সঙ্গীতের বাস্তব প্রয়োগ
শচীনদেব বর্মনের গান কেমন লাগে আপনার? তার “ডাকাতিয়া বাঁশী” শুনেছেন? গানটা আমি শুনেছি অনেকবার, কখনো অনেক ভাল লেগেছে, আবার কখনওবা তেমন একটা আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি । মনের খেয়াল, কখন কোনটা ভাল লাগবে তা মনই ভাল বলতে পারে । তা’ছাড়া, যে জিনিষটাকে আমরা যেখানে যেমনভাবে দেখতে অভ্যস্ত, অথবা ইচ্ছুক তেমনভাবে দেখা পেলে ভাল লাগাটা উপচে ওঠে । তবে অন্য রকম কি আর হয় না ! তাও হয় । আশা করি আপনারাও শুনেছেন এ বিখ্যাত গানটি । তবে, দেখেছেন কখনও এ গানের অপরূপ বাস্তব প্রয়োগ? না, আমিও দেখিনি, তবে বাস্তব প্রয়োগের চমকপ্রদ এক কাহিনী শুনেছি । যদিও সময় ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেখবার সৌভাগ্য (?) হয়নি ।
ভারত থেকে এসেছেন এক বিখ্যাত বংশীবাদক (নাম ভুলে গেছি) । অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে খুলনা পাবলিক হলে (বর্তমান নাম সম্ভবত জিয়া হল, এ সরকারের আমলে বদলের আওতায় পড়ে এখনও এ নাম আছে কিনা জানিনা )। খুলনা নগরীতে বাঁশীর সমঝদার যে কত তা বুঝা গেল নির্ধারিত দিনে । নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অতিথি সমাগম আশাতীত – সব আসন পরিপূর্ণ । বাইরে আগ্রহীদের হা-হুতাশ ক্রমে পুঞ্জিভূত আক্রোশে পরিবর্তিত হচ্ছে । আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন না করে আয়োজকদের আর কোন উপায় থাকলো না । বিলম্বে আগত সুধিজনদের জন্য অতিরিক্ত চেয়ার/সোফার ব্যবস্থা করা হলো । কিন্তু সমঝদার আমজনতার (mango people) দাবী একটাই, তারাও বংশীবাদককে দেখতে চান ও তাঁর বাঁশী শুনতে চান এবং তা হলে বসে আজই ।
অবশেষে, অনুষ্ঠান শুরুর সময় হলো । আর এদিকে বাইরে শুরু হলো হলের গেট ঠেলে বা ভেঙে যে কোনভাবে ভিতরে ঢুকবার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা । পুলিশবাহিনী আর চুপ থাকতে পারলোনা, তারা তাদের বাঁশীতে ফুঁ দিয়ে লাঠি হাতে ঝাঁপিয়ে পড়লো ক্ষুব্ধ জনতার উপরে । লাঠির বাড়ি আর বাঁশীর আওয়াজে জনতা ছুটতে লাগলো দিগ্বিদিকে । এরই মধ্যে আমজনতার একজন দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে গলা ছেড়ে গেয়ে উঠলো “বাঁশী শুনে আর কাজ নাই, সে যে ডাকাতিয়া বাঁশী ….” । শচীনদেব বর্মনের কি অপূর্ব বাস্তব প্রয়োগ !*
*ঘটনাটি খবরের কাগজে পড়েছিলাম নাকি কোন প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে শুনেছিলাম তা কিছুতেই স্মরণ করতে পারছি না । তবে ঋণস্বীকার করছি ।





মজা পেলাম পড়ে
ধন্যবাদ ।
মনের খেয়াল, কখন কোনটা ভাল লাগবে তা মনই ভাল বলতে পারে
ইহা হইলো কথা। এখন যেটা না পেলে মরে যাবো মনে হয়। দুবছর পর সেটা দেখলে হাসি পায়
"মনের খেয়াল, কখন কোনটা ভাল লাগবে তা মনই ভাল বলতে পারে।" দ্বিমত পোষণ না করার জন্য ধন্যবাদ ।
ডকাতিয়া বাঁশী আর ডাকাতিয়া হাসি-সবার সহ্য হয় না।
"ডাকাতিয়া হাসি" ? সেটা আবার কেমন জিনিষ ?
আর আমি তো ভাই "ডকাতিয়া বাঁশী" কোথাও লিখেছি বলে মনে হয় না !
আপনার অধিকাংশ লেখা বড্ড সংক্ষিপ্ত।
একটু বড় করে লিখুন না নাজমুল ভাই
সময় করতে পারিনা একটানা । লিখতে লিখতে উঠে যেতে হয়, খেই হারিয়ে ফেলি, বড় আর করতে পারিনা তখন । তা'ছাড়া, ধৈর্যের অভাবরে ভাই ।
[অফটপিকঃ শরীর ঠিক হয়েছে?]
মজারু ঘটনা।
ধন্যবাদ ।
মজারু হইছে।
মজারু হইছে
ধন্যবাদ ।
এত্তো জোরে কেউ হাসে? আর একটু হলেই চমকে উঠতাম।
মজারু হইছে
ধন্যবাদ ।
আপনি ভরা ঝুলি নিয়ে বসে থাকেন কেন বলেন তো? একটা একটা করে গল্প ছাড়ুন।
আজকের লেখাটা আরেকটু বড় হলে আরো মজা পেতাম।
মজা লেগেছে।
ঝুলির তলায় চাপা পড়ে আছে, সহজে খুঁজে পাওয়া যায়না । ধৈর্যেরও সঙ্কট আছে, তাইতো দৈর্ঘে-প্রস্থে বাড়াতে পারিনা । ধন্যবাদ ।
মন্তব্য করুন