বিস্মৃত স্মৃতি
সেই কবেকার কথা । কিন্তু কিছুতেই তা ভুলতে পারা যায়না । আর কিই বা এমন বিষয়! ব্যাপারটাতো মাত্র চারআনার (পচিঁশ পয়সা) । কত টাকা, কত শতটাকা, এমনকি কত হাজারটাকা চলে গেছে কত ভাবে! সেসব নিয়ে কখনও-সখনও একটু দুঃখবোধ জাগলেও ঐ চারআনার কথা কোনমতেই ভুলতে পারেননা জামিল আহমেদ ।
এই তো মাত্র কিছুদিন আগে পোস্টঅফিস সঞ্চয় ব্যাংক মেয়াদী হিসাব থেকে তিনি টাকা তুলতে গেলেন । প্রাপ্ত লভ্যাংশের উপর আয়কর বাবদ ১০% হারে অতিরিক্ত ১৮ হাজার টাকা সেখানে কেটে রাখা হলো । আর মাত্র মাসখানেক পরে তুললে তাকে এ ক্ষতির মধ্যে পড়তে হতো না । অতিরিক্ত কর্তনের বিষয়টি সম্পর্কে জানবার পরে পোস্টঅফিসের কর্মকর্তাদের নিকট টাকা ফেরতের আবেদন জানালেন তিনি । সেখানে তাকে জানানো হলো যে, সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী অতিরিক্ত কর্তিত টাকা এনবিআর থেকে পরবর্তী বছরের আয়করের সাথে সমন্বয় করা হবে । জামিল আহমেদ এখন আর কোন আয়করের আওতাভূক্ত নন । আয়ই নাই, তার আবার আয়কর, তার আবার সমন্বয়!
এরও কিছুদিন পরে তিনি গেলেন পেনশনার সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ তুলতে । এবারে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক কেটে রেখে দিল সাত হাজার টাকা । অথচ কদিন আগে বা পরে তুললে এ সাতহাজার টাকা নিজের ঘরে আসতো । এসব টাকা ফেরত পাবার আইন আছে, কিন্তু ফেরত পেতে হলে যে সব পন্থা অবলম্বন করতে হয়, যত ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হয় বা যত দৌঁড়ঝাপ করতে হয়, তা করবার মত ধৈর্য ও শক্তি এখন আর জামিল আহমেদের নাই ।
‘কালকেই ফেরত দেব’ বা ‘মাত্র এক সপ্তাহের জন্য’ এমন কথা বলে পরিচিত বা স্বল্প পরিচিত কতজন কতবার যে টাকা (কেউ কম, কেউবা উল্লেখযোগ্য) নিয়েছে । তাদের কেউই সময় মত ফেরত দেয়নি, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তা অদ্যাবধি অপরিশোধিত রয়ে গেছে । সাধারনত অভাবগ্রস্থরাই, যাদের পরিশোধ করবার সঙ্গতি নাই, তারাই ঋণ নেয়, এ কথা জানা থাকায় এসব নিয়ে জামিল আহমেদের অতটা মাথাব্যথাও নাই ।
কিন্তু সেই যে চার আনা, যে চার আনা তার সদ্য পরিচিত ক্লাশমেট সিগারেটের মূল্য পরিশোধের জন্য নিয়েছিলেন! সেই অমূল্য চার আনা ফেরত না পাবার দুঃখ কিছুতেই ভুলতে পারেননা জামিল আহমেদ । তিনি নিজেও ঠিক বুঝে উঠতে পারেননা কেন সেই চার আনা পয়সা তার কাছে এখনও এত মূল্যবান ।
ইউনিভার্সিটিতে (তখনও ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ শব্দটি তেমন চালু হয়নি) ভর্তি হবার কিছুদিন পরে শিক্ষা সফর । প্রায় চল্লিশজন ছেলেমেয়ে নিয়ে তিনজন শিক্ষক ঢাকা থেকে রওনা হলেন রাতের ট্রেনে । ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম – সেখান থেকে বাসযোগে কক্সবাজার । তখন কক্সবাজারে সাগরপাড়ে মোটেল ছাড়া আর কিছু ছিল কিনা তা এখন আর জামিল আহমেদ মনে করতে পারেন না । তবে এখনকার মত সাজানো দোকানপাট, ছিনতাই, হকার, এতবেশী হৈহল্লা যে ছিলনা সেটা তার মনে আছে । মোটেলে নিজেদের রান্নাবান্না নিজেরা করবার ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু কক্সবাজার পৌঁছাতেই দুপুর হয়ে যাওয়ায় সে দুপুরে তারা খেয়েছিলেন রাস্তার ধারের সস্তা হোটেলে – আর সেবারই জামিল সাহেবের প্রথমবারের মত রূপচাঁদা মাছ খাওয়া । আতপ চাউলের ভাত আর প্রচুর মসলাসমৃদ্ধ তরকারি, বিশেষ করে ঝালের আধিক্যে তার কাছে খাওয়াটা মোটেই উপাদেয় মনে হয়নি ।
ক্লাশমেটরা প্রায় সকলেই সদ্য পরিচিত । দু’একজনের সাথে ঘনিষ্ঠতা সবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে । মেয়েদের সাথে তো বটেই, ছেলেরাও অধিকাংশই ‘আপনি’র বেড়া ডিঙাতে পারেনি । একই কলেজ বা একই অঞ্চল থেকে আসা ছেলেদের অনেকেই পূর্ব পরিচিত । একই কলেজ থেকে আসা নিজামুদ্দিন খান জামিল আহমেদের সাথে ভর্তি হলেও তার সাথে কোন এক অজ্ঞাত কারণে তেমন ঘনিষ্ঠতা দানা বাঁধতে পারেনি ।
সেদিন দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা অবধি সাগর জলে হাবুডুবু, হৈহল্লা করে কেটে গেল । স্যার-ম্যাডামদের তত্বাবধানে কিছু কিছু প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করা হলো – অপরিচিত কিছু প্রাণীর সাথে দেখাও হয়ে গেল । রাতে নিজেদের আয়োজনের রান্না, ঢাকা থেকে নিয়ে যাওয়া যার যার প্লেট-গ্লাসে খাওয়া । খাওয়া-দাওয়া শেষে জামিল আহমেদের ইচ্ছা হলো ধূমপানের । জামিল আহমেদ প্যাকেট ভরা সিগারেট কেনেননা, একটা কিনে একটা টানেন । ধারে-কাছে কোন দোকানও দেখা যাচ্ছেনা । এখন উপায়? নতুন জায়গা । রাত-বিরেতে অচেনা জায়গায় একা যেতেও ভয়, কোথায় না কোথায় হারিয়ে যান, না কি কোন্ বিপদে পড়েন তা কে জানে! সঙ্গী জুটতে অবশ্য দেরী হলোনা । এমনই অবস্থার শিকার আরও একজনকে পাওয়া গেল । সেই একজন নাসের রহমান – যেমন বাকপটু, তেমনই করিৎকর্মা । নাসের রহমান আর জামিল আহমেদ এখনও ‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’তে আসতে পারেননি ।
জামিল আর নাসের অচিরেই পরস্পরের খুব কাছে চলে আসেন, তারা ‘আপনি’ ত্যাগ করে ‘তুমি হয়ে ওঠেন । একজন আরেকজনকে একদিন না দেখলে অস্থির হয়ে ওঠেন তারা । যাকগে, এসব পরের কথা, এখানে তেমন প্রাসঙ্গিকও নয় ।
সেদিনের কথা বলি । জামিল আহমেদ আর নাসের রহমান চললেন সিগারেটের দোকানের খোঁজে, সাথে আরও দু’জন জুটলো । একটু এগিয়ে যেতেই মোটেলের পিছনে দেখা গেল টিমটিমে আলো – কাছে যেতেই সে আলো তাদের আলোর সন্ধান দিল । সেটা ছিল একটা টং দোকানের আলো । সেখানে মিলল সিগারেট । জামিল আহমেদ একটা ক্যাপস্টান নিয়ে ১০ পয়সা মূল্য পরিশোধ করলেন । নাসের রহমান নিলেন এক প্যাকেট কিংস্টর্ক. যার দাম চার আনা (পঁচিশ পয়সা)। নাসের রহমান পকেট হাতড়ে কোন টাকা-পয়সা না পেয়ে জামিল আহমেদকে বললেন “আমাকে চার আনা ধার দেন, ঘরে যেয়েই দিয়ে দেব” । না দেবার প্রশ্নই ওঠেনা । নাসের রহমান অবশ্য সেদিন ঘরে ফিরে সে চার আনা ফেরত দেননি, মনে থাকলেও জামিল আহমেদও আর চান নি তার কাছে ।
এরপর, আগেই বলেছি, তারা দু’জন হয়ে উঠেছিলেন হরিহর আত্মা । দু’জনের জন্য দু’জনই কতবার যে পকেট খালি করেছেন সে হিসাব তাদের কেউই রাখেননি । উভয়ের জন্য উভয়েরই বহু ত্যাগ স্বীকারের কাহিনী বন্ধুদের বহুল আলোচিত বিষয় ছিল । জামিল আহমেদ হাস্যপরিহাস করে বহুবার সেই চার আনার কথা নাসের রহমানকে বলেছেন, ধার শোধ করার তাগিদ দিয়েছেন বারবার । নাসেরও দেননি, জামিলেরও সেটা না পাবার কারণে কোন দিন কোন আক্ষেপ সৃষ্টি হয়েছে বলে কারো কাছে প্রকাশ করেননি ।
বাস্তবতার পীড়নে তাদের মধ্যে এখন আর তেমন যোগাযোগ সেই । ‘চারআনা’ তাদের বন্ধুত্বে কোনদিন কোন ফাঁটল সৃষ্টি করেনি । দেখা হয়না অনেকদিন, দেখা হলে হয়তো জামিল আহমেদ নাসের রহমানকে ঐ চারআনার কথা আবারও বলবেন, আর দু’বন্ধু মিলে তা নিয়ে হাসাহাসি করবেন । তবুও, জামিল আহমেদ ঐ চার আনার কথা এখনও ভুলতে পারেননি ।





আসলেই কত টাকা বেড়িয়ে যায় কিন্তু কিছু কিছু ঘটনার ব্যায় বা ধার মনে থাকে আজীবন
জামিল আহমেদ'দের সততার কোন মুল্য নাই। এ বিষয় নিয়ে আমিও লিখেছিলাম। আপনার লিখা পড়ে আবার মনে পড়ল।
সরকারের নীতিমালাঃ মানুষের সততা।
প্রতিটি বিষয়ে সরকারের কিছু নীতিমালা বা সিদান্ত থাকে। সে নীতিমালার আলোকে সরকার পরিচালিত হয়। আর নীতিমালা গুলো বানানো হয় সে দেশের মানুষ কে সামনে রেখে। অর্থাৎ মানুষের মঙ্গলের জন্য অথবা মানুষকে সুষ্ট ভাবে পরিচালিত করার জন্যই এসব নীতিমালার প্রযোজন। সরকার যখন একটি নীতিমালা বানান তখন তার পিছনে অনেক গবেষনা থাকে, কি লাভ, কি ক্ষতি হতে পারে তার সবই চুল চোরা বিশ্লষন থাকে। এত সব কিছু পাশ করে তবেই একটি নীতিমালা জনগনের সামনে আসে। মানুষ তা মানতে বাধ্য হয়। মানুষ তখন ওই নীতিমালার ভুল খুজে পায় না।
যে কোন নীতিমালা যখন সরকার বাস্তবায়ন করতে যায়, তখন তা জনগনকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং আমার মনে হয় এটাই সভ্য সমাজের রীতি।
যাক, মনের দুঃখে উপরের কথা গুলো বলছি। আপনারাও যে দেশের নাগরিক আমি সে দেশের। আমাদের দেশের সরকার যখন কোন বিষয়ের উপর একটা নীতিমালা বা সিধান্ত বানান, আমার মনে হয় না এর পিছনে থাকে কোন গবেষনা!
অনেক বিষয়ে এমন দেখেছি। আজ সকালের একটা সরকারী সিদান্ত বা নীতিমালা দেখে আমার কাছে এ বিষয়টা আরো পরিস্কার হলো। আমরা কোন নরকে আছি? আমাদের সরকার আছে কি? আমাদের সরকার কি আমাদের মত সাধারন মানুষের কথা ভাবেন? নানাবিধ। মনটা কস্টে ভরে যায়। হায় আমার প্রিয় দেশ!
কাজের কথায় আসি। আমার একটা কম টাকার 'তিন মাস মেয়াদী সঞ্ছয় পত্র' আছে। প্রতি তিন মাস পর পর আমি এর ইন্টারেস্ট তুলি এবং সংসার চালাই। আমি যা বেতন পাই তাতে আমার সংসার চলে না। জমানো এ টাকার ইন্টারেস্ট দিয়ে কোন মতে টিকে আছি। (আমি দুঃখিত - ইন্টারেস্ট নেয়ার জন্য, আমাদের ধর্মে এটা মনে হয় হারাম, তবু আমি অপরাগ, উপায় নাই গোলাম হোসেন অবস্থা) এ টাকা গুলো আমার অনেক কস্টে জমানো, সহজে হাত ছাড়া করতে ইচ্ছে হয় না। বুড়োকালের কথা ভেবে জমিয়ে রেখেছি। কে কাকে দেখবে! টাকা গুলো দিয়ে শেয়ার কিনবো কিনবো করেও সাহস হয় না। না জানি আবার আমও যায়, চালাও যায়।
আমি এ টাকার একান্ত নিরাপত্তার কথা ভেবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে 'তিন মাস মেয়াদী সঞ্ছয় পত্র' কিনেছি। আমার মত এমন হাজারো কস্টে থাকা মানুষ গুলো আমি দেখে আসছি আজ অনেক বছর। খুব একটা চোকষ চোহারার লোকের দেখা মিলা ভার। মাঝ বয়সি, রিটায়ার্ড় বৃধ ও মহিলাদের আনাগোনাই বেশী।
সঞ্ছয়পত্রটি জমা দিয়ে টোকেন নিয়ে বসে থাকেন ঘন্টার পর ঘন্টা। হাজারো (!) টেবিল ঘুরে ব্যাংক এর নিচ তলা থেকে নুতন টাকা নিয়ে ফিরে যান। আমার মনে হয় ও দিন ওনারা আর কোন কাজ করতে পারেন। আজ সকালে এ মুখ গুলোকে আমার কাছে আরো মলিন মনে হয়েছে। কারন বুঝতে পেরেছি আমি আমার টাকা হাতে পেয়ে। ইন্টারেস্ট থেকে ১০% টাকা কেটে রাখা হয়েছে!
হায় রে সরকার! হায় তার নীতিমালা! এ কেমন কথা, এ কোন রাজ্যে আমাদের বসবাস! আমি যে নীতিমালা দেখে আজ থেকে ১ বছর আগে তিন বছর মেয়াদী সঞ্ছয় পত্র কিনেছি তার নীতিমালা আজ উলটে গেল। আমি তিন বছর এ ভাবে পাব - এ দেখেই তো কিনেছিলাম। আমার চুক্তি তো এমনই ছিলো। মাঝ পথে সরকার এমন করবে, হবে জানলে আমি হয়ত কিনতাম না। আমার সংসার চালানোর টাকা আবার কমে গেল!
আজ সকালের মানুষ গুলোর চোহারা দেখে সত্যি খারাপ লাগলো। আমি নিজেও কস্ট পেলাম। এটা অন্যায়। যার সাথে যে চুক্তি সে মত দিয়ে দিন। যদি নুতন নীতিমালা কিংবা সিদান্ত থাকে তবে তা নুতন যারা কিনবে তাদের জন্য কার্য্যকরী করুন। এটাই সুন্দর এবং বাস্তব।
(নীতি নিধারকদের জানাতে চাই, আপনারা চিরকালের জন্য নয়!)
আমাদের নীতি নির্ধারকদের নিজেদেরই কোন নীতির বালাই নাই । ক্ষমতায় থাকলেও নাই, ক্ষমতায় না থাকলেও নাই । জনগণকে তারা শুধু কষ্টই দেয়না, নষ্টও করে । দেশে এই যে এত অরাজকতা, চুরি, ছিনতাই, রাহাজানী, এসিড সন্ত্রাস, ঈভ টিজিং, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজীতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ভেজাল দ্রব্যের ছড়াছড়ি সব কিছুর জন্য এই নীতি নির্ধারকরা কোন না কোন ভাবে দায়ী এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ।
ইন্টারেস্ট নেবার ব্যাপারে ধর্মীয় ব্যাখ্যাতাদের মধ্যেও দ্বিবিধ মতবাদ রয়েছে । আমরা যারা এর উপরে নির্ভর করে কোনরকমে জীবনকে চালিয়ে নিচ্ছি, তারা তাদের জন্য সুবিধাজনক ব্যাখ্যা গ্র্রহণ করলে মনে হয় কোন পাপ হবেনা । জীবন বাঁচানো ফরজ । (আর সুদখোরদের জন্য যে শাস্তি বরাদ্দ আছে, তা অতিশয় কঠোর হলেও মহিলা সুদখোরদের জন্য তা কিভাবে প্রযোজ্য তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়)।
যা হোক, সুদীর্ঘ মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
লাইক্কর্লাম।
মীর, আপনার পছন্দ হয়েছে তাতে নিজেকে ধন্য মনে করছি । ধন্যবাদ ।
ভাগ্যিস নাসের, "নাসরিন" নয়। তাহলে এটা ট্র্যাজিক উপন্যাসের গতিতে সমাপ্ত হতো।
আমার গতি খুবই কম । কচ্ছপের গতি আর খরগোসের ধৈর্য আমার নিত্যসঙ্গী । আর এ জন্য অনেক দুর্গতির মুকাবিলা করতে হয়েছে এবং এখনও করতে হয় ।
'নাসরিন'ও মাথায় আছে, কিন্তু তাকে বাইরে আনতে যে ধৈর্যের দরকার তা আমার নেই । দীর্ঘমেয়াদী কায়কারবারে আমার দুর্বলতা প্রবল ।
ভাল লাগল লেখাটা। আফসোস হল সেই সময়ের কক্সবাজার যদি ফিরে পেতাম!
ধন্যবাদ ।
আপনার স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট এবং উদরাজীর তিক্ত অভিজ্ঞতা, দুটোই ভালো লাগলো।সত্যি জীবন বড় জটিল হয়ে উঠছে দিন দিন...।
ধন্যবাদ । জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে ।
ভালো লাগলো লেখাটা। ইশশ খুব জানতে মন করছে, কেন জামিল ঐ পঁচিশ পয়সার কথা ভুলে যেতে পারেন না! আরো লেখুন ভাইটি। শুভেচ্ছা জানবেন।
জামিলেরও একই িজজ্ঞাসা, কেন তিনি ভুলতে পারেননা ঐ চার আনার কথা?
মন্তব্য করুন