হাবিজাবি... হাবিজাবি...
╙╜ ইদানিং... না ঠিক ইদানিং না, বেশ কিছুদিন হইলো আমার কি জানি হইছে। লেখালেখি করতে পারি না। ঘন্টার পর ঘন্টা নেটে ঢুইকা বইসা থাকি, ব্লগে ঢুইকা ঝিমাই, ফেসবুক ওপেন কইরা রাইখা দেই। লিখতে পারি না। ব্লগে লগিন করি না, অফলাইনে বইসা মন্তব্যের ঘরে একটা দুইটা শব্দ লেখার চেষ্টা করি কী-বোর্ডের কী গুলা মনে হয় লাফাইয়া লাফাইয়া সইরা চইলা যায়। পড়ছিলাম, ডিস্লেক্সিয়া হইলে মানুষ পড়তে পারেনা, অক্ষরগুলা মনে হয় দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি করতেছে। কিন্তু অনেক খুইজাও আমার রোগের কোনো ব্যখ্যা পাইলাম না 
╙╜ মাথার ভেতর কয়েকজন মানুষের নাম নিয়া ঘুরতেছি অনেক অনেক দিন ধইরা। কেউ বাইরে আসতে চায়না 
╙ মেটালিক গ্রে ডিসটেম্পার করা একটা গরের ভিতর রাজীব মিত্র বইসা আছে একটা খটখটে কাঠের চেয়ারে, সামনে একটা ন্যাড়া টেবিল। আর কোনো ফার্নিচার নাই ঘরে। তার শরীরে ফর্মাল ড্রেস। ডার্ক রঙের প্যান্ট, সেমি ডার্ক শার্ট, লাইট রঙের টাই, ব্রাউন বেল্ট আর জুতা।সে ঐ ঘরে ভেতরেই মাঝে মাঝে হাঁটাহাটি করে, তার প্যান্ট শার্ট টাইয়ের রঙ বদলায় কিছুদিন পরপর, ব্রাউন বেল্ট আর জুতা বদলায় না। রাজীবও ঐ ঘর থেকে বের হতে পারে না...
╙ সুস্মিতার জীবন বাঁধা পড়ে গেছে আন্ডারকন্সট্রাকশন স্কুলটার সাথে। স্কুলটা দোতলা, তৃতীয় তলার কন্সট্রাকশন চলছে। একটুকরা মাঠ আছে, মাঠে একটা দোলনা, দুইটা সী-স, আর একটা স্লীপার। মাঠের ঘাসগুলা উজ্জ্বল সবুজ। সেই মাঠে নীল-সাদা স্কুল ড্রেসে বুক হুহু করা দুপুর সাড়ে তিনটায় ঘুরে বেড়ায় সুস্মিতা। কখনো দোলনায় দোল খায়, কখনো ঘাসের উপর পা ছড়িয়ে বসে থাকে, কখনো স্লীপারের সিঁড়িতে বসে থাকে। স্কুলের ঘন্টা বাজে, টিচাররা বিভিন্ন ক্লাস থেকে বের হয়, কেউ সুস্মিতার দিকে তাকায় না, কেউ তাকে ক্লাসে ঢুকতে বলে না...
╙ আলফেসানী থাকে একটা দরজার ওইপাশে। দাঁড়িয়েই থাকে, দাঁড়িয়েই থাকে...
╙ লিওনার্দ ইদানিং বেশ আসছে। তার মা ফ্রেঞ্চ, বাবা বাংলাদেশি। একটা বোতাম খোলা সাদা শার্ট আর মসগ্রীন গ্যাবার্ডিনের প্যান্ট পড়ে সে কুয়াশা ঘেরা ভোরে দাঁড়িয়ে থাকে এসফল্টের রাস্তায়...





নাম বদলানোর জন্য আকিকার ব্যবস্থা করা উচিত
কনসেপ্ট টা ভাল লাগলো। প্লটগুলো বিস্তৃত হোক।
এইটাই তো আকিকা পোস্ট। আপ্নেরা সবাই গিফট টিফট নিয়া এই পোস্টে চইলা আসেন
প্লটগুলো বিস্তৃত হইতেছে না
এবিতে স্বাগতম
রাইটার্স ব্লক নাকী? আমি একটা পরামর্শ দেই, শুনবা? পড়া শুরু করো। খালি পড়বা। নিবিষ্টভাবে পড়তে থাকো। নেটে না। বই পড়বা। শুয়ে বসে হেঁটে চলে খালি পড়বা... প্রবন্ধ পড়ো। কবিতা পড়ো। না পড়া উপন্যাসগুলো রীতিমত লিস্ট ধরে নোট রেখে রেখে পড়ো, আমি নিশ্চিত তারপর তোমার নিজের লিখতে ইচ্ছে করবে। তখন দেখবা কত ভাল লাগবে। অভ্যেসের মধ্যে ঢুকে গেলে তখন খালি পড়া আর নিজে লেখা।
নিয়মিত পড়ছি। সব কিছুই, যেই আমি পেপার পড়ি না সেই আমি ইদানীং খুটিয়ে খুটিয়ে পেপারও পড়ছি... তারপরেও কিছু আসছে না। দেখি আপনার কাছে থেকে কিছু বই নিতে হবে (অবশ্যই তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে দেবার শর্তে
)
পেপার পড়া আবার পড়ার মধ্যে পড়ে নাকি! বরং সেইটা নম নম করে পড়ো। যেটুকু না পড়লেই না আর কি। খুটিয়ে খুটিয়ে পেপার পড়া অলসতার আর আকাইম্মার লক্ষন
তুমি ঈদসংখ্যা ম্যাগাজিনগুলো পড়তে চাইছিলা। একদিন আসো। ফেরত দিবা এই শর্ত সাপেক্ষে বই নিয়ে যেও
কবে আসবো, দিন তারিখ দেন???
ট্রাই ট্রাই এগেইন....
ট্রাইতো করতেছিই
শেষেরটা ইন্টারেস্টিং লাগলো
এত সুন্দর নামটারে আবার অশুভ কেন দেখায়? এটা ঠিক না। জীবনে সবই শুভ হোক।
না লিখতে পেরে এসব যা লিখলেন সেটাই তো ভাল্লাগলো।
ঐটা আমার নিজেকে নিয়ে নিজের তৈরী একটা বিভ্রান্তি
কিছুই তো লিখিনাই, শুধু মাথার ভেতর থাকা চরিত্রগুলোকে বেরোনের একটা পথ খুঁজতেছিলাম
আগের প্রো পিক টাই ভালো ছিলো। নিজেকে নিয়ে এমন বিভ্রান্তি তৈরী হওয়া ঠিক না। নিজে যা চাইবেন সব তো শুভ হোক সেটাই চাইবেন, না কি?
এখন কোন ছবি দেখায় বুঝতেছি না
প্রোপিক না থাকলে যেই ডিফল্ট ছবিটা দেখায় আমিতো সেইটাই দেখি 
বিকালে যখন দেখলাম তখন আপনার এমন মাথা উল্টানো ছিলো না। জানালায় একটা পাখি বসে ছিলো।
সুস্মিতাকেই পছন্দ।
আমার চারজনকেই খুব পছন্দ...
এই কুশ্চেন বহুদিন আগে আমার মাথায় আসছিলো।

কি লেখা লিখলেন শুভ ভাই, আমি তো দ্বন্দে পড়ে গেলুম
মনে হয় আজকে রাতে শুয়ে শুয়ে ইনসেপশন দেখতে হবে।
হা হা হা... যা বলছেন। ইনসেপশন মুভিটা আমার নিজেরো অনেক প্রিয়
এলোমেলো প্লটই হোক আপনার আসল লেখা। প্রশ্নে শেষ হোক আমাদের সেই লেখা পড়া।
টেনশন না নিলেই প্লটগুলা ঠিকঠাক বড় হয়ে উঠবে, আমার বিশ্বাস।
টেনশন নেইনারে ভাই, কিন্তু প্লটতো আর আগায় না
রায়েহাত অর্থ কী?
আমার পিতৃদেবের ভাষ্যমতে রায়েহাত অর্থ সুগন্ধ/সৌরভ
পড়তে পড়তে ভাবছিলাম, আর আমার মাথার ভেতরে গল্প তৈরি হচ্ছিলো। দারুণ সব গল্প ঘুরছে আপনার মাথায়। প্রতিটিই আলাদাভাবে গল্প হয়, আবার সম্পর্কসূত্র স্থাপন করতে পারলে সবগুলো চরিত্র একটা বড়ো গল্পের অংশ হয়ে যায়! কোনটা করবেন?
সম্পর্কগুলো একসুত্রে বাঁধতে গেলে আমার বহুবছর লেগে যাবে
ইন্ডিভিজুয়ালই লিখবার চেষ্টা করবো...
রাজিবকে লাগলো নিজেই নিজের মনের সাথে যুদ্ধ করে চলছে!
সুস্মিতাকে কেন জানি আত্মাটাইপ চরিত্র মনে হলো!
আলফেসানি বেশি দূরের কেউ যেন!
লিওনার্ডো হতে পারে চটুল ক্যারেক্টার নয়তো কিছু একটা শকের মধ্যে দিয়ে যাওয়া কেউ!
সবাইকে নিয়ে আলাদা করেই লিখো.।।
রাজীবের ঘটনা অনেক ডালপালা ছড়ায়া ফেলছে, তাই ওরে বাইরে আনতে সাহস পাইতেছি না
কি যানি নাম ছিলো ঐ ভুতুরে হিন্দি সিরিয়ালটার? ঐটা খুব বেশি দেখছো নাকি ছুডুকালে
যে আমার সুস্মি'রে আত্মা মনে হইলো?
আলফেসানী আমার সবচাইতে কাছের মানুষ
লিওনার্দের ঘটনা অন্য...
মন্তব্য করুন