শুদ্ধতম ৩ মিনিট
জীবনের শুদ্ধতম ৩টা মিনিট পার করলাম আজ বিকেলে। এখন নিজেকে পৃথীবির বিশুদ্ধতম মানুষদের একজন মনে হচ্ছে। আমি সেই হতভাগাদের একজন যারা আজ শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে যেতে পারিনি। কিন্তু তারপরও আজ এই প্রথম নিজেকে বিকেলের তিন মিনিটের জন্য হলেও নিষ্পাপ, বিশুদ্ধ মনে হচ্ছিল। জীবনের আঠারটি বসন্ত পার করে এখন উনিশতম বসন্ত পার করার প্রস্তুতি নিচ্ছি, কিন্তু নিজেকে কখনোই আজকের মত নিষ্পাপ, কলংকমুক্ত লাগেনি।
আজকের তিন মিনিট শুধুমাত্র বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দেওয়ার তিন মিনিটই নয়, এ তিন মিনিট বাংলাকে, বাঙালীকে বিশুদ্ধ করার তিন মিনিটও বটে। অনেকে হয়ত প্রশ্ন করবে কি হবে তিন মিনিট নিরব থেকে? সাহিত্যিক, লেখক ইমদাদুল হক মিলনের সাথে গলা মিলিয়ে তাদেরকে বলতে চাই-" এগুলো করে কি হবে জানিনা কিন্তু এগুলো না করলে যে কিছুই হবে না তা যানি।" তাই কি হবে না হবে তার হিসেব না কষে আমিও দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম পুরো বাংলাকে স্তব্ধ আর বিশুদ্ধ করতে চাওয়া মানুষগুলোর একজন হয়ে।
তিন মিনিট শেষ হওয়ার পর আমি আমার উত্তর পেয়ে গেলাম! হবে, অনেক কিছুই হবে আমাদের দিয়ে। আমাদের দিয়েই দেশটা জজ্ঞালমুক্ত হয়ে শুদ্ধ হবে। আর সেই শুদ্ধিকরণের পর্বটা শুরু হয়ে গেল আজকের তিন মিনিটের মধ্য দিয়ে। কি নামে অভিহিত করব এই তিন মিনিটকে বুঝতেই পারছি না। তবে যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন শুদ্ধিকরণের পর্ব কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। তাই জজ্ঞালদের ভক্তদের বল্ছি এখনো কিছুটা সময় আছে শুদ্ধ হওয়ার। তাই সময় থাকতে বেরিয়ে এসো এসব জজ্ঞালের স্তূপ থেকে। নাহলে একদিন দেখবে কখন যে নিজের অজান্তেই ঐসব আবর্জনার স্তূপের নিচে পড়ে মরে আছ টেরই পাবে না। জজ্ঞালভক্তদের আবারো হুঁশিয়ার করছি সময় কিন্তু বেশি নেই।
সর্বশেষ কথা শুধু এটুকুই বলব আজকের তিন মিনিটের চেতনায় আবারো জ্বলে উঠুক বাংালি, সাথে সারা বাংলা। জয় বাংলা.…





@মডারেটর, দুঃখিত। এরপর থেকে ব্লগের নীতিমালা কঠরভাবে মেনে চলব।
মন্তব্য করুন