অনুভূতির প্রকাশ
এই তো মাত্র ক’দিন আগে ‘আমার বন্ধু’র সাথে পরিচয়, অচেনা এক বন্ধুর হাত ধরে এ আঙিনায় আমার প্রথম পদার্পণ । আমার আসবার পথে পুষ্প বর্ষণ আমাকে আপ্লুত করে । চোখে না দেখা বন্ধুদের সাথে দৃষ্টির আড়ালেই অন্তরঙ্গতা বাড়তে থাকে । বন্ধুদের সাদর সম্ভাষণ ও সহাস্য হস্ত প্রসারণ, আন্তরিকতাপূর্ণ মতবিনিময় আর আগ্রহে অনুপ্রাণিত হয়ে অনভ্যস্ত হাতে কয়েকটি পোস্ট দেই । উৎসাহিত করেন বন্ধুরা, ভাল না লাগলেও ‘ভাল হয়েছে’ মন্তব্য করে আমাকে উদ্দীপিত করার সেকি আন্তরিক প্রয়াস তাদের! আমার ভাল লাগা তরতাজা হয়ে ওঠে, বাড়তে থাকে লাউ ডগার মত তরতরিয়ে । ব্লগের প্রথম পাতায় নতুন কোন পোস্ট না থাকলেও আমি পুরাতনগুলোই বারবার পড়তে থাকি । বারবার পড়তে ভাল লাগে । একটানা লম্বা সময় বের করে একেবারে শুরুর দিকের পোস্টগুলো পড়বার ইচ্ছা করে । সময় আর হয়না – হয়ওনি এখনও । তবে ইচ্ছা মরে যায়নি । কিছু কিছু সরস ও গঠনমূলক মন্তব্য আমাকেও মন্তব্য প্রদানে উৎসাহ যোগায় । নতুন পোস্ট যোগ করার চেয়ে মন্তব্য করে সবার অন্তরে স্থান করে নেবার গোপন বাসনা জাগে মনে ।
সাম্প্রতিক কিছু পত্র-পত্রিকা, সাময়িকী, ক্রোড়পত্র ইত্যাদি পড়ে বর্তমান কালের তরুণদের সম্পর্কে আশাবাদ জাগরিত হতো । তাদের চিন্তা-চেতনা, দেশ-চিন্তা, প্রেম-ভালবাসা আর সমকালীন বিষয়সমূহ নিয়ে লেখাগুলো পড়ে, তাদের প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি ও তা ব্যবহারে দক্ষতার ছাপ সব মিলিয়ে আমাকে বড় বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করতো, এখনো আমার সে স্বপ্ন দেখা অব্যাহত আছে । বারবার মনে হতো এবং এখনও মনে হয় যে, এ যুগের তরুণরা আমাদের চেয়ে অনেক, অনেক বেশী এগিয়ে আছে, এগিয়ে গেছে । মন ভাল হবার মত এক স্বর্গীয় অনুভূতি ।
‘আমরা বন্ধু’র বন্ধুরা অধিকাংশই যে বয়সে তরুণ, তাদের কাউকে না দেখেও আমি তা বুঝতে পারছি । এদের মধ্যে রয়েছে প্রাণ, এরা সবাই দেশকে ভালবাসে, তাদের অন্তরে প্রেমের স্বচ্ছ সলীল প্রবাহিত হচ্ছে অবিরল । তারা যা লেখে তা তাদের বিশ্বাস থেকে লেখে, যা বলে তা তারা সত্যিকারভাবেই অন্তর থেকে বলে এবং যা করতে চায় তা, যে কোন প্রতিকুল পরিবেশেও অবশ্যই বাস্তবায়ন করে ফেলবে এ বিশ্বাসে তাদের মতই আমি অটল ও অবিচল । বন্ধুদের সহজ সরল অকৃত্রিম আন্তরিক মন্তব্য পড়ে মোহিত হই । রম্যরচনা, ব্লগর ব্লগর বা যে কোন হালকা রচনায়ও বন্ধুরা যে বুদ্ধিমত্তা ও নিষ্কলুষ রসবোধের পরিচয় দিয়ে থাকেন তা আমাকে মুগ্ধ করে ।
এতদ্সত্তেও ‘আমার বন্ধু’র বিভিন্ন পোস্ট পড়ে নিজেকে কখনও কখনও এ আসর থেকে বিচ্ছিন্ন মনে হয় । আমার ভান্ডারে নেই এমন কিছু শব্দ বিভিন্ন পোস্টে ব্যবহৃত হয় । বন্ধুদের প্রায় সকলেই যে সকল শব্দের সাথে অতি পরিচিত বলে বুঝতে পারি । এগুলোর অনেক শব্দই আমার পরিচিত নয়, কখনোবা দুর্বোধ্য মনে হয়, ভাবার্থও উদ্ধার করা সম্ভব হয়না অনেক সময় । নিজেকে সবার থেকে তখন দূরের বলে মনে হয়, আমি এক ধরণের হীনম্মন্যতায় ভুগতে থাকি ।
আমার অপরিচিত নূতন কয়েকটি শব্দ এখানে উল্লেখ করছি, যেগুলোর কয়েকটি আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে । এর মধ্যে কয়েকটির অর্থ এখনও উদ্ধার করতে পারিনি । শব্দগুলোর অর্থ আমার কাছে যেমন মনে হয়েছে তা ব্রাকেটে উল্লেখ করলাম । অন্য রকম কিছু হলে আমি সাহায্যপ্রার্থী । এগুলো হচ্ছেঃ ঘুরান্তিস (ঘুরাঘুরি), মাইন্ডাইয়েন্না (মাইন্ড করবেন না), মঞ্চায় (মন চায়), মার্ছিলো (মেরেছিল),শসমা(চশমা), আম্রার (আমাদের),ভুটাইতাম (ভোট দিতাম), হপে (হবে), ধইন্যা (ধন্যবাদ), খপর(খবর), করপে (করবে),আম্রিকা (আমেরিকা), ক্যাম্নে (কেমনে), চাইর্পাচঁটা (চার-পাঁচটা), আপ্নার (আপনার), কিরম (কেমন), এডা মান্তার্লাম্না (এটা মানতে পারলামনা)! মজমা, টাস্কি, পেচ্ছাপেচ্ছি, লুপে, নিটে ছাড়াও আরো কিছু শব্দার্থ বুঝতে এখনও আমার মগজ আমাকে সহায়তা দিচ্ছে না । সব তো মনে নাই, দুর্বল স্মরণশক্তিতে যেগুলো হাতড়ে পেলাম সে ক’টি মাত্র এখানে দিতে পারলাম । বন্ধুদের সাথে একাত্ম হতে তাদের শব্দভান্ডারের সাথে গভীর পরিচয় থাকা আবশ্যক বলে মনে করি ।
বিভিন্ন পোস্টে বাক্য গঠন, শব্দ চয়ন আর ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের স্বকীয়তা অবশ্যই আমাকে আনন্দিত করে তোলে, বারবার আশান্বিত হই । তবে প্রচলিত বানান রীতি অনুসরণে বন্ধুদের অমনোযোগিতা কছিুটা হলেও আমাকে পীড়া দেয় । তা’ছাড়া টাইপিংএর ক্ষেত্রেও সকলেরই যত্নবান হবার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য । আহমাদ আবদুল হালিম –এর সাম্প্রতিক পোস্ট ‘অযত্নে বেড়ে ওঠা চিন্তার ঝটাজাল’ হাতের কাছেই আছে । অত্যন্ত সুলিখিত, সমসাময়িক বিষয়ে প্রাজ্ঞল বক্তব্য, অথচ হাইওয়ের স্পিডব্রেকারের মত বিদঘুটে বানানের কারণে হোঁচট খেতে হয় মাঝেমধ্যেই । সেখান থেকে কিছু শব্দ ও তার প্রকৃত বানান দেবার চেষ্টা করছি এবং একই সাথে আমার এ ধৃষ্টতার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি । যেমনঃ ঝটাজাল – জটাজাল, দোয়ার – সম্ভবত দুয়ার (দরজা), ওঠছে – উঠছে, লুকুচুরি - লুকোচুরি, মুখুশ - মুখোশ, শ্লোঘান - শ্লোগান, টেলে - ঢেলে, গনতান্ত্রিক - গণতান্ত্রিক, অপ্রিতীকর - অপ্রীতিকর, বিদগুটে - বিদঘুটে, সতিত্বে – সতীত্বে, ঝড়িয়ে - জড়িয়ে, সাময়ীক - সাময়িক, ইত্যাদি ।
এর পর চোখ আটকে গেল গত ২৮ এপ্রিল প্রকাশিত সাহাদাত উদরাজীর ‘গুলনাহার-সাহাবউদ্দিন নামা’য় । এত চমৎকার এবং বহুল আলোচিত (দেড়শত মন্তব্যসহ) একটি কবিতা, অথচ শুধুমাত্র অনিচ্ছাকৃত ভুল টাইপিং-এর কারণে রস আস্বাদন বিপুলভাবে বাধাগ্রস্থ হয় । সাহাদাত উদরাজী নিশ্চয়ই এতদিনে অভ্রে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন এবং এই ভুলগুলো সংশোধনের মত দক্ষতা অর্জন করেছেন । কবিতায় যে ভাবে বানান লেখা হয়েছে, সেগুলো যেমনটি হলে সুন্দর হতো তা এখানে দিতে ইচ্ছা করছে । জানিনা, এ জন্য আবার কত খোঁচা খেতে হবে আমাকে!
পরিবর্তনযাগ্য বানানগুলো হচ্ছেঃ “অনুস্থানে-অনুষ্ঠানে, কুটকে-কুচকে, প্রত্রিকা-পত্রিকা, ছুঁড়ীর-চুড়ির, নেড়ে চেড়ে বসি আমি-নড়ে চড়ে, ভত্তি- ভর্তি, খই হারাছি-খেই হারাচ্ছি, মুস্থিমেয়-মুষ্ঠিমেয় , অপ্রশংখিক-অপ্রাসঙ্গিক, থকা-থাকা, ছুড়ীর শব্ধে তাকিয়াছেলেন –চুড়ির শব্দে তাকিয়েছিলেন, ফোন এ – ফোনে, পযায়ে -পর্যায়ে , অফিস এ –অফিসে, বাজেবে-বাজবে, মৌছাকে-মৌচাকে, দাড়িয়ে –দাঁড়িয়ে, শলাজ –সলাজ, সন্ধায় মুয়াজিন -সন্ধ্যায় মুয়াজ্জিন, ইঙ্গিনীরিং ইন্সিটিউট--ইজ্ঞিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, শিশু পাক ঘেশে - শিশু পার্ক ঘেষে, মুখ ডেকে যাওয়া-ঢেকে, ঘ্রান-ঘ্রাণ, মুজে –মুদে, ঠং –ঠ্যাং, সুবোদ –সুবোধ, দেশনেত্রি, জননেত্রি-নেত্রী, নিরবাক শোতা-নির্বাক শ্রোতা, বাংলাছিনেমার উরথি নায়িকা-বাংলা সিনেমার উঠতি নায়িকা , আকষনে –আকর্ষণে, মাসখনেক –মাসখানেক, সন্ধায় –সন্ধ্যায়, জিকিমিকি-ঝিকিমিকি, সমস্থ –সমস্ত, কাব্বিক –কাব্যিক, নিমছে হাসি, -মিচকি হাসি/মুচকি হাসি, পুন চাঁদ-পূর্ণ চাঁদ, বিঁন্দু বিঁন্দু - বিন্দু বিন্দু, ভূল-ভুল, অসুস্থ্য-অসুস্থ, কস্টে-কষ্টে, জুবুতুবু - জবুথবু, বুহুবার – বহুবার, অনেকখন – অনেকক্ষণ, দুরগন্দে – দুর্গন্ধে, সন্দায় – সন্ধ্যায়, মদ্দখানে – মধ্যখানে/মাঝখানে, দেড় ইঞ্ছি মেদে ডাকা-দেড় ইঞ্চি মেদে ঢাকা, লিলামে উঠা - নিলামে উঠা, বৃহত – বৃহৎ, দাওযাত-দাওয়াত, ভত্তা –ভর্তা, কারশাজি-কারসাজি, সক্রান্ত –সংক্রান্ত, হটাৎ ফোন বাজে - হঠাৎ ফোন বেজে , প্রযোজন - প্রয়োজন ”। [সাহাদাত উদরাজী কি খুব বেশী মাইন্ডাইলেন?]
অনেক কিছুতে আমি সংশয়াচ্ছন্ন, কিন্তু অন্তত একটা বিষয়ে আমার কোন সংশয় নেই । আর সেটা হচ্ছে এ দেশের তারুণ্যের ঔজ্জ্বল্য ও তাদের স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা । তাদের স্বপ্নে তারা অবিচল থাকবে এবং দেশকে তারা অদূর ভবিষ্যতে তাদের মত করে গড়ে তুলবে । বর্তমানের তরুণ-তরুণীদের উপর আমার যে আস্থা তা অত্যন্ত দৃঢ়, তা কোন অলীক স্বপ্ন নয়, এ স্বপ্ন কখনও মিথ্যা হতে পারে না ।





উদরাজী ভাইয়ের গুলনাহার যেমন আছে তেমন থাকলেই বরং ভাল লাগে.. কিছু বানান ভুল বরং পোস্টাকে ক্লাসিক বানিয়ে দিয়েছে
...
মজমা = আড্ডা
... মানে বন্ধুদের পচানি দেয়া
টাস্কি = তব্দা = হতবিহ্বল হওয়া
পেচ্ছাপেচ্ছি = কোন একটা বিষয় নিয়ে পেচাপেচি আর কি
এই লেখাটা কিন্তু অনেক সুন্দর হইছে... চমৎকৃত হইলাম
ত্বরিৎ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা এবং কয়েকটি নূতন শব্দ শেখাবার জন্য অনেক ধন্যবাদ । এই লেখাটাকে সুন্দর বলায় আমিও 'চমৎকৃত হইলাম' ।
[অফটপিকঃ আগে একবার (অক্টোবর ২৩, ২০১০) জেবীন মন্তব্য করেছিলেন "কার্যকরী শিক্ষক টুটুল আর ত্বরিত্ শিখতে পারা ছাত্রের দেখা পাওয়া গেলো" । এবার কেউ কিছু বলবেন ?]
৫/৬ নিঃশ্বাসে পড়লাম। ভাল লিখেছেন। কিছু কিছু বানান কেউ কেউ ইচ্ছে করে ভুল লেখে। কেউ কেউ নতুন একটা বানানরীতি চালু করেছে ব্লগে। আমার মত কেউ কেউ প্রমিত বাংলায় পোস্ট পোস্ট লেখে, অথচ মন্তব্য করে ব্লগীয় বাংলায়... এটা আসলে ব্যাপার না। কোথায় কোন ভাষা প্রয়োগ করতে হবে এটা জানলেই হলো... লিখুক না, যার যেমন খুশী। সবাই শুদ্ধভাবে লিখলে আর ব্লগ ক্যানো...
সকল দায় ভার নিয়ে বলছি, এইসব আমার একান্তই নিজস্ব মতামত
তবুও ভাল যে এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলেননি ! সবাই প্রমিত ভাষারীতি অনুসরণ করলে তো ব্লগিংয়ের মজাই থাকতো না । ব্লগীয় বাংলা অবশ্যই থাকবে - এতে বৈচিত্রের স্বাদ অক্ষুন্ন থেকে ব্লগারদের আরও কাছে টানতে সহায়ক হবে । আপনার 'একান্তই নিজস্ব মতামত'-এর সাথে আমি একমত ।
মনে বড়ই দুঃখ পাইলাম আজাদ ভাই.।আপ্নি পুরা ইয়াজিদ এর মত কাজ টা করলেন। দেশে আসলাম কিন্তু পিকনিক যাওয়া আর হলো না। ছুটি বাড়ানোর ও কোন উপায় নেই। আর কিছু দিন আগে হলে ভাল হতো।সে যাই হোক আপ্নারা তো যাচ্ছেন ।।আনন্দ ফুর্তি করেন। ছবি তুলেন , কিন্তু ছবি বরা বরের মত আপ্লোড করতে ভুল্বেন না । ভাল থাকুন সবাই।
উদরাজি ভায়া যদি ঐ পোস্ট সামান্যও পালটায় তাইলে খুনটুন হইয়া যাইতে পারে
মাসুম ভাই, আপনার মন্তব্য দেখার আগেই আমি..।.।.।।.।.।.। না কমু না!!
সরি ভাই ভুল যায়গায় কমেন্ট করা হইছে.। আপনাকে অভিনন্দন।।লেখার জন্য। ভাল লাগল।ভাল থাকুন। কিছু দিন আগে কোন এক ব্লগে না পেপারে একটা কার্টুন ছিল বা কমেন্ট ঠিক মনে করতে পারছি না .। তা হইলো নাজমুল হুদা খালেদা জিয়া কে নিয়ে। যখন নাজমুল হুদা কে বহিঃস্কার করা হয়। কমেন্ট টা ছিল এমন ।।" নাজমুল হুদা কিসের জন্য বেহুদা খালেদা কে কথা বলতে গেল"। আসলে ভাই এইখানে আমরা কিছু ভুল জেনে শুনেই করি ব্লগিয় ইস্টাইলে। অনেক টা কথার কথা -র মত। শুনতে ভাল লাগে। বলতে ভাল লাগে। তাই বলি বা করি। তো আপনি ভুল ধরেছেন, কিন্তু আমরা অভ্যস্ত। তাই খরাপ লাগে না । আর না জানলে বা বুঝলে আমরা তা জিজ্ঞাসা করি .। যেমন টা আপনি করেছেন ।তবে শুদ্ধ রীতি টা জানা থাকা ভাল। না জানলে সমস্যা নেই, বই কেন আর পড় জান। মাঝে মাঝে গীফট করলে আরো ভাল।
ধন্যবাদ আপনাকে । সরি হবার কিছু নেই । "ম্যান ইজ মর্টাল, সবাই ভুল করে" ! ব্লগীয় ধারাকে কিন্তু আমি অপছন্দ করিনি । আমার জানা না থাকায় পুরো মজা উপভোগ্য হয়ে ওঠেনা আমার কাছে, আমি কিন্তু সেটাই বুঝাতে চেয়েছি । আর চেয়েছি প্রমিতের ক্ষেত্রে প্রচলিত বানানরীতি, যাতে হোঁচট খেতে না হয়।
পিকনিকি আপনি থাকছেন না এজন্য খারাপ লাগছে । আমরা তো প্রায় সবাই নীড়হারা !
হুদা ভাই, এই প্রথম আমি কোন ব্লগের প্রিন্ট নিয়ে নিলাম। আজ পর্যন্ত আমি আমার কোন ব্লগেরও প্রিন্ট নেই নাই। আপনার মত পাঠক পাওয়া এক জন্মের কাজ নয়।
বানান গুলো ঠিক করতে আমারো মন চায় না (টুটুল ভাইকে আমি সমর্থন করি)। তবুও কিছু বানান ঠিক করে দিব/ দিলাম। যেহেতু অভ্র ফনেটিকে লিখে থাকি তাই এখনো ভুল করে থাকি, জেনে কিংবা না জেনে। তবে বাংলা লিখতে পারছি এই গর্ভ নিয়েই সারা জীবন বেচে থাকতে চাই। অভ্রকে পুরা ধন্যবাদ দিয়ে যেতে চাই। আমি মেহদী সাহেবের চরম ভক্ত - অভ্র প্রেমিক। অভ্র নিয়ে আমি অনেক ব্লগ লিখেছি। এখনো যাকে পাই ধরে ধরে অভ্র শিখাই। অনেকদিন আগে থেকে কম্পিউটার জানা থাকা স্বত্তেও বাংলা লিখতে পারতাম না। নানা কারনে জাব্বার মন খারাপ ছিল!
আপনার জন্য শুভ কামনা সবসময়। আপনার জন্য এখনো 'গুলনাহার-সাহাবউদ্দিন নামা'য় কমেন্ট পড়বে। এত আনন্দ কই রাখি।
গুলনাহার-সাহাবউদ্দিন নামা।
http://www.amrabondhu.com/udraji/1068
'গুলনাহার-সাহাবউদ্দিন নামা'র প্রথম পাঠিকা (কমেন্টের দিক দিয়ে) ছিলেন আমাদের বোন 'পুতুল' (যিনি আমাদের সহ ব্লগার 'নজরুল' ভাইয়ের ইয়ে)। কিন্তু আজকাল এ দুইজনকে লিখতে দেখছি না। নজু ভাই কি রাগ করে ব্লগ ছেড়ে চলে গেলেন! দয়া করে নজু ভাই জবাব দিন! আপনাকে কিন্তু অন্য ব্লগে একটিভ দেখছি!
এর পরের পুরা ধন্যবাদ চলে যায় আমাদের 'শওকত মাসুম' ভাইয়ে কাছে। হা হা হা.। এসব নিয়ে লিখব এক সময়।
কত বন্ধু পেলাম এই 'আমরা বন্ধু'তে! আপনিও স্বরনীয় হয়ে গেলেন, হুদা ভাই।
আমিই বা 'এত আনন্দ কই রাখি' ।
আমি লিখি অভ্র ইউনিবিজয় দিয়ে । অভ্র ফনেটিকে শুদ্ধ করে লিখতে পারিনা, তাই ধীর গতির উপরই নির্ভর করি । [আগে একবার আপনি বোধহয় এটাই জানতে চেয়েছিলেন, তখন ঠিক বুঝতে পারিনি ।]
"এই গর্ভ নিয়েই সারা জীবন" না কাটিয়ে গর্ব নিয়ে জীবন কাটান । গর্ভ নিয়ে তো ব্যস্ত এখন গুলনাহার !
ধন্যবাদ সাহাদাত উদরাজী ।
"এই গর্ভ নিয়েই সারা জীবন" না কাটিয়ে গর্ব নিয়ে জীবন কাটান । গর্ভ নিয়ে তো ব্যস্ত এখন গুলনাহার !
মারমার কাট কাট মন্তব্য, হুদা ভাই। লাইক করলাম চ্রম ভাবে
নাজমুল ভাই সালাম , উদরাজীর গুলনাহারকে যে শোরগোল শুরু হয়েছে- টেনশনে বেচারীর শেষে না আবার গর্ভপাত হয়ে যায়।
বানান ভুল হতেই পারে, কিত্ত ভাষাটা সুন্দর ও সহজ বোধ্য করে লেখাই উচিত।
মাসুম ভাইয়ের এ মন্তব্য দেখে আমার হার্ট বিট বেড়ে গেছে! কি করব বুঝতে পারছি না। হুদা ভাই, আমারে বাঁচান! আপনার পোষ্ট দেখে লজ্জায় আমি কয়েকটা বানান শুদ্ব করেছিলাম, পরে .।.।.।
কি করব, মাথায় ধরছে না। শ্যাম রাখি না কুল!
ইনজাংশন/ স্টে অর্ডার - অতএব......
আসলেই দারুন অনুভূতির দারুন প্রকাশ। আর বানান (!) নিজের অজানেই হয়ে যায়। কারণ দ্বিতীয় বার নিজের পোষ্ট পড়ার মতো সময় আমাদের কোথায়
?
তা অবশ্য ঠিক । সময় একটা দারুন ফ্যাক্টর !
আসলে আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানানো উচিৎ। আমি আসলে বানানের ব্যাপারে কিছুটা অলস। তবে আজকের পর থেকে কোন লেখা কম পক্ষে তিনবার বানান দেখার পর "পোষ্টাইমু" ! ভাল থাকুন । আর গঠন মূলক সমালোচনা কাম্য। ঠিক আজকের মতো।
ধন্যবাদ, অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
হুদা ভাই, এই তরুণদের মাঝে আপনাকে কিন্তু একদমই 'বয়স্ক' লাগছে না । তরুণদের মতই প্রাণ চঞ্চল আপনি ।
ব্লগীয় ভাষারীতি বলে একটা কথা আছে । সেটা আপনার উল্লেখিত শব্দ এবং আরো কিছু শব্দের মধ্যে পড়ে ।
পোস্টের টোন মতে আসলে বানানের তারতম্য ঘটে । স্যাটায়ার বা ফানী পোস্টে অনেকে নিজের মতন করে বানান লেখে ।
তবে, সিরিয়ান পোস্টে অবশ্যই শুদ্ধ বানানের প্রতি সবার নজর দেয়া উচিত । আমার নিজেরও সবসময় সেটা করা হয়না ।
আপনাকে ধন্যবাদ ।
*সিরিয়াস
?????????????
তরুণদেরই অবদান । শেখ সাদীর সেই কবিতাটা মনে পড়ছে না, গোলাপের সংস্পর্শে মাটির ঢিল গোলাপের মত সুগন্ধি হয়ে উঠেছিল ।
"ব্লগীয় ভাষারীতি বলে একটা কথা আছে ।""পোস্টের টোন মতে আসলে বানানের তারতম্য ঘটে ।" সম্পূর্ণ একমত এবং তা না হলে ব্লগের আকর্ষণ ও উদ্দেশ্য দুটোই ব্যহত হতো ।
আপনাকেও ধন্যবাদ ।
বানান ভুলে আমিও মাষ্টারনী কিন্তু কিছু কিছু প্রচন্ড সোজা বানানের ভুল চোখে পীড়া দেয় রীতিমতো। বিশেষ করে শিরোনামের ভুল।
"১৯৬৯ সালে তো আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। আর ৮৩ তে তখন হাটি হাটি পা পা .। ২০০৪ সালে আপনি অবসর নিলেন আর আমার তখন মাত্র কর্ম জীবনের শুরু। আপনার কন্যা, জামাতা, পুত্র, পুত্রবধূ আছে আমার কেউ নেই তেমন। এই পর্যন্ত আপনার সাথে কোনো মিল নেই কিন্তু আমার। কিন্তু এই টুকু বেশ মিল আছে।।
তবে বন্ধুত্ব করার জন্য অসম বয়স নয় বা এই অসম বয়সে বন্ধুত্ব বেমানান নয়।.। সমমনা আর ভাল একটা মন দরকার। সেটা থাকলে আপনার কি আছে কি নেই তা দেখার কোনো টাইম নাই। বন্ধুত্ব করার জন্য বয়স মুখ্য নয়। দরকার মানসিকতা। ভাল থাকুন ভাই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । নিজেকে পুরোটাই প্রকাশ করে দিয়েছি আমি । এ জন্য কোন আপসোস নাই । সকলের ভালবাসা আর শুভেচ্ছা পেয়ে আমি অনবিল আনন্দে আছি ।তাই আমিও বলি "বন্ধুত্ব করার জন্য বয়স মুখ্য নয়। দরকার মানসিকতা। ভাল থাকুন ভাই।"
খাটি কথা বলেছেন নাজমুল ভাই।
"বন্ধুত্ব করার জন্য বয়স মুখ্য নয়। দরকার মানসিকতা।" মমিনুল ইসলাম লিটন, এই খাটিঁ কথাটা আসলে আমার নয়, আমি নীড় _হারা_পাখির মন্তব্য থেকে উদ্ধৃত করেছি এবং তার সাথে একমত পোষন করেছি । ধন্যবাদ আপনাকে ।
আপ্নার সুবিধার জন্য... কিছু মিনিং সংগ্রহ করে দিলাম
কেপি টেস্ট = কাঠালপাতা টেস্ট = জামাতীদের ধরার জন্য এই টেস্টটা করা হতো
ছাগু= ১. ছাগল, ২. কেপি টেস্ট এর ১ নং মিনিং অনুযায়ী যারা টেস্টে পজিটিভ ফল পায় তারা
হিতা = হিযবুত তাহরীর।
জাঝা= পুরষ্কার
ফ্লাডিং: ১.একই লোক যদি একদিনে ৫/৬ টা করে পোস্ট দিয়ে প্রথমপাতা ভরায়ে ফেলে; ২. কোন বাজে লেখাকে প্রথমপাতা থেকে সরায়ে ফেলতে এক বা একাধিক ব্যক্তি যদি হুদা হুদা পোস্ট দিতে থাকে।
ব্লগানঃ বলুন
ব্লগাইলামঃ নতুন পোষ্ট দিলাম
ব্লগর-ব্লগরঃ ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ (ডায়েরি), পিলাচ/পেলাসঃ পছন্দ হয়েছে, পিলাইচলামঃ প্লাস দিলাম
জট্টিলস/জটিলসঃ ভাল লেগেছে
জাক্কাস/ঝাক্কাসঃ ভাল হয়েছে
হুমমমঃ লেখা পছন্দ হয়েছে
সহমতঃ একমত
থ্যাঙ্কু/ঠ্যাঙ্কুঃ ধন্যবাদ
ছুছিলঃ সুশীল
পুস্টানঃ পোষ্ট করুন
আতকাঃ হঠাৎ
হৈছেঃ হয়েছে
মগ-বাজারীঃ জামায়াত-শিবির কর্মী
সালুয়ারঃ ই-মেইলে যৌনালাপ
কোবতে= যেসব কবিতা সাধারন কবিতার পর্যায় অতিক্রম করে কবিতার চেয়েও বেশি কিছুতে পরিণত হয়, সেসব কবিতা।
গদাম! = পশ্চাদে পদাঘাত।
লাদি = ছাগুর পোস্ট বা মন্তব্য।
ম্যাৎকার = ছাগুদের একক বা সম্মিলিত রব।
কাঁঠাল পাতা = ছাগুকে আপ্যায়নের জন্য
ধনে পাতা = ধন্যবাদ। মতান্তরে, ধইন্যা।
হা হা প গে = হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম।
হা হা ম গে = হাসতে হাসতে মরে গেলাম।
আরভি = রেসিডেন্ট ভাঁড় = যারা কর্তৃক্ষের চামচামি করে
মাইনাস = লেখা বা মন্তব্য পছন্দ না হলে
তাঁরাইলাম = উত্তম লেখা বা প্রসংশাসূচক মন্তব্য। এক সময় সামহয়ারইনব্লগে কোন পোস্টকে রেটিং করার জন্য ৫টি তারকা ছিল।
হ = ঠিক তাই।
অশ্লীষ = অশ্লীল লেখা বা মন্তব্য। দুষ্টামি অর্থে
বিপ্লব = লেখায় পাঁচ তাঁরা। এইটার একটা ইতিহাস আছে... বর্তমানে কালের কন্ঠে কর্মরত সাংবাদিক বিপ্লব রহমান তিনি ব্লগার রাগ ইমনের পোস্টে ঢুকেই পাঁচ তাঁরা দিয়ে আসতো। সেইখান থেকে পাঁচ তাঁরার বিকল্প হয়ে উঠেছিল ... আপনাকে বিপ্লব দিলাম.. মানে আপনাকে ***** দিলাম
পপকর্ন নিয়ে গ্যালারিতে বসলাম = ব্লগ বিতর্ক উপভোগ করছি/মজা দেখছি।
সুশীল = অতিশয় আঁতেল অর্থে। যেমন, এই ধেনু যাহ, নইলে ফুল ছুঁড়ে মারবো কিন্তু। অখবা, সুশীল ব্লগ = সাহেব বাবুর বৈঠকখানা বিশেষ।
লুল বা লুল পুরুষ = বালিকা, মেয়ে নিক দেখলেই লালা ঝড়ে, এমন ব্লগার।
সিটিএন = ইয়ের টাইম নাই, কোনো ব্লগারের সঙ্গে বাদানুবাদে না জড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশে তীব্র ঘৃণায় এটি বলা হচ্ছে।
ডিজিএম = দূরে গিয়া মর।
মফিজ = এলেবেলে ধরণের সাধারণ জন।
ভাঁজ খুইল্যা গেছে = আসল রূপ ধরা পড়েছে।
চ্রম = চরম শব্দটির অপভ্রংশ
জটিল/জট্টিল/জটিলস্ = খুব ভালো
খ্যাক খ্যাক = হাসি, দুষ্টুমী করে বলা হচ্ছে।
মুঞ্চায় = মন চায়, মন চাইছে — অর্থে। মতান্তরে, মন্চায়।
কোবতে = কবিতা, দুষ্টুমী করে বলা হচ্ছে।
ভাদা = ভারতের দালাল।
মডু/মডুরাম = ব্লগের মডারেটর
ডেভু = ডেভোলপার
টেকি = টেকনোলজিস্ট, টেকনো কানা = প্রযুক্তিতে অজ্ঞ– এমন বোঝাতে।
খিকজ= খিক খিক করে হাসির সংক্ষিপ্ত রূপ।
জোসিলা = জোস বা খুব মজা+ বোঝাতে।
চ্রম = চরম অর্থে, দুষ্টুমী করে বলা হচ্ছে।
খ্রাপ = খারাপ অর্থে, দুষ্টুমী করে বলা হচ্ছে।
ওকিজ = ওকে বা ঠিক আছে, দুষ্টুমী করে বলা হচ্ছে।
খুদাপেজ = খোদা হাফেজ, দুষ্টুমী করে বলা হচ্ছে।
শোকেস= "আমার প্রিয় পোস্ট" অংশ
ম্যালফাংশন= ভিন্ন নিকে ক্যাচাল করতে গিয়ে ধরা খাওয়
ফটুক= ফটো বা ছবি
নাজমুল হুদা ভাইয়ের পরে সবচেয়ে উপকৃত হলাম আমি
আরেকটা জিনিস শুনি প্রায়ই দে ধা উ এইটাইপ, এইটার মানে কি?
আপনাকে বিপ্লব দিলাম....আর দিলাম ধইন্যাপাতা এক আটি । ব্লগিংয়ের আনন্দ/মজা এবার আরো বেশী পাবো নিঃসন্দেহে । যে শব্দ বুঝতে পারবো না, সেটি এখান থেকে দেখে নেওয়া যাবে ।মচৎকার সব শব্দ শিখতে পেরে আমি তো হা হা ম গে । আজকের মত খুদাপেজ ।
"চে ধ উ দা " এটা আবার কি জিনিষ ?
টুটুল ভাইকে উত্তম জাঝা।
পোষ্ট পড়ে চমৎকৃত হলাম। টুটলার এত্ত বড় কমেন্ট দেখে তব্দার সহিত চমৎকৃত হইলাম আরো।
খামোখাই কি বলছিলাম "কার্যকরী শিক্ষক টুটুল" ...
মেলা কষ্টসাধ্য মন্তব্যের জন্যে টুটুল্ভাইরে ধইন্যাপাতা! ...
আরাশি আর মেসবাহভাইয়ের মতামতের সাথে একমত ...
চমৎকার পোষ্টে চমৎকার উত্তর। পোষ্টদাতা এবং উত্তরদাতা উভয়কে পুদিনাপাতা
ধইন্যাপাতার বদলে পুদিনাপাতা ! মচৎকার !
অনুভুতি প্রকাশের লেখা দেখি শেষমেশ জ্ঞান ভান্ডারে রুপান্তরিত হয়ছে।এক বাটি কিমচি কারে দিবো??টুটুল ভাইরে না দাদাভাইরে??????

টুটুল রচিত অভিধানের কোথাও 'কিমচি' পেলাম না । তবে এটি যদি ভাল জিনিষ হয় তবে দাদাভাইরে দিন, আর খারাপ কিছু হলে আপনার টুটুল ভাইরে ।
কিমচি লিখে খালি একটু গুগলিং করেন দাদা ভাই।তারপরে সিদ্ধান্ত আপনেই নেন।

তা হলে, এত ভাল আমার সহ্য হবেনা ।আপনার টুটুল ভাইরেই দেন । 'গুগলিং' শিখলাম ।
কথাগুলো খুব সুন্দর। একটা কবিতায় পড়েছিলাম, স্বপ্ন দেখা ভুলে গেছি প্রভু, দু'চোখ জুড়ে স্বপ্ন নামে তবু'- আমাদের তরুণ-তরুণীদের কারণেই এখনো মাঝে মাঝে স্বপ্ন দেখি।
''স্বপ্ন দেখা ভুলে গেছি প্রভু, দু'চোখ জুড়ে স্বপ্ন নামে তবু'' - এই স্বপ্নটুকু আছে বলেই তো এখনও 'মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভূবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই' ।
কোন দুর্ভাগা এমন সত্য কথা বললো? তারে পিলাচ দিলাম । বড়ই ভাল লাগ্লো.।
আড্ডা কেমন হ্লো দাদা ভাই???
হেলা = হলো
আশা করেছিলাম সব্বাইকে পাবো । তা না হওয়াতে একটু কষ্ট পেয়েছি । তবু ভাল লাগলো । সবার আন্তরিকতায় মুগ্ধ ।
মন্তব্য করুন