে যেইরম লাজুক দেখলাম
...আহা, লাজুক কৈয়া ফ্লোডাই সরাইয়া দিলো, নাইলে, ভালোইতো লাগতাছিলো...
পিলিজ লাগে শাওন, মাসুমভাইয়ের সাথে যুগাযুগ করেন... উনি উৎসাহী আছেন...
তাইলে মাসুম্ভাইরে রিকুশ করি
খাইছে, আমি তাই কৈলাম কখন? এইভাবে ফাঁসায় নারে কঁাকন...
ঐ পাতে দৈ দে -- এর তাও অন্য কোন মানে করা যায় কিন্তু আমার পাতে দৈ নাই এর একটাই মানে
আমার একখান অব্জারবেশন আছিলো!
কোশ্চেনও কইতারেন!
পুলারা নখরামি করে; ঠিকাছে..কিন্তু, যেই মাইয়া প্রেম কইরা বিয়া করে, হেইও দেখি বাপের বাড়ি থেইকা বিদায়কালে আকাশ-বাতাস কাঁপাইয়া কান্দাকাটি করে; এইটার নাম কী?
হুহ, কান্নাকাটি না করলে আবারতো বলবেন মেয়ে পাত্থর দিল, নইলে মা-বাপের বাড়িতে আদর পাইতো না তেমন...
ওটা নখরামি না, ওরে বলে আল্লাদি...
এইটারে নখরামি আল্লাদি বলতে নারাজ; যতই পছন্দের জন হোক আর যাই হোক বিয়ে মানেই তো অন্য একটা পরিবারের হয়েযাওয়া, আজন্ম বড় হওয়া সেইসব ছোট-বড় ভালোলাগা মন্দলাগা সব পেছনে ফেলে যাওয়া;
বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়াটাও সবার কাঙ্খিত কিন্তু সেই জন্য দেশ ছাড়ার সময়োতো চোখ ভিজে ওঠে, সেটাকে কি আর নখরামি আল্লাদি বলা যায়
এই মহিলা দেখি, সিরিয়াস্ হয়ে গেল!
কাকনঁ কিন্তু ভালো বলছে...
টুটুল, পোষ্টগুলা আমি অফলাইনে পড়ছি। অনলাইন পড়তে শরম পাইছিরে ভাই!!
জেবীন, আমি লক্ষী মেয়ে। চিল্লাই না। তবে বান্ধবী নিজের কথা কিন্তু কইলা না।
আমিও আপনার মতন শর্মিলা ব্লগার জয়িতাপু
মাসুম ভাই যা লেখছিলো তা অনলাইনে পড়ার সাহস হয় নাই। তাই চুপিচুপি পড়ছি যাতে কেউ টের না পায়।কি শরমের কথা লেখে লোকজন!কোমল মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।
হ; ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করে
আমার মতো মাসুমরে নিয়া এত কথা কেন? কেউ কইতে পারবো না আমি একটাও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করি।
না ব্লগ দেখি ছাইড়া দিতে হইবো। আমি খেলুম না আর।
ক্ষুদাপেজ
"আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ফেরত আসলাম" -----
পড়ছে তো সবাই ঠিকই। আর দোষ হইছে খালি লেখার?
আপনি দেখছেন যে পড়ছি?কইছি দেইখা নাইলে কেম্নে জানতেন যে পড়ছি? আমি ত দুধভাত।যা লেখেন পড়বই, আপনের লেখার পাংখা বইলা কথা।যদিও আপনার ভাষায় আপনার লেখা পড়ে বুঝার মত, সেটা বিশ্লেশন করার মত সমঝদার হই নাই।
তবু কই যা লেখছেন দুই একটা নমুনা দেন লোকজন বলুক অশ্লীল কি না।
কে তোমারে অবুঝ কয়? খালি নামডা কও
আমি যে টাইমে নতুন ছিলাম পোষ্টগুলা পড়ার পর কমেন্ট দিয়া দিসিলাম না বুইঝা!... পরে পড়াতাম... অবশ্যই কমেন্ট না দিয়া...
চামে চামে দেখা সবাই পড়ছে। ভালু ভালু
বিয়ার সময় মনে হইছিল...হায়রে! এইডা তো ওয়ান ওয়ে টিকেট.... যদি কইন্যারে মনে না ধরে বা কইন্যার যদি আমারে মনে না ধরে। জীবনে এক আধটা প্রেমও করলাম না ডাইরেক্ট বিয়া করনটা কি ঠিক হইব! ...ইত্যাদি ইত্যাদি...
এতোক্ষনে একটা জবাব পাওয়া গেলো, নির্দোষ একটা প্রশ্নের জবাব দিতেও তেনারা কত্তো নখরামি করতাছে!!
এইটা সরল বিবাহনীতি, মার্কেট প্রাইস নিয়ে যাতে কোন সন্দেহ না থাকে। এক কথায় রাজী হয়ে গেলে জীবনে আছে কি। আপনার ভ্রাতাকে জাঝা.........
মার্কেট প্রাইস তাই বলে নিজেই বাড়াইতে থাকবে সব ঠিক হয়ে যাবার পর??!!
আগেই কড়া করে বলে দেও, বিয়ে করবা না...
আহারে...........দিল্লীকা লাড্ডু...........এখনো কাহয়ার সৌভাগ্য হইলো না! বাপ-মা' কেউ জিগায়ও না! কারো মাথা ব্যাথাও নাই!
মনটা উদাস হইয়া গেল
মানু বালিশ সুন্দরী নিয়া থাকলে উদাস না হইয়া উপায় কি?
বালিশ নিয়া কি আর থাকি সাধে? কে বুঝিবে অন্তরজ্বালা
মানু@ভাই কাহিনী দেয়ার সময় তোমারে ক্যান জানি বেশি মনে পড়ছে, লাগছিল যে মানু'ও কি বিয়ের টাইমে এমনি করবে?? ...
কি আর করবা?ছ্যাঁকা খাইতে খাইতে থুক্কু নৌকা ভাসাইতে ভাসাইতে তীরের দেখা পাইবা একদিন।কাইন্দ না।বালিশ সুন্দরী ত আছেই।
এইটা হইলো জেবীনের 'এমবিএ' (মা বিলাই আনো) আর 'বিবিএ' (বাবা বিলাই আনো) পোস্ট।
আমরা আরো বুঝলাম জেবীনের এখন "মন বসে না পড়ার টেবিলে থুক্কু ঘরে" টাইপ অবস্থা।
এবিতে একটা কমিটি করা হউক। মাসুম্ভাইয়ের নেতৃত্বে সেই কমিটি আঙ্কেলান্টিরে বুঝাক যে জেবীনের বিয়ার বয়স হইছে, এইটা তাদের বিবেচনা করা অবশ্য উচিত।
যদিও আমরা জানি জেবীন একটু নখরামি করবো... “এখনি কেমনে বিয়ে করি, অফিসের ঝামেলা, বড়ো জলদি হয়ে
যাচ্ছে বিয়েটা” ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু তবু আমাদের একবিকেলের আড্ডা তখন দিতে হইবো। আর তখন জেবীন বলবে- “আচ্ছা তাহলে আমার
কোরবানিতে সবাই সামিল হইলেন আপনারা, যান আপনাদের সোয়াব কামানির সুযোগ
দিলাম”!!
আমি কবুল। মানে কমিটি করতে রাজী আছি। আর এইটাও আমার জানা আছে জেবীন আজকাল অ্যাভেইলেবল।
তার মনটাও উদাস থাকে, প্রায়ই ভুল ম্যাসেজ দেয়।
তাইলে ঘটক মাসুম্ভাই দায়িত্ব নিলো। আগামী ১৭ তারিখের আড্ডাতেই বিষয়ডা ফয়সালা হবে... নাকি বলেন সবাই?
নজুভাই ভালানা......আর যাই করেন মাসুমভাইরে দিয়া কমিটি বানানি থেকে আমারে মাফ দেন... উনি যে কই থাইকা কথা কই নিয়া যান... বড়োই খতরনাক হাল তৈরী হয়ে যায়
বাসায় রং ঢং করা হৈছে..জবীন চামে চিকনে সবাইরে জানাইলো যেহেতু তাইলে ত মুরুব্বদীদের একটু তঃপর হওন দরকার। নজরূর ভাইয়ের প্রস্তাবটা খুবই ভালো।মাসুম ভাই নিম্চয়ই জেবীনের পছন্দ বুঝবেন!!!সমথর্ন করলাম। কতদিন বিযা খাই না।
কি কও এইটা জেবীন?
তুমি দেখি প্রতিদিন ম্যাসেঞ্জারে কও পাত্র দেখার জন্য। আর এই খানে আইসা এইটা কি কইলা??
প্রায়ই দেয়া ভুল ম্যাসেজগুলা আপ্নের কাছেই গিয়া পড়ে ক্যান!!!
একটা কথা মাসুম ভাই নিজেই খুশিতে কবুল বলে ফেলছে। আল্লায় জানে কি থেকে কি হৈব।অতি উঃসাহী নাকি এক্সাইটেড বুঝলাম না।
বেটি ঠিক মতোন পইরা দেখো!!... কইছে কবুল মানে কমিটি করতে রাজী আছে, আর পড়ছ কিনা...
কইব "ক" বুঝবা কলাবাগানে কানমলা খাইছে!! 
বান্ধবী ক্ষেপলা কেন?প্রথমে কইছে কবুল। পরে কইছে মানে কমিটি বানাইতে রাজী। বেটি খেয়াল কইরা পড়।এটা দুষের কিছু কইছি?
ডরে আছি মাসুমভাই যেন সিরিয়াস না হইয়া যায়...
ঢোলের বাড়ি দিও না নাচুনিবুরা রে...
কি বিষয়ে সিরিয়াস হওয়ার কথা কইতাছ?
হ... আমরা বুঝছি যে আপনে আরেকবার সাধিলেই খাইবেন
সিরিয়াস মানে? কমিটি তো গঠন হইয়াই গেছে। নজরুল, রায়হান ভাই, মেসবাহ ভাই, টুটুল তো আছেই। জয়িরেও অবজারভার রাখা যাইতে পারে।
আমাকে কি আবার অফলাইন থাকতে হইব?যা হয় হোক চোখ কান বন্ধ কইরা অনলাইন থাকমু। তবে একটা ঝামেলা হইব। রায়হান ভাই , মেসবাহ একসাথে?ঝগড়া ছাড়া অন্যকিছু কি হইব?
আরে, আমি কি বলছি নাকি দিল্লীর লাড্ডু খাইতে চাই না,আর আমারে সাধাসাধির কিছুই নাই, যেটা আমার, তাই অন্যে সাইধা কষ্ট কেন করবে ...
কিন্তু এই নিয়া কমিটি হওন নিয়া ডরে আছি, টুটুল্ভাইয়ের জন্যে যে উপকার মাসুম্ভাই করছেন তার ঋন শুধানো সম্ভব না, আমি অমন ঋন করতে চাই না...
তুমি দেখি তোমার ভাইদের স্বভাব পাইছো। বিয়ার ব্যাপারে কেউ কেউ যে না না করে সেটা তো আমরা জানি। আর আমাদেরও তো দায়িত্ব বইলা একটা কথা আছে।
একটা দায়িত্বে অবহেলা করেন, কি আছে দুনিয়ায়... এতো কিছু করলে কি চলে নাকি... বাদ দেন
বহু অবহেলা করছি। আর না। আমি এখন ভাল হইয়া দেছি। দায়িত্ব দেখলেই ঝাপাইয়া পড়ি।
একটা কথা কইতে চাইছিলাম।মানে ঝাপাঝাপি করতে দিব ত মডুরা?
ছিঃ অশ্লীষ........
আমিও কবুল মানে জেব্রীলের বিয়ার দাওয়াত কবুল করলাম
দুজন কবুল পাওয়া গেলো।বাহ বাহ।ফাল্গুন মাস।
ছিৎভালো কথা কইলেও রোকটা অশ্লীল চিন্তা করে। আল্লাহ হেদায়েত করুক।
আইচ্ছা ঔটা তাইলে ভাল কথা ছিল?
সবসময় ভালো কথা কই।অশ্লীল কথা কইলে গুনাহ হয়।
হপায় নারী দিবসটা গেল আর এর মধ্যেই নারীগো ঝগড়া শুরু হইয়া গেল?!!!
ঝগড়া নাতো!বাতচিত। বুঝেন না কেন? দুই সখীর কথোপকথন।
বকলম@ কেম্নে এত্তো খাপে খাপ নাম কপালে জুটাইছেন!!
কথায় মাইন্ড করলে শাইন করবেন না কইলাম...
মাইন্ড করি নাই, বকলম মানুষতো, এত বুদ্ধিসুদ্ধি নাই। হায়! ইশ্ আপনাগো মতোন পরতিভা যদি থাকত!
(
যাক্ এতদিনে নামকরণ সার্থক হইছে।
হুম, জেবিনাফু বিয়ে করলেন অথচ জানালেনও না!

চামে চিকনে আম্মো এক্টু কয়া যাই
ইয়ে... মানে... কেম্মে যে কৈ...
আম্মি হুজুর গত দুই বছর্ধৈরা কৈতেছে আগামী দুই বছরের্ভিত্রে তোরে বিয়া দিতাছি কহাড়া। অহন্তরি দুইবছর্পার হৈনাই
...
...
...
...আম্মুরে কবা, আম্মু, তুমরা ১ টা বছর অপেক্ষা করো, আমি ৪ টা বছরের মাঝে বিয়া কৈরা ফেলবো...
ভদ্র লোকের এককথা একবার ২ বছর কইছে তো প্রতিদিনই দুই বছর
ঠিক ভদ্রলোকের এককথা, ২বছর পালটানো মোটেই উচিত না...
ঘরে চুনকাম কর্ছেন নি?
জেবীনাপা, তারিখ কি ঠিক হয়ে গেছে? আমার দৈ রাখবেন কিন্তু।
লিটনের বিয়া। লিটন তোমার ভাইয়ের মত বলে আমার ইচ্ছা ছিলনা কিন্তু বাসার সবার
চাপাচাপিতে রাজী হইলাম। শুইনা আরেকজন বলে আপনে দৌড়াইয়া পলায় যাইতে পারলেন্না?
বিয়ে করাতে চাইলে বড় ভাইয়েরা সাধারণতঃ এমন বলে থাকে যে ছোটবোনের আগে সে বিয়ে করবে না (বৌয়ের জন্য ননদমুক্ত গৃহ নিশ্চিত করতে চায় আরকি)। জেবীনের জন্য সমবেদনা
তাই নাকি, আরও তো ভা্বতাম বোনেদের জন্যে চিন্তায় অমন বলে থাকে ভাইয়েরা!!
বিয়ের অনুষ্ঠান কি মাইজদী হৈবো?
আমাদের সব কিছুতো ঢাকায়, তাই ওখানে হইবো না...
আমি ছুডু মানুষ তাই কিছু কইবার পারুম না ।
( কমেণ্ট পইড়া বিয়াপক মজা পাইছি এইটা সইত্য কথা )
কিন্তু ছুডু হইছি তো কি হইছে? আমারো শখ আল্লাদ আছে! বিয়া করার বিশাআআআল খায়েশ আছে!!!
( শ্যষ মুমেন্টে গিয়া নখরামি করলে না হয় জানান দিমু নে )
বড়ো হইতে হইতে নখরামি করনের নয়া টেকনিক ঠিক করে নিয়েন, আজীবন একই জিনিষ শুনতে ভাল্লাগে না...
পোস্টক ও পোস্টকের বান্ধবী দুইজনের পাতেই দৈ দেয়ার জোড়ালো আবেদন জানাই।
সিরিয়াস উত্তর-
বিয়ে নিয়ে শংকাটা কি শুধু নারীর? পুরুষেরও অনেক রকম সংশয়-ভীতি-সংকোচ-দ্বিধা থাকে। কত রকম দায়িত্ব-জটিলতা জড়িয়ে থাকে দামপত্য সম্পর্কে। এই নখরামি/উতকন্ঠার কারণ এসবই।
ডিসক্লঈমার: আমি বিয়ে করসি বুড়া বয়সে তারপর ভাইবোনডের মধ্যে ছোট - সেজন্য নখরামি দেখানোর সুযোগ পাইনাই।
এব্যাপার কি বোর্ড তুলো।
ঐটা নখরামি না, ঐটা হইল টেনশন... ফ্রীডম অব টেনশান... আই মীন টেনশন ফর ফ্রীডম ... এই তেল আনো, এই ডাইল আনো এইটা করতে করতে যে জীবন টা ডাইল হয়া যাইব সেইটা নিয়া টেনশান
...
রং লাগার কংগ্রাটস
হা হা হা হা

তয় বুঝতাম ফারতাছি না এইটা কোন টাইপ
হা হা হা হা

তয় বুঝতাম ফারতাছি না এইটা কোন টাইপ
আসলে পোলাগোও বিয়া কর্বার মুঞ্চায়, কিন্তু শরমে কৈবার পারে না তো হেল্লিগা নখরা করে আর কি
নাকি শুধুই নখরামি, যেন একবারে হ্যাঁ করে ফেললে কি না কি ভাববে লোকে?
আবার কি, বুঝো না?
হ, মাইয়ারা করলে কিছু না, পোলারা করলেই নখরামি। পুরুষদের প্রতি এরকম অবিচার সভ্যতার শুরু থেকেই চলে আসতেছে।
স্বাদে কি আর কয় "কৃষ্ঞ লরলে লীলাখেলা, আমরা করলে বিশৃংখলা"।
মন্তব্য করুন