মুক্তিযুদ্ধের আগে
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আর মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে আজ কেন যেন বারবার মনে পড়ছে আনোয়ারা ফেরদৌসীর কথা । আমাদের সহপাঠী ছিল আনোয়ারা ফেরদৌসী । দশটি মেয়ের মধ্যে সে ছিল ব্যাতিক্রম । আমাদের ক্লাশে একমাত্র সে-ই বোরকা পরে আসতো । তখন তো ইউনিভার্সিটিতে বোরকার প্রচলন প্রায় ছিলই না । আমরা ঠাট্টাচ্ছলে বলতাম আনোয়ারা ফেরদৌসী অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার জন্য বোরকা পরে ক্লাশে আসে, অবশ্যই আড়ালে । মেয়েদের সাথে সেসময় আমরা বেশ খানিকটা দূরত্ব বজায় রেখে চলতাম । ‘তুই-তুমি’ বলার মত ঘনিষ্ঠতা হতোই না প্রায় । আমরা একে অপরকে প্রয়োজনে নাম ধরেই ডাকতাম, কিন্তু কথা চলতো ‘আপনি’ বলে । হ্যাঁ, আনোয়ারা য়েরদৌসীকে একদিন দেখেছিলাম বোরকাবিহীন । ক্লাশের সবাই গিয়েছিলাম পিকনিকে মধুপুর । তখন পিকনিক বলতাম না আমরা, বলতাম ‘স্টাডিট্যুর’। তো, সেই স্টাডিট্যুরে যেয়ে সবাইকেই দেখতে পাচ্ছিলাম, কিন্তু বোরকা পরিহিতা কাউকে না দেখে এক সহপাঠিনীকে জিজ্ঞাসা করলাম, “আনোয়ারা ফেরদৌসী আসেনি ?” পাশেই দাঁড়ানো একজনকে দেখিয়ে সে বললো, “আপনার কপালের নীচে চোখ নেই নাকি, এই তো আনু”! বোরকাবিহীন আনুকে দেখে এবং সহপাঠিনীর ভর্ৎসনায় আমি একই সাথে বাকহীন ও অবাক ।
সেই আনোয়ারা ফেরদৌসীর কথা আজ মনে পড়লো । ১৯৬৯ সালের ২০শে জানুয়ারী মিছিলে গুলি চলল । আমি সে মিছিলে ছিলাম না । সে সময়ে ঠিক কোথায় যে ছিলাম তাও এখন স্মরণে আসে না । তবে দ্রুত এ সংবাদ পেলাম যে, গুলিতে একজন ছাত্র শহীদ হয়েছেন । তার নাম ‘আসাদ’ । পরের দিন জানতে পারলাম যে, শহীদ আসাদ আনোয়ারা ফেরদৌসীর ভাই । যে কোন পরিস্থিতিতে সহপাঠিনীদের কারো বাসায় যাওয়া বোধহয় সহপাঠীদের জন্য শোভন ছিল না । ক্লাশের কোন ছেলেই আনোয়ারা ফেরদৌসীকে সান্তনা দিতে তাদের বাসায় যায় নাই । মেয়েরা গিয়েছিল সকলেই । পরদিন ডিপার্টমেন্টে দেখা হলো সবার সাথে । আনুর কথা বলতে যেয়ে তারা জানালো যে, আনু বোধহয় পাগল হয়ে গেছে । সে কোন কান্নাকাটি করছে না, দু’দিন যাবৎ কিছু খায়ও না । খাওয়ার কথা বললে সে আস্তে আস্তে বলে, “ভাইয়া মিছিলে গেল । খেয়ে যেতে বললাম । সেতো খেয়ে গেল না । যাওয়ার সময় শুধু বলে গেল ‘ফিরে এসে খাব’ । ভাইয়া আসুক, তখন এক সাথে বসে খাবো ।”
এ সকল ত্যাগ জাতি কখনও ভুলতে পারবে না । মোহাম্মদপুরের ‘আইয়ুব গেইট’কে সে সময়ের ছাত্ররা নিমেষে বানিয়ে ফেলল ‘আসাদ গেট’। রাস্তাটি হয়ে গেল ‘আসাদ এ্যাভিন্যু’ । কেউ সাহস করে বাধা দিতে আসতে পারেনি । আসাদ ভাইয়ের কথা যেমন মন থেকে সরানো যায় না, তেমনই আর একজন হচ্ছে মতিউর । ছোট্ট একটা ছেলে । সবে মাত্র স্কুলের ছাত্র । সেও রক্ষা পায়নি হায়েনাদের কবল থেকে ।
২৪ জানুয়ারী ১৯৬৯ । সেদিন ছিল হরতাল । এখনকার মত হরতাল নয় । রাস্তায় রিক্সা তো দূরের কথা, একটা সাইকেলও চলেনি সেদিন । বিকেলে পল্টন ময়দানে মাওলানা ভাসানীর জনসভা । জনসভায় যাওয়ার লক্ষ্যে রায়েরবাজার থেকে হাঁটা শুরু করেছি । সায়েন্স ল্যাবরেটরীর কাছে পৌঁছাতেই শুনলাম যে মতিউর নামের একটা ছেলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছে । নিউমার্কেটের কাছাকাছি যেয়ে জানলাম যে তার লাশ রাখা হয়েছে ইকবাল হলে । গেলাম সেখানে । সেখান থেকে পল্টন । রাস্তায় সেদিন জনতার ঢল । মিছিলে মিছিলে, শ্লোগানে শ্লোগানে সয়লাব ঢাকা শহর । সব মিছিলই সেদিন জঙ্গী মিছিল । সবার হাতে লাঠি, লাঠির অভাবে চেলাকাঠ । সব মিছিলের গন্তব্য মাওলানা ভাসানীর পল্টনের জনসভা । কিক্ত জনসভা হলোনা । হলো শহীদ মতিউরের জানাজা । একটা বিশাল জনসভা একটা শোকাভিভূত জানাজায় রূপান্তরিত হবার মত ঐতিহাসিক ঘটনা বিংশ শতাব্দীতে আর কখনও ঘটেছে বলে কোন প্রমাণ নাই ।
আসাদ-মতিউরের রক্তে পিচ্ছিল পথে বাঙালীদের আরও রক্ত ঢালতে হয়েছে । মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবীসহ কত নাম না-জানা নিরীহ জনতার রক্ত সে পথকে করেছে পিচ্ছিল থেকে পিচ্ছিলতর । সেই রক্তরঞ্জিত পিচ্ছিল পথে পিছলে পড়েছে অত্যাচারী পাক বাহিনী, নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে । অত্যাচারীর বিনাশ অবশ্যম্ভাবী ।
[এসব হত্যাকান্ডের কোন বিচার হয়নি । সময় যে বিচার করেছে তার সাথে সবাই বোধহয় একাত্ম হয়েছে ।]





ধন্যবাদ দাদাভাই।
মনে মনে ভাবছিলাম আপনি বোধহয় কিছু লিখবেন আজকে।
এর আগে টুটুল ই আপনাকে একটা অনুরোধ করেছিলো।আজ আমিও করলাম। মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু লিখেন না আপনি।
ইতিহাস হয়ে উঠবার আগে ঘটমান বিষয় অতটা গুরুত্ব পায়না অধিকাংশের কাছে । আমি সেই অধিকাংশের দলভূক্ত । সেসব দিনগুলো যে এত মূল্যবান হয়ে উঠবে, সে সব দিনের দৈনন্দিন ঘটনা যে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তা বুঝবার মত দূরদর্শিতা আমার ছিলনা ।(এখনও নেই) । লিখে রাখা তো দূরের কথা, মনে করে রাখবারও ইচ্ছা হয়নি কখনও । এখন সবই প্রায় কুয়াশাবৃত । কুয়াশাবৃতইবা বলি কেন, বিস্মৃত । অন্ধকার হাতড়ে কিছু বলতে গেলে সবটুকু বলা হবেনা, অনেক কিছু বাদ পড়বে আর নাহলে অনেক অতিরঞ্জণ হবে । সত্যভাষণ হওয়া প্রায় অসম্ভব । তাই সাহস হয় না ।
খুব ছোটবেলার স্মৃতি সবার মনে থাকে না, দুয়েকটা বাদে। যেগুলো মনে রয়ে যায় হয়তো বিশেষ কোন কারনে। অনেক বিস্মৃতির মাঝে স্মৃতির আকাশে জ্বল জ্বল করে সেগুলো।
একাত্তর বা তার আশপাশের অনেক ঘটনাই যা হয়তো জাতীয় প্রেক্ষাপটে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, কিন্তু আপনার মনে দাগ কেটে আছে - এ ধরনের ঘটনাগুলো লিখুন না।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
এগুলো হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চমকের মত মনে পড়ে যায় । তাৎক্ষণিক লিখবার সুযোগ না হলে মিলিয়ে যায় আবার । আপনাদের আগ্রহ আমাকে উৎসাহ যোগাচ্ছে । বলতে পারেন স্মৃতিকে সুড়সুড়ি দিচ্ছে । ধন্যবাদ ।
স্যালুট বস...
স্যালুট নিলাম । ধন্যবাদ ।
ঠিক ওই সময়ের কারো কাছ থেকে সেই দিনগুলির কথা জানার অনুভূতিই আলাদা। আরো জানতে চাই।
রাসেল আশরাফকে কৈফিয়ত দিয়েছি । একই বক্তব্য আপনার জন্যও ।
আপনার সেরা লেখা। আপনার কাছ থেকে এগুলোই চাই
ধন্যবাদ । আপনার চাওয়া পূরণ করার সাধ্য নেই আমার - তাই কষ্ট লাগছে, কষ্টে চোখ ভিজে আসছে । না-পারারও কষ্ট থাকে । সে কষ্টের আবার অশ্রুও । বড়ই আজব !
ডিট্টো মাসুম ভাই।
শওকত মাসুমকে দেওয়া জবাবে ডিট্টো ।
সঙ ইতিহাস পড়ে পড়ে আমরা ক্লান্ত। আপনার লেখাটা তাই অন্যরকম লাগল। একেবারেই আসলের স্বাদ!ধন্যবাদ নাজমুল ভাই
আপনার মতামত আমার কাছে ভিন্নরূপ মূল্যবান । ধন্যবাদ ।
এ ব্লগে আপনার লেখা পাচ্ছি না কেন ?
কোথাও আমার লেখা যাচ্ছে না। একটু ঝামেলায় আছি। তবে 'আপনার লেখা পাচ্ছি না কেন?'- এমন প্রশ্ন সবসময় আমার জন্য অনুপ্রেরণার
লগআউট করতে যেয়ে আপনি অনলাইনে আছেন দেখে আপনার সাক্ষাৎ পাবো বলে মনে হল । এলাম এখানে - পেয়েও গেলাম, নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে তাই । আশা করি দ্রুত ঝামেলা কাটিয়ে উঠবেন, এবং এখানে নিয়মিত ঢু মারবেন । 'আমরা বন্ধু' ব্লগ - আমার একমাত্র বিনোদন । আপনার প্রতি তাই আমি কৃতজ্ঞ ।
অভিভূত... কৃতজ্ঞতা রইলো
ধন্য হলাম ।
আপনাকে খুঁজে পাওয়া গেল।
আমি তো ছিলাম না কভু, এখনো তো নেই,
কবেইবা ছিলাম হেথা সবার সম্মুখে ?
কখনো যে থাকবো, ভাবিনি তা আমি
এই তো বেশ আছি না-থাকার সুখে ।
নাজমুল ভাই, আপনাকে সালাম, আপনার যোগ্যতা আপনি লিখতে পারেন। সবাই পারে না। আপনি লিখুন আমরা আমাদের পেছন পানে তাকাই শ্রদ্ধাভরে।
ধন্যবাদ লিটন । আমি একই সাথে সম্মানিত বোধ করছি এবং লজ্জা অনুভব করছি ।
বলতে পারেন আমাদের আর কত রক্ত দিতে হবে?
বিনীত শ্রদ্ধা জানবেন।
আমি অঙ্কে কাঁচা । ভাল গণিতবিদগণ হিসাব করে দেখতে ও জানাতে পারেন রক্তের প্রয়োজন আর কত ?
আপনার কাছ থেকে এমন লেখা আরও চাই। প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিলেন।
প্রত্যাশা পূরণের অক্ষমতা আমার সীমাহীন ।
কেন অক্ষমতা বলছেন! আপনি লিখতে সক্ষম, জীবনের গল্পের সবটুকু হয়তো বলা উচিত নয় কিন্তু আপনার কাছ থেকে আমাদের সবার অনেক কিছু শেখার আছে তাই প্রত্যাশা পূরণের মতো লেখা বেশী বেশী চাই
অনেক ভালো লাগল। আরও লিখুন মুক্তিযুদ্ধের কথা!
হুদা ভাই,
আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চাই, আমার মেইল এ্যাড্রেস দিচ্ছি, আজই যদি পারেন তবে খুব ভালো হয়। প্লিজ।
e-mail: rashidaafrose@gmail.com
যোগাযোগ তো হচ্ছেই । এর পরে আবার কেন ? আমার মোবাইল ফোন নং তো পরিচিতি পাতায় দেওয়া আছে । আমার মেইল এ্যাড্রেস উল্লিখিত ঠিকানায় পাঠালাম, ঔৎসুক্য নিবারণের অন্য কোন পন্থা না জানায় ।
মন্তব্যটা ভালো লাগলো না।
সেটা আমারই অক্ষমতা ! তবে ভাল না-লাগা সরাসরি বললেন এ জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার এই লেখাটা খুবই সময়োপযোগী হয়েছে
ধন্যবাদ ।
এরকম আরো লীখা দিন। যুদ্ধ নিয়ে যতটুকু মনে আছে, সেটাই শেয়ার করেন।
আপনার পরিণত চোখে দেখা আছে আরো অনেক কিছু। আমি তখন নিতান্তই বালক। তাই আমার স্মৃতি ঝাপসা হতে শুরু করেছে।
১৯৭১ এর ফেব্রুআরিটা কেমন ছিলো? আর একুশের দিনে মানুষের মনোভাব কেমন দেখেছিলেন?
আমার জীবিকা অথবা জীবন-এর জন্য সে দিনটার খানিকটা বর্ণনা দিতে যদি আর কিছুটা কষ্ট করতেন তাহলে আমার খাটুনি কমে। আপনার চোখ দিয়েই দিনটিকে তুলে ধরবো আশা রাখি।
মনু মিয়া তার নিয়োগদাতাদের সঙ্গে শহিদমিনার যাবে ভোর বেলা। সে কারণে আমার জানা জরুরি-
সময়টা কেমন ছিলো? (থমথমে অথবা অন্যান্য ২১র দিনগুলোর মতই?)
লোকজনের উপস্থিতি।
পাকিদের সতর্কতা ছিলো কিনা?
অপেক্ষা করছি আপনার পরবর্তী পোস্টের।
আমি বুঝতে পারছি অনেক প্রত্যাশা নিয়ে আপনি জানতে চেয়েছেন ১৯৭১-এর ফেব্রুয়ারির কথা । সে দিনটিতে ঢাকার বাইরে আমার কর্মস্থলে ছিলাম । মার্চ মাসের তিন তারিখের আগে পর্যন্ত তেমন কোন তৎপরতা সাধারণ মানুষের চোখে ধরা পড়েনি । নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সরকার গঠন করবে, ইয়াহিয়া খান বলেই দিয়েছিলেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন । ছাত্রসমাজ সব সময়ই সোচ্চার ছিল ১১ দফা দাবীতে । পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন প্রাপ্তি তখন মনে হয়েছিল নাগালের মধ্যে । সে দিনে আমি যে মফস্বল শহরে অবস্থান করছিলাম, সেখানে গতানুগতিকতার বাইরে তেমন কিছু ঘটেছিল বলে মনে পড়ছে না । তবে ঢাকার সেবারের একুশে আগেরগুলোর চেয়ে অনেক বেশি উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পালিত হয়েছিল । আপনার 'জীবিকা অথবা জীবনে'র জন্য সে সময়ের দু’একটা জাতীয় দৈনিক সংগ্রহ না করতে পারলে সে দিনের বর্ণনা অসম্পূর্ণ থাকবে । প্রভাত ফেরিতে ছাত্রলীগ সেদিন কোন বিশেষ কিছু ঘটিয়েছিল কিনা তা সঠিকভাবে মনে পড়ছে না । পাকিদের অতিরিক্ত সতর্কতার সময় তখনও আসেনি । মার্চের তিন তারিখের পরে অবস্থা পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় । ছাত্ররা আর ক্লাশে আসেনি । আমি ১৬ তারিখ পর্যন্ত কর্মস্থলে অবস্থান করি এবং পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণস্বায়ত্বশাসনের দাবী পূরণ না-হওয়া পর্যন্ত ফিরবো না এই ঘোষনা দিয়ে পরের দিন আমার গ্রামের বাড়িতে চলে যাই । ঐ মফস্বল শহরে আমি যে ভূমিকা পালন করতে পারতাম, তা করবার মত আরো অনেকেই ছিলেন । কিন্তু আমার গ্রামে ছিল আমার জন্য অনেক বেশি করবার মত কিছু । যা করেছিলাম বা করতে পেরেছিলাম, যদি স্মরণে আসে, সে সব নিয়ে একটা পৃথক পোস্টে আপনাদের জানাবার ইচ্ছা আছে ।
আপনার খাটুনি কমাতে পারলাম না । আন্তরিকভাবে দু্ঃখিত ।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদের বন্যা। ঝুলি উজার করে আরো কিছু দিন।
আফসোস, এই ঊনসত্তর আজ কেবল সঙ্গমের আসনের নাম।
''ঊনসত্তর আজ কেবল সঙ্গমের আসনের নাম''। জানতাম না । নতুন কিছু শেখা হল ।
খুব ভালো লাগলো। আপনার কাছে এমন লেখা আরো চাই।
ধন্যবাদ । সম্ভব হবে কিনা জানা নাই ।
হুদা ভাই ,আপনার লেখা যতো পড়ি,ততো মুগ্ধ হ্ই।আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসের নীরব(অথবা সরব)সাক্ষী আপনি, আপনার কাছে এই জাতীয় ঐতিহাসিক পোস্ট আরো আশা করছি ।
কিসের সংগে কি , পান্তা ভাতে ঘি...।
ঈশান মাহমুদের দেখা পাচ্ছিনা অনেকদিন ধরে !
মন্তব্য করুন