যে সাধ অপূর্ণ থাকেনি
"যেদিন সব কিছু পিছনে ফেলে
জীবনের সীমারেখা অতিক্রম করে যাব
সেদিন যেন কেউ কেউ
কাধেঁ করে আমাকে এখানেই রেখে যায় ।
সুলতা, তুমি কেঁদোনা -
তোমার চোখের পানিতে
আমার চলার নতুন পথ
ঝাঁপসা হয়ে যেতে পারে -
শুধু আমার সঙ্গী হিসেবে রেখে যেয়ো
একটি ছাতিম আর একটি শিউলির চারা ।
দেখো -
সকলের কাছাকাছি হয়েও
তবু যেন একটু দূরত্ব থাকে ;
সারা জীবন সবাইকে
দুঃশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তার আবর্তে
বারবার শঙ্কিত এবং বিপদগ্রস্থ করে তুলেছি -
চিরশান্তির নিস্তব্ধতার মাঝে
যেন আর কোন ঢেউ তুলতে না পারি
যেন কারো চিরকালীন ঘুমের ব্যাঘাতের
কারণ না হয়ে উঠি -
তার জন্যই এই সতর্ক দূরত্ব ।"
--চলো বেড়িয়ে আসি, শুজা আহমাদ
আমার কথা ঃ শুজা আহমাদের প্রকাশিত একমাত্র বই 'চলো বেড়িয়ে আসি'তে তার আর সব ইচ্ছা-আকাঙ্খা পূরণ হোক আর না হোক গত ২৮ জানুয়ারি তার এ ইচ্ছাটা পূর্ণ হয়েছে ।





...........................
কবিতা বুঝিনা, তবে
'একটি ছাতিম আর একটি শিউলির চারা' লাইনটা বেশ লাগলো।
আপনাকে স্বাগতম জানাই। আমার বন্ধুতে আপনার মত বন্ধু আমাদের দরকার আছে। লিখুন হাত খুলে। তবে বাংলা টাইপিং কি করে করছেন, জানতে ইচ্ছে হচ্ছে! আপনার মঙ্গল কামনা করি।
১৯৮৩ সালের জুন মাসে ভূতের কিল খেয়ে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান - কথাটায় ভুতের কিল টা যদি বুঝিয়ে বলতেন।
বন্ধু সাহাদাত উদরাজী, আপনি যেভাবে করছেন, মনে হয় আমিও সেভাবেই বাংলা টাইপিং করছি । পুত্র দেখিয়ে দিয়েছে কি করলে কি হয়, আমি তাই করতে থাকি - হয়ে যায় কাজ ।
"সুখে থাকলে ভূতে কিলায়" । সরকারি কলেজে সুখের সাথে মনের আনন্দে চাকরি করছিলাম । ভূতের পরামর্শে ১৯৮২ তে প্রশাসন ক্যাডারে ঢুকবার আবেদন করতে হয়েছিল । কিলাতেই থাকলো সে । পিএসসি'র মনোনয়ন পেলাম । ভূতের কিলে অতিষ্ট হয়ে শেষে ১৯৮৩র জুনে পেশা বদল করতেই হল । বাধ্য হয়ে বয়সের বাধা না আসা পর্যন্ত তা করতেও হল । আগের পেশায় থাকলে যতখানি এগুতাম এখানে তার ধারেকাছেও যেতে পারলাম না। এটি ঈশপের গল্প হলে শেষ হত যে বাক্য দিয়ে তা হল, " কদাপি মধ্য বয়সে পেশা বদল করিও না" ।
মন্তব্য করুন