বৃষ্টিপাপ অথবা দৃষ্টিপাপ
*
উত্তুরে বাতাসে বৃষ্টিক্ষত ছড়িয়ে যায় ক্যান্সারের দ্রুততায়
টুপ টাপ টুপ টাপ টুপ
জলেদের ছন্দপতন জমা হয় নাগরিক পাপোষে।
অস্থির সন্ধ্যা, মুখ গুঁজে দেয় রাতের কনুইয়ের ভাঁজে
কপাল জুড়ে আলো ছড়াতে থাকা চাঁদের টিপটা বার বার ঢেকে যায়
মেঘেদের এলোচুলে।
বৃষ্টিপাপ অথবা দৃষ্টিপাপ আটকা পড়ে যায়
ছড়ানো ছিটানো স্পাইডার ওয়েবের শ্যেন প্রহরায়।
হাসির উচ্ছল পায়রা ওড়ে চতুর্দিকের কোলাহল সাথী করে
যেখানে কংক্রীট পথ, দু'হাত ছড়িয়ে থাকে আলিঙ্গনের আকাঙ্ক্ষায়।
অশান্ত গাড়িগুলো দ্রুতলয়ে দলে যায় পথের কোমলতা
তখন, বাড়ি ফেরার তাড়া জেগে ওঠে মহাশুন্যবাসী নক্ষত্রদের মাঝে।





আমি প্রথমে পড়ছিলাম
বৃষ্টিসাপ আর দৃষ্টিপাপ
পরে দেখলাম বৃষ্টিও পাপ দৃষ্টিও পাপ
বৃষ্টিসাপ শব্দটা পছন্দ হইছে...
আমার তো মনে হইলো বৃষ্টিসাপের চাইতে দৃষ্টি সাপ বিষয়টা বেশি ভালো যায়। বৃষ্টি পাপ অথবা দৃষ্টি সাপ...খারাপ লাগে না শুনতে।
আর কবিতায় চিত্রকল্প বেশ হইছে। আপনের বা আপনাদের প্রজন্মের বিদ্রোহী ভাল্লাগেনা এক্সপ্রেশনের স্বরটা কবিতার লব্ধ স্বরের মতোই আছে। তবে চিত্রকল্প বিষয়ে আমার কিছু নিজস্ব ব্যখ্যা বা ধারণা আছে। সাক্ষাতে কখনো সেইসব নিয়া আলোচনা করা যাবে।
সাক্ষাতে আলোচনার অপেক্ষায় থাকলাম।
বৃষ্টি সাপ, দৃষ্টি সাপ দু'টো শব্দই আমার কাছে খুব ভালো লাগতেছে। এই দুইটা দিয়া নেক্সট কবিতায় একটা এক্সপেরিমেন্ট চালাইবার ইচ্ছা রাখি...
আসলেই পরিচ্ছন্ন একটা দৃশ্যকল্প পাওয়া যায়। যদিও পুরোপুরি অনিশ্চয়তায় ডোবানো একটা কবিতা। মানে যে অর্থই দাঁড় করাই না কেন, পরক্ষণেই সেটা হারিয়ে যায়। তবে পড়তে বেশ লাগে।
ধইন্যা ধইন্যা...
কবির সাথে পার্সোন্যাল ইন্টারক্যাশন আছে বলেই জানি, আজ ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছিল, কবি ঘিয়ে ভাজা মুড়ি খেতে চেয়ে পাননি, অবশেষে তার দ্বারা এই পাপোষ মার্কা কবিতার উৎপত্তি হয়েছে
ভুল সবই ভুল
আমি ঘি দিয়া খিচুড়ী খাওনের আশা করছিলাম। আর রাইতে সেই আশা পূর্ণ হবার পরেই এই কবিতা লিখছি 
একে ঠান্ডা তায় বৃষ্টি চোখের সামনে তার উপর যদি বৃষ্টির কবিতা পড়া লাগে তাইলে তো বরফ খন্ড হয়ে যাব রে ভাই। তবে কবিতা ভাল হয়েছে। আর টাইপ করতে পারছি না আঙ্গুল বরফ হয়ে যাচ্ছে।
পড়ার জন্য ধইন্যা...
কবিতা পড়লে নরোম এক ধরণের ভালোলাগা অনুভূত হচ্ছে...
টুপ টাপ টুপ টাপ টুপ
জলেদের ছন্দপতন জমা হয় নাগরিক পাপোষে।
কি মিষ্টি! কি মিষ্টি!
মধু মধু...
কালকের বৃষ্টির সঙ্গে মানানসই হয়েছে কবিতাটা। এই ব্লগে বেশ কয়েকজন ভালো কবি আছেন। একেকজনের লেখার স্টাইল একেক রকম। কিন্তু সবাই-ই দারুণ লিখেন। প্রতিদিনই নতুন কিছু না কিছু পড়ার সুযোগ পাচ্ছি এবং সেগুলো খুবই সুখপাঠ্য। চমৎকার একটা ব্যাপার। আপনারা চালিয়ে যান। থামবেন না প্লীজ।
ধন্যবাদ...
পড়লাম।
আহা!
পড়ার জন্য ধন্যবাদ...
অস্থির সন্ধ্যা, মুখ গুঁজে দেয় রাতের কনুইয়ের ভাঁজে
কপাল জুড়ে আলো ছড়াতে থাকা চাঁদের টিপটা বার বার ঢেকে যায়
মেঘেদের এলোচুলে।
খুব সুন্দর।
ধন্যবাদ পড়বার জন্য...
বাহ, ভাল হৈসে!
থেংকু থংকু। আপ্নের ঘুম তাইলে শেষ হইছে
আপনার আরেকটা কবিতা কই গেলো?
আমি তো ভাবতিসিলাম আমি ভুল দেখসি। অন্য কারো কবিতা শুভ ভাইয়ের ভাবসি।
আমিও ঐ কবিতাটা খুঁজতেই আসছি। শিরোনামটা খুবই পছন্দ হইসিল।
ঐ কবিতাটা কমপ্লিট হয় নাই, তাই ড্রাফটে রাইখা দিছি
মন্তব্য করুন